রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৩ পি.এম
সরকারের ‘লার্নিং উইথ হেপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা।
রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে ঢাকা বিভাগের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
এই তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার বিভিন্ন কলেজের ১ হাজার ৪৭২ জন অ্যাথলেট ও খেলোয়াড়। জেলার সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগের এই পর্ব শেষ হবে। এই পর্বের বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ উল্লেখ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা নয়, বরং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আনন্দময় ও মানবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে চায়। এই উদ্দেশ্যেই অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ড. আমানুল্লাহ আরও বলেন, প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্রীড়াচর্চার জোয়ার সৃষ্টি করা সম্ভব হলে, এর ইতিবাচক প্রভাব সারা দেশের শিক্ষাঙ্গনে পড়বে। ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষার্থীদের জীবনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, "আমাদের অনেকেরই শৈশব হারিয়ে গেছে। এখন আমরা আবার সেই শৈশবকে ফিরিয়ে আনার, কৈশোর ও যৌবনের আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।" তিনি বলেন, সরকারের যে চাহিদা ও আগ্রহ রয়েছে, সেই অনুযায়ী সারা দেশের ছেলেমেয়েদের মধ্যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে চাই।
ড. আমানুল্লাহ জানান, ঢাকা বিভাগ দিয়ে শুরু হওয়া এই ক্রীড়া আয়োজন পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য সাতটি বিভাগেও অনুষ্ঠিত হবে। তরুণ সমাজকে সুস্থ, কর্মক্ষম ও মাদকমুক্ত রাখতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুমিনুল হাসানসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, কর্মকর্তা, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানে সন্দেহভাজন অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ এই ঘটনাকে হত্যা ও অগ্নিসংযোগের সন্দেহভাজন মামলা হিসেবে তদন্ত করছে।
রবিবার স্থানীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে
জানায়, শনিবার রাতে মধ্য জাপানের গিফু প্রিফেকচারের একটি কেকের দোকানে আগুন লাগার পর ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার সময় দোকানটি বন্ধ ছিল। দোতলা ভবনটির নিচতলায় দোকান এবং উপরের অংশে আবাসিক ব্যবস্থা ছিল। নিহতদের মধ্যে ৬৬ বছর বয়সী দোকানের মালিক একজন নারী এবং দুজন পুরুষ রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারী তার ১০ জন পরিচিতজনকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। অনুষ্ঠানের সময়েই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তদন্তকারীদের ধারণা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যেই একজন হতে পারে।
ঘটনার পর পুলিশ অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য তদন্ত শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল এবং চেলসির মধ্যে একটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ম্যাচের প্রাক্কালে আত্মবিশ্বাসী সুরে ইংলিশ তারকা কোল পামার জানিয়েছেন, তারা এই ম্যাচে ভালো কিছু করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।
আর্সেনালের বিরুদ্ধে তাদের সাম্প্রতিক জয়হীন রেকর্ডকে গুরুত্ব না দিয়েই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ভারতের জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারের মাধ্যমে ‘
বিশেষ ই–মেল সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন পামার।
তিনি বলেন, ‘এবার আমাদের টিম আরও ভালো। আমরা ভালো কিছু করবই।
ভক্তদের কাছে আদর করে কোল্ড পামার নামে পরিচিত তিনি। কারণ, গোল সেলিব্রেশনে ঠান্ডায় কেঁপে যাওয়ার মতো অভিনয় করেন। কয়েক মাস আগে নতুন একটি আইস ব্র্যান্ড বাজারে এনেছেন পামার, যার নাম ‘কোল্ড্।
এই ব্র্যান্ডের মাধ্যমে সাধারণ আইস কিউব, বিশেষ আকারের আইস এবং ইলেকট্রোলাইটসসহ আইস বিক্রি করছে তার সংস্থা। মাঠে তার উপস্থিতি আরও ‘কুল’ হয়ে উঠছে।
গত মৌসুমে চেলসি ক্লাব বিশ্বকাপ জিতলেও প্রিমিয়ার লিগে পয়েন্ট টেবিলে দশ নম্বরে ছিল। ফলে তারা এবারের ইউরোপের কোনও টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে না। পামার বলেন, ‘অনেক কিছুই ফ্যাক্টর ছিল।
তবে চোট বড় সমস্যা সৃষ্টি করেছিল।’ গত মৌসুমের মাঝেই চেলসি কোচ এনজো মারেস্কাকে বরখাস্ত করেন। নতুন মৌসুমে কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক স্প্যানিশ তারকা জাবি আলোনসো।
স্পেনের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ পামারকে কী বলেছেন? ২৪ বছর বয়সী ইংলিশ তারকা জানান, ‘কোচ আমাকে খেলতে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে, ফ্রি হয়ে খেলতে। কারণ, উনি জানেন আমার যখন খেলতে ভালো লাগে, সেই সময়ে আমি কী করতে পারি। আমি নিজেই মাঠের সেই জায়গাটা খুঁজে নিই, যেখানে সবচেয়ে বেশি আঘাত হানতে পারব।’
