ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কাঁটাবনে পুড়ে যাওয়া চেম্বারটি ছিল আইসিটি প্রসিকিউটরের, নিহত দুজনই ক্লার্ক


কাঁটাবনে পুড়ে যাওয়া চেম্বারটি ছিল আইসিটি প্রসিকিউটরের, নিহত দুজনই ক্লার্ক

রাজধানীর কাঁটাবনে একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আবাসিক ভবনটির ১২ তলায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের চেম্বারে এই আগুন লেগেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চেম্বারটি অন্তর্বর্তী সরকারের বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান সেখানে অফিস করতেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে ভবনে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিস পায়। পরে তাদের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে মো. জনি (২৪) ও আবদুস সালাম (২০) নামের দুজন যুবকের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন: দীপকে সন্দেহ, সঙ্গের তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

আব্দুস সালাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক এবং জনি ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁদের হাসপাতালে পৌঁছানোর দায়িত্বে থাকা আইনজীবী সরোয়ার।

ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক জানিয়েছেন, ভবনটি থেকে দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করা হয় এবং তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে জনিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। দুই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

আইনজীবী সরোয়ার বলেন, ভেতরে থাকা দুজন হয়তো বাঁচার জন্য বাথরুমে গিয়েছিলেন। ধোঁয়ায় অক্সিজেনের ঘাটতি হওয়ায় তাঁদের শ্বাসরোধ হতে পারে এবং এ কারণেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউ মার্কেট থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. শাহিন হোসেন। তিনি বলেছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানানো যাবে।

আরও পড়ুন: সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত রিকশাচালক

প্রসঙ্গত, এ এফ হাসান আরিফ ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা। তিনি গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মারা গিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন

বিগত বছরগুলোর মতো এবার বাজেট উপস্থাপনের পর ‘মানি না, মানবো না’ স্লোগান ওঠেনি, এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি আরো বলেন, সমালোচনা অবশ্যই হবে, তবে তা হতে হবে গঠনমূলক। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে।

শনিবার (২৭ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে জয়নুল আবেদীন ফারুক একটি ‘সুন্দর বাজেট’ উপস্থাপনের জন্য অর্থমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য, শিল্প, কর্মসংস্থান ও নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।

বাজেট নিয়ে বিরোধীদের গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানিয়ে ফারুক বলেন, বহু বাজেট দেখেছি, কিন্তু এবার আমার একটা বিষয় ভালো লেগেছে যে, বাজেট উপস্থাপনের পর ‘মানি না, মানবো না’ আওয়াজটা আসেনি। তিনি মন্তব্য করেন, সমালোচনা আপনারা করুন, জবাব আমরা দেব। তবে সমালোচনা গঠনমূলক হতে হবে।

জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক আত্মত্যাগ যেমন স্মরণ রাখতে হবে, তেমনি মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কখনো ভোলা যাবে না। এ সময়ে তিনি অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বললেন, ‘অন্তত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাটা বাড়িয়ে দিন, যাতে বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে আপনার নাম লেখা থাকে।’

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখায় তিনি অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।

নারীর ক্ষমতায়ন ও তরুণদের বেকারত্ব দূরীকরণে বাজেটে গৃহীত পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংসদের সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাস, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড এবং মুক্তিযুদ্ধের বাস্তবতা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে ফারুক বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর যারা দেশ শাসন করেছে তারা গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করেছে, মানুষকে নিষ্পেষিত করেছে। গত ১৭ বছরে ইলিয়াস আলীসহ অনেকে গুম হয়েছেন। আসুন সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাই মিলে দেশ গড়ি। বাংলাদেশ সবার আগে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, পলাতক বখাটে আসিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর কিশোরগঞ্জ

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


কুলিয়ারচরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, পলাতক বখাটে আসিফ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে উপজেলার দ্বাড়িয়াকান্দি পূর্ব পাড়া (খলিফা আটি) গ্রামে এই ঘটনা সংঘটিত হয়।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বখাটে যুবক আসিফ (১৭) পলাতক রয়েছে।

