বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:৪৩ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বৈঠকে মিলিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক মোট ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বৃহস্পতিবার এখানে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করি, এসব চুক্তি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
তিনি আরও জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সম্মানে একটি রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করবেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার, ২৭ জুন, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
মাহদী আমিন বলেন, উভয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘একই সঙ্গে আমরা আশা করি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) তারা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা প্রদান করে।
বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার জন্য অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে বিটিআরসি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই অভিযানের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত ওয়াকি-টকি জব্দ করে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী-২০২৬) অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ওয়াকি-টকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন বা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ব্যতীত এই ধরনের যন্ত্র ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে রয়েছে।
এই অবস্থায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী সংস্থা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মলসহ সকল ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সতর্ক করা হচ্ছে যে, বিটিআরসির যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়া কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করা যাবে না। অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান চলতে থাকবে এবং যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সকলকে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোভিড, সার্স কিংবা ইবোলার মতো ভাইরাসগুলোর নাম শুনলেই মানুষের চোখে ভেসে ওঠে সুরক্ষা।একই সাথে, এটি বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। প্রতিটি ভাইরাসের জন্য আলাদা টিকা কিছুটা সুরক্ষা দিলেও, নতুন নতুন ধরণ বা ভ্যারিয়েন্টের আবির্ভাব চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য এক চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। এ অবস্থায়, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)’র সহায়তায় নতুন একটি টিকা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। গবেষকদের মতে, এটি ভাইরাসের পুরো একটি পরিবারের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। এমনকি ভবিষ্যতের মহামারি প্রতিরোধেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে। ক্যামব্রিজ থেকে বার্তা সংস্থা এবিষয়ে তথ্য জানায়। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাথন হিনি এই প্রযুক্তিকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ‘মাস্টার কি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান টিকাগুলোর প্রধান সমস্যা হলো এগুলো অতীতের কোনো নির্দিষ্ট ভাইরাস ধরণকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়। ফলে যে ধরণের বিরুদ্ধে টিকা নেওয়া হয়, ছয় মাস পর অবশ্যই মানুষ সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের ভাইরাসের সংস্পর্শে আসতে পারে। এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রকল্পটির প্রধান গবেষক হিনি বলেন, ‘টিকা সব সময় ভাইরাসের পেছনে ছুটে বেড়ায়।’ তিনি আরও জানান, ‘আমরা এই পরিবর্তনশীলতা দূর করার চেষ্টা করছি। এমন কিছু তৈরি করছি, যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কাছে সব ধরনের রূপেই পরিচিত হবে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সুরক্ষা দেবে।’ এ প্রযুক্তি একটি বড় ধরণের ধারণাগত পরিবর্তন বলে উল্লেখ করেন হিনি। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগের ভাইরাল জুনোটিকস ল্যাবরেটরির গবেষক, কানাডীয় বংশোদ্ভূত হিনি ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পর এ প্রকল্পে কাজ শুরু করেন। তিনি সময়টি ওই অঞ্চলে কর্মরত ছিলেন। -ঘোড়া তখন ছুটে গেছে’- এর আগে, ইবোলা মূলত মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে দেখা গেছে। তবে পশ্চিম আফ্রিকায় এর প্রাদুর্ভাব ছিল নতুন। শুরুতে রোগটিকে লাসা জ্বর, গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস, বা কলেরা হিসেবে ভুল শনাক্ত করা হয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম আফ্রিকার ওই প্রাদুর্ভাবে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়। হিনি বলেন, রোগটি শনাক্ত করতেই তিন থেকে চার মাস সময় লেগে যায়। ফলে টিকা তৈরির কাজ শুরু করাও বিলম্বিত হয়। তিনি বলেন, ‘এই সময়ের মধ্যেই এটি দ্রুত গিনি, সিয়েরা লিওন ও লাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।’ তিনি জানান, মৃতদের মধ্যে অনেক স্বাস্থ্যকর্মীও ছিলেন। পশ্চিম আফ্রিকার প্রাদুর্ভাব শেষে ক্যামব্রিজে ফিরে এসে তাদের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় যে, ‘আমাদের এই পদ্ধতি বদলাতে হবে। একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যাবে না।’ তিনি বলেন, এআই প্রযুক্তির প্রাথমিক সংস্করণ ব্যবহার করে তার দল বিভিন্ন ভাইরাস সম্পর্কিত যত তথ্য পাওয়া গেছে, সব একত্র করে বিশ্লেষণ করেছে। এর মাধ্যমে তারা ভাইরাসের সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মিল ও অমিল শনাক্ত করতে সক্ষম হন, যেগুলোর প্রতি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সাড়া দেয়। ফলে শুধু একটি ভ্যারিয়েন্ট নয়, বরং সব ধরনের ভ্যারিয়েন্টকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। হিনির মতে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, সীমান্ত পেরিয়ে মানুষের চলাচল বৃদ্ধি, এবং মানুষের কারণে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার ফলে নতুন ভাইরাসের আবির্ভাব এখন আরও ঘন ঘন ঘটছে। এ কারণে নতুন প্রযুক্তিটি হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আগে যেসব ভাইরাস প্রাণীদের মধ্যে নিরীহভাবে অবস্থান করত এবং যেসব প্রাণী সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, সেসব ভাইরাস এখন মানুষের সংস্পর্শে আসছে। ‘এদিকে দেখা যাচ্ছে যে মানুষের কোনো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই, কোনো প্রাকৃতিক সুরক্ষা নেই। ফলে ভাইরাস ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ে।’ -‘ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে’- ‘সাউদাম্পটন ইউনিভার্সিটি হসপিটাল’-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ৩৯ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর একটি পরীক্ষায় এআই-সহায়তায় তৈরি সার্বজনীন সারবেকো করোনাভাইরাস টিকার ক্ষেত্রে ‘নিরাপত্তা নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্বেগ’ পাওয়া যায়নি। সংক্রামক রোগ ক্ষেত্রের মাসিক পিয়ার-রিভিউড মেডিকেল জার্নাল ‘জার্নাল অব ইনফেকশন’-এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ক্যামব্রিজের বিজ্ঞানী ও বায়োটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান ডায়োসিনভ্যাক্সের যৌথ উদ্যোগে তৈরি টিকাটি এখন আরও বৃহৎ পরিসরের পরীক্ষার দিকে এগোচ্ছে। হিনি বলেন, মানব ইতিহাসে বহুবার মহামারি দেখা গেছে। মধ্যযুগের ব্ল্যাক ডেথ থেকে শুরু করে ১৯১৮-২০ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারি পর্যন্ত, এতে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ২ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৫ কোটি মানুষ মারা যায়। তার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ সম্ভাব্য ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারি। তিনি এটিকে সবচেয়ে ‘জটিল’ ভাইরাসগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি আশাবাদী যে, নতুন এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরেকটি প্রাণঘাতী মহামারি ঠেকাতে সহায়তা করতে পারে। তিনি বলেন, ‘এখন এআই-এর সম্পূর্ণ নতুন একটি স্তর তৈরি হয়েছে। সর্বাধুনিক এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের একটি দল আরও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলছে, যাতে আমরা আরও দ্রুত ও অধিকতর তথ্য নিয়ে কাজ করতে পারি।’ হিনি জানান, ‘আমার বিশ্বাস, এটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের প্রযুক্তির দুয়ার খুলে দিচ্ছে। আশা করি, এটি ভবিষ্যৎকে বদলে দিতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা, হামলা-হুমকি এবং রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আসলামের ছেলে ইব্রাহিম খলিল।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবে আগত একটি সংবাদ সম্মেলনে ইব্রাহিম খলিল বলেন, যুবদল নেতা শান্ত হত্যা মামলার ২নং আসামি শাহাদাত প্রধান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার চিহ্নিত আসামি বর্তমানে চর কিশোরগঞ্জে সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম করেছে। ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় আমার পরিবারের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত দুই দিন ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা শাহ সুলতান গাজীর অনুসারী ৩০ থেকে ৪০ জন ব্যক্তি আমার বাড়ির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। শাহাদাত প্রধানের বাবা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব প্রধানের নেতৃত্বে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা তুলে সন্ত্রাসী সাম্রাজ্য কায়েম করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানাবিধ অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, চাঁদাবাজি, মসজিদের জমি দখলসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
এ সময় অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত এবং নথিপত্র সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের মধুখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাবেক কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান লিটন এর ডেকোরেটর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। বুধবার (২৪ জুন) গভীর রাতে মধুখালী থানার সামনে অবস্থিত লিটন ডেকোরেটরের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনাটি ঘটে।
ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং মধুখালী পৌরসভার সাবেক ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান লিটন জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যা ৭টার সময় কর্মচারীরা দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। গভীর রাতে পাশের এক ব্যবসায়ী ফোন করে তাকে দোকানে আগুন লাগার খবর জানান।
তিনি বলেন, ‘শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। এসে দেখি পুরো দোকানে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।
তখন এলাকার বিদ্যুৎ ছিল না। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলে আমি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ফোন করি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে লাইনটি বিচ্ছিন্ন করেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়। কিন্তু দোকানে থাকা কাপড়, প্লাস্টিকের চেয়ার-টেবিল, বৈদ্যুতিক তারসহ দাহ্যসামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আমার ২৭ বছরের তিলে তিলে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রাশেদুল আলম জানান, খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘ডেকোরেটর দোকানের ভেতরে বিপুল পরিমাণ কাপড়, প্লাস্টিক সামগ্রী ও বৈদ্যুতিক উপকরণ থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে এরই মধ্যে দোকানের প্রায় সব মালামাল পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