ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ-ভারত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দীনেশ ত্রিবেদীর


বাংলাদেশ-ভারত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দীনেশ ত্রিবেদীর

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এই তথ্য জানান।

দীনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যরা দলীয় অবস্থান ছাড়িয়ে একটি বন্ধুত্ব গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করতে সক্ষম হবেন। এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং ‘পিপল-টু-পিপল’ যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

আরও পড়ুন: ৪০ লাখ কৃষককে কার্ড, মিলবে ১০ ধরনের সুবিধা : প্রধানমন্ত্রী

তিনি জানান, ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে পরিচিত জাতীয় সংসদ ভবনে এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি বলেন, সংসদ সাধারণ মানুষের আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। ভারত ও বাংলাদেশসহ যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে সাধারণ মানুষ সংসদের দিকে তাকিয়ে থাকে।

হাইকমিশনার জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রশংসা করে বলেন, ভবনটি অত্যন্ত সুন্দর। এর চারপাশের জলাধার ও প্রাকৃতিক পরিবেশ তাকে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হোয়্যার দ্য মাইন্ড ইজ উইদাউট ফিয়ার অ্যান্ড দ্য হেড ইজ হেল্ড হাই’—এই ভাবনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, উভয়ের সঙ্গে তার আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের সংসদ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে কীভাবে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সকালে তার কথা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের স্পিকারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওম বিড়লা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফর এবং ভারতের ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’—সংসদ ভবন পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানানো হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: এই দেশে আমার যতটা অধিকার, আপনাদেরও ততটুকু: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের মণ্ডপে

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রস্তাবিত ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপে দুই দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা দলীয় বিভাজন অতিক্রম করে অংশ নিতে পারেন। রাজনীতি নিজ নিজ পথে চলবে, তবে সংসদ হচ্ছে জনগণের প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান।

দুই দেশের সংসদের মধ্যে এ ধরনের যোগাযোগকে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সংসদ ডিজিটাইজেশনের বিষয়েও সাংবাদিকদের অবহিত করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ভারতের সংসদের লাইব্রেরিসহ সংসদীয় কার্যক্রমের বিপুল পরিমাণ তথ্য ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। ফলে সংসদ সদস্যরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নথি, অধিবেশনের কার্যসূচি ও পুরোনো বক্তব্য সহজেই দেখতে পারেন। কোনো নির্দিষ্ট তারিখ, বিষয় বা ব্যক্তির বক্তব্য খুঁজতে একটি বোতাম চাপলেই তা পাওয়া সম্ভব।

এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই। আলোচনা একটি প্রবাহমান নদীর মতো—এটি চলতেই থাকে।

আরও পড়ুন: সরকার বৈষম্যহীন ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এ বিষয়টি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও এখতিয়ারের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের উদ্দেশ্য যদি জনকল্যাণমুখী হয়, তাহলে ইতিবাচক ফলাফল আসবে বলে তিনি আশাবাদী।

এর আগে দীনেশ ত্রিবেদী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথকভাবে তাদের নিজ নিজ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ার বন্দিদশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০-৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ পি.এম


শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০-৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ সম্ভাব্য সরকারি শাটডাউন এড়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে একটি স্বল্পমেয়াদি সরকারি অর্থায়ন বিল পাস করেছে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস। ৩৭০-৪৮ ভোটে পাস হওয়া এই বিলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার জন্য অর্থের সংস্থান করা হয়েছে। বর্তমানে, এই বিলটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হয়েছে।

নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার আগে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ বাজেট অনুমোদন না হওয়ায় সরকারি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ অর্থবছর আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এর আগে, কংগ্রেসকে ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পূর্ণ অর্থবছরের জন্য প্রয়োজনীয় ১২টি নিয়মিত বরাদ্দ বিলের কোনোটিই সম্পূর্ণভাবে অনুমোদন করা সম্ভব হয়নি। এই কারণে, সম্ভাব্য অচলাবস্থা ঠেকাতে অস্থায়ী অর্থায়নের পথ বেছে নিয়েছে কংগ্রেস।

