শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪০ পি.এম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে প্রায় অভিন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার কথা বলে।
এই আদর্শকে ধারণ করে বিএনপি দীর্ঘ ৪৮ বছর ধরে রাজনৈতিকভাবে উন্নতি সাধন করছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নরসিংদীর তাঁত বোর্ড ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন এবং জেলার বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিতে উৎপাদন ও উন্নয়নের রাজনীতির সূচনা করেছিলেন।
তার সময় অর্থনীতিকে উন্মুক্ত করার পাশাপাশি তৈরি পোশাকশিল্প ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হলো এসব খাত।
তিনি জানান, নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও নরসিংদীর সন্তান মরহুম আবদুল মোমেন খানের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, বিএনপির প্রাথমিক সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তার নেতৃত্বে নরসিংদীতেও বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তার লাভ করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘদিন রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন।
আবদুল মঈন খান বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তারা ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে।
বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাস ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘হায়রে পুত, হায়রে পুত’—কফিনের পাশে বাবার আহাজারি জামশেদুল ইসলাম আলাউদ্দিনের প্রবাসের কর্মজীবন শেষ করে দেশে ফেরার পরিকল্পনা ছিল। মায়ের এবং বোনদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
নতুন বর হিসেবে সাজবেন, বরযাত্রী নিয়ে ধুমধাম করে বিয়ে করবেন—এমন স্বপ্ন দেখছিল তার পরিবার। ছয় বোনের একমাত্র ভাই, পরিবারের একমাত্র ছেলে এবং উপার্জনের অন্যতম ভরসা জামশেদুলকে ঘিরে বাড়িতে ছিল আনন্দের অপেক্ষা। কিন্তু সেই অপেক্ষার সমাপ্তি হলো কফিনে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৫ বছর বয়সী জামশেদুলের মরদেহ এসে পৌঁছায়।
পরে জুমার নামাজের সময় তার মরদেহ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কফিন বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে।
কফিনের গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলেন বাবা মো. নুরুল ইসলাম। তার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল।
তিনি কান্নায় বারবার ভেঙে পড়ছিলেন। বুকচাপড়ে বিলাপ করে বলছিলেন, ‘হায়রে পুত, হায়রে পুত।’
পরিবারের সদস্যরা জানান, জামশেদুল প্রায় তিন বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন ছয় বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। পরিবারের একমাত্র ছেলে হওয়ায় বাবা-মা ও বোনদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আদরের।
সংসারের আর্থিক দায়িত্বও অনেকটা তার ওপর নির্ভরশীল ছিল।
এবার দেশে ফিরে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল তার। ছয় বোনের একমাত্র ভাইকে নতুন বর হিসেবে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন স্বজনেরা। কিন্তু আনন্দের সেই দিন আর এলো না। তিনি দেশে ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে।
গত ১৬ আগস্ট আবুধাবির মুসাফফা এলাকা থেকে আল আইন এলাকায় নির্মাণকাজে যান জামশেদুল। সেখানে একটি ভবনে কাজ করার সময় সিঁড়ি থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। মাথায় আঘাত পাওয়ার পর সহকর্মীরা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৯ আগস্ট বিকেলে চিকিৎসক জামশেদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর থেকেই মরদেহের অপেক্ষায় ছিলেন স্বজনেরা। শুক্রবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। তবে যে ছেলেকে জীবিত ফিরে আসার আশায় পরিবার দিন গুনছিল, তাকে ফিরতে হলো নিথর হয়ে।
জামশেদুলের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে একে একে জড়ো হন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ছয় বোন কান্নায় ভেঙে পড়েন। মুহূর্তেই আনন্দের অপেক্ষায় থাকা বাড়িটি পরিণত হয় শোকের বাড়িতে।
নিহতের বোনের স্বামী ওসমান জানান, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার সকালে জামশেদুলের মরদেহ শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে স্বজনদের উপস্থিতিতে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ যেন নৃশংস হামলার শিকার না হন।
তিনি শুক্রবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমী উৎসব ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন, 'শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে হলেও তাঁর জীবন, দর্শন ও শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন যে, মানুষের প্রকৃত পরিচয় বংশপরিচয়ে নয়; বরং কর্মের মধ্য দিয়েই তার মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়।' তিনি আরও বলেন, 'আমাদের উচিত শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসা।'