আসিফ ওই গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন অটোচালক।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শিশুটিকে তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় আসিফ।

সেখানে সে শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।

পরে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে একই এলাকার চান্দু মিয়ার ঘরের কোণায় শিশুটিকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় দূর থেকে একজন নারী বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

তিনি দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং ঘটনাস্থল থেকেই আসিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

আটক হওয়ার পর আসিফ প্রথমে ওই নারীর হাত-পা ধরে ক্ষমা চাওয়ার নাটক করে।

পরে একপর্যায়ে জোরাজুরি করে ওই নারীর হাত থেকে ছুটে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিশুটির বাবা-মা দুজনেই গার্মেন্টসে চাকরি করেন।

বাবা-মা কর্মস্থলে থাকায় শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিল।

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন জানান, ঘটনার খবর পেয়েই তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণ কাজ, ভোগান্তিতে পড়েছে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


৪ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণ কাজ, ভোগান্তিতে পড়েছে হাজারো মানুষ

ঢাকার ধামরাইয়ে পশ্চিম দেপাশাই বংশী নদীতে নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ চার বছরেও শেষ হয়নি।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ দুই পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চলাচলের জন্য বাঁশের সাকো নির্মাণ করলেও সেটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাকো ব্যবহার করে চলাচল করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটে।

যার কারণে দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি উঠেছে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেতুটির কাজ চলছে।

তবে টেন্ডারে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

স্থানীয়রা জানায়, ২০০৪ সালের দিকে বংশী নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করে তৎকালীন বিএনপি সরকার।

ব্রিজটি সরু হওয়ায় ২০২২ সালের ৩১ মে এটি ভেঙ্গে নতুন ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য।

উপজেলা এলজিইডি দপ্তর থেকে জানা যায়, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স কামার জান আনোয়ারা জেবি উদ্বোধনের পর কাজ শুরু করে।

তাদের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২৩ জুন ২০২৩, কিন্তু তারা পূর্বের ব্রিজ ভেঙে মালামাল নিয়ে চলে যায়।

এরপর থেকেই স্থানীয়দের ভোগান্তি শুরু হয়।

পরবর্তীতে ৬ নভেম্বর ২০২৪ সালে রিটেন্ডারে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ১৬ হাজার ৪৬৮ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নতুন চুক্তি পায় মেসার্স উপকূল করপোরেশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

তাদের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা রয়েছে ১২ আগস্ট ২০২৬ সালের মধ্যে।

প্রায় ২ বছর সম্পন্ন হলেও ৬০ শতাংশ কাজ এখনও শেষ হয়নি।

ধীর গতিতে কাজ করায় ব্রিজ নির্মাণে ব্যবহৃত রডের মধ্যে মরিচা পড়ছে।

এতে কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে চরম হতাশা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

স্থানীয় একজন মাদরাসা শিক্ষক বলেন, ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে বাধাগ্রস্ত হওয়াসহ কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে।

শিশুরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

বারবার কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

রহিমা খাতুন নামের এক নারী জানান, ছেলেমেয়েদের নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে বাধ্য হন বাঁশের নড়বড়ে সেতু দিয়ে।

অনেক সময় পা আটকা পড়ে।

এছাড়া এর আগে একটি শিশু পানিতে পড়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, কাজটি দ্রুত শেষ হলে সবার উপকার হয়।

ধীরগতির কাজ সম্পর্কে জানতে ঠিকাদার আমজাদ হোসেনকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী মিশুক কুমার দত্ত বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কারণে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিসহ সামাজিক কিছু কারণে কাজের ধীরগতি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে তিনি জানান, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য তারা নিয়মিত মনিটরিং করছেন।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ায় নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ চলছে।

তিনি জানান, যাতে কাজ দ্রুত শেষ হয়, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যালয় মাঠে ট্রাক্টর রাখায় থমকে গেছে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


বিদ্যালয় মাঠে ট্রাক্টর রাখায় থমকে গেছে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের চরহোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে পার্কিং করা হচ্ছে মাটি বহন করা ট্রাক্টর। এ ছাড়াও, পানি নিষ্কাশনের পথে মাটি রাখায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে গেছে। এই কারণে মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারী ট্রাক্টর চলাচল ও পুকুরের ভাঙনের ফলে সংলগ্ন বিদ্যালয় ভবনে অসংখ্য ফাটল দেখা দিচ্ছে, দেয়ালের পলেস্তরা খসে পড়ছে। এতদসত্ত্বেও বিদ্যালয়ের একটি ভবনের একাংশ ইতোমধ্যে ধসে পড়েছে।

বিদ্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, চরহোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৬৫ সালে ৫০ শতাংশ জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে এখানে শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭৯। আর তাদের শিক্ষক রয়েছেন আটজন।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরহোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ালেখার মান বেশ ভালো। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের দখলের পাশাপাশি, বিদ্যালয় ভবন ঘেঁষে রয়েছে আব্দুস সাত্তার ফকির নামে স্থানীয় এক বাসিন্দার পুকুর। পাড় ভাঙতে থাকায় বিদ্যালয়ের একটি ভবনের একাংশ পুকুরে ধসে পড়েছে।

চরহোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার ও জুবাইদ রায়হান আবিরের ভাষ্য, 'স্কুলের মাঠে রাখা ট্রাক্টর ও কাদার কারণে আমরা খেলাধুলা করতে পারি না। ক্লাসরুমে বসে ক্লাস করতে আমাদের ভয় লাগে, কখন জানি ভেঙে পড়ে। খেলাধুলার জন্য আমাদের পরিষ্কার মাঠ এবং পড়ালেখার জন্য নতুন বিল্ডিং দরকার।'

স্থানীয় আব্দুল বারেক, মোহাম্মদ আলী, মো. আব্দুল হেলিম ও আরিফুল ইসলামসহ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, 'যারা স্কুল মাঠে ট্রাক্টর রাখে, তারা অন্য এলাকার বাসিন্দা। মাঠে ট্রলি রাখা ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারে না। এতে তাদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে; বিদ্যালয়ের পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমরা কাকে কী বলবো, সবাই তো এলাকার মানুষ।'

সরেজমিন স্কুল মাঠে গিয়ে কোনো ট্রাক্টর চালককে পাওয়া যায়নি। কিন্তু মুঠোফোনে জাহাঙ্গীর ফকির নামের এক ট্রাক্টরচালক জানিয়েছেন, ‘স্কুল মাঠে ট্রাক্টর রাখা মোটেও উচিত নয়। আমার ট্রাক্টর বাড়িতে রাখি। যারা মাঠে ট্রাক্টর রাখে, তাদের বার বার নিষেধ করলেও তারা কথা শোনে না।'

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক শরিফুন নাহার বলেন, 'আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং ড্রেসআপ শতভাগ। ভালো ফলের পাশাপাশি, খেলাধুলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম হয়েছে আমাদের স্কুল। কিন্তু স্কুলমাঠে দখল করে মাটি বহন করা ট্রাক্টর পার্কিং করছে। এ ছাড়া, জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারছে না। এ নিয়ে ট্রাক্টর চালকদের বারবার নিষেধ করা হলেও তারা কথা শোনে না। বিদ্যালয় ভবনের শ্রেণিকক্ষে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।'

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ আহমেদ বলেন, 'প্রধান শিক্ষকের উচিত ছিল স্কুল মাঠে ট্রাক্টর না রাখার ব্যাপারে কঠোর হওয়া। তিনি যদি ব্যর্থ হন তাহলে আমাদের জানাতে পারতেন। যেহেতু এখন জেনেছি, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনের বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, 'এসব বিদ্যালয়ের প্যালাসাইডিং ও মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে। সেইসঙ্গে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও অন্যান্য সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।'

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান বলেছেন, 'স্কুলমাঠে গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ। শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%