ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ময়মনসিংহে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা


ময়মনসিংহে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে অংশগ্রহণে ছেলেরা এগিয়ে থাকলেও পাসের হার এবং জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এই বোর্ডের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

আজ সোমবার (১০) জুলাই প্রকাশিত এসএসসির ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিন সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর এনামুল হক।

আরও পড়ুন: পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ওসি( তদন্ত) আলমগীর, তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল ও রাফির (২৬) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ময়মনসিংহ বোর্ডে মোট অংশগ্রহণকারী ছিলেন ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ৮৭৭ জন।

মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১ হাজার ১৫১ জন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছে ৬০ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮ হাজার ৩৭২ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১ হাজার ৯০২ জন। ছেলেদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

 

পাসের হার ছাড়াও জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যায় ছেলে শিক্ষার্থীর চেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৭৯ জন এবং ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৬২১ জন।

আরও পড়ুন: ‎হোসেনপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার আহ্বান

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রয়েছে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলা।

এ চারটি জেলার মোট ১ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, এ বছর পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে নেত্রকোনা জেলা। সেখানে পাসের হার ৬০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। ৫৭ দশমিক ৮০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ জেলা। তৃতীয় স্থানে থাকা জামালপুর জেলার পাসের হার ৫৫ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং চতুর্থ স্থানে থাকা শেরপুর জেলায় পাস করেছে ৫৫ দশমিক ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী।

বিভাগভিত্তিক ফলাফল থেকে আরো জানা যায়, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। মানবিকে এ হার ৪৬ দশমিক ১২ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৪৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: সাজেকে পর্যটকদের যাত্রায় বাধা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

প্রকাশিত ফলাফল থেকে আরো জানা যায়, চলতি বছর ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর এনামুল হক বলেন, বিগত বছরগুলোতে পড়াশোনা খুব কম করেও ভালো ফলাফল করত শিক্ষার্থীরা। এই কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনাবিমুখ হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে এ বছরের ফলাফলে। তবে এ অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আগামীতে সর্বোচ্চ কাজ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ময়মনসিংহ বোর্ড

চার প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, শতভাগ পাস ১০ প্রতিষ্ঠানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


চার প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, শতভাগ পাস ১০ প্রতিষ্ঠানে

প্রকাশিত এসএসসির ফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবছর পাসের এই হার অনেক কম।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিক্ষার্থীরা কম পড়াশোনা করেও ভালো ফল করেছে, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে পড়াশোনা থেকে তারা দূরে সরে গেছে। এ কারণে, ২০২৬ সালের পরীক্ষার ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।

ময়মনসিংহ বোর্ডের চার জেলা থেকে ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশ নেয় মোট এক হাজার ৩৪৪টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে, ১০টি প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে, কিন্তু চারটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি।

শতভাগ অকৃতর্য হয়েছে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার ছাপরকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুল থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি।

আগামী তালিকায় আরো ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মুক্তাগাছা কলেজ (স্কুল শাখা) রয়েছে। এখানে চারজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করতে পারেনি। এছাড়া, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁচজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেউ পাস করেনি।

এছাড়া, জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এই প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষায় অংশ নেয় তিনজন শিক্ষার্থী।

শতভাগ পাস করার ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বোর্ডের ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, আইডিয়াল মডেল একাডেমি, ময়মনসিংহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভালুকজান মডেল একাডেমি।

শতভাগ পাসের তালিকায় জামালপুর জেলায় দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা হলো ইসলামপুর উপজেলার উত্তরা গোয়ালের চর আইডিয়াল স্কুল ও সরিষাবাড়ি উপজেলার চিলড্রেনস হোম পাবলিক স্কুল। শতভাগ পাস করা নেত্রকোনা জেলার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কেন্দুয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে : মাহ্দী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে : মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, যে শিক্ষার্থী যেভাবে পড়াশোনা করেছে, সেভাবেই শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। এই মূল্যায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়েছিল। এর ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এখানে ভালো বা মন্দের বিতর্ক না তুলে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে দেখা উচিত। যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফলাফলে সফল হয়েছে, তাদের আমাদের সবার উচিত আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো।

সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আজকে ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফল দেখছি, এটি সরকারের গঠন করার মাত্র দুই মাস পরবর্তী একটি প্রক্রিয়া। পরীক্ষার কার্যক্রম গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল। পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি এবং বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। এবারের খাতা মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

মাহ্দী আমিন বলেছেন, আমরা বহু বছর ধরে দেখে আসছি, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ কিংবা পাসের হার বাড়ানো হত। আমরা সেখান থেকে পুরোপুরি বের হয়ে এসেছি। কারণ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকৃত যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা নিয়ে বের হয়ে আসবে।

তিনি আরো বলেন, যারা ভালো ফলাফল করেছে, তাদের পরিবার যেমন গর্বিত, আমরাও তেমনি গর্বিত। কিন্তু অনেকে হয়তো প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি; তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এটাই জীবনের শেষ সুযোগ নয়।

