বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩১ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ককে হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে, ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম সরেজমিনে হকারমুক্ত ঘোষিত সড়কগুলো পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময়, ডিএসসিসি প্রশাসক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বসলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিভিন্ন হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছি। তারা নিজেরাও স্বেচ্ছায় এসব মূল সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় আমরা নগরবাসীকে ফুটপাত ও সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে চাই।"
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, রমনা ভবন সংলগ্ন পূর্বপাশের ফুটপাতে সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা রেখে নির্ধারিত জায়গায় নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত নির্দিষ্টসংখ্যক হকার বসতে পারবেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত স্থান, সময়, সংখ্যা ও নিবন্ধনের বাইরে যত্রতত্র হকার বসে জনভোগান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই এবং নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
হকারদের নিবন্ধন ফি কমানোর দাবির বিষয়ে প্রশাসক বলেন, "বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনামা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
পরিদর্শনের সময়, ডিএসসিসি প্রশাসক প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মূল সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম তদারকি করেন।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত ‘ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স’-এ বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নারী নেতৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএনজিএর সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি নারীর নেতৃত্বকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রান্তিক অবস্থান থেকে মূল কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নারীরা নেতৃত্ব দিলে বিশ্ব এগিয়ে যায়।’ তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক নেতৃত্বে নারী-পুরুষের অসম প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও উঠে আসে।
খলিলুর রহমান জানান, বর্তমানে বিশ্বের প্রতি সাতটি দেশের মধ্যে ছয়টি এখনও পুরুষ নেতৃত্বাধীন। একইভাবে ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনাগুলোতে মধ্যস্থতাকারী ও আলোচকদের মাত্র ৫ শতাংশ নারী ছিলেন। এসব তথ্য তুলে ধরে তিনি নারী নেতৃত্বকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দুতে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এবারের ‘ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স’-এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল—‘সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তুলতে আস্থা পুনর্গঠন ও পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীর নেতৃত্ব।’ আয়োজনে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, লিঙ্গ-সংবেদনশীল নীতিনির্ধারণ ও অর্থায়ন এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয় ও ইউএন উইমেনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর এই প্ল্যাটফর্মের আয়োজন করা হয়। নারী নেতাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নারীর নেতৃত্বকে আরও কার্যকর করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
এবারের বৈঠকে ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে নারীর পূর্ণ অংশগ্রহণ, নারীবান্ধব নীতিনির্ধারণ এবং বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর ভূমিকা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বামী গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এর মধ্যেই ব্রাজিলের ডানপন্থী রাজনীতিতে নিজের স্থান তৈরি করছেন সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল বলসোনারো।
সিনেট নির্বাচনে সম্ভাব্য জয় তার জন্য ২০৩০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাব্য সিঁড়ি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৪৪ বছর বয়সী মিশেল বলসোনারো একজন শান্ত স্বভাবের ও গভীরভাবে ধর্মপ্রাণ নারী।
তার গাঢ় বাদামি চুল বব কাটে রয়েছে।
তবে ৪৫ বছর বয়সী সৎ ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারোর সঙ্গে তার সম্পর্ক বেশ টানাপোড়েনের।
আগামী ৪ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে কঠিন লড়াইয়ে রয়েছেন ফ্লাভিও।
সম্প্রতি ফ্লাভিও প্রকাশ্য বিরোধের সময় মিশেলের বিরুদ্ধে তার প্রতি অসম্মান ও দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ করেন।
পরে ফ্লাভিওর নির্বাচনী সমাবেশে মিশেলকে আর দেখা যায়নি।
ব্রাসিলিয়া থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মিশেল বলেন, তার ৭১ বছর বয়সী স্বামী ও সাবেক কট্টর ডানপন্থী নেতা জাইর বলসোনারোর দেখাশোনা করা প্রয়োজন।
অসুস্থতার কারণে মানবিক বিবেচনায় তাকে গৃহবন্দি রাখা হয়েছে। একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টার দায়ে তিনি ২৭ বছরের সাজা ভোগ করছেন।
