ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়নে ইসরায়েলি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের


গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়নে ইসরায়েলি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার অধিবাসীদের তাড়ানোর জন্য ইসরায়েলি প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

 

গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক অপসারণের ইসরায়েলি দাবির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজার বাসিন্দাদের স্থায়ীভাবে স্থানান্তরের বিষয়ে ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তাদের মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর এই বিষয়টি পরিষ্কার করেছে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরলেন

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর উল্লেখ করেছে, "গাজার কোনো নাগরিককে জোরপূর্বক তাড়ানো, অপসারণ বা স্থানান্তরের যেকোনো পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন।"

সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেছেন যে, গাজা সংকটের একমাত্র "প্রকৃত সমাধান" হলো ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া। তিনি আরও জানান, জল ও আকাশপথসহ সকল মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা ইসরায়েল সরকারের আলোচনার টেবিলে রয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রক্রিয়াটি বাতিল করেননি, বরং সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছেন।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই চরমপন্থী বক্তব্যের বিরুদ্ধে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার ১২ নম্বর ধারার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে: “কাউকেই গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। যারা নিজস্ব ইচ্ছায় যেতে চান তারা যেতে পারবেন এবং পুনরায় ফিরে আসার অধিকারও রাখবেন।”

মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের এই 'স্থানান্তর নীতিকে' জাতিগত নিধন (Ethnic Cleansing) হিসেবে অভিহিত করেছে। একইসঙ্গে আরব বিশ্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু মিত্র দেশও ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদের যেকোনো চেষ্টা বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে নারীর কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, অতঃপর আটক সাথী আক্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ পরিদর্শক মফিজুল ইসলামের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩১ এম


পুলিশ পরিদর্শক মফিজুল ইসলামের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের শোক

পুলিশ পরিদর্শক মফিজুল ইসলামের মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের শোক

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক মো. মফিজুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।**

নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী থানাধীন লেপসিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) **মো. মফিজুল ইসলাম গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির এক শোকবার্তায় বলা হয়, পুলিশ পরিদর্শক মো. মফিজুল ইসলামের অকাল ও আকস্মিক মৃত্যু বাংলাদেশ পুলিশ পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

শোকবার্তায় আরও বলা হয়, মো. মফিজুল ইসলাম ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে একজন সহজ-সরল, সজ্জন, আন্তরিক ও মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ হিসেবে সহকর্মীদের কাছে পরিচিত ছিলেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা, সততা ও মানবিক গুণাবলি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শোকবার্তায় মহান আল্লাহ তাআলার কাছে মরহুমের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে *জান্নাতুল ফেরদৌস* নসিব করার এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য দোয়া করা হয়।

শোকবার্তায় স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক খান মো. মাসকোয়াত হোসেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ দলের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ এম


১১ দলের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু

১১ দলের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ

ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য, যা গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত হবে। এই লংমার্চের সূচনা হবে রাজধানীর শাপলা চত্বরে সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত জনসভা শেষে, যেখানে প্রায় দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে যাত্রা শুরু হবে। পরবর্তীতে চারটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে জনসভার মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ হবে। লংমার্চের নেতৃত্ব দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষনেতারা

 

এই কর্মসূচি সফল করার জন্য ১১ দলের কেন্দ্রীয় বাস্তবায়ন কমিটি এবং রুট সংশ্লিষ্ট ৯টি শাখা প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। গত কয়েকদিন ধরে জামায়াতসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা রাজধানীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে গণসংযোগ ও প্রচার মিছিল পরিচালনা করেছেন।

এদিকে, বর্তমান সংসদের বিরোধী দলের সর্ববৃহৎ এই কর্মসূচির সফলতার জন্য সরকার, সরকারি দল ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জোটটি, যাতে তারা জনগণের আস্থায় থাকতে পারে। তারা সতর্ক করে বলেছেন, যদি সরকারে থাকা কোনো দল বা কেউ লংমার্চে কোনো প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে, তাহলে তারা জনগণের আস্থা হারানোর পাশাপাশি জনরোষের মুখোমুখি হবে।

শুক্রবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লংমার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই হুঁশিয়ারি দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সেখানে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষনেতাদের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে আলোচনা হয় গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লংমার্চ সফল করার প্রস্তুতি নিয়ে।

বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর বিরোধী দল জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে এখনো নিয়মতান্ত্রিক, গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান, বিরোধী দলের সর্ববৃহৎ শান্তিপূর্ণ এই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে সফল করতে প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করে জনগণের আস্থায় থাকতে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকারের কোনো দল বা কেউ লংমার্চে কোনো প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে, তাহলে তারা জনগণের আস্থা হারাবে এবং আরো হারাবে, ফলে জনরোষের মুখোমুখি হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও সরকারি দলের কেউ এ ধরনের অপরিণামদর্শী পথে পা বাড়াবে না।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার গঠনের ছয় মাস পার হলেও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে তারা কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বরং গণরায় বাস্তবায়ন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, গণভোটের গণরায়ে কোনো নোট অব ডিসেন্ট নেই। গণভোটে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট খারিজ হয়েছে। তারা জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা সরকার উৎখাতের কোনো আন্দোলন করছি না, জনগণের ও আমাদের দাবি হলো, গণভোটের গণরায়কে আপনারা মেনে নেন। বিরোধীদলের রাজনীতি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমাদের ছয় দফা আপনারা মেনে নিন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার তাদের কর্মসূচিকে সম্মান দেখিয়ে জনগণের আস্থায় থাকবে।

তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে প্রমাণিত হোক বিরোধী দল ও সরকারি দলের পরমত সহিষ্ণুতা রয়েছে এবং তারা রাজনৈতিক সহিংসতার নেতিবাচক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, পুলিশ প্রশাসনের মহাপরিদর্শককে ১১ দল লিখিতভাবে কর্মসূচির বিষয়ে অবহিত করেছে। সংশ্লিষ্ট ডিসি-এসপিকেও লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে। রাস্তার দুই ধারে হাজার হাজার জনগণ লংমার্চকে অভিবাদন জানাবে।

তিনি জানান, লংমার্চের সামগ্রিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। লংমার্চের বহরে প্রায় দেড় হাজার গাড়ি যুক্ত হবে বলে জানা গেছে। উদ্বোধনী সমাবেশ সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ডে, পরবর্তীতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাই এবং সবশেষে রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে জনতার ঢল নামবে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল জানান, লংমার্চে অংশগ্রহণকারী ডেলিগেটরা গাড়ি থেকে নেমে পথসভায় যোগ দেবেন না। পথসভা স্থানীয় শাখা বাস্তবায়ন করবে। বহরে থাকা গাড়িতে স্টিকার থাকবে এবং চলমান অবস্থায় কোনো গাড়ি বহরে যুক্ত হলে শেষ দিকে হবে। এতে গণমাধ্যম, আইটি, শীর্ষ নেতা, অ্যাম্বুলেন্স, সাংস্কৃতিক, মেডিকেল ও সিকিউরিটি টিমের গাড়ি সিরিয়ালি থাকবে। গাড়িতে নিজ দায়িত্বে খাবার ব্যবস্থা করতে হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারের ছয় মাসে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ অনেক কিছু করার সময় ছিল। কিন্তু তা না করায় নৃশংসতা-বর্বরতা বেড়েছে, অপরাধীরা জামিন পাচ্ছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাস্তায় গাড়ি তো চলছেই, গাড়ি বন্ধ করে তো তেল সংকটের সমাধান হবে না।

প্রশ্নের জবাবে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, লংমার্চে তারা কোনো নাশকতার আশঙ্কা করছেন না। তারা ঐক্যবদ্ধ আছেন, আর ঐক্যবদ্ধ থাকলে শয়তান ভয় পায়। তবে কেউ কোনো কিছু করলে তার দায় সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকায় আসা মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ হওয়ায় এই লংমার্চকে তারা আনন্দ হিসেবে নিচ্ছেন। তিনি দুর্নীতিবাজ ও বিতর্কিত মন্ত্রীদের থামাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংস্কার করতেই হবে।

বৈঠকে ও প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, এবি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ফখরুল ইসলাম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রমুখ।

