ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যার আহ্বান ইসরাইলি মন্ত্রীর


গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যার আহ্বান ইসরাইলি মন্ত্রীর

ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যা করা উচিত।

এমনকি তিনি হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আরও ব্যাপকভাবে হত্যাকাণ্ড চালানোরও আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) প্রচারিত একটি পডকাস্টে গাজায় আটক সাবেক ইসরাইলি বন্দি রোম ব্রাসলাভস্কির সঙ্গে আলাপকালে বেন-গভির এ মন্তব্য করেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের নেতৃত্বে হামলার পর গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ চলাকালে ব্রাসলাভস্কি সেখানে বন্দি ছিলেন।

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে হত্যাকাণ্ড চালানোর আহ্বান জানিয়ে বেন-গভির বলেন, ‘সেখানে এমন মানুষ আছে, যারা বেঁচে থাকার যোগ্য নয়। তাদের বেঁচে থাকা উচিত নয়। তারা মানুষও নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের অংশ বেন-গভির দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের চরমপন্থি বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তিনি ইসরাইলের পুলিশ ও কারা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন।

আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশটির রাজনীতিতে বেন-গভিরের প্রভাবও বেড়েছে। বর্তমান ‘যুদ্ধবিরতির’ অধীনে গাজায় সামরিক হামলা কমিয়ে দেয়ার নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি একমত নন বলেও ব্রাসলাভস্কিকে জানান। সরাসরি হুমকি নয়, তাদের বিরুদ্ধেও লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড পুনরায় চালুর পক্ষে মত দেন তিনি।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ওপর সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক কর্তৃত্ব নেই বেন-গভিরের। এছাড়া তিনি নিজে থেকে হামলার নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতাও নেই। তবে তিনি ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সদস্য, যেখানে যুদ্ধ ও জাতীয় নিরাপত্তা নীতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

আলাপচারিতায় ব্রাসলাভস্কি ইসরাইলে সাম্প্রতিক কার্যকর হওয়া মৃত্যুদণ্ড আইনের আওতায় সামরিক আদালতে ইসরাইলিদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার দায়ে দণ্ডিত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কাজে তাকে অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার একটি ব্যক্তিগত অনুরোধ আছে। মন্ত্রী, আমি সত্যিই আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে বলছি—আমাকে তাদের ফাঁসিতে ঝোলানোর দায়িত্ব দিন।’

জবাবে বেন-গভির তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘এটা ঘটানোর জন্য আমি বিশ্বকে উল্টে দেব। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এটি না হওয়া পর্যন্ত আমি সবকিছু করব।’

বেন-গভির ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে স্থায়ীভাবে চলে যেতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সেখানে নতুন করে ইসরাইলি বসতি স্থাপনেরও আহ্বান জানিয়েছেন। ব্রাসলাভস্কিকে তিনি বলেন, ‘পুরো গাজাকেই আমরা নিজেদের বলে মনে করি।’

আরও পড়ুন: ইসরাইলি ডানপন্থি নেত্রী শারেন হাস্কেল, নতুন সরকার গঠনে আরবদের বাদ দেওয়ার দাবি জানালেন

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় গাজায় ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

বেন-গভিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য তার দীর্ঘদিনের চরমপন্থি অবস্থানেরই ধারাবাহিকতা। কিশোর বয়সে তিনি নিষিদ্ধ কাহানিস্ট জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মন্ত্রী হওয়ার পর ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডকে নিয়মিত শাস্তি হিসেবে চালুর পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের জীবনযাত্রার পরিস্থিতি ইচ্ছাকৃতভাবে আরও কঠোর করার কথাও প্রকাশ্যে বলেছেন।

তার এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত হলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও তা তার কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।

আরও পড়ুন: কংগ্রেস ভারতকে 'বাংলাদেশ' বানানোর চক্রান্তে লিপ্ত, নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা দখল করতে চায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এখন থেকে সিলেট নগরীতে ভবন নির্মাণ করতে লাগবে সিউকের অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


এখন থেকে সিলেট নগরীতে ভবন নির্মাণ করতে লাগবে সিউকের অনুমোদন

পরিকল্পিত নগর গঠন, সুশৃঙ্খল নগরায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া যে  কোনো ধরনের ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সংস্থাটি।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিউকের আওতাধীন এলাকায় ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের জন্য আবেদন সিউকের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। কার্যালয়ের ঠিকানাÑ২৯/এ ফরচুন গার্ডেন, বঙ্গবীর রোড, নাইওরপুল, সিলেট।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইমারত নির্মাণ আইন-১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং  কোড (বিএনবিসি)-২০২০ অনুসরণ করতে হবে। এ জন্য সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা ও নকশা প্রণয়ন করে আবেদন দাখিল করতে হবে। এছাড়া রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সব ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে সিউকে নিবন্ধিত হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ীই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে। অবৈধ দখল, জলাশয় ভরাট কিংবা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৩-এর ৫৪ ধারার উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর সিউকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নেওয়া অনুমোদন অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।
আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত যে কোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও গণবিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
নগরবাসীকে ভবন নির্মাণ, ভূমি ব্যবহার কিংবা সংশ্লিষ্ট যে কোনো কার্যক্রমের আগে সিউক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ এম


ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় ফ্লোরেস অঞ্চলে আবার ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।

সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে জার্মানির ভুতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা জিএফজি জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস একটি বিবৃতির মাধ্যমে।

বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। প্রাথমিকভাবে এর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে দক্ষিণ অক্ষাংশের ৮.৫৭ ডিগ্রি এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ১২১.৫৫ ডিগ্রিতে।

