ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ব্র্যাক ব্যাংক দেশে প্রথম ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং সেবা চালু করলো


ব্র্যাক ব্যাংক দেশে প্রথম ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং সেবা চালু করলো

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা ব্যাংকের শাখা, কল সেন্টার, এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের যেকোনো একটি মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে অন্য মাধ্যমে তা সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন। ফলে একই তথ্য বারবার প্রদান করা কিংবা নতুন করে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজন হবে না। ব্যাংকটির দাবি, এতে গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা হবে আরও সহজ, দ্রুত, নিরবচ্ছিন্ন ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক।

রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন এই উদ্যোগকে ব্যাংকটির ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা চ্যানেলকে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে কোনো গ্রাহক ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খোলার আবেদন শুরু করলে পরবর্তী সময়ে শাখা বা কল সেন্টারের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করতে পারবেন। একইভাবে ঋণ কিংবা ক্রেডিট কার্ডের আবেদনও এক চ্যানেলে শুরু করে অন্য চ্যানেলে চালিয়ে নেয়া যাবে। কোনো কারণে আবেদন মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেলেও যেখানে কাজ শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়ে প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেহেরিয়ার এস হাসান বলেন, "ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং শুধু প্রযুক্তিগত পরিবর্তন নয়, বরং গ্রাহককেন্দ্রিক আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর। ডিজিটাল সুবিধা ও মানবিক সেবার সমন্বয়ে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা তৈরি করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।"

ব্র্যাক ব্যাংক জানিয়েছে, গ্রাহকদের তথ্য বিভিন্ন চ্যানেলে সমন্বিতভাবে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে চ্যানেল পরিবর্তন করলেও একই তথ্য বারবার দিতে হবে না। পাশাপাশি ব্যাংকের কর্মকর্তারা গ্রাহকের আগের যোগাযোগ ও লেনদেনের প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে পারবেন। এর ভিত্তিতে গ্রাহকের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী ব্যক্তিকেন্দ্রিক সেবা এবং বিশেষ অফার দেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

এ সুবিধা শুধু নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অ্যাকাউন্ট খোলা, ঋণ, ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন ব্যাংকিং পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যাবে। বিদ্যমান গ্রাহকদের পাশাপাশি নতুন গ্রাহকরাও এ অভিজ্ঞতার আওতায় আসবেন। এমনকি যারা এখনো ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহক নন, তারাও অ্যাকাউন্ট, ঋণ কিংবা ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন শুরু ও সম্পন্ন করতে পারবেন।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, "আধুনিক প্রযুক্তি, ডেটা অ্যানালিটিকস ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তার সমন্বয়ে গ্রাহকদের জন্য সমন্বিত ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক করার পাশাপাশি গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।"

আরও পড়ুন: দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা বাড়ছে, সরকার শুল্ক কাঠামো পরিবর্তন করছে

ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও বিভিন্ন মাধ্যমে সেবা নিতে গিয়ে গ্রাহকদের তথ্য পুনরায় দেয়া, একই কাজের জন্য একাধিকবার যোগাযোগ এবং আবেদনপ্রক্রিয়ার জটিলতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন এই উদ্যোগ এসব সীমাবদ্ধতা কতটা কমাতে পারে, তা নির্ভর করবে সেবার বাস্তবায়ন, তথ্যের নিরাপত্তা এবং সব চ্যানেলে সমান মানের সেবা নিশ্চিত করার ওপর।

ব্যাংকটির চারটি প্রধান সেবা মাধ্যমের আওতায় রয়েছে ৩১২টি শাখা ও উপশাখা, ১ হাজার ১০০-এর বেশি এজেন্ট আউটলেট, কল সেন্টার এবং দুটি ডিজিটাল চ্যানেল-মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট। এসব চ্যানেলের যেকোনোটি ব্যবহার করেই গ্রাহকরা ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিংয়ের সুবিধা নিতে পারবেন। এমনকি স্মার্টফোন ব্যবহার না করেও শাখা বা কল সেন্টারের মাধ্যমে এ সেবা পাওয়া যাবে।