সূত্রমতে, গত ৬ আগস্ট বিভিন্ন দাবিতে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ১১ দলের অবস্থান কর্মসূচি থেকে ঢাকায় মহাসমাবেশসহ চার বিভাগে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার প্রথম লংমার্চ হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে। পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ৩১ অক্টোবর খুলনা-কুষ্টিয়া, এবং ২১ নভেম্বর ট্রেনযোগে সিলেট মহানগর অভিমুখে লংমার্চ পালিত হবে। সবশেষে ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

ছয় দফা দাবির মধ্যে আরো রয়েছেÑজুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।

শাপলা চত্বরে এনসিপি নেতারা

এদিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকারসহ এনসিপির শীর্ষ নেতারা শুক্রবার রাত ১০টায় রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে লংমার্চের সূচনা সভাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলা একাডেমিতে জমে উঠেছে ৯ দিনব্যাপী জিয়া স্মৃতি বইমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ এম


বাংলা একাডেমিতে জমে উঠেছে ৯ দিনব্যাপী জিয়া স্মৃতি বইমেলা

ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত নয় দিনব্যাপী ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আজ ছিল দ্বিতীয় দিন। মেলা চলবে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় এই মেলার।

বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বই।

আজকের দ্বিতীয় দিনে মেলা জমে উঠেছে। মেলায় কথা হয় জিনিয়াস পাবলিকেশনের দায়িত্বে থাকা মাহমুদ বিন শরীফের সঙ্গে। তিনি বাসসকে জানান, জাহাঙ্গীর শিকদারের লেখা ‘সোনালি যুগের জিয়াউর রহমান’, মো. সহিদুল ইসলাম সুমনের লেখা ‘বীর উত্তম জিয়াউর রহমান’, এই লেখকের আরেকটি বই ‘তারেক রহমানের ভাবনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম’, শাহেদ শফিকের লেখা ‘নারী শিক্ষায় বেগম খালেদা জিয়া’সহ আরও অনেক বই রয়েছে।

মেলায় বই দেখতে আসা একজন পাঠক আমলগীর হোসেন, যিনি পেশায় একজন মনোবিজ্ঞানী। তিনি বাসসকে বলেন, তরুণ প্রজন্ম আজ বই বিমুখ হয়ে গেছে। তারা কোনো কিছু যাচাই-বাছাই ছাড়াই ফেসবুকে হুটহাট স্ট্যাটাস দিয়ে দেয়, তথ্যটি সঠিক নাকি ভুল সেটি না জেনেই। এসব কারণকেই তরুণ প্রজন্মে বই বিমুখ হওয়ার জন্য দায়ী বলে তিনি মনে করছেন।

বই বিক্রির দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ সাঈম খান জানান, ‘আমরা সবাই জিয়া হবো’ বইটি বেশি চলছে। মানুষজন বিভিন্ন বই সম্পর্কে জানতে চায়, হাতে নিয়ে দেখে, অনেকে কিনছেনও।

এছাড়া ২য় দিন শুক্রবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা আয়োজিত জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬ এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এই বইমেলাটি জাতীয়াতাবাদী রাজনীতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক, ইতিহাসে এটি অনন্য জায়গা করে নেবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান এদেশে একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ চেয়েছিলেন। সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য এদেশে যা কিছু প্রয়োজন তার সবই করেছেন তিনি।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বইয়ের বিকল্প কিছু হতে পারে না, বই পড়ার মানসিকতা থাকতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের ওপর রচিত বই এবং জিয়াউর রহমানের জীবনভিত্তিক সাহিত্যের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি ও মেলার আহ্বায়ক মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী জানান, দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেলাটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

২য় দিনে মেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীসহ লেখক ও দর্শনার্থীরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থ নয়ছয়ের সুযোগ কম আগ্রহ নেই কর্মকর্তাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ এম


