ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেটলাইফের ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে নতুন ‘৩৬০ হেলথ স্কোর’ ফিচার চালু


মেটলাইফের ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে নতুন ‘৩৬০ হেলথ স্কোর’ ফিচার চালু

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মেটলাইফ বাংলাদেশের ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ মোবাইল অ্যাপে ‘৩৬০ হেলথ স্কোর’ নামে নতুন একটি ফিচার চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন নতুন এ ফিচারের উদ্বোধন করেন।

মেটলাইফ বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাত লাখের বেশি নিবন্ধিত গ্রাহক নিয়ে ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপটি একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আর্থিক সুরক্ষা, বীমা ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে। নতুন ‘৩৬০ হেলথ স্কোর’ ফিচারের মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক সুস্থতার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট: এসিল্যান্ডকে সিলেটে সংযুক্তি

এতে বলা হয়, বিশেষ স্কোরিং সিস্টেম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর মাধ্যমে ফিচারটি গ্রাহকদের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং সঠিক আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতেও সহায়তা করবে।

মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলা আহমদ বলেন, আমাদের ডিজিটাল সেবায় ‘৩৬০ হেলথ স্কোর’ একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি গ্রাহকদের জন্য অর্থবহ ও উদ্ভাবনী সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে ডিজিটাল সেবার পরিধি দ্রুত বাড়ছে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, আর্থিক সচেতনতা ও সুস্থতা বজায় রাখার এ ধরনের সুযোগ ব্যক্তি ও পরিবারকে আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

মেটলাইফ জানায়, দেশের অন্যতম শীর্ষ জীবনবিমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি উদ্ভাবন, উন্নত সেবা ও গ্রাহকবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে বীমা খাতের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে। ১৯৫২ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ১০ লাখের বেশি ব্যক্তি গ্রাহক এবং ৯০০-এর বেশি কর্পোরেট গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তরায় ট্রাভেল এজেন্সিতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


উত্তরায় ট্রাভেল এজেন্সিতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত একটি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মারধর করা, মালিককে আটকে রাখা এবং জোর করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

মামলার বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সাবেক কর্মচারী আবুল কালাম আজাদ এখনো পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় গত ৪ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেছেন ‘তুলি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস’-এর মালিক মো. নজরুল ইসলাম। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে উল্লেখিত দুই নম্বর আসামি মো. আবুল খায়ের ওরফে খাইরুলকে গত শনিবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট সকালে একদল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে তুলি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। তারা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মারধর করে এবং মালিক নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

পরবর্তীতে দর-কষাকষির এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা নগদ টাকা ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। এ সময় তারা অফিসের একটি সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং এর ডিভিআর নিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলায় দাবি করা হয়েছে যে, এতে প্রায় ১৯ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ হাজার টাকার প্রলোভনে শিশুদের পেটে ইয়াবা, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে পাচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


৮ হাজার টাকার প্রলোভনে শিশুদের পেটে ইয়াবা, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে পাচার

কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচারের জন্য শিশুদের ব্যবহার করে আসছিল একটি চক্র। অসহায় ও হতদরিদ্র শিশুদের ৮ হাজার টাকা ভাতা এবং শিশুদের পাকস্থলীতে ইয়াবার প্যাকেট ঢুকিয়ে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হতো।

এ চক্রের মূলহোতা শারমিন আকতার ইসমত আরাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই শিশুকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে দুই শিশুর পাকস্থলী থেকে ৬ হাজার ৬১৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকায় র‌্যাব-৭-এর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির কম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তাওহিদুল ইসলাম।

র‌্যাব জানায়, শিশুদের ব্যবহার করে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রবিবার চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার সরকারহাটের তৈলার দ্বীপ এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি শুরু করা হয়। তল্লাশির সময় একটি সিএনজি অটোরিকশায় থাকা শারমিন আকতার ইসমত আরাকে (৪০) আটক করা হয়। এ সময় ৯ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

 

পরবর্তীতে শারমিন আকতার ও শিশুদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দুই শিশুর পাকস্থলীতে ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শিশু দুটিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সহায়তায় এক্স-রে পরীক্ষায় তাদের পাকস্থলীতে ইয়াবা ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু দেখা যায়।

