ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সাতক্ষীরায় ২৮ কোটি টাকার সুপারি বিক্রির প্রত্যাশা কৃষিবিভাগের


সাতক্ষীরায় ২৮ কোটি টাকার সুপারি বিক্রির প্রত্যাশা কৃষিবিভাগের

মো. আসাদুজ্জামান

সাতক্ষীরা, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, খুলনা ও নোয়াখালী জেলায় ৯০% সুপারি উৎপাদন হয়ে থাকে। পাশাপাশি, কক্সবাজারের টেকনাফ, পঞ্চগড়, রংপুর ও সাতক্ষীরায় বাণিজ্যিকভাবে সুপারির ব্যাপক আবাদ হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে, উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় বাণিজ্যিকভাবে সুপারি চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বল্প খরচে ভালো ফলন ও বাজারে উচ্চ দাম পাওয়ার ফলে দিন দিন সুপারি চাষের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। ইতোমধ্যে, জেলার অনেক কৃষক নতুন নতুন সুপারি বাগান গড়ে তুলছেন।

আরও পড়ুন: কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে: হুইপ দুলুর মন্তব্য

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা জেলায় পান উৎপাদনের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সুপারিও উৎপাদিত হচ্ছে। গত বছর জেলায় মোট ১শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে সুপারি চাষ হয়েছিল। চলতি বছরে, ১শ’ ৭০ হেক্টর জমিতে সুপারি চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১০ হেক্টর বেশি জমিতে সুপারির আবাদ হয়েছে।

এ বছর ১শ’ ৭০ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত সুপারির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭শ’ ৭১ মে.টন। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২৭ থেকে ২৮ কোটি টাকা। কেজি প্রতি শুকনো সুপারি বিক্রির বাজার দর ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা। কৃষিবিভাগ জানিয়েছে, প্রতিটি সুপারি গাছে ৪ থেকে ৫ কেজি সুপারি উৎপাদন হয়।

জেলার তালা উপজেলার কুমিরা গ্রামের কৃষক অরবিন্দু কুমার বাসসকে জানান, তার তিন বিঘা জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। নারকেল বা অন্যান্য ফসলি গাছের সাথে মূলত সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে। বছরে তিনি তার বাগান থেকে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার সুপারি বিক্রি করেন।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পাইকারি দরে তার বাগান থেকে সুপারি নিয়ে যান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এসব গাছে ৩৫ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাবে। তার গ্রামের অনেক কৃষক পান বরজের পাশাপাশি সুপারি বাগান করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: তানোরে রোপা আমন ধান কাটা শুরু, দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকরা

জেলায় একমাত্র পাইকারি সুপারি বিক্রির মোকাম তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা বাজার। সেখানে সপ্তাহে দুই দিন (মঙ্গল ও শুক্রবার) হাট বসে।

জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ সুপারি বিক্রয়ের জন্য ব্যবসায়ীরা এ হাটে নিয়ে আসেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পাশের জেলা যশোর ও খুলনা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এ হাটে এসে সুপারি সংগ্রহ করেন।

পাটকেলঘাটা বাজারের সুপারি বিক্রির আড়তদার হযরত আলী বাসসকে জানান, প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার তার আড়তে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার সুপারি বেচাকেনা হয়। জেলার বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা পাটকেলঘাটা থেকে সুপারি ও পান কিনতে আসেন।

সাতক্ষীরা শহরের পোস্ট অফিস মোড়ের পান-সুপারি বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম জানান, সুপারি কাঁচা ও শুকনো উভয় ধরনের চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন তিনি প্রচুর পরিমাণ পান ও সুপারি বিক্রি করেন। পাটকেলঘাটা বাজার থেকে সপ্তাহে দুই দিন তিনি পান ও সুপারি পাইকারি ক্রয় করে এখানে নিয়ে এসে তা খুচরা বিক্রি করেন। কাঁচা সুপারি প্রতি হাজার ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দরে ক্রয় করছেন। এছাড়া, শুকনো সুপারি কেজি প্রতি সাড়ে ৪শ’ টাকা পাইকারি দামে ক্রয় করছেন।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় তামাকের ফাঁদ থেকে চাষিদের বেরিয়ে আসার পথ খুলছে পেপে চাষ

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ বাসসকে জানান, চলতি বছরে জেলায় ১শ’ ৭০ হেক্টর জমিতে সুপারির আবাদ হয়েছে। এ পরিমাণ জমিতে উৎপাদিত সুপারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭শ’ ৭১ মে.টন। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২৭ থেকে ২৮ কোটি টাকা।

তিনি আরও জানান, পান ও সুপারি আমাদের দেশের অর্থকরী ফসল। বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সুপারি উৎপাদন হচ্ছে সাতক্ষীরায়। বর্তমানে অনেকে বাড়ির বসতভিটা ও পুকুর ধারে সুপারি বাগান করছেন, আবার কিছু কৃষক সাথী ফসল হিসেবেও সুপারির সাথে বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করছেন। উপকূলের উর্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে সাতক্ষীরার কৃষকরা যেভাবে সুপারি চাষে এগিয়ে আসছেন, তাতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এ খাতের সম্ভাবনা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, বেলে দো-আঁশ মাটি এবং ৫.৫ থেকে ৬.০ পিএইচ (pH) মান সুপারি চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি সুপারি-১ ও বারি সুপারি-২ জাতগুলোর অধিক ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা এ জাতের সুপারি চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: লাউয়ের দাম তিন টাকা, কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় আদালতে পরীমনি কর্তৃক সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার প্রতিবাদে নাঙ্গলকোটে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


