মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
০৪:১৩ পি.এম
রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সাপ্তাহিক হাট পূর্বের নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তর করায় বদলে গেছে হাটের চিত্র, স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের চলাচলে।
বুধবার অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক হাটে ক্রেতা-বিক্রেতারা উপজেলার প্রধান সড়কে দোকান বসানোর পরিবর্তে নিচ বাজার, মাছ বাজার ও লঞ্চঘাট এলাকায় সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করেন। ফলে প্রধান সড়ক যানজটমুক্ত থাকায় সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পেরেছেন।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সাপ্তাহিক হাটের দিন প্রধান সড়কের ওপর দোকানপাট বসানোয় তীব্র যানজট সৃষ্টি হতো। এতে ভোগান্তিতে পড়তেন পথচারী, যানবাহন চালক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার মোহাম্মদ মশিউর রহমান-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে হাটটি পূর্বের স্থানে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
হাটে আসা এক ক্রেতা রহিম মিয়া বলেন, “প্রতি সপ্তাহেই প্রধান সড়কে হাট বসার কারণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হতো। আজ নিচ বাজারে হাট বসায় সেই সমস্যা দেখা যায়নি। আমরা স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পেরেছি।”
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনদুর্ভোগ কমানো এবং সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হাট পূর্বের স্থানে স্থানান্তরের ফলে একদিকে যেমন যানজট কমেছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরাও সুশৃঙ্খল পরিবেশে বেচাকেনা করতে পারছেন।
স্থানীয়রা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেট্রোলের দাম যথেষ্ট না কমায় বড় তেল কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার তিনি এই নির্দেশ দেন, যা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে সমালোচনার মুখে এসেছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান তেল প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পায়।
এএফপি বার্তা সংস্থা ঢাকা থেকে খবরটি জানিয়েছে।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মন্তব্য করেন, ‘বড় তেল কোম্পানিগুলো তেলের জন্য যে অনেক কম দাম দিচ্ছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাম্পে জ্বালানির দাম কমাচ্ছে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ওই দাম পাথরের মতো দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। অর্থাৎ ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে।’
যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম একটি রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ দেশটির বিপুল মানুষের প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত যানবাহন।
ট্রাম্প যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্ত এবং এর ফলে লাখো মার্কিন নাগরিকের জ্বালানি ব্যয়ের ওপর প্রভাব নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
এদিকে, নভেম্বরে কংগ্রেস নির্বাচন সামনে আসায় বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি বারবার পূর্বাভাস দেন যে সংঘাত শেষ হওয়ার পর জ্বালানির দাম ‘পাথরের মতো নিচে নেমে আসবে।’
তবে অর্থনীতিবিদগণ এ দাবি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তাদের ধারণা, তেলের দাম যুদ্ধপূর্ব পর্যায়ে ফিরে আসতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
তেহরান ও ওয়াশিংটন একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে, যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরুর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির মত বিষয়গুলো এখনো বিরোধের মধ্যে রয়েছে।
যুদ্ধের আগের তুলনায় পেট্রোলের দাম এখনও বেশি রয়েছে। তবে প্রাথমিক চুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে দাম কমছে বলেই মনে হচ্ছে।
মোটর ক্লাবগুলোর ফেডারেশন এএএ মোটর ক্লাবের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার প্রতি গ্যালন (৩.৮ লিটার) সাধারণ পেট্রোলের গড় দাম ৩ দশমিক ৯৩ ডলার ছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে করদাতাদের অর্থের কোটি কোটি ডলার ব্যয় করায় যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার কারণে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ অনেক মার্কিন নাগরিক তার সমালোচনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপের রেকর্ড তাপপ্রবাহের কারণে ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ৬৮ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, চলমান চরম আবহাওয়ার কারণে এটি প্রথম বড় ধরণের বিদ্যুৎ বিপর্যয়। বিদ্যুৎ গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারের সমস্যার কারণে এই বিপর্যয়ের সৃষ্টি ঘটে।
