বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ এম
মেহেরপুর পৌর শহরের তাঁতীপাড়ায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স টিমের একটি ঝটিকা অভিযানে নগদ সাড়ে নয় লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ মাদক এবং গুলি সহ এক পিতা-পুত্রকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁতীপাড়ায় এই অভিযানটি সফলভাবে পরিচালিত হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মেহেরপুর পৌর শহরের তাঁতীপাড়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ফিরোজ হোসেন (৪৮) এবং তার ছেলে আমানুল্লাহ (২৬)। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই এলাকায় অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।
মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স টিম অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, গুলি এবং অর্থ উদ্ধার করে। অভিযানের ফলস্বরূপ মাদক বিক্রির নগদ ৯ লাখ ৫ হাজার ৭০০ টাকা, ৫ রাউন্ড তাজা গুলি/কার্তুজ, ৩৭৩ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৮১৩ গ্রাম গাঁজা, ২৩ গ্রাম গাঁজার বীজ এবং ৬৪ গ্রাম ভাং পাতা উদ্ধার করা হয়।
মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাশেদ আহমেদ জানান, তাঁতীপাড়া এলাকায় মাদক ও অস্ত্র জমা রাখার সুনির্দিষ্ট খবর পাওয়ার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই অভিযান চালায়। উদ্ধার হওয়া আলামতসহ আটককৃতদের বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জনস্বার্থে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান পরিচালনার সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিলুর রহমান খান এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে মো. নাজমুল হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়, যা মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আটককৃত যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপালপুর পৌরসভার গোপালপুর রেলগেট সংলগ্ন মকসেদ শপিং কমপ্লেক্সে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নাজমুল হোসেনকে কমপ্লেক্সের সিঁড়ির ওপর অবস্থানকালে আটক করা হয়।
আটক নাজমুল হোসেন লালপুর উপজেলার পোকন্দা (পূর্ব) গ্রামের মো. ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তল্লাশিতে তার কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একইসাথে, মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
লালপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই যুবক এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহ ছিল। সম্প্রতি তার চলাফেরা ও কার্যক্রম নজরদারিতে রেখে নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘লালপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর শহরের বিভিন্ন মোড়ে লাইসেন্স ছাড়া মৎস্য ও পশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে সাউদপাড়া এবং চিরাং মোড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে সাউদপাড়া মোড়ের মেসার্স সোহেল ট্রেডার্সের মালিক সোহেল মিয়া, হুমায়ুন ট্রেডার্সের মালিক হুমায়ুন কবীর এবং চিরাং মোড়ের নামবিহীন দোকানের মালিক হুমায়ুন মিয়াকে মৎস্য ও পশু খাদ্য আইন, ২০১০-এর ৪ ধারায় লাইসেন্স না থাকার কারণে ২০ ধারার আওতায় প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কেন্দুয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান, কেন্দুয়া থানা পুলিশের সদস্য এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৎস্য ও পশু খাদ্য নিরাপদ রাখার জন্য সকল খাদ্য বিক্রেতাকে আইন অনুযায়ী লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। ব্যবসায়ীদের দ্রুত লাইসেন্স গ্রহণ করে আইন মেনে মৎস্য ও পশু খাদ্য বিক্রির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে টাকার বিনিময়ে তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে জুয়ার আসরে অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার আঙুল ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার চার পুলিশ সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার গভীর রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার টহলদল গোপন সূত্রে খবর পায়, পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়ায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মূল ভবনের উত্তর পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাস দিয়ে জুয়া খেলছেন। খবর পেয়ে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করে পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানার ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায়। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
তারা হলেন- ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কর্মরত কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), এএসআই শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির (৩৩) এবং ঠাকুরগাঁও শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)। অভিযানের সময় সুযোগ বুঝে দুই পুলিশ সদস্য পালিয়ে যান। তারা হলেন- পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮)। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
অভিযানের সময় ঘটনাস্থল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়ার বোর্ডে থাকা নগদ ৫০ টাকা, পাঁচ সেট তাস এবং একাধিক স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থলের পাশ থেকে চারটি মোটরসাইকেল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়। মামলাটি ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পালকে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা সুজিত কুমার পাল বলেন, আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ বা অন্য যে কারও ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। অপরাধে জড়িত গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান মাসুদ আজহারের মাথার দাম ঘোষণা করেছে। তাকে ধরার জন্য তথ্য প্রদান করলে ৭০ লাখ পাকিস্তানি রুপি পুরস্কার দেওয়া হবে। তবে ইসলামাবাদের এই ঘোষণাকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ‘নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত বলেছে, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানকে আর লোক-দেখানো ঘোষণা দিতে হবে না, বরং ‘বাস্তব এবং কার্যকর পদক্ষেপ’ নিতে হবে। দ্য প্রিন্টের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
এটি ধারণা করা হচ্ছে যে, ফাইন্যানশিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) অক্টোবরের বৈঠককে সামনে রেখে পাকিস্তান এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পাকিস্তান যেন এফএটিএফের গ্রে লিস্টে আবার না পড়ে, সেজন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মন্তব্য করেন যে, পাকিস্তানের এ ধরনের নাটক এবং জনগণকে বোকা বানানোর প্রচেষ্টা নতুন নয়। তিনি বলেন, অতীতে আমরা একই ধরনের নাটক দেখেছি।
তিনি আরও বলেন, যখন একটি রাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, তখন এই ধরনের ভুয়ো ঘোষণার প্রকৃত গুরুত্ব কতটা ফাঁপা, তা সকলেই জানে। পাকিস্তানকে লোক-দেখানো ঘোষণা না দিয়ে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘোষণার কোনও গুরুত্ব নেই।
মাসুদ আজহার ভারতের কাছে একটি পরিচিত নাম। ২০০১ সালের সংসদে হামলা, ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা বিস্ফোরণ— এসব ভয়াবহ জঙ্গি হামলার সঙ্গে তার নাম জড়িত। ভারত দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, পাকিস্তান তাকে আশ্রয় দিয়েছে। ফেডেরাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এফআইএ) ‘রেড বুকেও’ মাসুদ আজহার এখনও মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, মাসুদ পাকিস্তানে নেই এবং জইশ প্রধান আফগানিস্তানে পালিয়ে গিয়ে সেখান থেকে সংগঠন পরিচালনা করছেন। তবে এই দাবির বিরুদ্ধে ইসলামাবাদের সঙ্গে তালেবান সরকারের প্রকাশ্য বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা স্পষ্ট করেছেন যে, মাসুদ আজহার আফগানিস্তানে নেই। ফলে পাকিস্তানের পুরনো দাবির ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে মাসুদের সন্ধান দিতে নতুন করে পুরস্কার ঘোষণার ফলে আন্তর্জাতিক মহলেও ইসলামাবাদের দিকে নজর পড়েছে। কারণ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন ও তাদের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। সামনে রয়েছে ফাইন্যানশিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) পরবর্তী পর্যালোচনা। জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ রুখতে পাকিস্তান কতটা পদক্ষেপ করেছে, তা খতিয়ে দেখবে আন্তর্জাতিক এই নজরদারি সংস্থা।
২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান এফএটিএফের ‘গ্রে লিস্ট’-এ ছিল। অর্থপাচার রোধে দুর্বলতা এবং সন্ত্রাসে অর্থের জোগান বন্ধ করতে ব্যর্থতার অভিযোগ ছিল মূলত। বিশেষ করে জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তইবার মতো জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