ঢাকায় আদালতে পরীমনি কর্তৃক সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার প্রতিবাদে নাঙ্গলকোটে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সদস্য এবং দৈনিক সমকাল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসেন রাজুকে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকায় আদালতে চিত্র নায়িকা পরিমনি কর্তৃক হেনস্তার প্রতিবাদে নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজের প্রধান ফটক সড়কে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সভাপতি মাঈন উদ্দিন দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাঙ্গলকোট পৌরসভা সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান খান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শাহীন।

‎

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের সঞ্চালনা করেন নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম। এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন সোহান, এবং বাঙ্গড্ডা এডুকেয়ার রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দীন।

এছাড়াও বক্তৃতা করেন প্রেসক্লাবের সদস্য সাফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, নাঈম উদ্দিন, ত্বোহা হাসান ভূঁইয়া স্বাধীন, সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াছ হোসাইন, রাশেদ হোসাইন, মানজুরুল ইসলাম শিহাব, সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন তানভীর, এবং শাহাদাত হোসাইন প্রমুখ।

বক্তারা এ সময় বলেন, সাংবাদিক রবিউল হোসাইন রাজু পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন, যা কোনো ব্যক্তিগত কাজের জন্য নয়। একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা, এমনকি তার গায়ে হাত দেওয়া স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য একটি হুমকি। চিত্রনায়িকা পরীমনি এবং তাঁর নিরাপত্তাকর্মীর এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারকাখ্যাতি কাউকে আইনের ঊর্ধ্বে বা অন্যের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অধিকার দেয় না।

তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ করা এবং জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরা। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের হেনস্তা, অপমান বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। বক্তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


সাতক্ষীরায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) কলারোয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, তথ্যের সঠিকতা যাচাই এবং ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূর আলম নাহিদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে জাতীয় যুব দিবসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


ময়মনসিংহে জাতীয় যুব দিবসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার প্রতিপাদ্য ছিল “কর্মই জীবন।” এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে।

রোববার (৮ নভেম্বর) ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে জেলা প্রশাসন এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহের যৌথ উদ্যোগে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ সদর-০৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা এবং জনসচেতনতার গুরুত্বের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়, জাতীয় যুব দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে। বাড়ির আঙিনা, আশপাশের ঝোপঝাড়, নালা-নর্দমা এবং পরিত্যক্ত স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়, মশার বংশবিস্তার রোধের লক্ষ্যে।

শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে যুবসমাজের স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আয়োজকদের মতে, জাতীয় যুব দিবসের কর্মসূচির মাধ্যমে যুবসমাজকে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগকে আরও জোরদার করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

ময়মনসিংহকে ডেঙ্গুর ঝুঁকিমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়, পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশাসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


প্রশাসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক ইশতেহার বাস্তবায়ন করে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান সরকার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং সেটি সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করছে। এটি একদম স্পষ্ট ও স্বাভাবিক কথা।’

তিনি রোববার বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে যেকোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস বা সমর্থন থাকা দোষের কিছু নয়। তবে তিনি আহ্বান জানান, পদ ও দায়িত্ব ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিগত রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করে তা কেবল ভোটের মাধ্যমে ব্যালট পেপারে প্রয়োগ করা উচিত।

প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের যুক্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা জনগণের সামনে আমাদের ইশতেহার বা এজেন্ডা তুলে ধরেছিলাম। জনগণ ভোটের মাধ্যমে সেই ইশতেহারকে সমর্থন জানিয়ে আমাদের সরকার গঠনের ম্যান্ডেট দিয়েছে। ফলে এটি এখন আর কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ইশতেহার নয়, এটি সমগ্র দেশের অধিকাংশ জনগণের ম্যান্ডেট ও সরকারের নীতিতে (Government Policy) পরিণত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে এই চর্চা হয়ে থাকে। জনগণের দেওয়া দায়িত্বের ভিত্তিতে সরকার যে নীতি গ্রহণ করে, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তা বাস্তবায়ন করাই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মূল সাংবিধানিক দায়িত্ব।

প্রশাসনিক কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য (Red Tape) কাটিয়ে সেবাপ্রক্রিয়াকে সহজ ও নাগরিকবান্ধব করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন।

বক্তব্যের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের নিজ নিজ কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জনসংখ্যার ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে পরিবেশ দূষণমুক্ত ও সুস্থ রাখা কোনো দলীয় বিষয় নয়; বরং ব্যক্তি, পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের স্বার্থেই এটি প্রত্যেক নাগরিকের অন্যতম জাতীয় কর্তব্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%