বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, যিনি একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। এই তথ্যটি তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুকসেদুর রহমান আবির গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এখনকার পরিস্থিতিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসার প্রয়োজনে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে, গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) হঠাৎ অসুস্থ বোধ করার পর রফিকুল ইসলাম মিয়াকে বরাবরের মতো আবারও রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে একটি বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার, ২২ জুলাই, শিশুটির মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করার পর, ওই দিনই সন্ধ্যার পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ৭ জুলাই দুপুরে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায়, নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল শিশুটি। এসময় তার মা জরুরি কাজে ছিলেন এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে থাকায়, এই সুযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার ঘরে ঢুকে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তবে, ওই সময় লোকজন আসতে দেখে তিনি পালিয়ে যান।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। কিন্তু, স্থানীয়ভাবে সু-বিচার না পাওয়া যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশুটির মা বুধবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে আসামী নুর মোহাম্মদকে কলাপাড়া আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার বাউসী এলাকায় অবস্থিত মেসার্স স্বস্তিকা রাইস মিলকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকাল ৪ টা পর্যন্ত এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
উপজেলা খাদ্য গুদাম সুত্রে জানা গেছে, সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহের লক্ষ্যে চলতি মৌসুমে সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়ন এর সানাকুর এলাকার এসএস অটো রাইস মিল এর স্বত্বাধিকারী আনোয়া উস সাদাব লাঞ্জু মিয়াকে দুই কিস্তিতে মোট ১২৮ টন এবং বাউশী এলাকায় স্বস্তিকা রাইসমিল-এর স্বত্বাধিকারী সমীর কুমার সাহা তুষারকে ৬৪ টন ধান বরাদ্দ দেওয়া হয়।
চলতি মৌসুমে সরিষাবাড়ী উপজেলার খাদ্য গুদামে সরকারী বরাদ্দের সম্পুর্ন ধান সংগ্রহ করে চাল সরবরাহের চেষ্টা করছেন অসাধু সিন্ডিকেট। সঠিক তদন্ত করে এই চাল কালোবাজারী ও ধান কালোবাজারী ৩/৪ সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ, র্যাব ১৪, গোয়েন্দা সংস্থা ও এনএসআই এর কর্মকর্তাদের কাছে ছায়া তদন্ত করে গ্রেফতারের জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্বস্তিকা রাইসমিলের স্বত্বাধিকারী সমীর কুমার সাহা তুষার অভিযোগ করে বলেন, সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি, বিদ্যমান আইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করেই ধান সংগ্রহ, চাল উৎপাদন ও সরবরাহের সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ধান সংগ্রহ এবং চাল সরবরাহ করা হয়েছে। এতে সরকার, সাধারণ মানুষ কিংবা অন্য কোনো পক্ষের কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি।
প্রতিষ্ঠানের সব হিসাব-নিকাশ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সরকারের নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির মধ্যেই পরিচালিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, সরকারি বরাদ্দ এবং সব ধরনের কার্যক্রম সরকারি বিধি-বিধানের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।
তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে সরিষাবাড়ী উপজেলা খাদ্য গুদামে এককভাবে ধান সংগ্রহ ও চাল সরবরাহের চেষ্টা করে আসছে। সেই চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এখন তার প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
সমীর কুমার সাহা তুষার আরও অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল জামালপুরে কর্মরত বিভিন্ন সাংবাদিকের কাছে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের চেষ্টা করছে।
পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন আইডি থেকেও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ করেন, যথাযথ তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য। একই সঙ্গে গুজব ও অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে জামালপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: আসাদুজ্জামান খান বলেন, সরিষাবাড়ী উপজেলায় ধান ক্রাশিংয়ের জন্য মিল নির্বাচন খাদ্য অধিদপ্তরের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী করা হয়েছে।
কোনো উপজেলার পর্যাপ্ত অটোমিল না থাকলে অথবা মিল মালিকরা সরকারি নির্ধারিত দরে ধান ক্রাশিংয়ে আগ্রহী না হলে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য জেলার মিলেও ধান ক্রাশিংয়ের সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্বস্তিকা রাইসমিলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানটির পুষ্টি চাল উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় কমানো এবং ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট মিলের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সরিষাবাড়ীতে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সচল রাখার লক্ষ্যে পরবর্তীতে দুইটি মিলের মধ্যে বরাদ্দ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষা সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে মোদি সরকার। বুধবার (২২ জুলাই) আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে সরকার চারটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, ককরোচ জনতা পার্টি এবং ছাত্র আন্দোলনকারীদের প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে বড় ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তা দেওয়া হচ্ছে এবং সরকার যেকোনো সময়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে। বুধবার বিকেল থেকেই তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য সরকার চারটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, "আমাদের সকল তরুণ বন্ধুদের প্রতি এটি একটি স্থায়ী আমন্ত্রণ। সরকার আন্দোলনকারীদের সুবিধামতো যেকোনো সময়ে সব বিষয়ে আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত।"
