মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৫ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : দক্ষিণ আফ্রিকার সফরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ও শেষ আনঅফিসিয়াল চার দিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৩১১ রানে পিছিয়ে রয়েছে, হাতে আছে ৬ উইকেট।
দক্ষিণ আফ্রিকার ৫১২ রানের জবাবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ২০১ রান সংগ্রহ করেছে।
পচেফস্ট্রুমে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ৩৭২ রান করেছে।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা বাকী ৬ উইকেটে ১৪০ রান যোগ করতে সক্ষম হয়। ১১৫ দশমিক ১ ওভারে ৫১২ রানে তারা গুটিয়ে যায়।
লেসগো সেনেকওয়ানে ১১১, সিনেথেম্বা কেশিলে ১২৮ এবং গাভিন কাপলান ৯৭ রানে আউট হন।
বল হাতে বাংলাদেশের নাইম হাসান ৪টি, হাসান মুরাদ ৩টি ও রেজাউর রহমান রেজা ২টি উইকেট দখল করেন।
জবাবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ৩৭ রানে ২ উইকেট হারায়। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ৯ এবং পারভেজ হোসেন ইমন ৫ রানে আউট হন। উইকেটে সেট হয়ে থাকা আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ৩৪ রানে বিদায় নেন।
৮৬ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন ৪৯ রানের একটি জুটি গড়েন। জুটিতে আফিফ ২৯ রান অবদান রেখে ফিরে যান।
দলীয় ১৩৫ রানে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আফিফ ফেরার পর হৃদয় ও জাকের আলি ৬৬ রানের একটি অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিনের খেলা শেষ করেন।
১১ চার ও ১ ছক্কায় হৃদয় ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন, অপরদিকে জাকের ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাইল সিমন্ডস ২ উইকেট নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের কারণে নারায়ণগঞ্জের সাতটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ২৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪০ টাকা জরিমানা ধার্য করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
আজ মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো তথ্য, উপাত্ত এবং সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এর বিভিন্ন ধারায় এই জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।
ফতুল্লার কুতুবপুরের নয়ামাটিতে অবস্থিত এবলুম ডিজাইন লিমিটেডকে সর্বোচ্চ ৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া রূপগঞ্জের কেশরাব এলাকার রিজেন্ট হোল্ডিংস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা, রূপগঞ্জের আটলাপুরের ট্রেডস ওয়ার্থ হাউজ ভোল্ড লিমিটেডকে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট নিউটাউনের বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডকে ২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফতুল্লার কাইয়ুমপুরের মেসার্স সানলাইট ডাইং অ্যান্ড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজকে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৪০ টাকা, নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ বাংলাবাজারের কোয়ালিটি টেক্সটাইলকে ১ লাখ ২১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বন্দরের কুড়িপাড়া মদনপুরের স্টার পার্টিকেল বোর্ড মিলস লিমিটেডকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে জেলাজুড়ে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সিকিউরিটিজের সরাসরি তালিকাভুক্তি) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। শিগগিরই জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে খসড়াটি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে আজ অনুষ্ঠিত কমিশনের ১০৯তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রস্তাবিত বিধিমালার আওতায়, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন শেয়ারের ১০ থেকে ২০ শতাংশ বিক্রয়ের মাধ্যমে কোনো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়াই নির্দিষ্ট শর্তে কোম্পানিগুলো সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে পারবে।
বিধিমালায় সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য কিছু যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় শর্তাবলী নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ সরকারের মালিকানাধীন থাকা কোম্পানি, বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম ৩০০ কোটি টাকা রয়েছে—এমন যেকোনো কোম্পানি।
এছাড়া, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনুমোদিত টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি-সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী অথবা আইসিটি অবকাঠামো ও উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোও এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবে। পাশাপাশি, অন্তত ৩ বছরের সফল কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা সাপেক্ষে তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানিগুলোও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে।
প্রস্তাবিত নিয়মে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বার্ষিক সর্বনিম্ন ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভার অথবা সমপরিমাণ মোট সম্পদ রয়েছে—এমন বৃহৎ কোম্পানিগুলোকেও সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সরাসরি বাজারে আসার সুযোগ দেওয়া হবে।
তবে সরাসরি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি এবং সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টির নির্ধারিত অন্যান্য বিধি ও শর্তাবলিও অবশ্যই পালন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলকাতার শোবিজ অঙ্গনের অন্ধকার দিক নিয়ে আবারও মুখ খুললেন ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। তিনি কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্তা এবং ‘মি টু’ আন্দোলন নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।
