ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাইকেল চালান, অজান্তেই শুক্রাণু কমছে!


সাইকেল চালান, অজান্তেই শুক্রাণু কমছে!

হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পেশির শক্তি বৃদ্ধি এবং মানসিক চাপ কমানোর জন্য নিয়মিত সাইক্লিংয়ের একাধিক উপকারিতা রয়েছে। দৌড়ের তুলনায় জয়েন্টের উপর চাপও তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু সাইকেলের প্যাডেলে পা রাখা অবস্থায় কি অজান্তেই পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যের উপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইক্লিং মানেই বন্ধ্যত্বের সমস্যা নয়। সাধারণ বা মাঝারি মাত্রায় সাইক্লিং করলে পুরুষের ফার্টিলিটি নষ্ট হওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।

কতক্ষণ সাইক্লিংয়ে সমস্যা?

আরও পড়ুন: ৩০ সেকেন্ডের অভ্যাসে মানসিক চাপ কমানো সম্ভব

সাইক্লিং বন্ধ্যত্বের কারণ নয়। পুরুষদের ফার্টিলিটি রক্ষা করার জন্য সাইক্লিং বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। তবে সাধারণ সিটে দীর্ঘ সময় সাইক্লিং করা অথবা একটানা কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত জোরে সাইক্লিং করলে পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যে কিছু প্রভাব পড়তে পারে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে ৫ ঘণ্টা বা তার বেশি সাইক্লিং করা পুরুষদের মধ্যে শুক্রাণুর ঘনত্ব কমে যেতে পারে এবং কম গতিশীল শুক্রাণুর ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। অর্থাৎ, সপ্তাহে দু’-তিন দিন অল্প সময় সাইকেল চালানোর সঙ্গে নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ সাইক্লিংয়ের তুলনা করা উচিত নয়।

সিটেই কি লুকিয়ে বিপদ?

দীর্ঘ সময় সাইকেলের সিটে বসে থাকার ফলে শরীরের দুই পায়ের মাঝের অংশে, অর্থাৎ পেরিনিয়ামে দীর্ঘ সময় চাপ পড়ে। সিটের চাপ ও ঘর্ষণের সঙ্গে ওই অংশের তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পেতে পারে। অণ্ডকোষের আশপাশের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হলে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

আরও পড়ুন: খালি পেটে গরম পানির সঙ্গে মধু খেলে কী উপকারিতা হয়?

শুধু তাপমাত্রা নয়, ভুল সিটের কারণে স্নায়ু ও রক্তনালীর উপরেও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। দীর্ঘ সময় একই অবস্থায় বসে থাকলে ওই অঞ্চলে রক্তসঞ্চালন সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে। বারবার এমন হলে শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা এবং গঠনের উপরও প্রভাব পড়তে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় সাইক্লিংয়ের ফলে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। অত্যন্ত কঠিন ও দীর্ঘ ওয়ার্কআউট শরীরে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা সাময়িকভাবে হরমোনের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। আবার সিট ঠিক না হলে পেরিনিয়ামের স্নায়ু ও রক্তনালীর উপর চাপ পড়তে পারে।

প্রভাবটা কখন বোঝা যায়?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সাইক্লিং শুরু করার পর বা হঠাৎ করে কয়েক দিন বেশি সাইকেল চালিয়ে শুক্রাণুর মানে বড় পরিবর্তন দেখা যাবে, এমন নয়। শুক্রাণু তৈরি ও পরিণত হতে প্রায় আড়াই থেকে তিন মাস সময় লাগে। ফলে জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তনের প্রভাব বীর্যের গুণমানে দেখা দিতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ নয়, কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন: যমুনার বুকে চায়না বাঁধের রূপালী উপাখ্যান

আরও একটি গবেষণায় অতিরিক্ত সাইক্লিংয়ের সঙ্গে বীর্যে প্রদাহজনিত উপাদান এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এর ফলে শুক্রাণুর ঘনত্ব, গতিশীলতা ও গঠনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তাহলে সাইক্লিং কি ছেড়ে দিতে হবে?

একেবারেই নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিটের মতো মাঝারি মাত্রার সাইক্লিং সাধারণত নিরাপদ। বরং নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সামগ্রিক শারীরিক ও যৌনস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। তবে যাঁরা দীর্ঘ সময় সাইকেল চালান, তাঁদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এমন সিট নির্বাচন করতে হবে যাতে পেরিনিয়ামে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। একটানা দীর্ঘ সময় সিটে বসে না থেকে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া উচিত। সাইকেল চালানোর সময় প্রয়োজনমতো দাঁড়িয়ে গেলে ওই অংশের উপর চাপও কিছুটা কমে।

মূল বিষয় হল পেরিনিয়ামের উপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া। যাঁরা বেশি সময় বা খুব জোরে সাইক্লিং করেন, তাঁদের সিট, বসার ভঙ্গি এবং বিরতির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: ‘ভালোবাসি’ বললেই কি যথেষ্ট? সম্পর্কে ৫টি বিষয়ও জরুরি

যৌনস্বাস্থ্যের জন্য কেমন ব্যায়াম উপকারী?