মন্ত্রী আরও বলেন, এই আলোচনায় সরকারের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাও যোগ দেবেন। আলোচনা নাড্ডার কার্যালয়ে অথবা বাসভবনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। সরকার এখানে কোনো প্রতিপত্তির কথা বলছে না। আলোচনা করতে ধীরে ধীরে আমরা একটি সমাধানের দিকে এগোব। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সরকারের নেয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোই এটি একটি অংশ।
এদিকে, বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, পুলিশ বৃহস্পতিবার তাদের জানিয়েছে যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা তার বাসভবনে তাদের সাথে আলোচনা করতে চান। তবে তারা কারও বাড়ি বা অফিসে যেতে অস্বীকার করেছেন। সৌরভ দাস বলেন, "গণদরবার এখানেই। মন্ত্রীদের জনগণের মাঝে আসা উচিত। যদি তারা কথা বলতে চান, তাহলে সেই আলোচনা যন্তর মন্তরে হওয়া উচিত।"
প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গোটা ভারত উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। দিল্লির বিক্ষোভ পাঞ্জাব, বিহার, মহারাষ্ট্র সহ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। রাস্তায় নেমে এসেছে লাখো শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বিজেপির সমর্থকদের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে প্রবেশ করে সহিংসতার অভিযোগও করেছেন।
এদিন পার্লামেন্টের বাইরে বিক্ষোভ করেছে বিরোধীরা। চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেছেন। তিনি লেখেন, "যারা প্রশ্ন ফাঁস করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।" প্রধানমন্ত্রীর এই দায়সারা বিবৃতির তীব্র সমালোচনা করেছে দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দৃঢ়ভাবে বক্তব্য রেখেছেন যে, তরুণদের ভবিষ্যত নষ্টের জন্য মোদিকেই দায়ী করে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কাছে তাকে আবারও ক্ষমা চাইতে হবে।
এদিকে, টানা ২৫ দিন ধরে অনুষ্ঠিত অনশনে গুরুতর অসুস্থ পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেন কোনো ধরনের আইনি ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে এমন স্পষ্ট আশ্বাস পেলে তিনি অনশন ভাঙবেন।
শিক্ষার্থীদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলন ভারতজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বলিউড তারকা সালমান খান, নাসিরুদ্দিন শাহসহ বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাহসী ও শান্তিপূর্ণ অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন। অনেকে যন্ত্র মন্তরে গিয়ে তাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের মাঠ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পদের ক্ষেত্রে নারীদের উপস্থিতি বর্তমানে স্মরণকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড করে। বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১টিতে নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪৯৯ উপজেলার ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে তারা কাজ করছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি প্রশাসনে নারীর সক্ষমতা এবং নেতৃত্বের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রতিফলন করে।
এর আগেও দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রশাসনে সর্বোচ্চ ১৮ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০ জন নারী ডিসি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে, এখনো ৯ বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যে একজনও নারী নেই।
বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নারী ডিসিদের মধ্যে রয়েছেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার এবং কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার।
এছাড়া আরো আছেন- রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, फেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়, বরগুনার জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন এবং শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণ করলে, ঢাকা বিভাগে নারী ডিসির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে ৯ জেলায় নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়া, খুলনা বিভাগে চারজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন, রংপুর বিভাগে দুজন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে একজন করে নারী ডিসি রয়েছেন।
শুধু জেলা প্রশাসনে নয়, উপজেলা প্রশাসনেও নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বর্তমানে দেশের ৪৯৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে নারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ, প্রায় ৩৯ শতাংশ উপজেলায় নারীদের নেতৃত্ব রয়েছে।
ভূমি প্রশাসনেও নারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে ৪৭৮ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর মধ্যে ১১৬ জন নারী, যা মোট পদের ২৪ শতাংশের অধিক।
সব মিলিয়ে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ১ হাজার ৮৫টি পদের মধ্য থেকে ৩৩২টিতে নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ, মাঠ প্রশাসনের প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা এখন রয়েছে।
কেন্দ্রীয় প্রশাসনেও নারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে ৮১টি সচিব ও সচিব-সমমর্যাদার পদের মধ্যে ১৪টিতে নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। এছাড়া ৩৬১ জন অতিরিক্ত সচিবের মধ্যে ৭৩ জন, ১ হাজার ৫১ জন যুগ্ম সচিবের মধ্যে ২৪৯ জন, ১ হাজার ৬৪৩ জন উপসচিবের মধ্যে ৪০৪ জন এবং ৩ হাজার ৩৫০ জন সহকারী ও সিনিয়র সহকারী সচিবের মধ্যে ৯৮৬ জন নারী কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৩৩০টি পদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা ১ হাজার ৬৮৬ জন। নারীদের হার ২৬.৬৪ শতাংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