রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৫ পি.এম
লর্ডস টেস্ট চলাকালীন বিট্রিশ গণমাধ্যমে পাকিস্তানের কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাক্ষাৎ নেন তার দুই ছেলে সুলেইমান খান ও কাশিম খান। পিসিবির আপত্তি সত্ত্বেও সাক্ষাৎকারটি প্রচারের পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে পিসিবি।
লর্ডসে লাঞ্চের পর পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মাঠে না ফেরার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানের সিরিজটি সম্প্রচারকারী চ্যানেল পিটিভি অবশ্য সাক্ষাৎকারটি প্রচার করেনি। সাক্ষাৎকারে ইমরান খানের ছেলেরা তাদের বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, তাদের বাবাকে তিন বছর ধরে কারাগারে আছেন এবং তারা তার জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।
পিসিবির এমন প্রতিক্রিয়ায় নতুন করে নিজের মত তুলে ধরেছেন ইমরান খানের ছেলে কাশিম খান। বিট্রিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ'-কে তিনি বলেন, আমি এক ধরনের প্রতিক্রিয়া আশা করেছিলাম, কিন্তু ভাবিনি তারা এতটা কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ করবে যে মাঠে না নামার হুমকি দেবে। তারা (পিসিবি) নিজেদের চরম হাস্যকর অবস্থায় ফেলেছে।
তিনি যুক্তি দেন, পাকিস্তানের একজন সাবেক খেলোয়াড় যিনি ২২ বছর ধরে ইংল্যান্ডে বসবাস করেছেন তাকে নিয়ে করা একটি সাক্ষাৎকার সরিয়ে ফেলার দাবি জানানো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এখতিয়ারের মধ্যে পড়া উচিত নয়। এটি রাজনীতির বিষয় ছিল না, বরং মানবিক পরিস্থিতি ও তার স্বাস্থ্যের বিষয় ছিল।
কাসিম খান তার বাবার প্রতি আচরণ এবং এই পরিস্থিতিতে পিসিবির ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তারা স্পষ্টতই তাকে (ইমরান খান) ওখানেই মেরে ফেলার আশা করছে। তারা যতটা সম্ভব গোপনে তাকে স্তব্ধ করে দিতে চায় এবং ধীরে ধীরে তাকে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে দিতে চায়।
তিনি আরও বলেন, এই কৌশলের উদ্দেশ্য হলো ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা দমন করা এবং একই সাথে তার পরিস্থিতিকে ক্রমশ আরও কঠিন করে তোলা। তাদের বাবার চিকিৎসা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে দুই ভাই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরানকে শিফা হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দিয়েছিল; কিন্তু তার পরিবর্তে তাকে সরকারি পিআইএমএস-এ নিয়ে যাওয়া হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরপরই আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। ইমরানের বোন ও ছেলেরা অভিযোগ করেছেন, এটি আদালতের আদেশের লঙ্ঘন। তাকে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সাথে দেখা করার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানান।
কাসিম খান হাসপাতালের এই ঘটনাটিকে অস্বচ্ছ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টি ছিল এক ধরণের প্রহসন এবং আমাদের দৃষ্টিতে তা ছিল অত্যন্ত অস্পষ্ট। শিফা হাসপাতালের চিকিৎসকরা আবার বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত সব আয়োজন এবং আদালতের সব নির্দেশ উপেক্ষা করা হয়েছে।
সুলাইমান খান তার বাবার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খবরের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতার কথা তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাবার অসুস্থতার খবরগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশ করছে এবং তাকে সাহায্য করার ভান করা হচ্ছে। এতে আরও খারাপ কোনো পরিস্থিতির পটভূমি তৈরি করা হচ্ছে। এরপর তারা দায় এড়াতে বলতে পারবে, 'তিনি তো কেবল একজন বৃদ্ধ মানুষ ছিলেন যিনি মারা গেছেন, আর এর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
দুই ভাইয়ের বক্তব্যে তাদের বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবং তার কারাবাসকে কেন্দ্র করে বক্তব্যকে নিজেদের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার করা, গুমকে সুনির্দিষ্ট অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা এবং সম্পত্তিতে আজীবন ভোগস্বত্বের আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে।
পাস হওয়া আইনগুলো হলো, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬ এবং সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধনী) বিল ২০২৬। বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি, দ্বিমুখী নীতির অভিযোগ এবং শেষ পর্যন্ত অধিবেশন থেকে ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে বিলগুলো পাস হয়।
রবিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলগুলো কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।
২০০৯ সালের পুরনো আইনটি রহিত করে পাস করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশনের একটি নতুন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে এই কমিশন গঠিত হবে, যেখানে অন্তত একজন নারী এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থাকা বাধ্যতামূলক। কমিশনকে অন্তর্বর্তী আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা এবং জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের আলোকে একটি 'জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা' ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
