ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে ভেনামি চিংড়ি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী


দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে ভেনামি চিংড়ি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ভেনামি চিংড়ি আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিত করার জন্য এর উল্লেখযোগ্য অবদান থাকবে।

আজ রাতে কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তার পুরো কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এ খাত দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ শিল্প বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। প্রধানমন্ত্রীর সরকার এ খাতের বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি সম্পূর্ণ অবগত রয়েছেন। তাঁর সার্বিক দিকনির্দেশনায় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য ভেনামি চিংড়ি চাষে উন্মুক্ত করা হয়েছে।

মৎস্য খাতের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা নতুন করে ভেনামি চিংড়ি চাষ ও উৎপাদনে এগিয়ে আসবেন, সরকার তাদের সব ধরনের নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে।

তিনি জানান, দেশের মৎস্য খাতের আধুনিকায়ন ও বৈচিত্র্য আনার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

এ সময় কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, যুগ্মসচিব মো. হাসানুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশাসনের নজরদারি, ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১২ এম


শেরপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশাসনের নজরদারি, ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে

শেরপুরে সরকারি বিভিন্ন কাজের ফাঁকে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা আকস্মিকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছেন। এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটানো, পড়াশোনা এবং পুষ্টির খোঁজ নেওয়া, বিদ্যালয়ের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের কাজ করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছে। সেই সঙ্গে, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে, গত এক মাসের মধ্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াছমিন শিডিউল ছাড়াই সদর উপজেলা এবং অন্যান্য উপজেলার অন্তত অর্ধশত স্কুল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারাও বসে নেই। তারা সকলেই কাজের সুযোগে খুদে শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে যাচ্ছেন। গত এক সপ্তাহে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১০টি স্কুল পরিদর্শন করেছেন এবং শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতি, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সরকারি স্কুলের এই শিক্ষার্থীর সাথে থাকলে স্বস্তি পাই। তারাই তো আগামী দিনের বাংলাদেশ। তারা পিছিয়ে পড়লে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে না। প্রকৃত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে, আমাদের এই অবহেলিত শিশুদের বেশি সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজন।’

ফরিদা ইয়াছমিন আরও বলেন, ‘দায়িত্ববোধ থেকেই প্রশাসন-এ কাজ করে যাচ্ছি। দায়িত্ব পালনে কাউকে অসৌজন্য আচরণ নয়, ভদ্রতার সাথে অনুরোধ করছি। স্কুলে গিয়ে দেখেছি, আমাদের শিশুরা অনেক মেধাবী। উপযুক্ত পরিবেশ এবং শিক্ষা দিতে পারলে ওরাই দেশের প্রকৃত নাগরিক হয়ে উঠবে।’

কয়েকজন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের সঙ্গে আলাপ করেও জানা গেছে, প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্কলে শিক্ষার্থীদের আনতে শিক্ষকরা সক্রিয় হয়েছেন। স্কুল ফাঁকিতে সাবধান হওয়ার কথাও জানিয়েছেন অনেকেই।

এদিকে পরিদর্শনকালে বেশ কিছু স্কুলের অবস্থা ভালো দেখা গেছে এবং বেশ কিছু স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যার সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। একইসাথে জানান যে, গ্রামের অনেক শিশু শিক্ষার্থী পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। পুষ্টিহীন এই শিশুদের পরিবারকে জেলা প্রশাসন থেকে সহায়তা করার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান: সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৭ এম


খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান: সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় দুইটি পৃথক অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এসব অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, তিনটি ম্যাগাজিন, ১৫৯টি গোলাবারুদসহ বিভিন্ন সামগ্রী। এটি জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার বরকলক এলাকায় এবং আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার হাজাছড়া এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বুধবার আইএসপিআর থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পানছড়ির বরকলক এলাকায় অভিযানের সময় সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা গুলি ছুড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলির ঘটনা ঘটে। পরে ওই এলাকায় সশস্ত্র সংগঠনের দুই সদস্য আত্মসমর্পণ করেন, তাদের কাছে দুটি একে-৪৭ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১৩২টি গোলাবারুদ ছিল।

অন্যদিকে, রামগড় উপজেলার হাজাছড়া এলাকায় পরিচালিত অপর একটি অভিযানে গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে সশস্ত্র সংগঠনের একজন সদস্য নিহত হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি ম্যাগাজিন, একটি পাইপগান এবং ২৭ রাউন্ড গোলাবারুদসহ অন্যান্য সামগ্রী।

আইএসপিআর জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় অ্যাপসের মাধ্যমে নকল ওষুধ বিক্রির ঘটনায় জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৮ এম


কুষ্টিয়ায় অ্যাপসের মাধ্যমে নকল ওষুধ বিক্রির ঘটনায় জরিমানা

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ফেরি করে অ্যাপসের মাধ্যমে নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে করা হয়েছে।

