বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৪১ পি.এম
কক্সবাজারের রামুতে বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি ১০০০ মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মানবিক সংগঠন ‘মৈত্রী-০২’। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এই ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বন্যাদুর্গতদের কাছে।
ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। তিনি সরকারের পাশাপাশি মানবিক সংগঠনগুলোকে তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তার জন্য আহ্বান জানান।
ত্রাণসামগ্রী হিসেবে প্রত্যেক পরিবারে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শুকনা খাবারসামগ্রী, খাবার সেলাইন ও ওষুদও দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান এ সময় উপস্থিত থেকে সমাজের ধনী ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় যে মামলাগুলো হয়েছে, তার মধ্যে ৫৯টি মামলা তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এসব মামলার সঠিক ঘটনা উদঘাটনের লক্ষ্যে, সংস্থাটি প্রায় ৪০ জিবি তথ্য-উপাত্ত, ফরেনসিক আলামত এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার বিশ্লেষণ করছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের মামলার অগ্রগতির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান।
তিনি বলেন, ডিবিতে জুলাই আন্দোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ৫৯টি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। প্রতিটি মামলায় আসামির সংখ্যা অনেক। আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা, কে কী ভূমিকা পালন করেছেন এবং ফরেনসিক তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের কাজ চলছে।
প্রায় ৪০ জিবির ডাটা পর্যালোচনা করতে হচ্ছে এবং আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই মামলাগুলোর তদন্ত করছি।
তিনি আরও বলেন, আইনের মধ্যে থেকেই যথাযথ তদন্ত সম্পন্ন করা হবে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে একই ঘটনার একাধিক মামলা এবং মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার উল্লেখ করেন, এসব মামলা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে সফরে যাচ্ছেন। তিনি আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব ছাড়ার আগে এ সফরটি করছেন।
ব্রিটিশ সরকারের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, সোমবার ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ার আগে স্টারমার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন। সংবাদটি লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি প্রকাশ করেছে।
স্টারমার জেলেনস্কিকে জানানোর ব্যবস্থা করবেন যে, তার স্থলাভিষিক্ত অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দায়িত্ব গ্রহণের পরও যুক্তরাজ্যের ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অটল থাকবে।
স্টারমারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বক্তব্যের মধ্যে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘ইউক্রেনের প্রতি আমাদের অটল সমর্থন সব সময় বজায় থাকবে।’
শুক্রবার, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বার্নহ্যাম। এর পর রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সোমবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
গত ২২ জুন, লেবার পার্টির সংসদ সদস্যদের আস্থা হারানোর ফলে স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা অভ্যন্তরীণ নীতিতে একাধিক অবস্থান পরিবর্তনের কারণে কমে যায়।
কিন্তু ইউক্রেন ইস্যুতে তাঁর ভূমিকা এবং ন্যাটো প্রতি অঙ্গীকারের কারণে তিনি অনেক বিদেশি নেতার কাছে উচ্চ মর্যাদা অর্জন করেছেন।
স্টারমার এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির পর রাশিয়াকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠনের উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
সোমবার ইউক্রেনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৯০ বিলিয়ন ইউরো (১০৩ বিলিয়ন ডলার) সহায়তা ঋণ কর্মসূচিতেও যুক্তরাজ্য অংশগ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত কুখ্যাত শিশু যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে একটি গোপন সম্পর্ক ছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। এই বিষয়টি অবশেষে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একেবারে শীর্ষ মহলের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল এপস্টেইনের।
বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন ক্রীড়া ভাষ্যকার, কৌতুক অভিনেতা এবং সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক জো রোগানের একটি সাক্ষাৎকারে অংশ নেন ভ্যান্স। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি বহুল আলোচিত এপস্টেইনকে নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন।
জেডি ভ্যান্স উল্লেখ করেছেন, ‘মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায়ে তার যে যোগাযোগ ছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ মহলের সঙ্গেও তার যোগাযোগ ছিল।’
কথা প্রসঙ্গে ভ্যান্স নিজেকে ‘এপস্টাইন ষড়যন্ত্র তত্ত্বের অন্যতম আদি প্রবক্তাদের একজন’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং তিনি এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন তত্ত্ব পর্যালোচনা করেছেন।
যখন রোগান এপস্টাইনের সঙ্গে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কথিত সম্পর্ক নিয়ে প্রচলিত জল্পনার কথা তোলেন, তখন ভ্যান্স জবাব দেন, ‘হ্যাঁ, মোসাদ বা সিআইএ, কিংবা অন্য কোনো ডিপ স্টেট।’
ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স আরও জানান, ‘যতটুকু আমি জানি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে খুব জনপ্রিয় নন, এপস্টেইনের সম্পর্ক ছিল ইসরাইলি ডিপ স্টেটের এমন কিছু অংশের সঙ্গে, যারা রাজনৈতিকভাবে মধ্য-বামপন্থী ছিল।’
তিনি দাবি করেন, ‘ডানপন্থীদের তুলনায় ইসরাইলের মধ্য-বামপন্থী মহলের সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্ক অনেক গভীর ছিল।’ এই মন্তব্যগুলো এমন সময়ে দেওয়া হয়েছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা চলছে।
ভ্যান্স স্বীকার করেন, এপস্টাইন-সংক্রান্ত নথি নিয়ে প্রশাসনের যোগাযোগ কৌশলে ভুল ছিল। তিনি এর জন্য মূলত যোগাযোগজনিত সমস্যা এবং তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডির ‘অতিরঞ্জিত দাবি’কে দায়ী করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সঠিকভাবে সামলাতে পারিনি, বিশেষ করে জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। আমার মনে হয়, শুরুতেই আমাদের সবকিছু প্রকাশ করে দেওয়া উচিত ছিল। যত দ্রুত সম্ভব কাজটি করা উচিত ছিল।’
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এতে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বা তথ্য গোপনের চেষ্টা ছিল না। তিনি নথি প্রকাশের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানান এবং ২০০৮ সালের বিতর্কিত সমঝোতা চুক্তিকে তদন্তের ‘মূল পাপ’ বলে আখ্যায়িত করেন।
সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স এপস্টেইনের সাথে বিলিয়নিয়ার লেস ওয়েক্সনারের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন। তার ধারণা, এপস্টেইন প্রভাব খাটানোর উদ্দেশ্যে কিছু সন্দেহজনক কর-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।
এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে, তা তিনি নাকচ করে দেন এবং এ ধরনের দাবিকে ‘উদ্ভট’ বলে মন্তব্য করেন।
নিউইয়র্ক শহরে বেড়ে ওঠা জেফরি এপস্টেইন ছিলেন একজন ইহুদি ফাইন্যান্সার বা অর্থলগ্নিকারী ও ব্যবসায়ী। কিন্তু ব্যবসায়ী পরিচয়ের পেছনে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচার ও যৌন নিপীড়নের এক বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন।
অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের যৌনতার জন্য পাচার ও নিপীড়নের নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগে ২০১৯ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু ওই বছরের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি কারাগারে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়।
তবে অনেকেই একে হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করেন। ২০২৪-২০২৫ সালে তার মামলার সাথে সম্পর্কিত হাজার হাজার পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করা হয়। এরপর চলতি বছরে আরও নথি প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ।
এই নথিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, ব্রিটিশ যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং ব্যবসায়ী বিল গেটসের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম উঠে আসে। এর মধ্যে তার দীর্ঘদিনের সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র একটি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করেছে বামপন্থী সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায়। ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত ৬০টির বেশি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নিতে চলেছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘রিসার্জেন্স অব পলিটিক্যাল টেররিজম’— শীর্ষক বৈঠকটিতে সভাপতিত্ব করবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর নিশ্চিত করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, উদ্বোধনী বক্তব্যে রুবিও এটি নিয়ে বলবেন যে, ‘বামপন্থী রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদ একটি বাস্তব এবং আন্তঃসীমান্ত হুমকি। এটি কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান থাকলেও এখন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’
রুবিও বামপন্থী সন্ত্রাসবাদকে ‘সভ্যতার প্রতি গভীর ক্ষোভ থেকে উৎসারিত এক ধরণের বিশেষ অশুভ শক্তির’ ফল বলে অভিহিত করতে চলেছেন। তার মতে, এটি ‘বিভিন্ন মতাদর্শিক রূপে ছড়িয়ে পড়ে।’
তিনি আরও উল্লেখ করবেন, ‘এটি সভ্যতা ও যারা সভ্যতা গড়ে তোলে বা টিকিয়ে রাখে, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।’
তবে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) ২০২৫ সালের একটি বিস্তৃত প্রতিবেদনে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে বামপন্থীদের হামলা কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু ১৯৯৪ সাল থেকে ডানপন্থী সন্ত্রাসীদের হামলার সংখ্যা তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেশি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বামপন্থী সন্ত্রাসী হামলা ও ষড়যন্ত্রের সংখ্যা বেড়েছে। তবে এই সহিংসতা খুব নিম্নস্তরে রয়েছে এবং ডানপন্থী ও জিহাদি হামলাকারীদের অতীতের সহিংসতার তুলনায় এখনও অনেক কম।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ডানপন্থীদের ৩০টি সন্ত্রাসী হামলা বা হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে বামপন্থীদের ঘটনায় ছিল মাত্র আটটি ও জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর ঘটনায় তিনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