রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৬ পি.এম
সমকালীন অভিনেত্রীর মতো ঋতাভরী চক্রবর্তীর ব্যস্ততা খুব একটা চোখে পড়ে না। তবে, টলিউড থেকে বলিউডে যেখানেই তিনি কাজ করেছেন, নির্মাতাদের আস্থার প্রতি প্রতিদিনই তিনি সাড়া দিয়েছেন। দর্শকদের কাছে অনিন্দ্য অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এই কারণেই সিনেমা বা সিরিজের গল্প ও চরিত্র নির্বাচন থেকে শুরু করে ঋতাভরী প্রতিটি কাজে তাঁর চিন্তাভাবনাকে সিনেমাপ্রেমীরা মূল্যায়ন করেন।
এবার শিক্ষক দিবসে ঋতাভরী যা করেছেন, তা নিয়ে নেটিজেনরা রীতিমতো বিস্মিত। কারণ, এদিন অভিনেত্রী যে পোস্ট করেছেন, তার পুরো ফ্রেমজুড়ে ছিল কেবল বাঁশের ছবি। সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘আমার জীবনের সব থেকে ধারাবাহিক শিক্ষককে জানাই শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা।’
শিক্ষক দিবসে ঋতাভরী এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করতে পারেন, তা কল্পনাতেও ভাবেনি কেউ। যার ফলে সামাজিক মাধ্যমে কটাক্ষের তীর ছোড়ার শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে।
সংবাদ প্রতিদিন, এই সময় অনলাইন থেকে শুরু করে ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে, প্রতিবছর ৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে শিক্ষক দিবস উদযাপিত হয়। এ বছরও ভারতরত্ন ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণের জন্মজয়ন্তীকে স্মরণ করে সবাই নিজের স্কুল-কলেজের প্রিয় শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এর মাঝেই হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় ঋতাভরী চক্রবর্তীর ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট নজর কেড়েছে।
পোস্টে ঋতাভরী তাঁর শিক্ষা জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতাকে বাঁশের সঙ্গে তুলনা করেছেন। অভিনেত্রীর এমন পোস্টের মন্তব্য বাক্সে রীতিমতো ঝড় উঠেছে। অনুরাগীরা হেসে খুন হয়েছেন। এমনকি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও ঋতাভরীর পোস্ট দেখে স্থির থাকতে পারেননি। তিনি কমেন্টে হেসে গড়িয়েছেন। কেউ কেউ নায়িকার কৌতুকবোধের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। তবে, আপাতদৃষ্টিতে এই পোস্ট মজার মনে হলেও নেট ভুবনের একাংশ অভিনেত্রীর আক্ষেপই দেখছেন। তাদের কৌতূহল, সব ঠিক আছে তো?
এসব প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ঋতাভরীর পোস্ট আতশ কাচের নিচে রেখেছেন নেটিজেনরা। তাঁরা উদ্ধারের চেষ্টা করছেন, অভিনেত্রী তাঁর পোস্টের মাধ্যমে কী বোঝাতে চাইছেন।
এদিকে, পূর্ব ভারতের অভিনেত্রী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি অনুসরণকারীর মালকিন হয়ে ওঠা ঋতাভরীর হাতে বড় কোনো প্রজেক্ট নেই। ‘পরী’, ‘নেকেড’সহ আরও বেশ কিছু সিনেমা সিরিজে অভিনয় করে দর্শক প্রশংসা কুড়ালেও তাঁর ব্যস্ততা বাড়েনি। সর্বশেষ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে ‘ছদ্মবেশী’ নামে থ্রিলার ওয়েব সিরিজে তাঁকে দেখা গেছে।
এরপর থেকে তিনি কেবল আলোচনায় ছিলেন সামাজিক মাধ্যমের পোস্টগুলো নিয়ে। যেখানে দেশ ও সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে অকপটে নিজ মন্তব্য তুলে ধরেছেন ঋতাভরী। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, অনৈতিক কোনো বিষয়ের সঙ্গে তিনি আপস করতে চান না। তবে, আগের পোস্টগুলো নিয়ে কেউ সোরগোল না তুললেও শিক্ষক দিবসের ঘটনাটি চমকে দিয়েছে তাঁর অনুরাগী ও নেটিজেনদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশের হায়েস জেলা পুনর্দখলের দাবি করেছে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী জানায়, জেলার শহর ও গ্রামীণ এলাকাগুলোর পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে।
একটি সামরিক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হায়েস শহরের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলার অধীন গ্রামীণ এলাকাগুলোও পুনর্দখল করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সরকারি বাহিনী আরও জানায়, তারা আল-বারাহ সংযোগস্থলের আশপাশের কয়েকটি এলাকা পুনর্দখল করেছে এবং হুথিদের অবস্থানের দিকে অগ্রসর হয়েছে। এ সময় হুথিদের কয়েক ডজন যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। তবে এসব হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হায়েস জেলা হোদেইদা প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলা হোদেইদা, তাইজ ও ইব প্রদেশের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করেছে। এই কারণে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ ইয়েমেনের চলমান সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইয়েমেনে হুথি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে কয়েকটি ফ্রন্টে তীব্র লড়াই চলছে। বিশেষ করে তাইজ ও দক্ষিণ হোদেইদায় সংঘর্ষ বেড়েছে। শনিবার তাইজে সংঘর্ষে ৬০ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তর জানিয়েছে, তাইজে সংঘর্ষ তীব্র হওয়ায় মাত্র দুই দিনে প্রায় ১ হাজার ৮০০ পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় ইয়েমেনে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে হায়েস জেলার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সরকারি বাহিনীর দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হুথিদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির দৌড়ে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আলোচনা চলছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রে এর নিয়ন্ত্রণের দাবি উঠেছে। মার্কিন আইনপ্রণেতারা মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআই বা ‘সুপারইন্টেলিজেন্ট এআই’ তৈরি ও ব্যবহারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করেছেন।
এছাড়া, উন্নত এআই প্রযুক্তির উন্নয়নেও সাময়িক বিরতির দাবি করা হয়েছে।
র একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এই উদ্যোগের নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং প্রতিনিধি গ্রেগ কাসার। তাদের প্রস্তাবিত ‘ব্যান আর্টিফিশিয়াল সুপারইনটেলিজেন্স অ্যাক্ট’ বিলটির উদ্দেশ্য হলো এমন এআইকে প্রতিরোধ করা।
এ ধরনের এআই মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম এবং মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
উন্নত এআই তৈরিতে সাময়িক বিরতির দাবি
স্যান্ডার্সের মতে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত আরও শক্তিশালী এআই তৈরি করছে। তবে এসব প্রযুক্তি ভবিষ্যতে কী ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, তা সম্পূর্ণরূপে জানা নেই। তাই যথাযথ নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত উন্নত এআইয়ের উন্নয়ন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা উচিত।
তিনি মানুষের চেয়ে বুদ্ধিমান এআই তৈরিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন। তার প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা করার কথাও বলা হয়েছে, যাতে কোনো দেশ এককভাবে এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে না পারে।
কেন এমন দাবি?
সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় এআইয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টদের একটি ঘটনা উল্লেখযোগ্য। নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় এক হাজারের বেশি এআই এজেন্ট নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন এবং হাগিং ফেসে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টদের একটি জার্মান প্রোগ্রামিং উইকি সাইট দখল করে নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারের ঘটনাও সামনে এসেছে। এই ঘটনা এআই সিস্টেম কতটা স্বাধীনভাবে আচরণ করতে পারে, তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
স্যান্ডার্সের যুক্তি, যদি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতারা স্বীকার করেন যে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে উঠছে, তাহলে আরও শক্তিশালী প্রযুক্তি তৈরির আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
কঠোর শাস্তির প্রস্তাব
প্রস্তাবিত আইনে শুধু নিষেধাজ্ঞার বিষয় নয়, আইন ভঙ্গকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি নিষিদ্ধ ধরনের সুপারইন্টেলিজেন্ট এআই তৈরিতে জড়িত থাকে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া, এআই নিরাপত্তা তদারকির জন্য একটি নতুন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সংস্থাটি এআই নিরাপত্তা নীতি তৈরি ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।
‘মানবতার ভবিষ্যৎ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে নয়’
প্রতিনিধি গ্রেগ কাসারও এই বিলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার বক্তব্য, মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে এআই প্রযুক্তি এত দ্রুত এগিয়েছে যে এখন এমন মডেল তৈরি হচ্ছে, যেগুলোকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
স্যান্ডার্সের মতে, এআইয়ের ভবিষ্যৎ শুধু বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। মানবতার ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মতামত থাকা প্রয়োজন।
প্রস্তাবিত বিলটি এখনো আইন হয়নি। তবে এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলমান বিতর্ক আরও জোরালো হলো। বিশেষ করে মানুষের চেয়ে বেশি সক্ষম ও স্বায়ত্তশাসিত এআই তৈরি করা কতটা নিরাপদ—এ প্রশ্নটি এখন নীতিনির্ধারকদের সামনে বড় হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৬ সেপ্টেম্বর টিম জার্নালিস্টের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন লন্ডন প্রবাসী সাপ্তাহিক সীমান্তের ডাক পত্রিকার পরিচালক মাহফুজ আহমদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টিম জার্নালিস্টের উপদেষ্টা ও দৈনিক দিনকাল-এর কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি মোক্তাদির হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজের আলী, দৈনিক আমাদের পত্রিকার কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি সামসু উদ্দিন বাবু, দৈনিক ভোরের পাতা-এর কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি রুবেল বখস পাভেল, দৈনিক জনতা কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল,
দৈনিক বাঙলার জাগরণ-এর কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি মো. আজিজুল ইসলাম, দৈনিক স্বদেশেরকন্ঠ কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি রেজাউল ইসলাম শাফি,দৈনিক আজকের জনবাণী-এর কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি আহমেদ আক্তার রানা, দৈনিক ভোরের চেতনা-এর কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি তাহমিদুর রহমানসহ টিম জার্নালিস্টের অন্যান্য সদস্যরা।
সাক্ষাৎকালে সাপ্তাহিক সীমান্তের ডাক পত্রিকার পরিচালক লন্ডন প্রবাসী মাহফুজ আহমদ টিম জার্নালিস্টের সদস্যদের সঙ্গে সাংবাদিকতা, স্থানীয় সংবাদ পরিবেশন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় তিনি টিম জার্নালিস্টের সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও আন্তরিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার উত্তর ব্যাপারীহাট সংলগ্ন কাশিরভিটা এলাকায় অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় এক বাসিন্দা মরদেহটি দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।
স্থানীয়দের ধারণা, ওই যুবক বিদ্যুতের টেনাস মিটার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যেতে পারেন। তবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করে দেখছে।
মরদেহের মাথা কাদার নিচে থাকায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ব্যক্তি কদমতলা এলাকার মো. ভোলা মিয়ার ছেলে মো. রুবেল (২৩)।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্তের কাজ শুরু করেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