যারা ভালো ফলাফল করেছে তারা যেমন তাদের পরিশ্রমের উপযুক্ত স্বীকৃতি পেয়েছে, ঠিক তেমনি যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায়নি, সরকার সবসময় তাদের পাশে থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, ভবিষ্যতে যেন তারা সব বাঁধা পেরিয়ে সফলতা অর্জন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, যারা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, তাদের ফলাফল ভালো হোক বা খারাপ, কিংবা প্রত্যাশিত বা অপ্রত্যাশিত, আমরা সবাইকে নিয়ে একযোগে এগিয়ে যাব। আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে পারছি যে, এবার কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা হয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের বিপুল প্রত্যাশার মাঝখানে এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কি না এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছে কি না, সেটি একটি গুরুত্বের বিষয় ছিল। গণতান্ত্রিক সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, আমাদের এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। তাই পাস-ফেল যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জরুরি হলো শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা, মেধা ও যোগ্যতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন পাচ্ছে কি না। শিক্ষামন্ত্রীর সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায় এবার ঠিক সেভাবেই এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাহ্দী আমিন বক্তৃতায় বলেন, আমাদের বার্তাটি অত্যন্ত স্পষ্ট: যারা ভালো ফলাফল করেছে কিংবা যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পায়নি, সবার উদ্দেশ্যেই বলা হচ্ছে যে প্রত্যেকে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করো, কঠোর পরিশ্রম করো এবং নিজের ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখো; কখনোই থেমে যাওয়া যাবে না। জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াই। যারা ভালো ফলাফল করেছ, এবং যে প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করেছে, তাদেরকে অনুপ্রেরণা জোগাই। পাশাপাশি যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি বা সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর টেকসই সমাধান বের করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করি, যেন শিক্ষার গুণগত মান আরো উন্নত করা যায়, যেমনটি আমাদের শিক্ষামন্ত্রীও গুরুত্বারোপ করেছেন। আর ১৮০ দিনের মূল্যায়নের বিষয়টি আসছে, আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ শাসনের ফলে রাষ্ট্রকাঠামো ব্যাপকভাবে ভেঙে পড়েছিল; সেখান থেকেই আমরা শিক্ষা খাতকে পুনঃসংগঠিত ও পুনরুজ্জীবিত করার কাজ করছি।

তিনি আরো বলেন, প্রথমবারের মতো একটি বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশের একদম তৃণমূল থেকে ঢাকা পর্যন্ত সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে বেশ কিছু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ইনোভেশন গ্রান্ট ও স্টার্টআপ কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, শিক্ষা কার্যক্রমে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটানো এবং শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির সঠিক সংযোজন নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় আমাদের কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘ ১৬ বছরে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো হয়তো পাঁচ বা ছয় মাসের মধ্যে আমূল বদলে ফেলা সম্ভব নয়। তবে আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে এবং আপনাদেরও সার্বিক সহযোগিতা আশা করছি। সামনের দিনগুলোতে বহুপাক্ষিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে আমরা কাঙ্ক্ষিত ইতিবাচক পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করতে পারবো।

তিনি সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান যে, আমাদের শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে আপনারা মূলধারায় তুলে ধরুন। যারা ভালো ফলাফল করেছে এবং যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভালো অর্জন দেখিয়েছে, তাদেরকে অনুপ্রেরণা ও স্বীকৃতি দিন। আর যেসব জায়গায় সমস্যা বা ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো আমরা সবাই মিলে চিহ্নিত করে ঐক্যবদ্ধভাবেই সমাধান করবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোসেনপুরে 'নান্না বিরিয়ানি হাউজ'-এ খাবারের মান নিয়ে ক্ষোভ, কুরুচিপূর্ণ ব্যবহারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


হোসেনপুরে
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর বাজারের 'নান্না বিরিয়ানি হাউজ'-এ নিম্নমানের খাবার পরিবেশন এবং ক্রেতাদের সাথে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কাঞ্চন মিয়া জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে মানসম্মত খাবারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিবেশন করা হচ্ছে অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার।
ভুক্তভোগী কাঞ্চন মিয়ার অভিযোগ, বিরিয়ানি অর্ডার করার পর তাকে মুরগির সিনার শুধু হাড় ও হাড়গোড়যুক্ত অংশ দেওয়া হয়, যেখানে খাওয়ার উপযোগী মাংসের কোনো অস্তিত্বই ছিল না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "টাকা দিয়ে ভালো খাবার খাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও থালায় দেওয়া হয়েছে শুধু হাড়।"
পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি নিয়ে রেস্তোরাঁর দায়িত্বে থাকা স্টাফ ও মালিকের কাছে আপত্তি জানালে সমাধান পাওয়ার বদলে উল্টো চরম দুর্ব্যবহার ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের শিকার হন।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি চড়া দাম রাখলেও প্রায়শই অসন্তোষজনক খাবার পরিবেশন করে। কোনো ক্রেতা প্রতিবাদ করলে মালিক ও কর্মচারীরা একজোট হয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থাকে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কাঞ্চন মিয়াসহ স্থানীয় সাধারণ ক্রেতারা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন, যাতে অতিদ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে খাবারের মান যাচাই ও রেস্তোরাঁটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
এসএসসি ফলাফল

পাসের হার ও জিপিএ-৫ এ শীর্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, তলানিতে ময়মনসিংহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


পাসের হার ও জিপিএ-৫ এ শীর্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, তলানিতে ময়মনসিংহ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবারের পাসের হারে এবং জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ঢাকা বোর্ডের পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এসএসসির ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পাসের হারে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিম্নে আছে ময়মনসিংহ বোর্ড। এই বোর্ডের গড় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ দেখা যায়। কিন্তু ১১টি শিক্ষা বোর্ডের হিসাব ধরলে দেখা যাচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার সবচেয়ে কম পাসের হার হলো মাদরাসা বোর্ডের।

এই বোর্ডে দাখিলে পাসের হার মাত্র ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যায় :

ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৩৩২৫৩ জন।

রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩.৬৭ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ১৬১১৩ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৯৮১৪ জন।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ১১৪৭৮ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৯৩৯৮ জন।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৬০.৩৫ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ২৭৭৮ জন।

সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৩৮৩৬ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ১৩৬৩৯ জন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৫৭০০ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%