বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৭ পি.এম
খুলনায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে সৈকত মণ্ডল (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে, জেলার দাকোপ উপজেলার বাজুয়ার বেড়েরখাল এলাকায়।
নিহত সৈকত বাজুয়া বেড়েরখাল এলাকার তারক মন্ডলের পুত্র। তিনি ছিলেন তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সৈকত দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন।
মঙ্গলবার রাতে বাজুয়ার সাপ্তাহিক হাট থেকে বাজার করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে তিনি দুর্ঘটনায় পড়েন।
পথে বাজুয়া চড়ারধার সংলগ্ন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ মাথা ঘুরে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান সৈকত। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু রাতেই খুলনায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
দাকোপ থানার ওসি খায়রুল বাসার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সৈকত মণ্ডল মৃগী রোগী ছিলেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে প্রথমবারের মতো পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ মেশিনারির একটি চালান পাঠানোর মাধ্যমে অঞ্চলটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
বেপজা সূত্রে জানা গেছে, অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এর প্রথম রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান লিজ টোব্যাকো মেশিনারি কোম্পানি লিমিটেড গত ৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানির অনুমতি লাভ করে। এরপর প্রতিষ্ঠানটি গতকাল ইন্দোনেশিয়ায় যন্ত্রপাতির ওই চালান পাঠিয়েছে। এই রপ্তানির মাধ্যমে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ এখন অপারেশনাল পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এর ফলে বেপজার অধীনে চালু শিল্পাঞ্চলের সংখ্যা ১০টিতে দাঁড়াল। এর মধ্যে রয়েছে আটটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) ও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল।
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এর নির্বাহী পরিচালক মো. ওহিদুজ্জামান মন্তব্য করেন, "ইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি শুরুর ফলে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ তৈরি হবে।"
তিনি আরও বলেন, "ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। এ অবস্থায় বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে দেশটিতে রপ্তানি শুরু হওয়া বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ ও গন্তব্যে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।"
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত লিজ টোব্যাকো মেশিনারি একটি শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান। তামাকজাত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেয় বেপজা। এতে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৩ দশমিক ৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২৯ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।
মীরসরাইয়ে ১ হাজার ১৩৮ দশমিক ৫৫ একর জমির ওপর বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক ও পরিচালন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে অঞ্চলটিকে অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ ও অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ নামে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। অর্থনৈতিক অঞ্চল-১-এ মোট ৪৭টি প্রতিষ্ঠানকে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে।
অন্যদিকে, অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এ প্লট বরাদ্দ পেয়েছে ১৮টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে লিজ টোব্যাকো মেশিনারি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে। খুব শিগগির আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও রপ্তানি শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাকি ১৪টি প্রতিষ্ঠানের কারখানা নির্মাণকাজ বর্তমানে চলমান।
তথ্য সূত্র- টিবিএস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের প্রত্যন্ত লং লেল্লাং এলাকায় একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাইলট এবং দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চারজন কর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লং লেল্লাং শর্ট টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (STOL) বিমানবন্দরের নিকটবর্তী স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি একটি ফ্লাইং ডক্টর সার্ভিস মিশনের অংশ হিসেবে উড়ছিল।
মালয়েশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAM) জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত হেলিকপ্টারটি বিও-১০৫ মডেলের ছিল। এতে পাইলটসহ মোট পাঁচজন যাত্রী ছিলেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিহত চার কর্মীর মধ্যে একজন মেডিকেল কর্মকর্তা, একজন সহকারী মেডিকেল কর্মকর্তা এবং দুজন নার্স ছিলেন। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করতে ওই ফ্লাইটে ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর প্রথমে ঘন কুয়াশা এবং দুর্গম অবস্থানের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা সৃষ্টি হয়। পরে উদ্ধারকারী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দেশটির ‘বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো’ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। সূত্র: মালয়েশিয়ার জাতীয় বার্তা সংস্থা বেরনামা ও দ্য স্টার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের নাগোয়া শহরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের কারণে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী শত শত অ্যাথলেটকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার, মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে শহরটিতে প্রায় ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয় এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কিছু এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