পুরুষের ফার্টিলিটি ও যৌনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যধিক শরীরচর্চার চেয়ে নিয়মিত, মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম বেশি উপকারী। সপ্তাহে প্রায় ১৫০-১৮০ মিনিট শরীরচর্চা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।

অন্যদিকে প্রতিদিন অতিরিক্ত সময় ধরে অত্যন্ত কঠিন ওয়ার্কআউট করলে শরীরে বাড়তি শারীরিক চাপ তৈরি হতে পারে। তাই ফার্টিলিটি ভালো রাখতে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ব্যায়ামের উপর নির্ভর না করে প্রয়োজন পরিমিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন।

সুতরাং, সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাইকেল চালানোর অভ্যাস থাকলে সিট, বিরতি এবং শরীরের সংকেত, তিনটির দিকেই নজর রাখা জরুরি।

আরও পড়ুন: প্রতিদিন কতগুলো ডিম খাওয়া নিরাপদ?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদো ৬ মাসের শাস্তির মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


রোনালদো ৬ মাসের শাস্তির মুখে

পর্তুগালের সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বর্তমানে নির্বাসনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। পর্তুগালের জাতীয় দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনায়, তারকা ফুটবলারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে পারে।

গত মাসে কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে জাতীয় দলের শিবির ত্যাগ করেছিলেন রোনালদো। তবে, নিজের সিদ্ধান্তের জন্য সমর্থক এবং সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, যদি তাকে জরিমানা করা হয়, তবে তিনি সেটি মেনে নেবেন। তিন সপ্তাহের আন্তর্জাতিক বিরতিতে পর্তুগালের নেশনস লিগের মাত্র একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন সিআরসেভেন। কোপেনহেগেনে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ৪-২ গোলে জয়ী ম্যাচে তাকে প্রথম একাদশে রাখা হয়নি। এর পরেই তিনি জাতীয় দলের শিবির ছেড়ে চলে যান।

পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্লাবিধির ১৬০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, জাতীয় দলের কোনো ফুটবলার যথাযথ কারণ ছাড়া অনুশীলন, ম্যাচ বা দলের কোনো কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে তাকে এক থেকে ছয় মাসের জন্য নির্বাসিত করা হতে পারে। এর সঙ্গে জরিমানার ব্যবস্থাও রয়েছে।

তবে, পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘আ বোলা’-র আইন বিশেষজ্ঞ গঞ্জালো আলমেইদার মতে, রোনালদোর ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আলমেইদা, যিনি ফিফার বিচারকও, জানিয়েছেন, গত মাসে জাতীয় দলের শিবির ছাড়ার মুহূর্ত থেকেই রোনালদোর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।

আলমেইদা বলেন, পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কাউন্সিল আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করবে। রোনালদোকে তার বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে। এরপর দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে, রোনালদোর জন্য কিছুটা স্বস্তির জায়গা রয়েছে।

পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের ২৪৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ফুটবলার যদি তদন্তের আওতাধীন ঘটনার কথা স্বীকার করেন, তবে শাস্তির সর্বনিম্ন এবং সর্বাধিক সীমা অর্ধেক কমিয়ে দেওয়া যেতে পারে। শর্ত হলো, স্বীকারোক্তি সম্পূর্ণ নিঃশর্ত হতে হবে এবং তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোনো সংশয় থাকা চলবে না।

আলমেইদার মতে, রোনালদো সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ভুলের কথা কোনো শর্ত ছাড়াই স্বীকার করেছেন। ফলে, তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের নির্বাসন অর্ধেক হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, শাস্তি কার্যকর হলে, সেটি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সিন্ডিকেটে সদস্য হিসেবে দুই শিক্ষককে মনোনয়ন প্রদান করেছে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মনোনীত শিক্ষকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ১৭(১)(চ) ও ১৭(২) ধারা অনুযায়ী, ওই দুই শিক্ষককে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ক্যাটাগরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে দুই বছরের জন্য সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েটের ছয় শিক্ষক বিশ্ব সেরা গবেষকের তালিকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ এম