কয়েক বছর আগে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নাম উল্লেখ না করে দুই প্রভাবশালী প্রযোজকের বিরুদ্ধে সরব হওয়া থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পিটিশন— সব বিষয়েই অভিনেত্রী তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
এতদিন কেন নীরব ছিলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ঋতাভরী বলেছেন, এখন তার অবস্থান অনেক শক্ত। তার ভাষায়, “আজ আমার জীবনে এমন একটা জায়গা তৈরি হয়েছে, কেউ যদি এখন আমার গায়ে হাত দেয় বা যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে, তবে তাদের মাঝরাস্তায় উলঙ্গ করে দাঁড় করাব।”
নিজের সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। ঋতাভরী দাবি করেছেন, পূর্ব ভারতের অভিনেত্রীদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর সময়টা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। নতুন একজন অভিনেত্রী হিসেবে তখন ভয় কাজ করত বলে জানিয়েছেন তিনি। তার আশঙ্কা ছিল, অভিযোগ করলে মানুষ হয়তো তাকেই ভুল বুঝবে। এমনও মনে হতে পারে, কাজ না পাওয়ার কারণেই তিনি নির্মাতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। এই ভয়েই দীর্ঘদিন অনেক কিছু নীরবে সহ্য করতে হয়েছে তাকে।
তবে সেই সময়ের ঘটনাগুলোর কোনো প্রমাণ নষ্ট করেননি ঋতাভরী। তার দাবি, আপত্তিকর বার্তা ও অন্যান্য প্রমাণ তিনি সংরক্ষণ করে রেখেছেন। যদিও সামাজিক মাধ্যমকে ‘ট্রায়াল গ্রাউন্ড’ বা কুৎসার জায়গা বানাতে চান না তিনি। বরং আইনি ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এ লড়াই চালিয়ে যেতে চান অভিনেত্রী।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপকভাবে সরব হয়েছিলেন ঋতাভরী। কেরালার আলোচিত ‘হেমা কমিটি’ প্রতিবেদনের আদলে বাংলার চলচ্চিত্রশিল্পেও একটি কাঠামোগত উদ্যোগের দাবি তুলেছিলেন তিনি। এরপর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে সরাসরি বৈঠক করেন অভিনেত্রী।
সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিচারপতি, পুলিশ, আইনজীবী ও মনস্তত্ত্ববিদদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে জানালেন ঋতাভরী। এই কমিটির মাধ্যমে টলিউডে নিরাপত্তা ও লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা তৈরির কথা ছিল।
ঋতাভরী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের কাছেও এ বিষয়ে আরও আনুষ্ঠানিকভাবে পিটিশন জমা দিয়েছেন তিনি। তার অবস্থান স্পষ্ট— সঠিক বিচার ও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত এই লড়াই থামাবেন না।
২০০৯ সালের ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ মেগার মাধ্যমে ঘরে ঘরে পরিচিতি পাওয়া ঋতাভরী বর্তমানে বাংলা সিনেমার অন্যতম পরিচিত মুখ। ‘বহুরূপী’, ‘ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি’ ও ‘ফাটাফাটি’র মতো সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখিতেও নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন তিনি। অনুষ্কা শর্মার ‘পরী’ এবং কল্কি কেঁকলার অভিনীত ‘নেকেড’-এর মতো কাজেও তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।
অভিনয়ের পাশাপাশি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার কারণে ঋতাভরী এখন বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে এক ব্যতিক্রমী প্রতিবাদী কণ্ঠ হিসেবেও পরিচিত।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেলিভিশনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘দিদি নং ১’-এর নতুন সিজনে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঞ্চালক হিসেবে অভিষেক নিয়ে দর্শকদের মাঝে শুরুতে বিভিন্ন প্রশ্ন ছিল। তবে, বর্তমানে তাঁর সঞ্চালনায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছেন অনেকেই। এই প্রশংসার তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস।
সম্প্রতি, ঐন্দ্রিলা ‘দিদি নং ১’-এর নতুন সিজনে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বস্তিকার সঙ্গে কাটানো অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি। ঐন্দ্রিলা সেখানে স্বস্তিকার ব্যক্তিত্ব ও আচরণের প্রশংসা করেছেন।
ঐন্দ্রিলা লিখেছেন, ‘আমার সহ-প্রতিযোগীদের সঙ্গে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আমার প্রিয় অভিনেত্রী ও একজন অসাধারণ মানুষ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দারুণ সময় কেটেছে।’
স্বস্তিকার সঙ্গে কাটানো সময়ের কথা উল্লেখ করে ঐন্দ্রিলা আরও বলেন, ‘আপনি সত্যিই আমার মন জয় করে নিয়েছেন। একজন ‘সিনিয়র’ হিসেবে নিজেকে এতটা মার্জিত, আন্তরিক, বিনয়ী ও উদারভাবে উপস্থাপন করা যদি আদর্শ হয়, তবে ঠিক এমন একজন মানুষই তো হওয়া উচিত।’
ঐন্দ্রিলা স্বস্তিকার উপস্থিতি ও আচরণ নিয়েও মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘আপনার উপস্থিতি, আপনার ভালো ব্যবহার এবং মানুষকে যেভাবে আপনি গুরুত্ব দিয়েছেন, তা সত্যিই অসাধারণ। আপনার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও মুগ্ধতা ছাড়া আর কিছুই নেই।’
এদিকে, ‘দিদি নং ১’-এর নতুন সিজনে শুধু সঞ্চালক পরিবর্তন হয়নি, বরং অনুষ্ঠানটির ফর্ম্যাটেও এসেছে বেশ কিছু পরিবর্তন। পূর্বে একসঙ্গে কমসংখ্যক প্রতিযোগী অংশ নিলেও, এখন একই পর্বে ১০ জন প্রতিযোগী নিয়ে খেলা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটির সম্প্রচারের সময়ও বদলেছে; আগে বিকেল ৫টায় প্রচারিত হলেও, এখন রাত ১০টা ১৫ মিনিটে সম্প্রচার করা হচ্ছে।
চলতি বছর টেলিভিশনের একাধিক জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের ফর্ম্যাটে পরিবর্তন এসেছে। ‘দাদাগিরি’-তে দেবের সঞ্চালকের ভূমিকায় আসার পর, এবার ‘দিদি নং ১’-এ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের নতুন দায়িত্বও দর্শকদের আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
অন্যদিকে, ওটিটি থেকে টেলিভিশনে বিভিন্ন ঘরানায় অভিনয় করে দর্শকদের নজর কেড়েছেন ঐন্দ্রিলা বোস। তিনি ‘আলো ছায়া’, ‘মন ফাগুন’ ও ‘পুবের ময়না’র মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। এবার ‘দিদি নং ১’-এর মঞ্চে স্বস্তিকার সঞ্চালনায় অংশ নিয়ে ঐন্দ্রিলা তাঁর প্রশংসা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