বুধবার বিকাল ৫টার দিকে কুমারখালী থানামোড় এলাকার এ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাভিদ সারওয়ার। এ কাজে সহযোগিতায় ছিলেন জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মো. রহমতুল্লাহ ও থানা পুলিশ।

জানা গেছে, জরিমানাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মেডিগো নামক অ্যাপসের এসআর হিসেবে কাজ করছিলেন।

মেহেদী হাসান কুমারখালী থানামোড় এলাকায় বিভিন্ন ফার্মেসির সাথে অ্যাপসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ কম মূল্যে বিক্রির জন্য প্রস্তাব দিতেন। তিনি ফার্মেসি মালিকদের ফোনে অ্যাপস সেটিং করতেন। বিষয়টি টের পেয়ে, ওষুধ কোম্পানির মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভের সংগঠন ফারিহা’র সদস্যরা মেহেদীকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন।

কুমারখালী ফারিহা’র সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, অ্যাপসটির মাধ্যমে দেশের নামিদামি কোম্পানির ওষুধের লোগো ব্যবহার করে কম মূল্যে নকল ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছিল। যার ফলে ফার্মেসি মালিক ও অ্যাপসের লোকজন লাভবান হলেও রোগী ও স্বজনরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন।

অভিযুক্ত মো. মেহেদী হাসান বলেন, তিনি জানতেন না যে তিনি কী করছিলেন এবং চলতি মাসের ৪ জুন থেকে কুষ্টিয়া জেলায় এ কাজ করছেন। তবে কোম্পানির নাম ও ঠিকানা তাঁর জানা নেই। তিনি বরং কমিশনের মাধ্যমে কাজ করছিলেন।

জেলা ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মো. রহমতুল্লাহ জানান, অ্যাপসের মাধ্যমে ফেরি করে ওষুধ বিক্রির প্রস্তাব করার অপরাধে একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অ্যাপসটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানানো হবে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার বলেন, এভাবে ফেরি করে ওষুধ বিক্রির কোনো নিয়ম নেই। জনস্বার্থে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেশনজট ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩২ এম


সেশনজট ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা দিয়েছেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

তারা সেশনজট, ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা এবং উপস্থিতি গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের দাবিতে তালা দেন। বুধবার (২৪ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজী ভবনে অবস্থিত বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কক্ষটিতে তালা ঝুলছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। সেগুলোর মধ্যে ছিল—‘ছাত্র-ছাত্রীদের বিভাগ না, শিক্ষকদের বিভাগ?’, ‘কিসের অর্ডিন্যান্স, সাড়ে ছয় বছরে অনার্স কেন?’, ‘৯ মাসে এক সেমিস্টার কেন?’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, করোনাকালীন শিক্ষাজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না দিয়ে বিভাগটি নানা সময়ে ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা করেছে। এ ছাড়া মাস্টার্সে উপস্থিতি ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম করেছেন কোর্স শিক্ষকেরা।

একটি ক্লাসের বিপরীতে একটি উপস্থিতি দেওয়ার কথা থাকলেও তিন-চারটি করে উপস্থিতি দেওয়া হয়েছে। এভাবে সেদিন ক্লাসে উপস্থিত না থাকা শিক্ষার্থীরা একদিন না থাকায় কয়েকটি উপস্থিতি হারিয়ে ফেলেছেন।

এসব কারণে কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার জন্য ন্যূনতম ৬০ শতাংশ উপস্থিতির কোটা পূরণ করতে পারেননি। তাঁদের দাবি সুযোগ না পাওয়া এসব শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু মুসা বলেন, ‘আমাদের অনার্স শুরু হয় ২০২০ সালে, কিন্তু শেষ হতে প্রায় ছয় বছর লেগেছে। মাস্টার্সও দেরিতে শুরু হয়েছে। কিছু শিক্ষক উপস্থিতি গণনায় অনিয়ম করেছেন। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ৬০ শতাংশ উপস্থিতি পূরণ করতে পারেনি। বিষয়টি বিভাগীয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও সমাধান পাইনি, তাই আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতের দাবিতে তালা দিয়েছি।’

একই শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী মোহসিনা আরাবি বলেন, ‘করোনাসহ বিভিন্ন কারণে চার বছরের অনার্স শেষ হতে আমাদের প্রায় ছয় বছর সময় লেগেছে। ফল প্রকাশেও বিলম্ব হয়েছে। অনার্স শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে, কিন্তু শেষ হয়েছে ২০২৬ সালে। ফল প্রকাশের পরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। একটি ক্লাসে একাধিকবার উপস্থিতি ধরা হচ্ছে, ফলে কিছু শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় উপস্থিতি পূরণ করতে পারছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে সমাধান চাই।’

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিভাগের সভাপতি রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘কিছু শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ৬০ শতাংশের নিচে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। আজ বুধবার পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তারা সবাইকে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবি তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%