বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৬ পি.এম
আগামীকাল শুক্রবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত হবে। এদিন বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী পালন করবেন। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথকভাবে বাণী প্রদান করেছেন।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান শ্রী কৃষ্ণ ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, যখন পাশবিক শক্তি ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করার জন্য উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। তাদের আরও বিশ্বাস, দুষ্টের দমন করতে এভাবেই যুগে-যুগে ভগবান মানুষের মধ্যে অবতীর্ণ হন এবং সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা করেন।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ও ইসকনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামীকাল সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনসহ বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে।
শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচি আয়োজন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামীকাল সকাল ৮টায় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞ এবং বিকেল ৩টায় ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমী মিছিল ও রাতে শ্রী কৃষ্ণ পূজা।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে আয়োজিত গীতাযজ্ঞ পরিচালনা করবেন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের শংকর মঠ ও মিশন। বিকেল ৩টায় পলাশীর মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ঐতিহাসিক মিছিল প্রতি বছরের মতোই জগন্নাথ হল, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট মোড়, বঙ্গবাজার, গোলাপশাহ মাজার হয়ে পুরনো ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) এ উপলক্ষে (৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) তিন দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, ভজন কীর্তন, ভোগ আরতি, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় নাটক কীর্তন মেলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্যাপুর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এই দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়কের মাঝিপাড়া এলাকায় আলহামরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে একটি ওষুধ কোম্পানির মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে মাইক্রোবাসটি সম্পূর্ণরূপে দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক মাসুদ রানা (৪৫) ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় আরো ১০ জন আহত হয়েছেন, যাদেরকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সাদুল্যাপুর-মাদারগঞ্জ সড়কের পশ্চিমপাড়া আসমা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে একটি বাসের ধাক্কায় গোলাম রব্বানী (৫০) নামের একজন নিহত হন। তিনি সাদুল্যাপুর সরকারি কলেজে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গোলাম রব্বানী তাঁর সন্তানকে পশ্চিমপাড়ার আশ শিফা মাদরাসায় রেখে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস তাঁর মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে বাসের চাকার নিচে চলে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
সাদুল্যাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গোলাম রব্বানীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামীকাল শুক্রবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী। এদিন দেশের হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী উদযাপন করবেন। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথকভাবে বাণী প্রদান করেছেন।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান শ্রী কৃষ্ণ ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, যখন পাশবিক শক্তি ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। তাদের বিশ্বাস, দুষ্টের দমন করতে এভাবেই যুগে-যুগে ভগবান মানুষের মধ্যে নেমে আসেন এবং সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা করেন।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ও ইসকনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামীকাল সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনসহ বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে।
শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচি আয়োজন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামীকাল সকাল ৮টায় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞ এবং বিকেল ৩টায় ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমী মিছিল ও রাতে শ্রী কৃষ্ণ পূজা।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে আয়োজিত গীতাযজ্ঞ পরিচালনা করবেন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের শংকর মঠ ও মিশন। বিকেল ৩টায় পলাশীর মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ঐতিহাসিক মিছিল প্রতি বছরের মতোই জগন্নাথ হল, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট মোড়, বঙ্গবাজার, গোলাপশাহ মাজার হয়ে পুরনো ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) এ উপলক্ষে (৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) তিন দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, ভজন কীর্তন, ভোগ আরতি, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় নাটক কীর্তন মেলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের জুন মাস থেকে এখন পর্যন্ত বেলজিয়ামে তীব্র তাপদাহের কারণে প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। দেশটির জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘সিয়েনসানো’-র প্রকাশিত সংশোধিত তথ্য অনুসারে, এই বছরের গ্রীষ্মকালকে ইতিহাসের সর্বাধিক উষ্ণতম সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ফরাসিভাষী সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিবিএফ-এর প্রতিবেদনের পাশাপাশি সিয়েনসানোর তথ্য অনুযায়ী, গ্রীষ্মের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তাপপ্রবাহের ফলে মোট ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এই মৌসুমে তাপপ্রবাহজনিত অতিরিক্ত মৃত্যুর মোট সংখ্যা ২,৯৩৫-এ পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, ৪ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী দ্বিতীয় তাপপ্রবাহের সময়ে ৫৩৫ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে, যা স্বাভাবিক মৃত্যুহারের তুলনায় ১৪.৮ শতাংশ বেশি। অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যায় ফ্ল্যান্ডার্স শীর্ষে রয়েছে, যেখানে ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছে; ওয়ালোনিয়া ১৯৮ জন এবং ব্রাসেলস ৪২ জনের মৃত্যুর পর রয়েছে।
এছাড়া, ২৮ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ী তৃতীয় তাপপ্রবাহের সময় সিয়েনসানো ৩৬৫ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু রেকর্ড করেছে, এবং এই অতিরিক্ত মৃত্যুহারকে ‘সামান্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সিয়েনসানোর তথ্যমতে, গ্রীষ্মের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন ছিল ২৭ জুন। ওই দিন ৬৪১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১৪৬.৫ শতাংশ বেশি মৃত্যুহার নির্দেশ করে। প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে যে, তীব্র তাপমাত্রার প্রভাব কেবল বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ৬৫ বছরের কম বয়সী মানুষের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য হারে অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে।
একই সঙ্গে, প্রতিষ্ঠানটি তাপপ্রবাহের সময় উচ্চ মৃত্যুহারের পেছনে বিভিন্ন কারণকে দায়ী করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তীব্র তাপমাত্রার স্থায়িত্বকাল, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ওজোন দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়গুলো। এএফপি-র প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জুলাই থেকে ১৬ আগস্টের মধ্যে বেলজিয়াম মৌসুমের তৃতীয় তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছিল এবং একই সময়ে দেশটিতে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল শুরু হয়েছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় চার বছরের একটি শিশুসহ মোট ৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭০ জনেরও বেশি। এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এজিএম-১৫৪ জয়েন্ট স্ট্যান্ড-অফ ওয়েপন (জেএসওডব্লিউ) নামের গাইডেড-গ্লাইড অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে
। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানা গেছে।
গাইডেড গ্লাইড অস্ত্র বা গ্লাইড বোমা হলো এমন একটি আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য সামরিক অস্ত্র, যা নিজস্ব ইঞ্জিন বা প্রোপালশন সিস্টেম ছাড়াই দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে
জানানো হয়েছে, হামলার শিকার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, সেগুলো জেএসওডব্লিউয়ের অংশ। তবে অস্ত্রটির প্রকৃতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টির কুহেস্তাকে এই হামলায় চার বছরের আমিরআলিসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলায় ৭০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ ইরানে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড প্রকাশিত ছবিতে এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমানকে একই ধরনের একটি অস্ত্র বহন করতে দেখা গেছে।
হামলার লক্ষ্যবস্তু বাড়িটি একটি যোগাযোগ টাওয়ার থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত ছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবহৃত অস্ত্রটির নির্ভুলতা বিবেচনায় হামলাটি ভুলবশত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রশ্ন উঠেছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে ঘটনাস্থলের ধ্বংসাবশেষকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি নির্ভুল-নির্দেশিত অস্ত্রের অংশ হিসেবে শনাক্ত করা হলেও, কোন অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছিল তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