বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
সিরিজটি বাঁচাতে বাংলাদেশকে আজ জিততেই হবে। এমন একটি বাঁচা-মরার ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজের দল ২৪৮ রানের লক্ষ্য পেয়েছে।
হারারেতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ২৪৭ রান করেছে। দলের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বেন কারান।
ওপেনিংয়ে ব্যাট করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন কারান। তিনি ১১১ রানের ইনিংসটি নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হিসেবে খেলেছেন।
অপরাজিত ইনিংসটিতে কারান কোনো ছক্কা না হাঁকালেও, ৯টি চার মারেন বাঁহাতি ওপেনার।
ইনিংসের প্রথম ওভারে ওপেনিং সঙ্গী ব্রায়ান বেনেট আউট হলেও, জিম্বাবুয়ের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন কারান।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রসিদ্ধ গায়িকা বনি টাইলার, যিনি ‘টোটাল একলিপ্স অফ দ্য হার্ট’, ‘হোল্ডিং আউট ফর আ হিরো’ এবং ‘ইটস আ হার্টেক’-এর জন্য পরিচিত ছিলেন, মৃত্যুবরণ করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (৮ জুলাই) রাতে পর্তুগালের একটি হাসপাতালে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৫ বছর।
বিবিসি-র বরাতে ‘নিউজ ডট এজেড’ রিপোর্ট করেছে যে, দক্ষিণ ওয়েলসের স্কিউয়েনের বাসিন্দা এই শিল্পী গত মে মাসে পর্তুগালে অন্ত্রের জরুরি অস্ত্রোপচারের পর ‘ইনডিউসড কোমা’ বা কৃত্রিমভাবে আচ্ছন্ন অবস্থায় ছিলেন। তার মুখপাত্র আগে জানিয়েছিলেন যে, তিনি কোমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন, তবে তখনও তিনি ‘অতিমাত্রায় অসুস্থ এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, আমরা শিগগিরই পরবর্তী বিবৃতি দেব, তবে আপাতত এই মর্মান্তিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য আমাদের গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ রয়েছে। এই গায়িকার মৃত্যুতে ওয়েলসের মন্ত্রী জো স্টিভেন্স তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে স্টিভেন্স বলেন, বনি টাইলারের মৃত্যুর খবর শুনে আমি খুবই দুঃখিত। তিনি ওয়েলসের সঙ্গীত জগতের একটি আইকন, গ্র্যামি ও ব্রিট পুরস্কার বিজয়ী এবং আমার কৈশোরের সুরের সঙ্গী ছিলেন।
ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার রুন আপ ইয়োরওয়ার্থ বলেছেন, এই গায়িকা ছিলেন এক ‘প্রকৃত আইকন’ এবং এই খবর তাকে ‘গভীরভাবে শোকাহত’ করেছে। চলতি মৌসুমে ওরচেস্টারের সানশাইন ফেস্টিভ্যাল এবং ইউরোপের আরও কয়েকটি স্থানে টাইলারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়া ১৭ ডিসেম্বর কার্ডিফের ইউটিলিটা অ্যারেনাতেও তার গান গাওয়ার কথা ছিল।
টাইলারের প্রকৃত নাম ছিল গেনর হপকিন্স, তিনি নিথ-এর একটি কাউন্সিল হাউসে বেড়ে উঠেছিলেন। সোয়ানসির একটি ক্লাবে ট্যালেন্ট স্কাউট রজার বেল তাকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯৭৭ সালে তিনি তার প্রথম একক গান ‘লস্ট ইন ফ্রান্স’ প্রকাশ করেন। সেই বছর, তার কান্ট্রি-পপ ঘরানার গান ‘ইটস আ হার্টেক’ যুক্তরাজ্যের সিঙ্গেলস চার্টে চতুর্থ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিলবোর্ড হট ১০০’ তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান করে।
ছয় বছর পর, ১৯৮৩ সালে মুক্তি পায় তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গান রক ঘরানার ‘টোটাল একলিপ্স অফ দ্য হার্ট’, যা আটলান্টিকের উভয় পাড়ে চার্টের শীর্ষে উঠে আসে। এর মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চার্টে এক নম্বর স্থান অর্জনকারী প্রথম ওয়েলশ শিল্পী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
এই নাটকীয় মেজাজের গানটির কথা লিখেছিলেন মিট লোফের গীতিকার জিম স্টেইনম্যান। গানটির মূল শিরোনাম ছিল ‘ভ্যাম্পায়ারস ইন লাভ’, কারণ এটি ‘নসফেরাতু’-র একটি মিউজিক্যাল সংস্করণের জন্য লেখা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টির প্রকোপে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করেছে, শ্রেণিকক্ষ, মাঠ এবং বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেই সকল বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনায় এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে আশ্রয়কেন্দ্র চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকতে হবে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির ফলে যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ এবং চলাচলের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেই বিদ্যালয়গুলোতে আবশ্যিকভাবে শ্রেণি পাঠদান বন্ধ রাখতে হবে। ইতোমধ্যে যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, সেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া অবধি শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখা যাবে না। এই নির্দেশনাটি চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। তাদের আওতাধীন সমস্ত উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪৮ দলের বর্ধিত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের আগে গোল্ডেন বুটের লড়াই জমে উঠেছে। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আরলিং হালান্ড এবং হ্যারি কেইন এই লড়াইয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যথাক্রমে শীর্ষস্থানে আছেন।
এটি তৈরি করেছে এক অভূতপূর্ব ও রোমাঞ্চকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
এই টুর্নামেন্টের শেষে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে এই বহু আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। যদি দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তাহলে পুরস্কারটি নির্ধারণের জন্য বিবেচনা করা হয়, গোল সংখ্যার সাথে কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছে তা দেখে। খবর চ্যানেল নিউজ এশিয়া।
যদি এর পরও নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে মোট খেলার সময়কে বিবেচনায় নিয়ে যিনি কম মিনিট খেলেছেন, তাঁকেই প্রথম হিসেবে গণ্য করা হবে।
৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি অ্যার্জেন্টিনার হয়ে প্রতিটি ম্যাচে গোল করেছেন। রাউন্ড অব ১৬-এ মিসরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয়ী ম্যাচে তিনি গুরুত্বপূর্ণ একটি গোল পান। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তিনি বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ডকে স্পর্শ করেছেন। মেসি ৫ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন, এর সাথে একটি অ্যাসিস্টও রয়েছে।
গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটজয়ী কিলিয়ান এমবাপ্পে ৭ গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট নিয়ে মেসির সঙ্গে আছে। গোলসংখ্যা সমান হলে, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী এমবাপ্পেই বেশি অ্যাসিস্টের কারণে এই মুহূর্তে টাইব্রেকারে এগিয়ে।
নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসে আরলিং হালান্ড নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে টেনে তুলেছেন। রাউন্ড অব ১৬-এ শক্তিশালী ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানে জয়ী ম্যাচে তিনি একাই জোড়া গোল করেন। ফলে ৫ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭।
যেহেতু এমবাপ্পের গোল সংখ্যা সমান, তাই অ্যাসিস্ট বিবেচনায় পিছিয়ে রয়েছেন এই ম্যানসিটির তারকা।
২০১৮ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ী হ্যারি কেইন মেক্সিকোকে বিরুদ্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ৬-এ নিয়ে গেছেন। এতে তার একটি অ্যাসিস্টও রয়েছে। তিনি তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন। ইংল্যান্ডের এই অধিনায়ক যেকোনো মুহূর্তে বাকিদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখেন।
দল বর্ধিত এই বিশ্বকাপে ফাইনালিস্ট হলে ৮ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। যা এই গোলমেশিনদের জন্য এক টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড (জাস্ট ফন্টেইনের ১৩ গোল) ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। ফক্স স্পোর্টসের বেটিং অডস অনুযায়ী, তালিকায় মেসি (+১২০) এবং এমবাপে (+১৪০) বর্তমানে সবচেয়ে ফেভারিট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রবল বর্ষণের কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। উপড়ে পড়েছে বড় বড় গাছ, একাধিক জায়গায় সড়ক নদীতে রূপান্তরিত হয়েছে, যার ফলে যান চলাচলে ব্যাহত ঘটে, এবং ভবন ধসে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ভবন ধসে প্রাণ হারিয়েছেন চারজন। সবমিলিয়ে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জনজীবন।
এদিকে, ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) বৃহস্পতিবার সারাদিন ব্যাপী আরও বৃষ্টিপাতের সাথে বজ্রপাত ও ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অবিরাম বৃষ্টির কারণে শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় বেশ কয়েকটি এলাকার সড়কে নদীর পানির মতো স্রোত বইছে। সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রোহিনীতে; সেখানে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবন ধসে পড়ে তিনজন মারা যান।
আইএমডি’র তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লির প্রধান আবহাওয়া কেন্দ্র সফদরজং-এ ৭২.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে লোদি রোডে ৮০.২ মিলিমিটার, রিজ-এ ৭৭.৮ মিলিমিটার, পালামে ৬৩ মিলিমিটার এবং আয়ানগরে ৫৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
দিল্লি শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিবাড়া, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নয়াদিল্লি রেলওয়ে স্টেশন এলাকা। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া এবং রাস্তায় পানি জমে থাকার ফলে সকালের ব্যস্ত সময়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
অবিরাম বর্ষণের ফলে দিল্লির বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটে, যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তোলে। সকাল থেকেই সড়কে জলাবদ্ধতা, গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ এসেছে দিল্লির বিভিন্ন পৌর সংস্থার কাছে। অভিযোগ পেয়ে এছাড়াও পৌরসভা সড়ক পরিষ্কার ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য জরুরি পরিষেবা দলগুলোকে মোতায়েন করেছে। ভারী বর্ষণের প্রভাব কেবল দিল্লিতেই নয়, বরং গুজরাট, কেরালা, মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানাতেও বিস্তৃত হয়েছে।
কেরালার ওয়েনাড এলাকায় ধস ও বর্ষণজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চারজন হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবারই একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। রাজ্যটির ক্যাবিনেট মন্ত্রী এ পি অনিল কুমার বলেছেন, আজ সকালেই জোন-১ এলাকায় একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এবং উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাই ও পুনে শহরেও একটানা বর্ষণ চলছে, যা স্বাভাবিক জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বুধবার পুনেতে একটি ভবন ধসে পড়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
সাম্প্রতিক কয়েকদিনের বৃষ্টিতে গুজরাটের সুরাটেও ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিচু এলাকায় বসবাসকারী কয়েক হাজার মানুষকে অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বণ্টনের কাজও চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