এ সেবা ব্যবহারের জন্য আলাদা কোনো ওমনিচ্যানেল চার্জ দিতে হবে না বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং পণ্য বা সেবার প্রচলিত ফি ও চার্জ বহাল থাকবে। গ্রাহকদের সহায়তায় ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন (২৪/৭) ডেডিকেটেড সাপোর্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: একনেকে তিতাসে দুই কূপ খননের ৫৯২ কোটি টাকার প্রকল্প উপস্থাপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এআই চ্যাটবটের ভুল তথ্যে উদ্বেগ, অপপ্রচারের ঝুঁকি বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এআই চ্যাটবটের ভুল তথ্যে উদ্বেগ, অপপ্রচারের ঝুঁকি বৃদ্ধি

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত চ্যাটবটের দ্বারা প্রদত্ত ভুল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গবেষকদের মতে, ভোটারদের ভুল তথ্য প্রদান, প্রার্থীদের পরিচয় গুলিয়ে ফেলা এবং রাশিয়ার অপপ্রচারমূলক বক্তব্য পুনরায় ছড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা নির্বাচনী তথ্যব্যবস্থায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ফেডারেল নির্বাচন।

লাখ লাখ ভোটার রাজনৈতিক তথ্য জানার জন্য এআই প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক তথ্যের পরিবেশ তৈরি করতে এআই চ্যাটবট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তবে, ষড়যন্ত্রতত্ত্বের অসত্যতা তুলে ধরা কিংবা ভোটারদের নির্বাচনী বিষয়ে সচেতন করতেও এসব চ্যাটবট সহায়তা করতে পারে। কিন্তু একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটবটগুলো প্রায়ই ইন্টারনেটের উন্মুক্ত উৎস থেকে অবিশ্বস্ত তথ্য সংগ্রহ করে। এর ফলে জনসাধারণের আস্থা কমে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী অপতথ্যে আক্রান্ত ইন্টারনেট আরও দূষিত হচ্ছে।

এআই মডেলগুলোর কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান ফোরাম এআইয়ের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, নির্বাচনসংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে চ্যাটবটগুলোর প্রায় ৪০ শতাংশে অন্তত একটি তথ্যগত ভুল রয়েছে।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীদের সম্পর্কে প্রশ্নের তুলনায় ভোট দেওয়ার নিয়মকানুন ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে চ্যাটবটগুলো বেশি ভুল তথ্য দিয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, গুগলের জেমিনি ৩.৬ ফ্ল্যাশকে পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে ভোট দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সেটি ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ব্যালট চাওয়ার শেষ সময় হিসেবে ৩ নভেম্বরের কথা জানায়। অথচ প্রকৃত সময়সীমা ছিল এর এক সপ্তাহ আগে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ভোটার চ্যাটবটের দেওয়া তথ্য অনুসরণ করে, তাহলে তিনি সময়মতো ব্যালট চাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন এবং শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে ব্যর্থ হতে পারেন।

ফোরাম এআই জানিয়েছে, চ্যাটবটগুলো শত শতবার প্রার্থী, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও পর্যবেক্ষকদের নামে এমন বক্তব্য প্রচার করেছে, যা তাঁরা কখনো বলেননি।

এছাড়া উত্তরের ক্ষেত্রে রেডিটের বিভিন্ন আলোচনার মতো নিম্নমানের ও অবিশ্বস্ত তথ্যসূত্রের ওপরও নির্ভর করেছে তারা।

গুগল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভোটাররা যাতে নির্ভরযোগ্য তথ্য পান, সে বিষয়ে তারা কাজ করছে। নির্বাচনী বিষয়সংক্রান্ত এআই সেবাগুলোতে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ও নীতিমালা অনুসরণ করা হয় বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

গবেষকদের আরেকটি বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, বিদেশি অপপ্রচার চালানো গোষ্ঠীগুলো এআই চ্যাটবটকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে ব্যাপকভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়া তথ্যও চ্যাটবটের উত্তরে উঠে আসছে।

অক্টোবরের শেষ দিকে এএফপির ফ্যাক্ট-চেকাররা একটি ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে সেটিকে ভুয়া বলে শনাক্ত করেন। ভিডিওটি সম্ভবত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবর্তন করা হয়েছিল। এতে এমনভাবে দেখানো হয়, যেন টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সিনেট প্রার্থী জেমস তালারিকোর এক সাবেক শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছেন।

তবে অভিযোগটির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনাটির সঙ্গে রাশিয়ার অপপ্রচারমূলক প্রচারণার মিল রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

এদিকে, ভুয়া তথ্য পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নিউজগার্ড বিষয়টি নিয়ে গুগলের এআই ওভারভিউকে প্রশ্ন করলে সেটিও ওই অভিযোগ পুনরায় তুলে ধরে।