প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে রাজধানী ব্রাসিলিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী সিনেটর পদে মিশেল বলসোনারোর জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। অথচ তিনি খুব কমই নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এর আগে, তিনি লিবারেল পার্টির (পিএল) নারী শাখার নেতৃত্ব দিয়েছেন।
নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নামলে তিনি তার স্বামী ও তুলনামূলক কম আগ্রাসী, তবে লড়াকু স্বভাবের ছেলে ফ্লাভিওর চেয়ে ভিন্ন সুরে কথা বলেন।
ব্রাসিলিয়ায় গাড়িবহর নিয়ে যাওয়ার সময় এক বামপন্থী ব্যক্তির প্রতিবাদী স্লোগানের মুখে মিশেল হাসিমুখে বলেন, ‘আপনি লুলার সঙ্গে, আমি জাইর বলসোনারোর সঙ্গে। তবে পারস্পরিক সম্মান থাকলে সবকিছুই ঠিকঠাক চলে।’
ডানপন্থী প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণার ভিডিওতে তাকে রাখতে রাজধানীতে ছুটে আসছেন।
মিশেলের ভাই ও উপদেষ্টা এডুয়ার্ডো তোরেস এএফপিকে বলেন, ‘এই সিনেট নির্বাচন কেবল শুরু। আজ মিশেলই ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় নারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।’
পিএলের এক সূত্র এএফপিকে জানায়, সৎ ছেলের সঙ্গে বিরোধের পর মিশেলের অবস্থান ‘আরও শক্তিশালী’ হয়েছে।
মিশেল তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কথা প্রকাশ্যে বলেননি। তবে চলতি বছরের নির্বাচনে তাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
পরে তার স্বামী ছেলে ফ্লাভিওকে নিজের রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেন।
ওই সূত্র বলেছে, ২০৩০ সাল ‘এখনো অনেক দূরের বিষয়’ হলেও মিশেল ‘ইতোমধ্যেই ডানপন্থী রাজনীতিতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করছেন।’
ফেদেরাল ইউনিভার্সিটি অব পারানার রাষ্ট্রবিজ্ঞানী গ্রাজিয়েলা তেস্তা বলেন, মিশেল বলসোনারো ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টান মা ও গৃহিণীদের সঙ্গে ‘গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র’ হিসেবে কাজ করছেন। পুরুষদের তুলনায় এই গোষ্ঠীকে ‘বলসোনারোবাদে আকৃষ্ট করা কঠিন।’
সৎ ছেলের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে বিস্তারিত একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করার পর, নিজ দলেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাবেক ফার্স্ট লেডি।
তার বন্ধু ও সিনেটর দামারেস আলভেস এএফপিকে বলেন, এই সমালোচনার ‘মূল কারণ হলো, মিশেল পুরুষদের তৈরি করে দেওয়া ছোট বাক্সের মধ্যে থাকেননি।’
মিশেল বধিরদের জন্য সাংকেতিক ভাষার দোভাষী। ২০১৯ সালে তার স্বামীর প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এই দক্ষতাকে কাজে লাগান।
ফার্স্ট লেডি থাকার সময় মঞ্চে তার আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। তবে এখনো স্বামীর তুলনায় প্রকাশ্যে কম কথা বলেন তিনি।
সংবাদমাধ্যমে তিনি সতর্ক থাকেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ ঝালকাঠির রাজাপুরে বাল্যবিবাহ রোধ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক, মাদকের ভয়াবহতা এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।
সভাপতিত্বের দায়িত্ব পালন করেন রাজাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তানভির রশীদ আকন, প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি, যা শিক্ষাজীবনকে ব্যাহত করে এবং কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের জন্য নানা ঝুঁকি তৈরি করে। একইভাবে, মাদকাসক্তি ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
এছাড়া বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমের সংখ্যা বৃদ্ধি করা উচিত। অভিভাবকদেরও সন্তানদের প্রতি আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সভায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে উপস্থিত সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য উৎসাহিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের অভিযোগে পাঁচ যুবককে আটক করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, আটক হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন ট্রেনে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দক্ষিণ পাশের আউটার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে রেলওয়ে থানা পুলিশের একটি দল প্ল্যাটফর্ম ডিউটির পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জনসম্মুখে গাঁজা সেবনের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম এলাকার মো. সোহান (২১), একই এলাকার মো. সোহেল প্রকাশ রতন (২৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ইসলামপুর বড় বাকাইল এলাকার মো. আশিক মিয়া (২২), উত্তর শেখপুর এলাকার মো. শাকিল (২২) এবং শেরপুর (সগিরাপাড়া) এলাকার মো. পারভেজ (৩০)।
পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মো. সোহান ও মো. সোহেল প্রকাশ রতনকে এক বছর করে এবং মো. আশিক মিয়া, মো. শাকিল ও মো. পারভেজকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন ট্রেনে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। রেলওয়ে স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