মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৩:১৭ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের চারারগোপ ৫ নম্বর ঘাট সড়কে একটি উৎসব পরিবহন বাসের সঙ্গে তিনটি মিশুকের ভ'য়া:ব'হ সং*ঘ'র্ষে/র ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বাসটি পার্কিংয়ে থাকা দুটি মিশুক এবং যাত্রীসহ চলাচলরত আরও একটি মিশুককে সজোরে ধা'ক্কা দেয়। মিশুকে থাকা দুই যাত্রী গুরুতর আ''হ'ত হন। দু*র্ঘট'নায় ওই দুই যাত্রীর পা বি'চ্ছি'ন্ন হয়ে যায় এবং মিশুকচালকের একটি হাত বি'চ্ছি'ন্ন হয়ে যায় বলে জানা গেছে।
আ'হ'ত'দে'র দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের অবস্থা অত্যন্ত আ'শ'ঙ্কা'জ'ন'ক।
এমন ম'র্মা'ন্তি'ক দু*র্ঘট'না সত্যিই হৃদয়বিদারক। মহান আল্লাহ তায়ালা আ'হ'ত সকলকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন এবং তাঁদের পরিবারকে এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শক্তি দিন।
বিশেষ সতর্কমূলক: এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য পথচারী ও শিক্ষার্থী যাতায়াত করেন। ৫ নম্বর ঘাট সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সকল পথচারী ও শিক্ষার্থীদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানাচ্ছি। রাস্তা পারাপারে তাড়াহুড়ো করবেন না এবং যানবাহন চালকদেরও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
আপনার একটু সচেতনতাই বাঁচাতে পারে একটি মূল্যবান জীবন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
“নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায়
গৌরীপুর পৌর সভা ও গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরাম যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক এবিএম কাউছার জামান।
গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি শাহজাহান কবির হিরার নেতৃত্বে অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচটি তোফাজ্জল, সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, সিনিয়র সদস্য কাজী আব্দুল্লাহ আল আমিন, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সম্মানিত সদস্য আনোয়ার হোসেন শাহীন, আলী হায়দার রবিন, রায়হান উদ্দিন সরকার, আরিফ আহাম্মেদ, কামাল উদ্দিন, আব্দুর রউফ দুদু, মতিউর রহমান, সুপক রঞ্জন উকিল, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, গোলাম মোস্তফা, আশিকুর রহমান আশিক ও শামীম আলভীসহ পৌরসভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অভিযানের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আয়োজকরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু অভিযান নয়, বরং নিয়মিতভাবে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবার বিক্রি করা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি না করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছেলেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন রুবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অতীতে জমি দখলের অভিযোগও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে চরজব্বর থানায় এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক (৫০)।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খাসেরহাট রাস্তার মাথা এলাকার মৃত সাইদুল হক ও তার স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের কাছ থেকে ২০১০ সালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের নামে সরকারি বন্দোবস্তীয় ২৪ শতক জমি কেনেন তার চাচা সিরাজ মিয়া। জমি কেনার পর সেখানে দোকানপাট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন তিনি। নোটারি চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, সরকারি জরিপে বিএস খতিয়ানে জমিটি বিক্রেতাদের নামে সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত হলে তারা ক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রি করে দেবেন। একইভাবে সাইদুল হকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আলী আক্কাস, শাহাদাত হোসেন, জাহানারা বেগম ও বেলাল হোসেনসহ আরও কয়েকজন জমি কেনেন।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ১ মে সাইদুল হকের মৃত্যুর পর সরকারি জরিপে জমিটি তার ও স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের নামে বিএস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত হয়। এরপর ওয়ারিশ হিসেবে তাদের ছেলেরা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে উল্টো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিরাজ মিয়া ও অপরাপর ক্রেতাদের ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। এরই মধ্যে কিছু জমি দখলও করা হয়েছে ।
একরামুল হক অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ২০ অক্টোবর সকালে দেলোয়ার হোসেন রুবেল (২৮), মো. শিপন (৪৫), মো. খোকন (৩৮) ও মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৪) পুনরায় তার চাচা সিরাজ মিয়ার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, সাইদুল হকের ছেলেরা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় জমি দখল ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে ছবি তুলে নিজেদের নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তাদের। দেলোয়ার হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।
