০৬:১৯ পি.এম
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাংশের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ ইন তৎপরতায় সীমান্তে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, এই মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি বলেন, বিএসএফ শিশু ও নারীসহ কয়েকশত মানুষকে বলপ্রয়োগ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিয়ে একটি চরম অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
বুধবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে
এই বিবৃতিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, পুশ ইন করা মানুষদের একটি অংশকে সীমান্তের শূন্য রেখায় (নো ম্যানস ল্যান্ড) ঠেলে দেওয়া হয়েছে। খাদ্য, পানীয় এবং চিকিৎসার অভাবে এদের মধ্যে কয়েকজনের জীবনাশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকশত মানুষকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার এই তৎপরতায় তিনি তীব্র অসন্তোষ ও নিন্দা জানান।
সাইফুল হক বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠনের পর থেকে ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা নতুন মাত্রা নিয়েছে। এই কারণে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা সীমান্তের মানুষের মধ্যে গভীর নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। বিএসএফের এসব তৎপরতা তাদের বাংলাদেশ-বিদ্বেষী আগ্রাসী মনোভাবের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
তিনি বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেন, উভয় দেশে অবস্থানরত বৈধ নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট আইনি ও বৈধ প্রক্রিয়া রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে কোনোভাবে জবরদস্তিমূলক পুশ ইন মেনে নেয়া যায় না। এটি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
সাইফুল হক দাবি করেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের যদি প্রকৃত বন্ধুত্ব থাকতে চায়, তাহলে অবিলম্বে এই পুশ ইন তৎপরতা ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন