ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে মা ইলিশ সংরক্ষণে নৌবাহিনীর অভিযান, জাল জব্দ


বরিশালে মা ইলিশ সংরক্ষণে নৌবাহিনীর অভিযান, জাল জব্দ

ঢাকা , ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬‘ বাস্তবায়নে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘-এর আওতায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

গত ৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার, নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা কুশিয়ারা‘ বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, গোবিন্দপুর, লাহারহাট, বাবুগঞ্জ, চরমোনাই, শ্রীপুর এবং পাতারহাট তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।

এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দকৃত জাল ধ্বংস করা হয়।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ঘিরে আবাসন সংকট, ২৩–২৪ অক্টোবর হোটেল-মোটেল-রিসোর্টে কক্ষ খালি নেই

নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মোট ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ৭৪টি জাল জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা।

সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজননের সম্ভাব্য স্থানসমূহে নৌবাহিনী নিবিড় নিরাপত্তা প্রদান করছে। নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও দ্রুতগতির বোটের মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে প্রজননকালীন ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নৌবাহিনীর সদস্যগণ।

গত ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ এলাকাতেও সব প্রজাতির মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।

ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রাচুর্য বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসী কাদায়, অহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন তার আব্দুল হালিম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে ডাকাতির শিকার ৫০-৬০ যানবাহন, লুট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


কক্সবাজারে ডাকাতির শিকার ৫০-৬০ যানবাহন, লুট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

কক্সবাজারের ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দিনদুপুরে দুই দফায় সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনের যাত্রী লুটপাটের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। মুখোশধারী ডাকাতেরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তাঁদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে নগদ টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ও দুপুরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল দুই দফায় সড়কটির নির্জন অংশে অবস্থান নিয়ে ডাকাতি চালায়। ডাকাতদের কবলে পড়া যানবাহনের অধিকাংশই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। তবে লুটপাটের শিকার যানবাহনের সঠিক সংখ্যা পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি।

একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে তাঁদের কাছ থেকে নগদ টাকা, দুটি মুঠোফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। কিছুক্ষণ পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রবিউল ইসলামের দাবি, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতেরা একের পর এক যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে মালামাল লুট করে। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, ৫০ থেকে ৬০টি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের শতাধিক যাত্রী এ ঘটনার শিকার হন। বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করতে পারেনি।

একই সড়কে ডাকাতির শিকার হয়েছেন আরেকটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার হিসাবরক্ষক আবদুল হাকিম। তিনি জানান, তিনজন একটি অটোরিকশায় ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে সশস্ত্র ডাকাতেরা তাঁদের থামিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর করে তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

আবদুল হাকিম বলেন, এ সড়কে প্রায়ই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। অথচ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ে না। ফলে এ পথে চলাচল করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।

ডাকাতদের কবলে পড়া ঈদগড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক জানান, সোমবার সকালে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন তিনি। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে ডাকাতেরা অটোরিকশাটির গতিরোধ করে। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরিস্থিতি বিপজ্জনক বুঝতে পেরে জীবন বাঁচাতে চলন্ত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে সড়কটিতে ডাকাতি চললেও ঘটনার সময় সেখানে পুলিশের টহল ছিল না। পাহাড়ি বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়কটির নির্জন অংশে নিরাপত্তার ঘাটতি থাকায় ডাকাতেরা সহজেই যানবাহন থামিয়ে লুটপাট চালানোর সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের ভাষ্য, ডাকাতির পাশাপাশি অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও দীর্ঘদিনের। ঈদগাঁও, ঈদগড় ও বাইশারী এলাকার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এদিকে, ঘটনার পর ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার জানান, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে পাশের জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

ওসি আরও জানান, ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কের গহিন বনাঞ্চল এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যানচেস্টার সিটির জন্য পয়েন্ট কর্তন ও নিষেধাজ্ঞার শাস্তি অপেক্ষা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ এম


