ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চকচকে সাজসজ্জার আড়ালে চলছিল বিষের ব্যবসা!


চকচকে সাজসজ্জার আড়ালে চলছিল বিষের ব্যবসা!

চকচকে সাজসজ্জার আড়ালে বিষের ব্যবসার খবর উঠে এসেছে।

আরএফসির খাবার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন, অভিযানে গোপন কক্ষ ও পচা খাবার উদ্ধার হয়েছে।

বাইরে ঝকঝকে সাজসজ্জা, আধুনিক ডেকোরেশন সঙ্গে মুখরোচক খাবারের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। কিন্তু সেই চাকচিক্যের আড়ালে আসল চিত্র কী?

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

মাদারীপুর শহরের জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট ‘আরএফসি’র খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়েছেন নারী ও শিশু সহ অন্তত ৩৫ জন। এ ঘটনার পর প্রশাসনের অভিযান চলাকালীন একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

রেস্টুরেন্টটিতে পাওয়া গেছে পচা-বাসি খাবার, ক্ষতিকর রং, নিম্নমানের তেল, অস্বাস্থ্যকর রান্নাঘর এবং একাধিক রহস্যজনক গোপন কক্ষ।

জানা গেছে, শহরের পুরানবাজার এলাকার আরএফসি রেস্টুরেন্টে গ্রিল ও নানরুটি খাওয়ার পর একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু গ্রাহক। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত বমি, ডায়রিয়া ও তীব্র পেটব্যথা নিয়ে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি হন অন্তত ৩৫ জন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থার গুরুতর হয়ে যাওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, একই রেস্টুরেন্টের খাবার খাওয়ার পর তাদের পরিবারের একাধিক সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনার ফলে জেলাজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাবের তত্ত্বাবধানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল মঈন সিকদার।

অভিযানকালে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একই ফ্রিজে কাঁচা মাংস ও রান্না করা খাবার সংরক্ষণ, বাসি ও পচা খাদ্য সামগ্রী এবং খাবারে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নন-ফুড গ্রেড রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া নিম্নমানের তেল ব্যবহারের অভিযোগও উঠে এসেছে। নিরাপদ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল মঈন সিকদার বলেন, “অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে। কাঁচা ও রান্না করা খাবার একই স্থানে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। খাবারে ক্ষতিকর রং এবং নিম্নমানের তেল ব্যবহারের বিষয়টিও নিশ্চিত হয়েছে। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়েছে।”

তবে অভিযানের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো রেস্টুরেন্টের ভেতরে একাধিক ছোট ছোট গোপন কক্ষের সন্ধান পাওয়া। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছে, রেস্টুরেন্টে এ ধরনের গোপন কক্ষ রাখার কোনো বিধান নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবত এসব কক্ষকে কেন্দ্র করে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল।

আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গোপন কক্ষগুলো অপসারণ না করলে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হবে।

অভিযানের পুরো সময় রেস্টুরেন্টটির মালিক রাহাত ব্যাপারীকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। প্রশাসনের সঙ্গে তিনি কোনো যোগাযোগও করেননি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, এত বড় ঘটনার পরও মূল দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

এ প্রসঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল মঈন সিকদার বলেন, “খাদ্য বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ভুক্তভোগীরা আইনগতভাবে অভিযোগ বা মামলা দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আরএফসি রেস্টুরেন্টের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শুধু জরিমানা নয়, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত গুরুতর অনিয়মের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, চকচকে পরিবেশ ও আকর্ষণীয় প্রচারণার আড়ালে নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করা হলে, তা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

আরও পড়ুন: মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি ও এসআইকে কারাগারে পাঠাল আদালত

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু ও তরুণদের মধ্যে ফাস্টফুড ও গ্রিলজাতীয় খাবারের জনপ্রিয়তা বাড়লেও খাবারের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। মাদারীপুরের এ ঘটনাটি সেই আশঙ্কাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জের টুলুর অবৈধ রেণু পোনা পাচারচক্রে অভিযান, ১৩ ব্যারেল পোনাসহ ট্রাক জব্দ।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


গোপালগঞ্জের টুলুর অবৈধ রেণু পোনা পাচারচক্রে অভিযান, ১৩ ব্যারেল পোনাসহ ট্রাক জব্দ।

বরিশালের উজিরপুরে গভীর রাতে অবৈধভাবে মাছের রেণু পোনা পাচারের সময় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর অভিযানে ১৩ ব্যারেল মাছের রেণু পোনাসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। এ সময় এক শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হলেও পাচারচক্রের মূল হোতাসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশাল জেলা এনএসআই উজিরপুর টোলপ্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় অবৈধভাবে পাচার করা হচ্ছিল এমন ১৩ ব্যারেল মাছের রেণু পোনাবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়।
এনএসআই সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় গোয়েন্দা সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকচালকসহ ৬ থেকে ৭ জন ব্যক্তি দ্রুত রাস্তার দুই পাশের ঝোপঝাড়ে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। তবে ধাওয়া করে একজন শ্রমিককে আটক করতে সক্ষম হন অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গোপালগঞ্জের টুলু নামে এক ব্যক্তি এই অবৈধ রেণু পোনা পাচারচক্রের মূল হোতা। তবে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জব্দকৃত ট্রাক, ১৩ ব্যারেল মাছের রেণু পোনা এবং আটক শ্রমিককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন বছরের মধ্যেই পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩০ এম


তিন বছরের মধ্যেই পাটবীজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ: কৃষিমন্ত্রী

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। তবে অনেক ক্ষেত্রে আমাদের আমদানিনির্ভরতা রয়েছে। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশে পেঁয়াজ আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।

এটি তিনি সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীতে স্মার্ট কৃষিতে সরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কৃষকের কাছে চাহিদার সঠিক তথ্য না পৌঁছানোর কারণে অনেক সময় তারা ন্যায্য দাম পান না। তিনি বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশজুড়ে দুই হাজার মিনি কোল্ডস্টোরেজ স্থাপন করা হবে। এতে করে ১৫ থেকে ২০ জন কৃষক একসঙ্গে তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর হওয়ায়, এ খাতকে শক্তিশালী করা অবশ্যই অত্যন্ত জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শায়খ আহমাদুল্লাহর পোস্ট ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩২ এম


বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শায়খ আহমাদুল্লাহর পোস্ট ভাইরাল

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই আয়োজনটি জমে উঠতে শুরু করেছে। বিশ্বকাপের উন্মাদনায় পুরো পৃথিবীর ভেতর বাতাসে উত্তাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা আমাদের দেশে সেও স্পষ্ট। চায়ের আড্ডা থেকে কাজের মাঝে, ঘর-বাজার-অলিগলি এবং অফিস-আদালত; প্রতিটি স্থানে আলোচনা হচ্ছে একটাই বিষয়— ফুটবল।

বিশ্বকাপ ফুটবলের এ উন্মাদনায় এবার যোগ দিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামী আলোচক এবং আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহও, তবে তার পন্থা কিছুটা ভিন্ন।

সোমবার (১৫ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শায়খ আহমাদুল্লাহ একটি পোস্ট করেছেন, পোস্টটিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে খরচ হয়েছে ২২০ বিলিয়ন ডলার। অপরদিকে, জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি বলছেন, মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলারেই বছরে ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

এই বিষয়টি উপস্থাপন করার পর তিনি লিখেছেন, একদিকে কোটি কোটি ক্ষুধার্ত মানুষ, অন্যদিকে অনর্থক একটি খেলার জন্য গোটা পৃথিবীর সম্মিলিত উন্মাদনা অব্যাহত রয়েছে।

এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, মানবতার মর্যাদা আমরা পূর্ব থেকেই হারিয়ে ফেলেছি। বর্তমান পৃথিবী জুড়ে কেবল মনুষ্যত্বহীন ‘খোলস-মানুষের’ বসবাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনা যেসব দলের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি গোল খেয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


আর্জেন্টিনা যেসব দলের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি গোল খেয়েছে

বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনা যেমন সফলতার একটি প্রতীক, তেমনি তাদের ইতিহাসে কিছু বড় ব্যবধানে পরাজয়ের স্মৃতিও রয়েছে। বিভিন্ন সময় শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তারা বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে, যা আজও ফুটবল আলোচনায় উঠে আসে।

আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরাজয়গুলোর একটি ঘটে ১৯৮৫ সালে, যখন কোপা পাজ দেল চাকো টুর্নামেন্টে বলিভিয়ার কাছে ১১–১ গোলে হারে আর্জেন্টিনা (এটি মূলত আর্জেন্টিনার ‘বি’ দল ছিল)। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লা পাজে আর্জেন্টিনাকে ৬–১ গোলে আবারও পরাজিত হতে হয়।

দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল উরুগুয়ে ১৯৪০ থেকে ৫০ দশকের মধ্যে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একাধিক বড় জয় অর্জন করেছে, যার মধ্যে ৬–১ ব্যবধান অন্যতম। পেরুও ১৯৫০-এর দশকে আর্জেন্টিনাকে ৬–০ গোলে পরাজিত করার রেকর্ড গড়ে।

চিলি ১৯৮০ সালের দিকে আর্জেন্টিনাকে ৬–১ ব্যবধানে হারিয়ে একটি বড় চমক দেখায়। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১৯৬২ সালে একটি হাই-স্কোরিং ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৫–৪ গোলে পরাজিত হয়।

ইউরোপের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বড় ব্যবধানে জয় প্রাপ্ত কিছু শক্তিশালী দলও রয়েছে: জার্মানি, যারা বিশ্বকাপ এবং প্রীতি ম্যাচে একাধিকবার জয় পেয়েছে (যেমন ১৯৫৮ সালে ৮-০, এবং পরবর্তীতে ৬-০ প্রকারের ফলাফল ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখযোগ্য)। সুইজারল্যান্ডও ১৯৭৫ সালে ৫-২ ব্যবধানে জয় পায়।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো আধুনিক যুগে আর্জেন্টিনা বড় ব্যবধানে খুব কমই পরাজিত হয়েছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলও বিভিন্ন সময়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় জয় অর্জন করেছে। বিশেষ করে ১৯৭৭ সালে ৫–০ এবং ১৯৯৬ সালে ৬-২ ব্যবধান উল্লেখযোগ্য।

আর্জেন্টিনা ফুটবল ইতিহাসে সফলতম দলগুলোর একটি হলেও, তাদের অতীতের পরাজয়গুলোও বেশ বৈচিত্র্যময়। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে কিছু বড় হার আজও আলোচনায় উঠে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%