ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি


বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও আইনজীবীদের জন্য পোশাকবিধিতে পরিবর্তন এনেছে।

নতুন নির্দেশনার মতে, বিচারক ও আইনজীবীরা আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কালো কোট পরা বাধ্যতামূলক হবে না।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচার শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা গাউন এবং ক্ষেত্রবিশেষে সাদা ফুলশার্ট অথবা সাদা শাড়ি/সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাদা নেক ব্যান্ড ব্যবহার করবেন। তবে, কালো কোট পরিধানের বাধ্যবাধকতা এখানে আর থাকবে না।

আইনজীবীদের জন্য, পূর্বের নির্দেশনা বজায় রেখে বলা হয়েছে, তারা সাদা ফুলশার্ট অথবা সাদা শাড়ি/সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাদা নেক ব্যান্ড বা কালো টাই পরিধান করবেন। তাদের ক্ষেত্রেও কালো কোট ও গাউন পরিধান করা বাধ্যতামূলক নয়।

এদিকে, নির্দেশনা জানানো হয়েছে যে, এই পরিবর্তন ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

নতুন নির্দেশনাটি দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, বিভিন্ন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, শ্রম আদালতসহ সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির টেলিফোনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির টেলিফোনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছেন।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যে ভঙ্গুর বোঝাপড়া রয়েছে, তা নতুন করে চাপের মুখে পড়ার কারণে, এই আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বক্তৃতা হয়েছে।

এক্স-এ এক বিবৃতিতে মোদি উল্লেখ করেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এটি অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আনতে সাহায্য করবে।

তিনি আরো বলেন, হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যা ভারত ও বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, ইরানের পেজেশকিয়ান প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এই অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর বিষয়ে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া বোঝাপড়াকে স্বাগত জানান এবং ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন যে সকল সমস্যার সমাধান সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত।

মোদি এক্সে পোস্ট করে লেখেন, 'পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। আলোচনায় যে অগ্রগতি হয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়েছি এবং আশা প্রকাশ করেছি যে, নিরন্তর প্রচেষ্টা এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি বয়ে আনবে। ভারত এবং বিশ্বের জন্য হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছি।'

এছাড়া মোদি এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নৌ ও বাণিজ্যের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অব্যাহত চেষ্টা অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

এই ঘটনাটি ঘটেছে এমন এক সময়ে যখন ইরান মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উত্তেজনার সময়ে এটি প্রথমে বিলম্বিত হওয়ার পর, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াটি ৫ থেকে ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এবং ইরানের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এতে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোটেলে রাতভর ‘মৌজ-মাস্তি’র অভিযোগ এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


হোটেলে রাতভর ‘মৌজ-মাস্তি’র অভিযোগ এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে

রাজধানীতে হোটেলকক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ধরে নানা ‘অশ্লীল-অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। হোটেলের সেই দুটিরুমে রাতভর ‘মৌজ মাস্তিতে’ যোগ দিতেন দলটির আরো কয়েক ডজন নেতা। সেখানে দিন-রাত অবাধ আনাগোনা ছিল নারীদের। এমনকি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে যে, তারা হোটেল ভাড়া পরিশোধ না করেই চলে যান।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এনসিপির ওই নেতারা হলেন, ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ। এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্যসচিব। বাকিরাও দক্ষিণের কমিটিতে বিভিন্ন পদপদবিতে রয়েছেন। শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের আগে ছাত্রলীগের সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি ছিলেন স্থানীয় এমপির ঘনিষ্ঠজন। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তিনি রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিবের পদ লাভ করেন। শাহরিয়ারের বাবাও ছিলেন পতিত সরকারের যাত্রাবাড়ী এলাকার এমপি কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর বিশেষ সহকারী।

কালবেলার প্রতিবেদনে প্রকাশ হয় যে, এনসিপির পাঁচ নেতার কাছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকার আবাসিক হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা হোটেল ভাড়া বকেয়া রয়েছে। ভাড়া নেওয়া রুমে নারীদের অবাধ যাতায়াত করতেও দেখা যায়। এ বিষয়ে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। হোটেলটির মহাব্যবস্থাপক খন্দকার রুহুল আমিনের স্বাক্ষরে এ অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এই পাঁচ নেতার নেতৃত্বে কয়েক ডজন নেতা সেখানে নিয়মিত রাত্রিযোগে অবস্থান করতেন। পাশাপাশি নারীদের আনাগোনাসহ নানা ধরনের অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এনসিপির কয়েকজন সমন্বয়ক আওয়ামী লীগ কার্যালয় সংস্কারের কাজের কথা জানিয়ে হোটেলটিতে অবস্থান নেন। পরে তারা ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় আট মাস হোটেলের ৭২৫ ও ৭২৭ নম্বর কক্ষ দুটি ব্যবহার করেন। হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিটি কক্ষের দৈনিক ভাড়া ছিল ৩ হাজার টাকা। সে হিসাবে দুই কক্ষের মোট ভাড়া দাঁড়ায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা। বুকিংয়ের সময় তারা ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করলেও পরবর্তী সময়ে বাকি অর্থ পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দলীয় পরিচয়ের কারণে সরল বিশ্বাসে হোটেলে থাকার সুযোগ পান। কিন্তু পরে বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করেই হোটেল ত্যাগ করেন। পাওনা টাকা চাইলে হোটেল কর্তৃপক্ষকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, হোটেলে অবস্থানকালে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দলীয় নেতৃত্বের সহযোগিতায় বকেয়া অর্থ আদায় সম্ভব না হলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরবে।

