রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৫ পি.এম
পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ভারতের মুখোমুখি হওয়া। পুরুষদের ক্ষেত্রে হোক কিংবা মহিলাদের ক্ষেত্রে, এই চিত্রে পরিবর্তন দেখা যায় না।
বয়সভিত্তিক দলের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। সম্প্রতি নারীদের এশিয়া কাপের ম্যাচে আবারও সেই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
গত শনিবার ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপ দাঁড়াতে পারেনি। শ্রী চরণি (৩ উইকেট), দীপ্তি শর্মা (২ উইকেট), প্রেমা রাওয়াত (২ উইকেট) এবং শেফালি বর্মার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের গোটা দল মাত্র ৫৫ রানে ভেঙে পড়ে।
তবে দলের এমন দুর্বল পারফরম্যান্স সত্ত্বেও কোচ ওয়াহাব রিয়াজ দলকে সেরা হিসেবে উল্লেখ করতে পিছপা হননি।
এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় দলের জন্য সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৮.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়লাভ করে। পাকিস্তানের পক্ষে কেবল ওপেনার মুনিবা আলি ও শাওয়াল জুলফিকার ছাড়া দলের অন্য কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছাতে পারেননি। মাঠে এমন পারফরম্যান্সের পর কোচের মন্তব্য ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে পাকিস্তানকে এশিয়া কাপের সেরা দল হিসেবে উল্লেখ করে ওয়াহাব বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি দলের সব খেলোয়াড়ই অত্যন্ত দক্ষ, শুধু নিজেদের ওপর ভরসা রাখতে হবে। ভারতের বিরুদ্ধে কী ভুল হয়েছে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব। তবে এখানকার পরিবেশ আমাদের সম্পূর্ণ অনুকূলে থাকায় আমি এখনও মনে করি এশিয়া কাপ ট্রফি জেতার সবচেয়ে বড় দাবিদার ও সেরা দল পাকিস্তানই।’
অন্যদিকে, অধিনায়ক সানা মির তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এশিয়া কাপের জন্য অভিজ্ঞ সাতজন ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে নতুন মুখ নিয়ে স্কোয়াড গঠনের জন্য সরাসরি ম্যানেজমেন্টকে দায়ী করেছেন পাক অধিনায়ক।
তবে অধিনায়কের ক্ষোভকে গুরুত্ব দিতে রাজি হননি ওয়াহাব।
সানা মিরের সমালোচনা প্রসঙ্গে ওয়াহাব জানান, অধিনায়কের ব্যক্তিগত মতামতের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। বাদ পড়া ক্রিকেটাররা বছরের পর বছর ধরে বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপ খেললেও ইতিবাচক ফল আনতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাই নতুনদের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মাঠে এমন শোচনীয় পারফরম্যান্স এবং অন্দরের বিদ্রোহের মাঝে কোচের এই দাবি ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে পাকিস্তানকে নতুন করে হাসির খোরাক করে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রাজধানীর তেজগাঁও সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান পরিচালনা করছে, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের কারণে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার পর বাড্ডা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন।
সূত্রে জানা যায়, বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। অভিযানের সময় অফিসে থাকা বিভিন্ন নথি যাচাই-বাচাই করা হয় এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট একাধিক নথি জব্দ করা হয় পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপরিচালক) আকতারুল ইসলাম। তিনি জানান, বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে দুদক অভিযান চালাচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেসের মাথায় উঠেছে মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬-এর মুকুট। তিনি আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতার এই মর্যাদাপূর্ণ খেতাব অর্জন করেছেন, বিশ্বের ১১১ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে অনুষ্ঠিত হয় মিস ওয়ার্ল্ডের জমকালো আয়োজন। সেখানেই সেরার মুকুট পরিধান করেন ডোমিনিকান এই সুন্দরী।
জোহেইরি মোলা পূর্বে ‘মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫’ খেতাব অর্জন করেছিলেন। ওই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার ফলস্বরূপ, তিনি মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে ডোমিনিকান রিপাবলিকের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করেন।
ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে পরিচিত জোহেইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী। সৌন্দর্যের পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শনিবারের চূড়ান্ত আয়োজনে, গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড, থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি জোহেইরির মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন।
মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট জয়ের পর, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্থাটির বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পরিকল্পনা রয়েছে জোহেইরির।
এছাড়া, তিনি বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচারাভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস। দ্বিতীয় রানারআপের খেতাব অর্জন করেছেন মালয়েশিয়ার তানুসিয়া চেট্টি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের ‘লার্নিং উইথ হেপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা।
রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে ঢাকা বিভাগের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
এই তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার বিভিন্ন কলেজের ১ হাজার ৪৭২ জন অ্যাথলেট ও খেলোয়াড়। জেলার সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগের এই পর্ব শেষ হবে। এই পর্বের বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ উল্লেখ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা নয়, বরং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আনন্দময় ও মানবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে চায়। এই উদ্দেশ্যেই অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ড. আমানুল্লাহ আরও বলেন, প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্রীড়াচর্চার জোয়ার সৃষ্টি করা সম্ভব হলে, এর ইতিবাচক প্রভাব সারা দেশের শিক্ষাঙ্গনে পড়বে। ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষার্থীদের জীবনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, "আমাদের অনেকেরই শৈশব হারিয়ে গেছে। এখন আমরা আবার সেই শৈশবকে ফিরিয়ে আনার, কৈশোর ও যৌবনের আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।" তিনি বলেন, সরকারের যে চাহিদা ও আগ্রহ রয়েছে, সেই অনুযায়ী সারা দেশের ছেলেমেয়েদের মধ্যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে চাই।
ড. আমানুল্লাহ জানান, ঢাকা বিভাগ দিয়ে শুরু হওয়া এই ক্রীড়া আয়োজন পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য সাতটি বিভাগেও অনুষ্ঠিত হবে। তরুণ সমাজকে সুস্থ, কর্মক্ষম ও মাদকমুক্ত রাখতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুমিনুল হাসানসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, কর্মকর্তা, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানে সন্দেহভাজন অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ এই ঘটনাকে হত্যা ও অগ্নিসংযোগের সন্দেহভাজন মামলা হিসেবে তদন্ত করছে।
রবিবার স্থানীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে
জানায়, শনিবার রাতে মধ্য জাপানের গিফু প্রিফেকচারের একটি কেকের দোকানে আগুন লাগার পর ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার সময় দোকানটি বন্ধ ছিল। দোতলা ভবনটির নিচতলায় দোকান এবং উপরের অংশে আবাসিক ব্যবস্থা ছিল। নিহতদের মধ্যে ৬৬ বছর বয়সী দোকানের মালিক একজন নারী এবং দুজন পুরুষ রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারী তার ১০ জন পরিচিতজনকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। অনুষ্ঠানের সময়েই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তদন্তকারীদের ধারণা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যেই একজন হতে পারে।
ঘটনার পর পুলিশ অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য তদন্ত শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