একইভাবে গুগলের জেমিনি ও মাইক্রোসফটের কোপাইলট— এই দুটি জনপ্রিয় এআই টুলও একই প্রশ্নের উত্তরে মিথ্যা অভিযোগটি পুনরাবৃত্তি করে।

নিউজগার্ডের ১০টি এআই টুলের ওপর পরিচালিত পৃথক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিদেশি অপপ্রচারকারী গোষ্ঠী ও অন্যান্য অসাধু পক্ষের ছড়ানো মিথ্যা তথ্যের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে এআই চ্যাটবট ব্যবহারকারীদের।

মাইক্রোসফট বলেছে, ঘটনাটি দ্রুত পরিবর্তনশীল ছিল এবং প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি ছিল। এ কারণে প্রথম দিকে কোপাইলটের উত্তরে বিভ্রান্তিকর তথ্য উঠে এসেছিল। পরবর্তী সময়ে নতুন তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোপাইলট হালনাগাদ প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এবং অভিযোগটিকে বানোয়াট হিসেবে শনাক্ত করে।

সব উদ্বেগের মাঝেও এআই চ্যাটবটের সম্ভাব্য ইতিবাচক ভূমিকা দেখছেন গবেষকেরা।

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগের মতে, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নির্বাচন, যেখানে বড় সব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্ল্যাটফর্মে এআই টুল সরাসরি যুক্ত রয়েছে।

অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল কনফারেন্স অন সিটিজেনশিপের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন মার্কিন নাগরিকের মধ্যে দুজন প্রার্থী, ব্যালটের প্রস্তাবসহ নির্বাচনী বিভিন্ন তথ্য জানতে এআই টুল ব্যবহার করেছেন।

তবে ভোট দেওয়ার সময়, স্থান ও পদ্ধতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এআইয়ের দেওয়া তথ্যের ওপর মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষের আস্থা রয়েছে।

অন্যদিকে, প্রার্থীদের বিষয়ে এআই নিরপেক্ষ তথ্য দেয় কি না— সে ব্যাপারে ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাদের আস্থা খুবই কম অথবা একেবারেই নেই।

তবে এআই চ্যাটবটের ভূমিকা পুরোপুরি নেতিবাচক নয় বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দলীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিস।

প্রতিষ্ঠানটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভোটিং মেশিনে কারচুপি করা হয়েছে— এ ধরনের বহুল প্রচলিত নির্বাচনী ষড়যন্ত্রতত্ত্বের বিষয়ে বারবার প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ করা হলেও, জনপ্রিয় এআই চ্যাটবটগুলো সাধারণত এসব দাবির পক্ষে অবস্থান নেয়নি।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, এ গবেষণা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, নির্বাচনী অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবিলায় এআই চ্যাটবট গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিটিশনকারী মারা গেলেও গ্রিন কার্ডের আবেদন চালানোর শর্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


পিটিশনকারী মারা গেলেও গ্রিন কার্ডের আবেদন চালানোর শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রে যদি কোনো পরিবারের সদস্যের জন্য গ্রিন কার্ডের আবেদন করা হয় এবং পিটিশনকারী মারা যায়, তাহলে সাধারণত অনুমোদনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হয় এবং সেই পিটিশনটি বাতিলও হতে পারে। তবে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রিন কার্ডের আবেদন অব্যাহত রাখার সুযোগ রয়েছে।

পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ডের আবেদনের জন্য সাধারণত মার্কিন নাগরিক ফর্ম আই-১৩০ জমা দেন। এই আবেদনকে ফ্যামিলি পিটিশন বলা হয়। এর মাধ্যমে পিটিশনকারী এবং বিদেশি স্বজনের মধ্যে যোগ্য পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়। তবে আই-১৩০ পিটিশন জমা দেওয়ার মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। ভিসার প্রাপ্যতা, আর্থিক স্পনসরশিপ, অভিবাসনসংক্রান্ত যোগ্যতা এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। পিটিশনকারীর মৃত্যু ঘটলে নতুন আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

