বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:২১ পি.এম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এই ব্যক্তি, চেয়ার ছেড়ে দিতে বললেন দেশটির তরুণদের নতুন প্লাটফর্ম তেলাপোকা বা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। টানা ৩৭ দিনের তীব্র আন্দোলনের পর তিনি এ আহ্বান জানান। অভিজিৎ মোদিকে পরামর্শ দেন দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দেওয়ার জন্য এবং 'ইনফ্লুয়েন্সার' হয়ে যাওয়ার জন্য।
আবহাওয়া, দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়ে মোদিকে ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়ার বিষয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন। তিনি একইসঙ্গে প্রশ্নফাঁস রোধে লোকসভায় পাস হওয়া নতুন আইন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ‘তেলাপোকা পার্টির’ প্রতিষ্ঠাতা মন্তব্য করেন, আইন করলেই হবে না, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে কোনও পরিবর্তন আসবে না।
বুধবার (২৯ জুলাই) মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অভিজিৎ দিপকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খোঁচা দিয়ে এই মন্তব্য করেন। খবর প্রকাশ করেছে হিন্দ্যস্তান টাইমস।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের উদ্দেশে মোদির প্রকাশিত ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। অভিজিৎ বলেন, মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। যদি তিনি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে মোদির প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত এবং অন্য কাউকে দেশের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া উচিত।
এছাড়া, গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি সংসদে বলেন, নতুন নতুন অ্যাঙ্গেলে ভিডিও বানিয়ে জেন জির সমর্থন পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, বদলাতে হবে তার মনের অ্যাঙ্গেল।
প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা আইন বাস্তবায়ন করবেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকলে কোনও লাভ নেই। এই দেশে একের পর এক ভালো আইন হয়েছে, কিন্তু শুধু আইন পাস করলেই সবকিছু বদলে যায় না।
প্রশ্নফাঁসের মামলার জন্য মোদির ঘোষিত ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তিন দিন আগে নরেন্দ্র মোদি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এতে মানুষ ভেবেছিল প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার হবে। কিন্তু কী হয়েছে? অভিজিৎ দিপকে বলেন, প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেছে। তাই যত আইনই করা হোক, আইন বাস্তবায়নকারীরা দায়িত্বশীল না হলে, সেই আইনের কোনও অর্থ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : একদিন বিরতির পরে তেহরানের বিরুদ্ধে আবারও আক্রমণ শুরু করার মধ্যে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের ওপর 'তীব্র মাত্রার' আক্রমণ সম্পন্ন করেছে। এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
বার্তা সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে এ খবর প্রকাশ করেছে।
বুধবার গভীর রাতে সেন্টকম জানায়, 'গতকালের মার্কিন বাহিনীর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টার জবাবে আমাদের বাহিনী সফলভাবে ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র মাত্রার আক্রমণ সম্পন্ন করেছে।' এ হামলায় সামরিক কমান্ড সেন্টারসহ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের কয়েক ডজন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শারীরিক বা অন্য যেকোনো সীমাবদ্ধতা কোনো শিশুর স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হতে পারে না। পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিটি শিশুর মেধা ও সম্ভাবনার বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে (বুটেক্স) ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পরিবেশনায় আয়োজিত, দুই হাতহীন, অদম্য মেধাবী তরুণী আয়েশাকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য তথ্যচিত্র “পায়ের ছাপ”-এর বিশেষ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবনে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা এবং আত্মবিশ্বাস। তারা যদি মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে, তাহলে ভবিষ্যতে ডাক্তার, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, মহাকাশচারী কিংবা দেশের সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি, যা-ই হতে চায়, তা অর্জন করা সম্ভব।