ফিনিস্তের উপকূলীয় বিভাগের প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানায়, এই ঘটনার সম্পর্ক অতিরিক্ত তাপমাত্রার সঙ্গে রয়েছে। তবে এতে কেউ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়নি।
ফ্রান্সের রেন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। প্রশাসন জানায়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে ব্রিটানি অঞ্চলের কুইম্পার শহরের কাছে এরগে-গাবেরিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ফ্রান্সের বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থা আরটিই ও এনেডিসের কর্মীরা রাতে কাজ করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছেন। তবে বুধবার দিনের শেষের আগে পুরোপুরি বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
একই দিনে, মঙ্গলবার রাত নাগাদ ফ্রান্সের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশটি সবচেয়ে গরম দিনের রেকর্ড করেছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আরটিই বলেছে, ‘প্রযুক্তিগত কারণে দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে না। বুধবার দিনের শেষ নাগাদ সবচেয়ে দ্রুত সংযোগ দেওয়া যেতে পারে।’
বুধবার ফিনিস্তেরসহ ফ্রান্সের ৫৮টি বিভাগে চরম তাপপ্রবাহের সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি রয়েছে।
ব্রিটানি থেকে প্যারিস অঞ্চল পর্যন্ত বুধবার তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুমণ্ডলীয় ও বায়ুপ্রবাহের এমন কিছু পরিস্থিতির কারণে এই চরম আবহাওয়া তৈরি হয়েছে, যা প্রায় কয়েক দিন ধরে গরম বাতাসকে আটকে রাখছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে অস্ট্রেলীয় সরকার এবং জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)-এর মধ্যে মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে ১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা ১৩৭ কোটি টাকার সমান, দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বুধবার, ২৪ জুন, সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি অস্ট্রেলিয়া সরকারের প্রতি এই সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্ত্রী আরও জানান যে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, চুক্তিটি মিয়ানমার এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের, যা ৩,১৬২ কোটি টাকার সমান, মানবিক সহায়তা প্যাকেজের একটি অংশ।
এছাড়াও উল্লেখযোগ্য হলো, ২০১৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া এই আঞ্চলিক সংকট মোকাবেলায় মোট ১.২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা ১০,৭৭০ কোটি টাকার সমান, মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে। অস্ট্রেলিয়া প্রদত্ত ১৬ মিলিয়ন ডলারের এ তহবিল ইউনিসেফ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে ব্যয় করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আজ ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন।
বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেন, ‘দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের বাজেট নির্ভর নয়, বরং খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী ও মানসম্পন্ন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। তাই গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।’
আজ ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে কনফারেন্স কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
মন্ত্রী গবেষণার প্যাটেন্ট গ্রহণ এবং কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষি এগিয়ে গেলেই দেশ এগিয়ে যাবে। নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন অভাব নেই, অভাব আছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের। তাই সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের কারণে মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি। বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা কম। তাই নিরাপদ উপায়ে উৎপাদন বাড়িয়ে পরবর্তীতে রপ্তানি করা হবে।
এর আগে মন্ত্রী সকালে বিএফআরআইয়ে অবস্থিত বিভিন্ন হ্যাচারি পরিদর্শন করেন। তিনি সুবর্ণ রুই, মেকং পাঙ্গাশ, মহাশোল, ছোট মহাশোল, স্বাদুপানির মুক্তা, খোকসা মাছ, ঢেলা মাছ, দেশি সরপুটি, বাইন মাছ, ভাগনা মাছ, দেশি তিত পুঁটি, ঘাউড়া, মনোসেক্স তেলাপিয়া, গুঁড়া চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, কুচিয়া মাছের হ্যাচারি এবং খাঁচায় শিং, গুলসা, পাবদা ও মাগুর মাছের চাষ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট শাখাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বিএফআরআই’র মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, ময়মনসিংহ বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) ড. মো. লতিফুল ইসলাম, পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. আমিরুল ইসলাম, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামসহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন দপ্তর এবং বিএফআরআই’র কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