চিকিৎসার একপর্যায়ে ৯ বছর বয়সী শিশুটির মলত্যাগের মাধ্যমে ৬৭টি ইয়াবার পোটলা এবং ১২ বছর বয়সী শিশুটির মলত্যাগের মাধ্যমে ৬৬টি ইয়াবার পোটলা উদ্ধার করা হয়। ইয়াবাগুলো স্বচ্ছ পলিপ্যাকে মোড়ানোর পর কালো স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে জাম সদৃশ আকার দেওয়া হয়েছিল।

এসব প্যাকেটে মোট ৬ হাজার ৬১৫টি ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ টাকা।

র‌্যাব-৭-এর কম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তাওহিদুল ইসলাম বলেন, অসহায় ও হতদরিদ্র শিশুদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একটি চক্র ইয়াবা পাচার করছিল। শিশুদের শরীরের ভেতরে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচার করা হতো। চক্রটির মূলহোতা ইসমত আরা। শিশু দুটির বাড়ি আলীকদমে। তাদের মাসিক ৮ হাজার টাকা ভাতা এবং পরিবারের বাজার খরচ দেওয়ার কথা বলে প্রলোভন দেখানো হয়। এরপর শিশু দুটিকে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কৌশলে পলিথিনে মোড়ানো ইয়াবার ছোট ছোট প্যাকেট তাদের খাওয়ানো হয়।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, পাকস্থলীতে ইয়াবা বহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ কাজের কারণে কোনো শিশু তাৎক্ষণিক কোনো লক্ষণ প্রকাশ না করেও মৃত্যুবরণ করতে পারে। পেটে থাকা প্যাকেটগুলোর কোনো একটি কোনো কারণে ছিদ্র বা লিক হলে শিশুর শরীরে মারাত্মক বিষক্রিয়া হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, শিশু সন্তান নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এ ধরনের কাজে ব্যবহার করতে না পারে।

র‌্যাবের কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে শারমিন আকতার জানিয়েছে, কক্সবাজারের উখিয়া থেকে ইয়াবা কিনে পরিবহনের সুবিধার্থে শিশুদের কৌশলে ইয়াবা খাওয়ানো হতো। পরে তাদের চট্টগ্রাম শহরে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হতো। এর আগেও দুইবার একই কৌশলে শিশু দুটির পাকস্থলীতে ইয়াবা বহন করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম শহরে চালান পৌঁছে দিয়েছিল চক্রটি।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করতে সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের ওপর দৃষ্টি রেখে বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমি বা সামুদ্রিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সভাপতিত্বে আজ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিং সভায় এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের প্রধান কমোডর শেখ মাহমুদুল হাসান (অব.) একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। এতে বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমি খাতের মূল সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো বিশদভাবে উঠে আসে।

উপস্থাপনায় সামুদ্রিক মৎস্য ও সমুদ্রে মাছ চাষ, সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন, অফশোর জ্বালানি, উপকূলীয় পর্যটন এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

এতে সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম সুরক্ষিত রেখে নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ কাজে লাগাতে দেশের সামুদ্রিক সম্পদকে টেকসই উপায়ে ব্যবহারের গুরুত্বও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ পাঁচ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ পাঁচ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

 

পদত্যাগকারী আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি, মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দিকা ও প্রোজ্জ্বল চাকমা।

কালের কণ্ঠকে আবদুল জব্বার ভূঞা জানিয়েছেন, ‘কোনো চাপের কারণে নয়, বয়স এবং ব্যক্তিগত কিছু কারণে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। তবে আইন পেশায় স্বাধীনভাবে কাজ করব।’

সুলতানা আকতার রুবিও কালের কণ্ঠকে ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞাকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকে তিনি ওই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সরকার গত ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১৮০ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ দেয়। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপিপন্থী একদল আইনজীবী।

 

তারা নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

এই আন্দোলনের মধ্যে গত ৩ আগস্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহফুজুর রহমান। এরপর গত ১৬ আগস্ট একই পদ থেকে মো. নুরুল করিমও পদত্যাগ করেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%