মঙ্গলবারের ভোটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—দুই দলের সদস্যরাই বড় সংখ্যায় বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। হাউসের সরকারি ভোটের হিসাব অনুযায়ী, ১৯৩ জন রিপাবলিকান, ১৭৬ জন ডেমোক্র্যাট এবং একজন স্বতন্ত্র সদস্য বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৯ জন রিপাবলিকান ও ২৯ জন ডেমোক্র্যাট। ১৪ জন সদস্য ভোটদানে অংশ নেননি।

বিলটি H.R. 6500, যা Continuing Appropriations and Extensions Act, 2027 নামে পরিচিত। এই বিলের মাধ্যমে বিদ্যমান সরকারি ব্যয়ের কাঠামো মূলত অব্যাহত রেখে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফেডারেল সরকারের অর্থায়ন চালু রাখা হবে। এর ফলে ১ অক্টোবর থেকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের অর্থ বন্ধ হয়ে যাওয়ার তাৎক্ষণিক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।

এর আগে, গত ৮ আগস্ট মার্কিন সিনেটও বিলটি অনুমোদন করেছিল। ফলে মঙ্গলবার হাউসে পাস হওয়ার পর বিলটি এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে পাঠানো হয়েছে। ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পর এটি আইনে পরিণত হবে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অস্থায়ী অর্থায়ন নিশ্চিত করবে।

তবে এই ভোটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বাজেট সংকটের সমাধান হয়নি। বরং বড় ধরনের সিদ্ধান্ত কয়েক মাসের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসকে এখন ডিসেম্বরের মধ্যে ২০২৭ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ ১২টি বরাদ্দ বিল নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। ফলে বছরের শেষ দিকে আবারও সরকারি অর্থায়ন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক দর-কষাকষি শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই পরিস্থিতির রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনের ঠিক আগে সরকারি শাটডাউন হলে তার প্রভাব ফেডারেল কর্মী, সরকারি সেবা এবং অর্থনীতিতে পড়তে পারে। অতীতের শাটডাউনগুলোর অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে উভয় দলের আইনপ্রণেতারাই এবার অন্তত নির্বাচন পর্যন্ত সরকার সচল রাখার পথ বেছে নিয়েছেন।

বিলটিতে কিছু নির্দিষ্ট খাতের জন্য অতিরিক্ত অর্থায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন নির্মাণ অব্যাহত রাখতে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রয়েছে বলে কংগ্রেসের সদস্যদের প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে।

তবে দুই দলের মধ্যে মতপার্থক্য পুরোপুরি দূর হয়নি। রিপাবলিকানদের একটি অংশ বিলটির কিছু নীতিগত বিষয় নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেও সরকারি অর্থ বরাদ্দ ও প্রশাসনের বিভিন্ন নীতিকে ঘিরে অসন্তোষ রয়েছে। তারপরও সম্ভাব্য শাটডাউন এড়ানোর প্রশ্নে হাউসে ব্যাপক দ্বিদলীয় সমর্থন পাওয়া গেছে।

ফলে মঙ্গলবারের ভোটকে আপাতত সরকারি শাটডাউন ঠেকানোর বড় রাজনৈতিক সমঝোতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়। ডিসেম্বরের ১১ তারিখ ঘনিয়ে এলে আবারও একই প্রশ্ন সামনে আসবে—কংগ্রেস কি শেষ পর্যন্ত ২০২৭ অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেট অনুমোদনে সক্ষম হবে, নাকি যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও শাটডাউনের আশঙ্কার মুখে পড়তে হবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষি ও পল্লী খাতে পুনঃঅর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক সঙ্গে ইউসিবির চুক্তি স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


কৃষি ও পল্লী খাতে পুনঃঅর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক সঙ্গে ইউসিবির চুক্তি স্বাক্ষর

