ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুনামগঞ্জের সুনামধন্য মরমি কবি হাসন রাজা


সুনামগঞ্জের সুনামধন্য মরমি কবি হাসন রাজা

 

ভাটি বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন-সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য মরমি গান ও সাধকের স্মৃতি। সেই ধারার অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র সুনামগঞ্জের মরমি কবি হাসন রাজা। তাঁর গান, দর্শন ও জীবনদর্শন আজও সুনামগঞ্জসহ পুরো ভাটি অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
হাসন রাজার পুরো নাম দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী। ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম। জমিদার পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই তিনি ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে জমিদারির দায়িত্বও তাঁর ওপর আসে।
জীবনের প্রথমদিকে তিনি জমিদারি, ঘোড়দৌড়, শিকার ও বিলাসী জীবনযাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁর চিন্তা ও জীবনদর্শনে বড় পরিবর্তন আসে। পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতার মোহ থেকে ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়ে মানুষের জীবন, মৃত্যু, আত্মা ও স্রষ্টাকে নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করেন।
এই আত্মঅনুসন্ধান থেকেই জন্ম নেয় তাঁর অসংখ্য মরমি গান। তাঁর গানে ফুটে উঠেছে মানুষের মনের আকুলতা, প্রেম-বিরহ, দেহতত্ত্ব, আত্মপরিচয়, মৃত্যুচিন্তা এবং স্রষ্টার প্রতি গভীর ভালোবাসা। তাঁর বিখ্যাত গান “লোকে বলে বলেরে, ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার” আজও বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
হাসন রাজার গান শুধু গান নয়—এর প্রতিটি কথার মধ্যে রয়েছে জীবন সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি। তিনি বুঝেছিলেন, পৃথিবীর ধন-সম্পদ ও ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। মানুষ একদিন সবকিছু ছেড়ে চলে যাবে। তাই তাঁর সৃষ্টিতে বারবার ফিরে এসেছে আত্মজ্ঞান ও মানবিকতার আহ্বান।
সুনামগঞ্জের মরমি সংগীতের ঐতিহ্যে হাসন রাজা একটি অমর নাম। তাঁর পাশাপাশি রাধারমণ দত্ত, শাহ আবদুল করিমসহ ভাটি বাংলার অন্যান্য মরমি সাধক ও কবিরাও এই অঞ্চলের লোকসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁদের সৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জ আজও মরমি গান ও লোকসংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে পরিচিত।
১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর হাসন রাজা মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যু তাঁর সৃষ্টিকে থামাতে পারেনি। সময়ের স্রোত পেরিয়ে তাঁর গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। সুনামগঞ্জের মাটি, মানুষ ও লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে তাই হাসন রাজা চিরস্মরণীয় এক নাম।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার ফলে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এই উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিস রেটিংস বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাসকে ‘নেতিবাচক’ থেকে পরিবর্তন করে ‘স্থিতিশীল’ করেছে।

তবে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং খেলাপি ঋণের উচ্চ হার অব্যাহত থাকার কারণে দেশের বর্তমান রেটিং ‘বি২’-তেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মুডিসের নতুন মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নতুন সরকারের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন থাকার ফলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখন সংস্কার কাজে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে ‘নেতিবাচক’ করেছিল এই সংস্থাটি।

খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মুডিসের এই ইতিবাচক মূল্যায়নের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বিদেশি ব্যাংকগুলো দেশের ব্যাংকগুলোর জন্য ডলার বা বৈদেশিক ঋণের সীমা বাড়িয়ে দেবে, যা সহজ শর্তে আমদানি বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে হুন্ডিমুক্ত রেকর্ড রেমিট্যান্স আসার ফলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। যেখানে ২০২৪ সালে রিজার্ভ নেমে এসেছিল ২১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে।

পাশাপাশি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে মুডিস। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরগুলোতে তা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং তা সামাল দিতে বড় অংকের মূলধন প্রয়োজন হওয়ায় সরকারের ওপর চাপ রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এছাড়া, দেশের সর্বনিম্ন রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা, মোট রাজস্বের বড় অংশ ঋণের সুদ পরিশোধে চলে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ খাতের কিছু দুর্বলতার বিষয়টিকেও সামনে এনেছে মুডিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে সন্দেহভাজন দুজন শনাক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে সন্দেহভাজন দুজন শনাক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী বলেন, সন্দেহভাজন এই দুই ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারে এবং এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একটি সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। সভাটি ঢাকার মেগা প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসন নিয়ে ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘যাচাই-বাছাই ও যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরপরই একটি মোটরসাইকেল থেকে সুপ্রিম কোর্টের গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে জানা যায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘটনার জন্য সাতজন ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্টের’ মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেন।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক গুলশানে অনুষ্ঠিত মিছিলের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্ন মিছিল বা অপতৎপরতা রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুরে পৌঁছাল ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুরে পৌঁছাল ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

দিনাজপুর, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে এসে পৌঁছেছে।

এই ডিজেল আমদানি করা হয়েছে পাইপলাইনের ৭২তম চালানের অংশ হিসেবে। দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার মো. রবিউল আলম বাসসকে জানান, গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ডিজেল হস্তান্তরের এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। মঙ্গলবার বিকেলে তা সম্পন্ন হয়।

২০১৮ সালের দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায়, বাংলাদেশ ও ভারত ১৫ বছরের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পাইপলাইনটি উদ্বোধনের পর থেকে বাংলাদেশ এ লাইনের মাধ্যমে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ টন ডিজেল আমদানি করেছে।

আমদানিকৃত এই জ্বালানি রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি প্রতিষ্ঠান-পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে প্রায় সমপরিমাণে বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, পাইপলাইনের বাংলাদেশ অংশটি ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবপাচার ও সীমান্তপারের অপরাধ রোধে মালয়েশিয়ার নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


মানবপাচার ও সীমান্তপারের অপরাধ রোধে মালয়েশিয়ার নতুন উদ্যোগ

মালয়েশিয়া নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সীমান্তপারের ক্রমবর্ধমান অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, মানবপাচার, জাল নথি ও পরিচয় অপব্যবহার ঠেকানোর জন্য। এই উদ্দেশ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পুত্রজায়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইলের উপস্থিতিতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।

সমঝোতার মূল উদ্দেশ্য হলো সীমান্তপারের অপরাধ মোকাবিলায় দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ ও দমনে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।

সমঝোতার অধীনে, সীমান্তপারের অপরাধী কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি মানবপাচার, অভিবাসী পাচার, জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা জোরদার করা হবে।

মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সমন্বিত ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সহযোগিতা কাঠামোর মাধ্যমে অপরাধ শনাক্তকরণ ও দমনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া, অনলাইন প্রতারণা, পরিচয় অপব্যবহার এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে পরিচালিত অন্যান্য অপরাধ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও এই সহযোগিতার অন্যতম লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. শামসুল আনুয়ার নাসারাহ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব আবদুল হালিম হামজা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব আওয়াং আলিক জেমান, মালয়েশিয়ার যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশনের (এমসিএমসি) চেয়ারম্যান তান শ্রী মোহাম্মদ সালিম ফাতেহ দিন এবং দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এই সমঝোতার ফলে ইমিগ্রেশন ও ডিজিটাল যোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে। এর মাধ্যমে সীমান্তপারের অপরাধের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%