ম্যানচেস্টার সিটির জন্য পয়েন্ট কর্তন ও নিষেধাজ্ঞার শাস্তি অপেক্ষা করছে

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটি দাপটের সাথে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু মাঠের সাফল্য একটি বড় ঝামেলার কারণে ম্লান হয়ে যেতে পারে। ক্লাবটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের কারণে বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ পয়েন্ট কর্তন, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় নিষেধাজ্ঞা, এমনকি মালিকানা হারানোর ঝুঁকিও।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট কর্তন এমনভাবে হতে পারে যে, চলতি মৌসুমেই তাদের প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন নিশ্চিত হয়ে যাবে।

পরবর্তী মৌসুমেও পয়েন্ট কর্তনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে, যাতে ক্লাবটিকে দ্বিতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়নশিপে আরও এক মৌসুম কাটাতে হয়। তবে ১০০ পয়েন্ট কর্তন বা পাঁচ বছরের জন্য ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।

প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তবে ক্লাবটি অভিযোগ অস্বীকার করে আপিল করেছে। শাস্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি।

সিটির মালিকানা পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা চলছে। ২০০৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ক্লাবটির মালিকানা গ্রহণ করেন। বর্তমানে নিউটন ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে সিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা রয়েছে, যা শেখ মনসুরের মালিকানাধীন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান সিলভার লেকেরও উল্লেখযোগ্য অংশীদারি রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের স্বাধীন ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সবকিছু যাচাই করে মালিক বা পরিচালকের পদ থেকে কাউকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে শেখ মনসুরকে মালিকানা ছাড়তে হবে, এ ধরনের চূড়ান্ত আদেশ এখনও আসেনি।

এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির আপিলের শুনানি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। রায় হতে পারে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে নাঈম ও ইমরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে নাঈম ও ইমরান

জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ সংসদের নতুন কমিটি (আংশিক) ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর দক্ষিণের নতুন কমিটির সভাপতির দায়িত্বে এসেছেন জুলাই বিপ্লবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা নাঈম আবেদীন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইমরান ভূঁইয়া তাসকিন নিয়োগ পেয়েছেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বাকের মজুমদার এবং সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নবগঠিত কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী এক বছরের জন্য ঘোষিত এই কমিটিকে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি নাঈম আবেদীন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি ২০২৪ সালের অগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় অর্গানাইজিং উইংয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের ১৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ভেঙে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সংগঠক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। পরে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র সহযোগী সংগঠন হিসেবে জাতীয় ছাত্রশক্তির আত্মপ্রকাশের সময় তিনি সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিবের পদে নিযুক্ত হন।

নবগঠিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ইমরান তাসকিন ভূঁইয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী-ডেমরা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেপিংয়ের নেশায় কণ্ঠস্বর বদলে গেছে: সেলেনা গোমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


ভেপিংয়ের নেশায় কণ্ঠস্বর বদলে গেছে: সেলেনা গোমেজ

মার্কিন পপ তারকা সেলেনা গোমেজ সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, ভেপিংয়ের অভ্যাস তাঁর কণ্ঠস্বরের ওপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভেপিং এবং নিকোটিনের আসক্তি নিয়ে তিনি সতর্ক করেছেন, যা তাঁর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেলেনা জানিয়েছেন, অতীতে তিনি প্রচুর পরিমাণে নিকোটিন গ্রহণ করতেন। তিনি এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যে সহজ নয়, সেটিও তিনি স্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, যারা এখনও ভেপিং করছেন অথবা এই অভ্যাস শুরু করার কথা ভাবছেন, তাঁদের এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া উচিত।

নিজের কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সেলেনা ভক্তদের উদ্দেশে রসিকতাও করেছেন। তিনি বলেছেন, "যদি আমার কণ্ঠস্বর শুনতে ভালো না লাগে, তাহলে গান শুনবেন না।" তবে তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে যে, নিকোটিনের আসক্তি থেকে মুক্ত হওয়া কতটা কঠিন হতে পারে।

সেলেনার এই স্বীকারোক্তির পর ভেপিংয়ের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় এই অভ্যাসের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%