গ্রিন কার্ডের আবেদন চালিয়ে নেওয়ার জন্য যে তিনটি বিশেষ সুযোগ রয়েছে, তার প্রথমটি হলো মার্কিন নাগরিকের বিধবা বা বিপত্নীকদের জন্য। যদি কোনো মার্কিন নাগরিক তার বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর জন্য আই-১৩০ পিটিশন জমা দিয়ে মারা যান, তাহলে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের মাধ্যমে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আই-৩৬০ বিধবা বা বিপত্নীক পিটিশনে রূপান্তরিত হয়। পিটিশনটি মৃত্যুর সময় মুলতবি ছিল বা আগেই অনুমোদিত হয়েছিল, উভয় ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কার্যকর হতে পারে। ফলে পিটিশনকারী স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু ঘটলেও নতুন করে পুরো পরিবারভিত্তিক আবেদন শুরু করার প্রয়োজন হয় না।

তবে আই-৩৬০-এর সুবিধা পাওয়ার জন্য বৈবাহিক সম্পর্কের বৈধতা এবং অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে মৃত ব্যক্তিকে মৃত্যুর সময় মার্কিন নাগরিক হতে হবে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আইনগত বিচ্ছেদ থাকা যাবে না এবং জীবিত সঙ্গীর পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে। মৃত মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী যদি আগে আই-১৩০ পিটিশন জমা না দিয়ে থাকেন, তাহলে যোগ্য বিধবা বা বিপত্নীক সাধারণত মৃত্যুর দুই বছরের মধ্যে নিজে আই-৩৬০ জমা দিতে পারেন। তবে এই সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব গ্রিন কার্ডধারী পিটিশনকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

দ্বিতীয় সুযোগটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের ২০৪(এল) ধারার আওতায়। এই বিধান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিবারভিত্তিক পিটিশনের সুবিধাভোগী পিটিশনকারীর মৃত্যুর সময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে থাকলে এবং মৃত্যুর পরও যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে চাইলে আবেদন এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। আই-১৩০ পিটিশন মৃত্যুর সময় মুলতবি থাকলেও এ আবেদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। একইভাবে আগেই অনুমোদিত পিটিশন থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিস্থিতি অনুযায়ী ধারাটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের যথার্থ তথ্য প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র মৃত্যুর সময় যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িকভাবে উপস্থিত থাকলেই হবে না, সেখানে নিয়মিত বসবাস করতে হবে। ইউএসসিআইএস আবেদনকারীর প্রকৃত বসবাসের পরিস্থিতি বিবেচনা করতে পারে। পাশাপাশি মূল আবেদনকারীর মৃত্যু, পারিবারিক সম্পর্ক এবং আবেদনসংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রধান সুবিধাভোগীর পরিবর্তে তাঁর যোগ্য পরিবারের অন্য সদস্যও ২০৪(এল) ধারার সুরক্ষার আওতায় আসতে পারেন।

২০৪(এল) ধারার আওতায় আবেদন চালিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করলেই অনুমোদন নিশ্চিত হয় না। ইউএসসিআইএসকে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই করতে হয়। আইনের বিধান অনুযায়ী, অনুমোদন জনস্বার্থের পরিপন্থী হওয়ার বিশেষ কারণ থাকলে সংস্থা আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। আবার পিটিশন অনুমোদনের পরও গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করতে হবে। ফলে এই ধারাটি মৃত পিটিশনকারীর কারণে তৈরি হওয়া নির্দিষ্ট বাধা দূর করার সুযোগ দেয়, কিন্তু অন্যান্য অভিবাসনসংক্রান্ত যোগ্যতার বিকল্প নয়।

তৃতীয় সুযোগটি হলো মানবিক কারণে পিটিশন পুনর্বহাল বা হিউম্যানিটারিয়ান রিইনস্টেটমেন্ট। যদি কোনো পরিবারের সদস্য বিদেশি স্বজনের জন্য আই-১৩০ পিটিশন জমা দিয়ে সেটি অনুমোদিত হয় এবং পিটিশনকারি মারা যান, তখন এ সুবিধার জন্য আবেদন করা সম্ভব। সাধারণ নিয়মে পিটিশনকারীর মৃত্যুর কারণে অনুমোদিত পিটিশন বাতিল হয়ে যায়, তবে মানবিক বিবেচনায় ইউএসসিআইএস সেটির অনুমোদন পুনর্বহাল করতে পারে।