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে, কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং পল্লী অঞ্চলে মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) ৩,০০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে চুক্তি সম্পন্ন করেছে।

এই তহবিলের মাধ্যমে রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কৃষি ও পল্লী খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমে ঋণ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কৃষি উৎপাদন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও পরিবহন, বাজারজাতকরণ, কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানি এবং পল্লী অঞ্চলের অন্যান্য আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড।

গ্রাহকরা সর্বাধিক ৭ শতাংশ সুদে এই ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। ঋণের মেয়াদ হবে সর্বাধিক ৩ বছর। কিছু ক্ষেত্রে কাজের ধরন অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধাও প্রদান করা হবে।

কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং পল্লী অঞ্চলের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছে এই ঋণ পৌঁছে দিতে ইউসিবির শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং গ্রুপ লেন্ডিং চ্যানেল ব্যবহার করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ, নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এবং কৃষি ঋণ বিভাগ-২-এর পরিচালক এ কে এম সাইদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

ইউসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রিদওয়ানুল হক এবং এসএমই অ্যান্ড এগ্রি ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

বক্তারা উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র একটি ঋণ কর্মসূচি নয়; বরং এটি কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং পল্লী এলাকার মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির একটি পদক্ষেপ।

একজন কৃষক এই ঋণ নিয়ে তার উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারবেন। একজন উদ্যোক্তা তার ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হবেন। কোনো পরিবার তাদের আয় বৃদ্ধি করতে পারে। আবার কোনো গ্রামে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ, সঠিক সময়ে সঠিক মানুষের কাছে এই অর্থায়ন পৌঁছালে তা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে।

বক্তারা এই সুযোগটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানকে পাশে নিয়ে এভিয়েশন হাব হতে চায় বাংলাদেশ: পর্যটনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


জাপানকে পাশে নিয়ে এভিয়েশন হাব হতে চায় বাংলাদেশ:  পর্যটনমন্ত্রী

বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে জাপানকে সহযোগী হিসেবে পাশে চাওয়ার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, জাপান বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সম্প্রসারণের বাংলাদেশের আগ্রহ এবং অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল ১০টায়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। এরপর বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল সম্পর্কেও আলোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার টার্মিনাল-৩ উদ্বোধনে যথাসময়ে বদ্ধপরিকর। এজন্য দ্রুত অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওআরএটি) কার্যক্রম শুরু করা অত্যাবশ্যক।

মন্ত্রী জানান, জাপানি সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপের (এসডব্লিউজি) জমা দেওয়া প্রস্তাবের কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে। তৃতীয় টার্মিনালের সফল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ‘লেটার অব অ্যাস্যুরেন্স’ নিয়েও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কাজ চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দ্রুত সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

দেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট বিদ্যমান। এসব স্থানের উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে।

এছাড়া, বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজমের উন্নয়নেও জাপানের সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রী জানান, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ সময় তিনি হেরিটেজ ট্যুরিজমের উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন।

সাক্ষাতে, জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশরের লোহিত সাগর উপকূলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


মিশরের লোহিত সাগর উপকূলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৬

মিশরের পূর্বাঞ্চলে একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২৮ জন আহত হয়েছেন। এ তথ্যটি দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। খবর

বিবিসির

বুধবার সকালে দক্ষিণ সিনাই প্রদেশের লোহিত সাগর উপকূলবর্তী দাহাব ও নুয়েইবা শহরের মধ্যবর্তী সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

জর্ডানীয় ও মিশরীয় গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে জর্ডানের নাগরিকও রয়েছে। তবে নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রায় ২০টি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

দাহাব ও নুয়েইবা অঞ্চলটি মিশরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক সেখানে ভ্রমণ করেন।

মিশরে সড়ক দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং সড়কের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণকে এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এর আগে, গত মাসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইসমাইলিয়া প্রদেশে দুটি লরির সংঘর্ষে ১৮ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%