তিনি বলেন, আয়েশার জীবনসংগ্রাম ও সাফল্য প্রমাণ করে যে দৃঢ় মনোবল থাকলে প্রতিকূলতাকে জয় করা যায়। তবে আমরা চাই না আয়েশার সাফল্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে থাকুক। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু যেন তার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে পারে, সে জন্য পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে কোনো শিশু পিছিয়ে থাকবে না এবং সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সভাপতিত্বে এই বিশেষ প্রদর্শনীতে তেজগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বুটেক্সের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার বিধির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি সেগুলো বাজেয়াপ্ত করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেনাদের পোস্ট করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ইরান তাদের হামলার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন করছে, এই গুরুতর উদ্বেগের পরই পদক্ষেপটি গৃহীত হচ্ছে।
সম্প্রতি রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সেনা সদস্যদের এই বিষয়ে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ ভাবে সেনাসদস্যদের অনলাইনে শেয়ার করা বিভিন্ন পোস্ট ইরানকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রভাব সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে সহায়তা করছে। ইলেকট্রনিক জ্যামিং ও সামরিক কৌশলের কারণে ইরান সাধারণত নির্দিষ্টভাবে বুঝতে পারে না যে তাদের দেয়া অস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে কিনা, নাকি ১০০ মিটার দূরে পড়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও এবং সেনাদের দেওয়া বিবরণ থেকে ইরান সহজেই হামলার মূল্যায়নের সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে কোনরকম খরচ ছাড়াই।
এ বিষয়ে একটি স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে গত ১৭ জুলাই জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানি হামলার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দিন এক মার্কিন সেনাসদস্য মেটা স্মার্ট গ্লাসের মাধ্যমে সতীর্থদের বাংকারে পাঠানো মুহূর্তটি রেকর্ড করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন। অ্যাডমিরাল কুপার সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের ভিডিও দেখে শত্রু পক্ষ খুব সহজেই তাদের দ্বিতীয় দফার হামলার লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন করে এবং আরও বড় বিধ্বংসী আঘাত হানতে পারে।
জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে কর্মরত সেনাসদস্যদের ইতোমধ্যে যেকোনো মুহূর্তে ফোন জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে একে নিরাপত্তা বজায় রাখার সাধারণ তাগিদ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, তবে রয়টার্স নিশ্চিত করেছে যে বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ে নীতি আলোচনা চলছে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে, তা ওই অঞ্চলে মোতায়েন হাজার হাজার মার্কিন সেনার পরিবারের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুতর প্রভাব ফেলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজমান থাকলেও, কেবল সময়মতো টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য কোনো ধরনের আপস করতে রাজি নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। তার মতে, পরবর্তী আসর হলে সেটি হতে হবে সুপরিকল্পিত ও মানসম্মত।
বুধবার বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভার পর সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল নিয়ে বোর্ডের অবস্থান তুলে ধরেন তামিম। তিনি বলেন, ‘বিপিএল আমি কেবল করার জন্য করব না। আমার মনে হয় না হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে। আমরা যদি সামনে বিপিএল করি ভালোভাবে করব। যেভাবে করা দরকার সেভাবে করব।’
এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রশাসনেও নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। সম্প্রতি আইসিসির বোর্ড সভায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট তদারকি-সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তামিম।
সভাপতি বলেন, ‘আইসিসির মিটিং ভালোই হয়েছে। ৯ জুলাই প্রথম ইনফরমাল মিটিংয়ে জয়েন করি। ১১-১২ জুলাই দুইদিন ফরমাল মিটিংয়ে জয়েন করি। তারা আমাকে স্বাগত জানিয়েছে। আমি আমার স্পিচ দিয়েছি। আমার যেখানে কথা বলা দরকার ছিল সেখানে বলেছি।’
নতুন দায়িত্বকে দেশের জন্য গর্বের বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয় এবং দেশের জন্যও প্রথম দিনেই আমাকে একটা কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। বিশ্বে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন লিগ চালু করছে। সেগুলোর দেখাশোনা করা, প্রসেস ঠিক আছে কিনা। এখন যে লিগ হচ্ছে, যে কাজ হওয়া উচিত না সেগুলো হচ্ছে কিনা। এসব দেখার জন্যই কমিটি বানানো হয়েছে। আরও কিছু কাজ আছে। অনেক জরুরি কমিটি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেরও ব্যাপার আছে। এসব কমিটি সেসব আলোচনা করে সঠিক পদক্ষেপ নেবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