চেলসি এবার মাত্র ৩১ সেকেন্ডে গোল করে প্রিমিয়ার লিগ শুরু করেছে। জোয়াও পেদ্রোর সেই গোলে অ্যাসিস্ট ছিল পামারের। এই ম্যাচের স্কোরলাইনে তিন ফরোয়ার্ডের নাম ছিল। মজা করে বিখ্যাত আমেরিকান ব্যাঙ্ক ‘জে–পি–মর্গ্যান’ নামে অনেকে ডাকছেন চেলসির তিন ফরোয়ার্ডকে। জোয়াও পেদ্রোর ‘জে’, কোল পামারের ‘পি’ এবং মর্গ্যান রজার্সের ‘মর্গ্যান’— এই তিন শব্দকে মেলাচ্ছেন ভক্তরা।
শেষ পর্যায়ে পামার কিছু জটপট প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। রাবোনা না প্যানেনকা (ফুটবলে দুটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়, শৈল্পিক এবং ঝুঁকিপূর্ণ টেকনিক)— কোন ধরনের গোল করতে চাইবেন? পামারের উত্তর, ‘রাবোনা।’
ডেভিড বেকহ্যামের মতো ফ্রি–কিক গোল করতে চান নাকি উড়তে চাইবেন? পামারের জবাব, ‘উড়তে চাইব।’ যদি ফুটবলার না হতেন, তাহলে কী হতেন? পামার বলছেন, ‘ডিজে।’ কোনও ম্যাচে ১–০ জিততে চাইবেন, নাকি ৫–৪? পামারের উত্তর, ‘৫–৪। যদিও এটা ডিফেন্ডাররা পছন্দ করবে না।’ এখনও পর্যন্ত ক্যারিয়ারে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি কী? ‘সম্ভবত ক্লাব বিশ্বকাপ,’ বলেন পামার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদকে আধুনিক, গতিশীল ও পেপারবিহীনভাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ‘ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ডিজিটাল এই কার্যপদ্ধতি কার্যকর হলে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদান আরও সহজ ও দ্রুততর হবে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকারের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ এবং এ বি এম মোশাররফ হোসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সংসদের সার্বিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে প্রস্তাবিত এই সিস্টেমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমে বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষার সংস্করণ উপলব্ধ থাকবে।
কাগজের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি এটি সময় এবং প্রশাসনিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয় করবে।
এছাড়া, প্রশাসনিক ও সংসদীয় যাবতীয় নথি ফাইল ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হবে, যা তথ্য পরিচালনাকে সহজতর করবে।
ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার। এই কমিটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় কাঠামো পর্যালোচনা করবে।
এছাড়া, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে এই সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি ও পরিকল্পনা নিয়ে স্পিকারের সামনে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় উল্লেখ করা হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এই ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। ফলে কাগজের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি সময় এবং প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), দাতা দেশ এবং দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।
পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে অনুদান ও সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।
আজ (রোববার) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা শুরুর আগে তিনি সাংবাদিকদের এ পরিকল্পনার কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি আমাদের শিক্ষক সমাজ। যারা মাঠে চমৎকার কাজ করছেন, তাদের কাজের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত করা এবং উৎসাহিত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আমরা দেশের শিক্ষকদের এই অবদানকে স্মরণ ও সম্মানিত করতে চাই।”
তিনি আরও জানান, সেরা শিক্ষক নির্বাচনে একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। পূর্বে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে ২ লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা। এই উদ্দেশ্যে সরকার সারা দেশের দক্ষ ও গুণী শিক্ষকদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচিত ১০০ জন শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।
শিক্ষকদের আচরণবিধি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা নিজেদের শিক্ষিত আচরণ দিয়েই সমাজকে আলোকিত করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অযাচিত কর্মকাণ্ড রোধ ও শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া পাওনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১৬ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষকদের নিজেদের কন্ট্রিবিউশনের বকেয়া অংশ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রদেয় বাকি অনুদানের অর্থও ক্রমান্বয়ে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক জানান, নতুন পে স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কাজ চলছে। সরকারি কর্মচারীরা যে হারে সুবিধা পাবেন, শিক্ষকরাও সেই অনুপাতেই সুবিধা পাবেন।
সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