ভুক্তভোগী একরামুল হক বলেন, জমির প্রকৃত ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে উল্টো তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন রুবেলের স্ত্রী মিলি আক্তার বলেন, তার স্বামীসহ পরিবারের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জমির বৈধ কাগজপত্র তাদের পরিবারের নামে রয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার স্বামীকে আওয়ামী লীগের তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে।
চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা বলেন, সাইদুল হক জীবিত থাকাকালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সিরাজ মিয়াসহ কয়েকজনের কাছে ওই জমি বিক্রি করেন। পরে ক্রেতারা সেখানে দোকানপাট নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে ভোগদখল করে আসছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে সাইদুল হকের ছেলেরা একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং দুটি কক্ষ দখলও করে নেন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে মামলা হলে শুনানি শেষে ক্রেতাদের পক্ষে রায় দেওয়া হয়। বর্তমানে আবারও তারা দোকানপাটসহ ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, সিরাজ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে একটি পাঁচ তারকা হোটেলের সুইমিং পুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু ঘটেছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেঙ্গালুরুর উলসুরের কনরাড হোটেলের তৃতীয় তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুইজন নাগরিক জার্মান ও স্লোভাকিয়ার ছিলেন বলে জানা গেছে। সুইমিং পুলে ওই দুই বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করার চেষ্টা করতে গিয়ে হোটেলের দুই কর্মচারী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং অন্যজন ভারতীয় নাগরিক।
নিহত জার্মান নাগরিকের নাম আলেকজান্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ান থেইস (৫৭), যিনি লুফথানসা এয়ারলাইনসের কর্মী ছিলেন। অপরদিকে, প্রাণ হারানো স্লোভাক নাগরিকের নাম জুরাজ হরভাট (৪৫), যিনি প্রযুক্তি জায়ান্ট আইবিএম-এর একজন প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় হোটেলের তৃতীয় তলায় অবস্থিত সুইমিং পুলে সাঁতার কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় নিহত জার্মান নাগরিকের সিলভিয়া অটোয়া পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীরা সুইমিং পুল থেকে বের হওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং পরে ডুবে যান।
সুইমিং পুলের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এই মৃত্যু ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বেঙ্গালুরু পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিল্পী মণি মাঝির একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘নন-ডুয়ালিটি (অদ্বৈত)’ শুরু হয়েছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে। প্রদর্শনীটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ৩০ অক্টোবর, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হয়। দর্শকদের জন্য প্রদর্শনীটি আগামী ১০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
এই প্রদর্শনীটি সুন্দরবনের নদীবিধৌত ভূপ্রকৃতি, লোকসংস্কৃতি এবং মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যকার গভীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার উপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। শিল্পী প্রকৃতি ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য রূপ তুলে ধরেছেন সুন্দরবনের নদী, বন, জোয়ার-ভাটা, মাটির লবণাক্ততা, প্রাণী এবং ঐতিহ্যবাহী পৌরাণিক আখ্যানের মাধ্যমে।
অদ্বৈত ধারণার আলোকে প্রদর্শনীতে দেখানো হয়েছে কীভাবে সুন্দরবন অঞ্চলে ধর্মীয় সীমানা অতিক্রম করে এক অভিন্ন সাংস্কৃতিক দর্শন গড়ে উঠেছে। বনদুর্গা ও বনবিবিকে একই মায়ের রূপ হিসেবে দেখা হয়, পবন ঠাকুর ও পবন পিরও একই লোকবিশ্বাসের পরিমণ্ডলে স্থান পেয়েছেন। আতিথেয়তার প্রতীক হিসেবে নিচু কাঠের ‘পিঁড়ি’ এবং ঝড়-বৃষ্টির সময় পবনকে শিন্নি-পায়েস নিবেদনের লোকাচারগুলোর মাধ্যমে মানুষের শ্রদ্ধা ও নির্ভরতার চিত্র উঠে এসেছে।
তবে জলবায়ু সংকট, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চাপে রূপসী সুন্দরবনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক বাস্তুতন্ত্র আজ বিপন্ন। নদী গতিপথ হারাচ্ছে, লবণাক্ততা বাড়ছে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী তাদের স্মৃতি ও পরিচয় ক্ষয়ের মুখোমুখি হচ্ছে।
এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে শিল্পী মণি মাঝি প্রদর্শনীতে এক নতুন বার্তা নিয়ে এসেছেন—আজ আমরা সবাই যেন ‘সবুজের শরণার্থী’। নদী, বীজ, বৃক্ষ ও বন্যপ্রাণী সকলেই আজ তাদের নিজ বাসভূম থেকে বাস্তুচ্যুত। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে কী হারিয়ে যায় এবং কীভাবে তা পুনরুদ্ধার সম্ভব—এই গভীর প্রশ্নই শিল্পকর্মগুলোর মাধ্যমে উত্থাপন করা হয়েছে।
শিল্পী মণি মাঝির ‘নন-ডুয়ালিটি’ প্রদর্শনীটি দর্শকদের মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের পারস্পরিক সম্পর্ককে সমকালীন সংকট ও ভাবনার আলোকেও নতুন করে অনুধাবন করার আহ্বান জানায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