০৮:৫৯ পি.এম
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
আজ শুক্রবার সকালে বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে ভেসে গিয়ে নিহত হয়েছেন দুই শিশুর মৃত্যু, যাদের নাম মিরাজ (৫) ও আশিক (৬)। এছাড়া চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ অঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জেলা প্রশাসনের সমস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটিসহ অন্যান্য সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪
জেলার ১৫ উপজেলায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন জানিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সমস্ত উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলমান রয়েছে।
এদিকে, সাতকানিয়া উপজেলায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে ভয়াবহ এক বন্যা আবারও দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন