ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মমেক হাসপাতালে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শন করলেন প্রশাসক প্রিন্স


মমেক হাসপাতালে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শন করলেন প্রশাসক প্রিন্স

জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে নিয়োজিত যুব রেড ক্রিসেন্ট সদস্যদের কার্যক্রম তদারকি করেছেন এবং খোঁজখবর নেন।

পাশাপাশি তিনি ওয়ার্ডে ভর্তি শিশু রোগীদের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন। আজ বুধবার দুপুরে মমেক হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণে মামলা গ্রেপ্তার নেই

পরিদর্শন শেষে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান আন্তরিক প্রচেষ্টায় হামের প্রাদুর্ভাব ও উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। এক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি আরও জানান, রেড ক্রিসেন্ট ও যুব রেড ক্রিসেন্ট হামের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় করণীয় সম্পর্কে মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ জনসচেতনতা বাড়াতে গণসংযোগ চলমান রয়েছে। হাসপাতালেও রোগীদের তথ্য সংগ্রহ চলছে।

এ সময়, হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রিন্স বলেন, জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি, চোখ লাল হওয়া ও দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের আলাদা রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

তিনি দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর প্রতি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি শিশুর মৃত্যুও কাম্য নয়। আমরা চাই প্রতিটি শিশু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।

আরও পড়ুন: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে আছে সরকার, ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কোনো শব্দ নেই: প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি

পরিদর্শন শেষে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকির হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক, হাসপাতালের চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এদিন বিকেলে নগরীর কে বি ইসমাইল সড়কে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ১০০০ আসন বিশিষ্ট মিলনায়তন পরিদর্শন করেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এসময় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রউফসহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি মিলনায়তন নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন এবং মিলনায়তনটির বহুমাত্রিক ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ইলিশ শিকারের দায়ে ২২ জেলের কারাদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৪.৮২ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৪.৮২ বিলিয়ন ডলার

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে দাঁড়িয়ে এখন ৩৪ হাজার ৮২১ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারে। এই তথ্যটি জানান দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এই তথ্যটি জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুসারে, ৩ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ৩৪ হাজার ৮২১ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ হাজার ১৬০ দশমিক ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

গত ১ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ হাজার ৭৬৬ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ১০৭ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নিট রিজার্ভ গণনার ক্ষেত্রে আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসরণ করা হয়ে থাকে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় কমিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল। তিনি জানিয়েছেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স এবং স্থানীয় মানুষের নিঃস্বার্থ সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মানকে আরও উন্নত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

মন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও সেবার পরিধি বাড়াতে আমরা বিভিন্ন দিক থেকে টেকসই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, যা খুব শীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো, কোনো মানুষ যেন টাকার অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়ে আমাদের কাজ করে যেতে হবে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সেবার মানসিকতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যারা চিকিৎসা নিতে আসেন, তারা যেন শুধুমাত্র ওষুধ না নিয়ে, বরং ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিক ব্যবহারের মাধ্যমেও সুস্থতা বোধ করতে পারেন। আমি হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে তারা আরও বেশি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করে।

বুধবার বিকাল ৩টায় সভাকক্ষে সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা সেবা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম.এ. আহবাবের সভাপতিত্বে এবং ডা. আব্দুল মোক্তাদির কোরেশী সুমনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও চিকিৎসকেরা হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে, তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিশোধ ছাড়া বিকল্প দেখছে না ইরান, সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩২ পি.এম


প্রতিশোধ ছাড়া বিকল্প দেখছে না ইরান, সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান পরিস্থিতি যেকোনও সময় বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে সতর্কতা জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, তেহরান মনে করছে সামরিক হামলার জবাব না দিলে সেটি দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে এবং ভবিষ্যতে আরও আক্রমণের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।

তেহরানভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো আব্বাস আসলামি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে উভয় পক্ষের হামলা সীমিত মাত্রায় পরিচালিত হলেও বৃহত্তর ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার ঝুঁকি প্রত্যাখ্যান করা যায় না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ইরানের দৃষ্টিতে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনও বাস্তব বিকল্প নেই। কারণ, কোনও ধরনের প্রতিক্রিয়া না দেখালে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল সেটিকে ইরানের দুর্বলতা হিসেবে ব্যাখ্যা করবে। একই সঙ্গে তারা এটিকে ভবিষ্যতে আরও হামলা চালানোর জন্য একটি সবুজ সংকেত হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে।”

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের সামনে বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরোধ সক্ষমতার প্রশ্ন, অন্যদিকে আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি- দুই ধরনের চাপ বিদ্যমান। ফলে তেহরানের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করা হচ্ছে।

আব্বাস আসলামি আরও বলেন, কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে তার মতে, ওয়াশিংটন আলোচনার টেবিলে আরও বেশি ছাড় আদায়ের উদ্দেশ্যে চাপ সৃষ্টির কৌশল গ্রহণ করেছে।

তিনি মন্তব্য করেন, “যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং অতিরিক্ত সুবিধা আদায় করতে এই চাপ প্রয়োগ করছে বলে অনেকেই মনে করছেন।”

অন্যদিকে, ইরানের সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ দ্রুত কোনও শান্তিচুক্তি বা সমঝোতা হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী নন। দেশটি অভ্যন্তরে যুদ্ধবিরতি ও শান্তিচুক্তি নিয়ে ব্যাপক সংশয় এবং সন্দেহ দেখা যাচ্ছে।

আসলামির ভাষ্য অনুযায়ী, “এখানে খুব বেশি আশাবাদ নেই। অনেকেই মনে করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে যে বক্তব্যগুলো দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর পেছনে অন্য উদ্দেশ্য থাকতে পারে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, এসব বক্তব্যের লক্ষ্যে বৈশ্বিক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। আবার অনেকে মনে করছেন, এগুলো কেবল উত্তেজনা ও হামলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার রাজনৈতিক কৌশল।”

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যই নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের জন্যও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে, তেলের দাম, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলতে থাকলেও সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনার পাশাপাশি নতুন করে সামরিক উত্তেজনার বৃদ্ধির আশঙ্কা সমানভাবে বিদ্যমান বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে নজিরবিহীন হামলা: চরম আতঙ্কে জিসিসি দেশগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


কুয়েতে নজিরবিহীন হামলা: চরম আতঙ্কে জিসিসি দেশগুলো

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটের মধ্যে কুয়েতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকদের মত অনুযায়ী, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা কেবল কুয়েতের জন্যই নয়, বরং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের বেসামরিক বিমান চলাচল ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে তীব্র, দ্রুতগতির এবং সমন্বিত হামলার ঘটনা। বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়কাল সাধন করার পরও এত বড় মাত্রার হামলা দেখা যায়নি।

তথ্য বলছে যে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে কুয়েতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়। এবারও একইভাবে কুয়েতকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলায় ইরান থেকে কুয়েতের দিকে ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৭টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন যে, এই হামলার ধরন এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের সংখ্যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাতের শুরুর দিকে দেখা হামলাগুলোর সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কারণে কেবল কুয়েত নয়, পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কুয়েত বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উপসাগরীয় অঞ্চলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো বিশ্বব্যাপী বিমান যোগাযোগ ও বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এ ধরনের হামলা বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলতে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশ এখন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, জাতীয় বিমান সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলো আগামী ২৪ ঘণ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখছে।

তাদের মতে, কুয়েতে হামলার পর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের বিমানবন্দর নিরাপত্তা এবং আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করতে পারে।

পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই ধরনের হামলা আবার ঘটে, তাহলে তা কেবল সামরিক উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমান পরিবহন, জ্বালানি বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নতুন এক আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের দিকে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%