অর্থ নয়ছয়ের সুযোগ কম আগ্রহ নেই কর্মকর্তাদের

সরকারি প্রণোদনার আওতায় ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণে কর্মকর্তাদের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষি মন্ত্রণালয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অধীনে কর্মরত মাঠ কর্মকর্তাদের আচরণে এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ডিএইর তৈরি একটি প্রতিবেদন থেকে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ক্ষুদ্র হিমাগারের তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার কৃষি কর্মকর্তাদের খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন সময় ফোন করে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়। লক্ষ্য হচ্ছে হিমাগারের সর্বশেষ অগ্রগতি জানা এবং তার আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কিন্তু টাঙ্গাইলের এক কর্মকর্তাকে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তার ফোনে সাড়া পাওয়া যায়নি। একই অভিযোগ রাজশাহী ও ঝিনাইদহের ডিইএর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এভাবে কৃষকের আপৎকালীন কৃষিপণ্য সংরক্ষণে হিমাগার নির্মাণের কাজ চলছে, যা এসব হিমাগারের স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় সৃষ্টি করছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় দেশের ২৫ জেলার ৩২টি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়ে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেওয়া এ কর্মসূচির কাজের মাধ্যমে অর্থ নয়ছয় করার সুযোগ কম রয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের এ কাজের প্রতি আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। ডিইএর একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আমার দেশের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, কৃষি বিভাগের বেশিরভাগ কর্মকর্তার ঝোঁক লাভজনক উন্নয়ন প্রকল্পের দিকে।

কৃষি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রণোদনার মাধ্যমে ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের পাশাপাশি পৃথক একটি প্রকল্পের অধীনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৮০টি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের কাজও চলছে। আগামী অক্টোবরে ওই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের যে অগ্রগতি, তাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। গত রোববার পর্যন্ত ১৪৭টি হিমাগার স্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বাকি কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হলে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে। নানা মহলে আলোচনা রয়েছে, প্রণোদনার আওতায় নির্মিত স্থাপনার তুলনায় প্রকল্পভিত্তিক কাজের প্রতি কৃষি বিভাগের কিছু কর্মকর্তার আগ্রহ বেশি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রয়োজন।

অন্যদিকে সরকারি প্রণোদনার অর্থায়নে নির্মাণাধীন ক্ষুদ্র হিমাগারগুলোর তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কাজের অগ্রগতি এখনো সন্তোষজনক নয়। মোট হিমাগারের ৩০ শতাংশেরও কম নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ৯টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০টির বেশি হিমাগারের কাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। যেসব জেলায় হিমাগার নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজবাড়ী ও চট্টগ্রামে দুটি করে এবং যশোর, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও দিনাজপুরে একটি করে। এছাড়া নির্মাণসামগ্রী পৌঁছলেও নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জে হিমাগার নির্মাণের কাজ শেষ হয়নি। নাটোর ও শরীয়তপুরে কার্যক্রম এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ফেনীতে এখনো নির্মাণসামগ্রী পৌঁছেনি বলে জানা গেছে এবং জামালপুরে হিমাগার চালুর জন্য বিদ্যুৎসংযোগের কাজ বাকি রয়েছে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণে ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণ সরকার কর্তৃক একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হলেও বাস্তবায়ন কার্যক্রমের ধীরগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হলে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উইংয়ের উপপরিচালক (মনিটরিং) ড. আবু জাফর আল মুনছুর আমার দেশকে বলেন, আর্থিক প্রণোদনার অধীনে বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। যেটির কাজ সম্পন্ন হচ্ছে, সেখানে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী গিয়ে উদ্বোধন করে আসছেন। এটি মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি তদারকি করায় তাদের ভূমিকা কম। তিনি বলেন, কৃষকের আবাদি জমির কৃষিপণ্য এসব হিমগারের রাখা হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশ সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২৫টি জেলায় ৩২টি ‘ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ নির্মাণ করা হচ্ছে। শাকসবজি ও ফলমূলের মতো পচনশীল কৃষিপণ্য ভরা মৌসুমে অপচয় রোধ এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, এসব ক্ষুদ্র হিমাগারে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে কৃষিপণ্য ধরন ভেদে প্রায় ৪৫ দিন পর্যন্ত তাজা ও গুণগত মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে ভরা মৌসুমে উৎপাদন বেশি হওয়ায় কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ার পরিবর্তে কৃষকরা সুবিধাজনক সময়ে ভালো দামে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি ফসলপরবর্তী অপচয় কমার পাশাপাশি কৃষকের দরকষাকষির সক্ষমতাও বাড়বে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী সৌরবিদ্যুৎচালিত এসব হিমাগারে আধুনিক স্মার্ট কন্ট্রোল ব্যবস্থা থাকবে, যা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সংশ্লিষ্টদের মতে, উদ্যোগটি প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%