অভিযোগপত্রে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ। এই পাঁচজনের নেতৃত্বে আরও কয়েক ডজন নেতা সেখানে নিয়মিত অবস্থান করতেন। এ বিষয়ে হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনালের হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কাজল জানান, এনসিপির নেতারা হোটেলে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ছিলেন। হোটেল বুকিংয়ের সময় ১০ হাজার টাকা দিলেও পরে আর কোনো ভাড়া দেননি। হোটেলে যারা ছিলেন তাদের কারো বাসা শনিরআখড়া, জুরাইন আবার কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তারা এখানে হোটেলে এসে আড্ডা দিত রাতভর। তাদের সঙ্গেও লোকজন আসত। প্রায় তারা ‘নারীদের’ নিয়ে আসত। তাদের সঙ্গে যারা আসত তারাও ‘নারীদের’ নিয়ে আসত। আমরা বলেছি যে, নারী এলাওড না। তারা তখন বলেছে—আপনাদের কাজ আপনি করেন, আমাদের কাজ আমাদের করতে দেন।

তিনি আরো বলেন, বকেয়া ভাড়ার বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমরা কয়েকবার বসেছি। তারা আমাদের ম্যানেজমেন্টকে বলেছে যে, টাকা আমরা দিয়ে দেব। কবে নাগাদ দেবেন তা বলেননি। প্রায়ই ভাড়া চাইতাম। তারা ঘুরাইত। নির্বাচনের পর দিন দেখি তারা আর নেই। পরে আমরা তালা ভেঙে রুম ক্লিন করে নতুন তালা দিয়ে রুম ভাড়া দিয়ে দিয়েছি। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য আমরা এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব বরাবর অভিযোগ করেছি। এসব অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার বলেন, ‘হোটেলের রুম ভাড়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। নারী নিয়ে হোটেলে অবস্থানের প্রশ্নই আসে না। ওই ব্যক্তিটি আমি নই, তা যাচাই করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। শিক্ষার্থীদের মারধরের যে ভিডিওটির কথা বিভিন্ন সময়ে বলা হয় ওই ভিডিও পুরোনো, ২০২৩ সালের।’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক মির্জা বলেন, ‘ওই হোটেলে দুটি রুমে আমাদের কয়েকজন ছিল। তবে রুম ভাড়ার বিষয়ে আমি অবগত না। ওই সময়ে রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন আন্দোলনের সময় আমি দু-একবার দেখা করতে হোটেলে গিয়েছি। আন্দোলনের সময় রাত হয়ে যাওয়ায় রাতে অনেকে সেখানে থাকত। এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই।’

এ বিষয়ে আরেক অভিযুক্ত এনসিপি নেতা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘হোটেল ভাড়ার বিষয়টি আমি অবগত না। ওই রুমটি তো আমার নামে বুক হয়নি। যে পাঁচজনের কথা বলা হচ্ছে, তার মধ্যে একজন ভাড়া নিয়েছে। তিনি হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমি তাদের সঙ্গে ওখানে গিয়েছিলাম এটা সত্যি। দুই রুমে কখনো পাঁচজন, সাতজন এমনকি দশজনও থেকেছি আমরা। সঠিক তথ্য জানতে হলে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।’ এনসিপির যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান সমন্বয়কারী মিরাসাত হোসেন হিমেল বলেন, ‘আমি ওই হোটেলে গিয়েছি এমনটি মনে পড়ে না। হোটেলের কে অভিযোগ করেছেন আমাকে একটু জানান।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই বিষয়ে অভিযোগ যেহেতু আসছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা কমিটি আছে তারা বিষয়টি দেখতেছেন। শৃঙ্খলা কমিটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরে সেই অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে ৬০০ কেজি আম উপহার দিল সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে ৬০০ কেজি আম উপহার দিল সরকার

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার জন্য সরকার একটি শুভেচ্ছা উপহার হিসাবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাতের আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা আম পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে এই আমগুলো ভারতের আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য মোট ১২০ কার্টন আম পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি কার্টনে ৫ কেজি করে মোট ৬০০ কেজি আম থাকছে। উপহারের সব আমই আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা জাতের।

আখাউড়া কাস্টমস ও বন্দর সূত্র জানায়, একটি পিকআপ ভ্যানে করে দুপুরে আমগুলো আখাউড়া স্থলবন্দরে আনা হয়। পরে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট শোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত অতিক্রম করে সেগুলো ভারতের আগরতলায় পৌঁছানো হয়।

আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের মাধ্যমে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা এবং রাজ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে এই উপহারের আমগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে পশুখাদ্য তৈরির অভিযোগে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে পশুখাদ্য তৈরির অভিযোগে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে গবাদিপশুর খাবার তৈরি করার দায়ে মেসার্স শাহীন ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের অভিযানের সময় এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। তিনি জানান, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে জীবননগরে অবস্থিত মেসার্স শাহীন ট্রেডার্স তদারকিকালে সেখানে অবৈধভাবে অন্য কোম্পানির নামে ভুসি তৈরি ও বাজারজাতকরণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এই ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. সাইফুল হকের নিকট থেকে জরিমানা হিসেবে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযান পরিচালনাকালে ক্যাব প্রতিনিধি অ্যাড. রফিকুল ইসলাম এবং জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%