নাগোয়া পোর্ট অথরিটির একজন কর্মকর্তা জানান, শহরের গার্ডেন পিয়ার এলাকায় অস্থায়ী আবাসনে থাকা শত শত অ্যাথলেটকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর পরিস্থিতির উন্নতি হলে তারা আবার তাদের আবাসস্থলে ফিরে যান।
নাগোয়ার মেয়র ইচিরো হিরোসাওয়া জানিয়েছেন, কনটেইনারকে আবাসন হিসেবে রূপান্তর করে তৈরি অস্থায়ী ঘরে থাকা প্রায় ৪০০ অ্যাথলেট ও কর্মকর্তা ভারী বৃষ্টির সময় উঁচু এলাকায় আশ্রয় নেন। যদিও কয়েকটি স্থাপনার ছাদ দিয়ে পানি ঢুকেছে, তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আগামী বৃহস্পতিবার থেকে এশিয়ান গেমসের কয়েকটি প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ভেন্যুতে বৃষ্টির পানি ঢোকার খবর পাওয়া গেছে। তবে মেয়র হিরোসাওয়া বলেছেন, পরিস্থিতি এখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গেমস আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে।
তিনি বলেন, কিছু ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার মতো সীমিত প্রভাব পড়েছে। তবে ১৯ সেপ্টেম্বরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানসহ পুরো আয়োজন চালিয়ে নিতে বড় কোনো বাধা হবে না বলে তারা মনে করছেন।
এবারের এশিয়ান গেমসে নির্দিষ্ট কোনো অ্যাথলেট ভিলেজ রাখা হয়নি। এর পরিবর্তে একটি ক্রুজ জাহাজ, অস্থায়ী কাঠের কনটেইনার ও বিভিন্ন হোটেলে অ্যাথলেটদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৯ সেপ্টেম্বর হলেও কয়েকটি ইভেন্ট তার আগেই শুরু হবে। বৃহস্পতিবার বাস্কেটবল দিয়ে প্রাথমিক প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
ভারী বৃষ্টির কারণে মঙ্গলবার নাগোয়ায় সাময়িকভাবে সাবওয়ে ও বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়। একই সঙ্গে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা ওই এলাকার একটি বড় নদীর জন্য সর্বোচ্চ মাত্রার বন্যা সতর্কতা জারি করে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষ জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেন।
এবারের এশিয়ান গেমসে ১৭ হাজারের বেশি অ্যাথলেট ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক অলিম্পিকের চেয়েও বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউ জিল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার বিগ ব্যাশ লিগে খেলার একটি আকর্ষণীয় প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার দেশের ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আর্থিক সুবিধার তুলনায় তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মধ্যে কেন্দ্রীয় চুক্তি ত্যাগ করে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তিতে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিগ ব্যাশসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। স্যান্টনারের জন্যও একই পথ খোলা ছিল। কিন্তু তিনি কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিগ ব্যাশের সময় নিউ জিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুম চলতে থাকে, ফলে দেশটির ক্রিকেটারদের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং জাতীয় দলের দায়িত্বের মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। টিম সাইফার্ট, অ্যাডাম মিল্ন, লকি ফার্গুসন, ফিন অ্যালেন ও মার্ক চ্যাপম্যান ইতোমধ্যে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তির দিকে অগ্রসর হয়েছেন। সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও একই ধরনের চুক্তিতে ছিলেন।
নিউ জিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আর্থিক আয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট অনেক ক্রিকেটারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে স্যান্টনার মনে করেন, দেশের ক্রিকেটে তার এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
স্যান্টনার নিউ জিল্যান্ড হেরাল্ডকে বলেন, বিগ ব্যাশের প্রস্তাবটি সত্যিই আকর্ষণীয় ছিল এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব সহকারে ভেবেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "মিথ্যা বলব না, প্রস্তাবটি ভালো ছিল। তারা জানত, চুক্তির শর্ত এবং সামনে যা কিছু আসবে, সবকিছু বিবেচনায় রেখেও প্রস্তাবটি আকর্ষণীয় হতে হবে। আমিও বিষয়টি নিয়ে ভেবেছিলাম। কিন্তু আমাদের সামনে যা কিছু আছে, সেদিকে তাকালে মনে হয়, টেস্টে আমি প্রতিটি ম্যাচ না খেললেও দলে আমার একটি ভূমিকা থাকবে।"
সাদা বলের অধিনায়কত্বও তার সিদ্ধান্তে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে। ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তিতে থেকেও নেতৃত্ব চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য পথ নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। তবে স্যান্টনার সেটিকে উপযুক্ত মনে করেননি।
তিনি আরও বলেন, "অধিনায়কত্ব ছাড়তে চাই না আমি। আমার জন্য তাই সিদ্ধান্তটি নেওয়া সহজ ছিল। অবশ্য এমন আলোচনাও হয়েছিল যে, একটা পথ বের করা যেত। কিন্তু কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থেকে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা এই পর্যায়ে ঠিক হতো কি না, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।"
নিউ জিল্যান্ডের সামনে একটি ব্যস্ত সাদা বলের সূচি রয়েছে। আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং পরের বছর দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। স্যান্টনার দুটি টুর্নামেন্টেই দলের নেতৃত্ব দিতে চান। তিনি বলেন, "আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ আছে। তার পরের বছর নিউ জিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আমি এসবের অংশ হতে চাই। তখনও যদি দলের নেতৃত্ব দিতে পারি, তাহলে দারুণ হবে।"
তবে সতীর্থদের ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন না স্যান্টনার। বরং নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের আর্থিক বাস্তবতা তিনি বুঝতে পারছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