তবে হিউম্যানিটারিয়ান রিইনস্টেটমেন্ট সবার জন্য স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়। ইউএসসিআইএস প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে বিবেচনা করে। আবেদনকারীর পারিবারিক পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক, আবেদনের বিলম্বের প্রভাব এবং অন্যান্য মানবিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে মৃত্যুর আগে পিটিশনটি অনুমোদিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। পিটিশন মুলতবি থাকা অবস্থায় পিটিশনকারীর মৃত্যু ঘটলে সাধারণভাবে শুধুমাত্র মানবিক পুনর্বহালের এই পথ ব্যবহার করা যায় না।

মানবিক পুনর্বহালের ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করলেও আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। এখানেই এটি ২০৪(এল) ধারার সুরক্ষা থেকে আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন মার্কিন নাগরিক বাংলাদেশে থাকা ভাই বা বোনের জন্য আই-১৩০ পিটিশন জমা দেন এবং পিটিশনটি অনুমোদিত হয়, কিন্তু ভিসার অপেক্ষায় থাকার সময় ওই মার্কিন নাগরিক মারা যান, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে যোগ্য সুবিধাভোগী মানবিক কারণে পিটিশন পুনর্বহালের আবেদন করতে পারেন। তবে আবেদন অনুমোদিত হবে কি না, তা ইউএসসিআইএস সিদ্ধান্ত নেবে।

এই দুটি প্রক্রিয়ায় আর্থিক স্পনসরশিপের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ডের অনেক আবেদনে আই-৮৬৪ অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। মূল পিটিশনকারী মারা গেলে তাঁর পরিবর্তে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন বিকল্প আর্থিক স্পনসর প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণভাবে বিকল্প স্পনসরকে মার্কিন নাগরিক, মার্কিন ন্যাশনাল অথবা গ্রিন কার্ডধারী হতে হবে এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত পারিবারিক সম্পর্ক ও আর্থিক যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান: এবার কোনো সীমারেখা মানবে না, কঠোর জবাবের হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


ইরান: এবার কোনো সীমারেখা মানবে না, কঠোর জবাবের হুমকি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে যে কোনো হুমকি আসলে, আগের চেয়ে আরও কঠোর ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে সতর্কতা দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি। তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে ইরান কোনো সীমারেখা মানবে না।

রোববার (১ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ইব্রাহিম আজিজি উল্লেখ করেন, সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ চূড়ান্ত এবং বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, "যেকোনো হুমকির জবাব আগের চেয়ে আরও কঠোরভাবে এবং তাৎক্ষণিক দেওয়া হবে।" এ ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান কিংবা লক্ষ্যবস্তুর দিকে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না।

আজিজি আরও জানান, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো হুমকি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের বিচক্ষণ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ চূড়ান্ত এবং এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

তিনি আরও বলেন, "যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।" এ ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকাও উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিব্রু ভাষায় দেওয়া এক পোস্টে আজিজি সতর্কতা দিয়েছিলেন যে, ইরানের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে, এক ঘণ্টারও কম সময়ে অধিকৃত ভূখণ্ডকে বসবাসের অনুপযোগী করে দেওয়া হবে। সূত্র: মেহের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুইজারল্যান্ডের রাইন নদী থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


সুইজারল্যান্ডের রাইন নদী থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের স্টাইন এলাকার রাইন নদীর তীর থেকে পুলিশ একটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বুরুন্ডির নাগরিক। গত ২৪ অক্টোবর তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে পরিচিতজনেরা পুলিশকে অবহিত করেন। পরবর্তী দিন ২৫ অক্টোবর, রাইন নদীর তীর থেকে একটি খণ্ডিত লাশের অংশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলটি তাদের বসবাসের আশ্রয়কেন্দ্রের নিকটবর্তী।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেহের বিভিন্ন অংশ কেটে আলাদা করা হয়েছিল। পরে সেগুলো আবর্জনার ব্যাগে ভরে রাইন নদী এবং নদীতীরবর্তী এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট পরে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করে।

আর্গাউ ক্যান্টন পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করে। আশ্রয়কেন্দ্রের কয়েকজন বাসিন্দার আচরণ তদন্তকারীদের সন্দেহের জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র এবং লাশ উদ্ধারের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্তে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে সন্দেহের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তিনি নিহত ব্যক্তির সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন। পুলিশ ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করে।

রাইনফেলডেন-লাউফেনবুর্গ জেলা অ্যাটর্নি কার্যালয় এই ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা, সময়ক্রম এবং উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্য জড়িত থাকার প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। জাতীয়রাজনীতি

তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। তবে এসব সমস্যার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

সূত্র: ব্লু নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%