সূত্র: সিনহুয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান সরকারের পতনে কুর্দিদের ব্যবহারের পরিকল্পনা ভেস্তে দেন এরদোয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ এম


ইরান সরকারের পতনে কুর্দিদের ব্যবহারের পরিকল্পনা ভেস্তে দেন এরদোয়ান

ইরানের সরকার স্থিতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে হাজার হাজার কুর্দি যোদ্ধাকে তেহরানের দিকে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আপত্তি এবং হস্তক্ষেপের ফলে সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কার্যকর হওয়ার সুযোগ পায়নি বলে দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি জানাচ্ছে, গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকার পতনের সম্ভাব্য বিভিন্ন পথ নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে উপস্থিত থাকা এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা দাবি করেন, নেতানিয়াহু এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যেখানে ইরানের জনগণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ পাবে।

নেতানিয়াহুর পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক দিশা ছিল কুর্দিস্তান অঞ্চল থেকে কুর্দি যোদ্ধাদের ইরানে প্রবেশ করানো। মার্কিন বিমান সুরক্ষার নীচে সীমান্ত অতিক্রম করে এসব যোদ্ধাকে পশ্চিম ইরানে পাঠিয়ে বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মোসাদের এই পরিকল্পনা সিআইএ-র সাথে আলোচনা করা হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

কিন্তু পরিকল্পনাটি তুরস্কের জন্য একটি বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলেই মনে করেন এরদোয়ান। ইসরায়েলি এবং উপসাগরীয় সূত্রগুলোকে উল্লেখ করে দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, এরদোয়ান ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে বলে দেন যে তিনি এই অঞ্চলে কুর্দিদের স্বাধীনতা বা সশস্ত্র উপস্থিতি কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবেন না।

তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে-এর সাথে সংঘাতে রয়েছে। এর ফলে, ইরানে কুর্দি মিলিশিয়াদের অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে এটি তুরস্কের পূর্ব সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা সংকট সৃষ্টি করতে পারে বলে আঙ্কারা আশঙ্কা করেছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পরিকল্পনাটি নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তারাও সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানে কুর্দিদের স্থল অভিযানের সম্ভাবনাকে ওই পরিকল্পনার অবাস্তব অংশগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সিআইএর পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ ট্রাম্পকে বিষয়টি জানানোর পরে, নেতানিয়াহুর সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনাকে ট্রাম্প 'হাস্যকর' মন্তব্য করেছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে, পরিকল্পনাটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। ১ মার্চ ট্রাম্প কুর্দি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ইরানের অভ্যন্তরের স্থানীয় কর্মকর্তাদেরও তেহরানের দুর্বলতার সুযোগ নিতে রাজি করানোর চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েল পশ্চিম ইরানে সামরিক হামলা জোরদার করে। কুর্দি সংগঠনগুলোর যোদ্ধারা সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে প্রবেশ ও সেখানকার কুর্দিদের অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা গ্রহণ করছিল বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ১৮ মার্চ একটি সশস্ত্র কুর্দি জোট ইরানে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত ছিল, তাদের শুধু ট্রাম্পের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল—এমন দাবিও করা হয়েছে।

তবে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের ওই অভিযানে সরাসরি যুক্ত করতে আসেনি। এরদোয়ানের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোও সতর্ক করে দেয় যে, ইরানকে জাতিগতভাবে বিভক্ত করার চেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হওয়ার পর ইসরায়েলেও অসন্তোষ সৃষ্টি হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বরাতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই ওভাল অফিসে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সর্বশেষ বৈঠকে ইরানের সরকার পরিবর্তনের প্রসঙ্গটি উঠেছিল। নেতানিয়াহু নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে এখনও সরকার পরিবর্তনের একটি সুযোগ রয়েছে বলে ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত, ট্রাম্প সামরিক অভিযানের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাতের অবসানের পথ বেছে নেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় নতুন আতঙ্ক, বাড়ছে আফটারশকের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ এম


ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় নতুন আতঙ্ক, বাড়ছে আফটারশকের আশঙ্কা

পূর্ব ইন্দোনেশিয়াতে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ জনে পৌঁছেছে। এই ভূমিকম্পে আরও ১৩০ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর দুর্গম হয়ে পড়া এলাকাগুলোতে উদ্ধার এবং ত্রাণ তৎপরতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার ১৫ আগস্টে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাড়িঘর ও স্থানীয় অবকাঠামো ধসে যাওয়ার ফলস্বরূপ প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে। অনেক বাসিন্দা গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, সিক্কা অঞ্চল থেকেই ৩৩০০-এর অধিক মানুষ নিরাপদ আশ্রয় অথবা স্থানীয় একটি স্টেডিয়ামে অবস্থান করছেন। ২০২২ সালে পশ্চিম জাভায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিই দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প।

দেশটির মন্ত্রিপরিষদ সচিব টেডি ইন্দ্র বিজয়া জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার এবং ত্রাণ তৎপরতায় সহায়তার জন্য ৩৫০০-এরও বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অস্থায়ী তাঁবু, খাদ্য, সুপেয় পানি, তোশক, কম্বল, জেনারেটর এবং স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে বিএনপিবির তরফ থেকে।

ভূমিকম্পের কারণে মাউমেরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরের ছাদ এবং দেয়াল ধসে যাওয়ার ফলে সেটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, মূল ভূমিকম্পের পর এলাকায় প্রায় ১০০০টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।

ঘন ঘন পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার, বাস্তুচ্যুতদের সহায়তা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%