চুয়েটের ছয় শিক্ষক বিশ্ব সেরা গবেষকের তালিকায়

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। গত বুধবার প্রকাশিত স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের এই বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

গত বছর চুয়েটের চারজন শিক্ষক এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ছয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বছর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন শিক্ষক, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী সবার ওপরে রয়েছেন। তিনি ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ১ হাজার ৪১৮তম অবস্থানে আছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি। একই বিভাগের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনের ৮৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং তার বৈশ্বিক অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম। অধ্যাপক মো. মুক্তার হোসাইনের ৮১টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে তার অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম।

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৩৪টি। অপরদিকে, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সামিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন, যার গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০টি।

এছাড়া, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৪৪টি।

শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষক নির্ধারণের ক্ষেত্রে গবেষণাপত্রের সংখ্যা ছাড়াও গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। মোট সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহলেখকের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত এইচএম-ইনডেক্স, একক লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণার সাইটেশন এবং প্রথম ও শেষ লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সাইটেশন—এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে গবেষকদের সি-স্কোর নির্ধারণ করা হয়।

স্কোপাস ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিশ্বের বিপুলসংখ্যক গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুটি মানদণ্ডের যেকোনো একটি পূরণকারী গবেষকদের শীর্ষ ২ শতাংশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর একটি হলো সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা। অন্যটি হলো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ ২ শতাংশে অবস্থান করা। এ মূল্যায়নে বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করে গবেষকদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

এ বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একাধিক গবেষকও এ বৈশ্বিক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার প্রভাব বিবেচনায় দেশের ৮৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ এম


অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু

বিজ্ঞান

চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১।      ঢেঁড়সকে কেন নীরস ফল বলা হয়?

উত্তর : যেসব ফলের ফলত্বক পাতলা থাকে এবং পরিপক্ব হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায়, সেগুলোকে নীরস ফল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঢেঁড়সের ফলত্বকও পাতলা এবং ফল পরিপক্ব হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায়, এজন্য একে নীরস বা শুষ্ক ফল বলা হয়।

২।      কচুগাছের প্রজনন প্রক্রিয়া কিভাবে সম্পন্ন হয়?

উত্তর : কচুগাছের প্রজনন স্টোলনের মাধ্যমে ঘটে। স্টোলন হচ্ছে কচুগাছের শাখাকাণ্ড, যা প্রজননের জন্য বিশেষভাবে পরিবর্তিত হয়। স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। উপযুক্ত পরিবেশে এই মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ কচুগাছ তৈরি করে। এইভাবে স্টোলনের সাহায্যে কচুগাছের প্রজনন সম্পন্ন হয়।

৩।      রাইজোমের অর্থ কী?

উত্তর : রাইজোম হচ্ছে মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাঠামো। এর পর্ব এবং পর্বসন্ধি কাণ্ডের মতো স্পষ্ট। পর্বসন্ধিতে শল্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্ম নেয়। এগুলো খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসালো হয়ে ওঠে। অনুকূল পরিবেশে এই মুকুলগুলো বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। যেমন—আদা।

৪।      পুষ্পমঞ্জুরি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : কাণ্ডের শীর্ষ মুকুল বা কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষভাবে সাজানো থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জুরি বলা হয়। পরাগায়ণের জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম। যদি এ শাখার বৃদ্ধি অসীম হয়, তবে তাকে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জুরি বলা হয় এবং সসীম হলে তাকে নিয়ত পুষ্পমঞ্জুরি বলা হয়।

৫।      স্ব-পরাগায়ণ ও পর-পরাগায়ণের মধ্যে দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো।

উত্তর : স্ব-পরাগায়ণ ও পর-পরাগায়ণের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ :

৬।      আলুকে কেন রূপান্তরিত কাণ্ড বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : যেসব কাণ্ড তাদের সাধারণ কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য আকৃতিগত ও অবস্থাগত পরিবর্তন ঘটায়, সেগুলোকে রূপান্তরিত কাণ্ড বলা হয়।

আলুগাছ মাটির নিচে শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হয়ে কন্দ তৈরি করে। এই কন্দ ভবিষ্যতে জননের কাজ করে। কাণ্ডের এ ধরনের রূপান্তরের কারণে আলুকে রূপান্তরিত কাণ্ড বলা হয়।

৭।      টিউবার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : টিউবার হচ্ছে এক ধরনের রূপান্তরিত কাণ্ড। কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দ তৈরি করে, এদের টিউবার বলা হয়।

টিউবার জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে, যেগুলোকে চোখ বলা হয়। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদ জন্ম নেয়। যেমন—আলু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%