তিনি যোগ করেন, 'সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, কোনো নাগরিক ধর্মীয় পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন।'
রাশেদ খাঁন বলেন, 'অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। আমরা চাই না, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার হোক।'
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন সভাপতির বক্তব্যে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন হলেও শান্তি, মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য অভিন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শন থেকে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার শিক্ষা পাওয়া যায়।
এর আগে, দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূজা, জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা ও ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী উৎসবের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্রতারক চক্রের সঙ্গে জড়িত ৬ জন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে ১৯৩৮টি আইফোন এবং অন্তত ৩০টি ল্যাপটপসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া, চীনের পুলিশের র্যাঙ্ক ব্যাজ, চীনের জাতীয় পতাকা এবং পুলিশ লোগোযুক্ত একটি টাইও উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কক্সবাজারের কলাতলি এলাকার হোটেল সি-প্যালেস থেকে তাদের আটক করা হয়েছে।
কক্সবাজারের সাগর পাড়সহ রামু ও উখিয়া উপজেলার সাগর তীরের বিভিন্ন রিসোর্টে অবস্থান করে এই সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনভিত্তিক আর্থিক প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল
পুলিশ চক্রটির আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত একটি হোটেলের ছয়টি সাউন্ডপ্রুফ কক্ষের সন্ধানও পেয়েছে। অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে হাতেনাতে আটক হওয়া ৬ চীনা ও তাইওয়ানিজ নাগরিকের বিরুদ্ধে পুলিশ রামু থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২১, ২২, ২৪ ও ২৭ ধারায় মামলা দায়ের করেছে।
একই ঘটনায় আরো চারজন পলাতক রয়েছে এবং ২৫০ থেকে ৩০০ জন চীনা ও তাইওয়ানিজ নাগরিককে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন চীনা ও তাইওয়ানি নাগরিক কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের দুটি হোটেল ভাড়া নিয়ে অবস্থান করে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিলেন।
হোটেল সী-প্যালেস কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৬ আগস্ট চীনা নাগরিকদের একটি দল হোটেলটিতে উঠে। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের অভিযানের সময় তাদের কয়েকজনকে আটক করা হয়। পুলিশের অভিযানকালে রিসোর্টের একটি হলরুম থেকে ১ হাজার ৯৩৮টি পুরনো মডেলের আইফোন, ৫০টি মনিটর, ৪৪টি সিপিও, ৩০টি কিবোর্ড, দুটি ল্যাপটপ, দুটি প্রিন্টার, ৪০টি মাউস, একটি আইপিএস, ২৪টি কানেকশন বোর্ডসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের হকিতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় চলছে। বাংলাদেশ নারী ও পুরুষ অ-২০ দল চীনের মকিতে অনুষ্ঠিত এএইচএফ অ-২০ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে গেছে। অন্যদিকে, চীনের একটি ভিন্ন শহরে সিনিয়র হকি দল এশিয়ান গেমসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অ-২০ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ স্বাগতিক চীনের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়েছে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে বাংলাদেশ ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয়নি বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরুতেই ছয় মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্নার থেকে চীন লিড নেয়। তবে বাংলাদেশ পরক্ষণেই সমতায় ফেরে। দ্বীন ইসলাম ফিল্ড গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফিরিয়ে আনে। প্রথম কোয়ার্টারটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। ২৬ মিনিটে মেহেদী হাসানের ফিল্ড গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে মধ্য বিরতিতে ড্রেসিংরুমে ফিরে যায়।
তবে, তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ মুহূর্তে চীন আবারও সমতায় ফেরে। এই গোলটিও বাংলাদেশ পেনাল্টি কর্নার থেকে হজম করে। শেষ কোয়ার্টারে বাংলাদেশ গোলের জন্য চেষ্টা চালায়, কিন্তু ৫৩ মিনিটে আরেকটি গোল হজম করে তারা পুনরায় পিছিয়ে পড়ে। শেষ সাত মিনিটে আর কোনো গোল না দেওয়ায় বাংলাদেশকে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।
আগামীকাল বাংলাদেশ অ-২০ নারী দলের ম্যাচ চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষ দল পরশু দিন মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করবে। চীন ছাড়াও পুরুষ দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজাখস্তান ও পাকিস্তান রয়েছে। এই টুর্নামেন্টে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করলে বাংলাদেশ পুনরায় যুব হকি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