পাস হওয়া গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬-এ গুমকে একটি আমলযোগ্য, অ-জামিনযোগ্য এবং অ-আপসযোগ্য অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের মাধ্যমে কেউ গ্রেফতার, আটক বা অপহৃত হওয়ার পর তার অবস্থান অস্বীকার করা বা গোপন করাকে গুম হিসেবে গণ্য করা হবে।
এই আইনের অধীনে গুমের অপরাধে সাধারণ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে গুম হওয়া ব্যক্তি মারা গেলে বা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানা করা যাবে। এই বিলে ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন, আইনি সহায়তা, ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা, ক্ষতিপূরণ ফান্ড এবং নিখোঁজ ব্যক্তির সম্পত্তি পরিবার কর্তৃক ব্যবহারের আইনি সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে নিখোঁজের পাঁচ বছর পর উত্তরাধিকার প্রক্রিয়ার জন্য সনদ দেওয়ার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। তবে কোনো স্বতন্ত্র তদন্ত সংস্থা গঠন না করে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপরই রাখা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তদন্ত ও বিচার কাজ সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধন করে পাস হওয়া নতুন বিলে ‘আজীবন ভোগস্বত্ব সংরক্ষিত দান’ নামের একটি আইনি ধারণা যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পিতা-মাতা, পিতামহ বা দাতারা তাদের নির্দিষ্ট রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয় বা জীবনসঙ্গীর নামে সম্পত্তি হস্তান্তর করার পরও আমৃত্যু নিজেরা তা ব্যবহার ও উপভোগ করার আইনি অধিকার ধরে রাখতে পারবেন। সব ধর্মের নাগরিকদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর জেলার কলাপাড়া চৌকি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বে যোগদান করেছেন।
আজ রোববার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর কাছে তারা যোগদান করেন।
নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা হলেন কলাপাড়া যুগ্ম ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুর রহমান চুন্নু, সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার শাহাব উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মো. আবুল হোসেন।
আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে আইন কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ও পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ মো. শহীদুল্লাহর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও জেলা বিএনপির সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান দুলালসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, দীর্ঘদিন পর কলাপাড়া চৌকি আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তারা দায়িত্বে যোগদান করায় বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন গতি সৃষ্টি হবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তারা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পরে নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ এবিএম মোশাররফ হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে কলাপাড়া চৌকি আদালতে বিচারপ্রার্থী মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাজারে খোলা তেল বিক্রি বন্ধ করতে শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, প্রয়োজন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত প্রতিরোধ।
ব্যবসায়ীরা খোলা তেল বিক্রি করবেন না, ভোক্তারাও তা কিনবেন না-নো ট্রানজেকশন নীতি কার্যকর করতে পারলেই বাজার থেকে খোলা তেল তুলে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
তার মতে, অনিরাপদ ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও খোলা তেল বিক্রির কারণে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণার পাশাপাশি বাড়ছে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি।
আজ রোববার সকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে খোলা তেল ও অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধে আয়োজিত অ্যাডভোকেসি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় ক্যাব খুলনা জেলা কমিটি এ সভার আয়োজন করে।
ক্যাব সভাপতি সফিকুজ্জামান আরও বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভোজ্যতেল প্যাকেটজাত অবস্থায় বিক্রি এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধকরণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু খোলা তেল বিক্রির ক্ষেত্রে এসব বিধান মানা হচ্ছে না। এমনকি খোলা পাম তেলকে সয়াবিন তেল হিসেবে বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ঘরে প্যাকেটজাত তেল ব্যবহার করলেও ভোক্তা পুরোপুরি নিরাপদ নন। হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে কোন ধরনের তেল ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ অনেক ক্ষেত্রেই নেই। ফলে খোলা তেলের ব্যবহার বন্ধে ভোক্তা সচেতনতার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
ক্যাব সভাপতি বলেন, খোলা তেল বন্ধে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি প্রত্যাশা করেন, কয়েক মাসের মধ্যে খুলনা সিটি করপোরেশনকে দেশের প্রথম খোলা তেলমুক্ত সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা সম্ভব হবে।
সভায় কেসিসি প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জনস্বার্থ ও মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইন বাস্তবায়নে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। ব্যবসায়ীরা জনগণকে জিম্মি করবে বা সরকারকে জিম্মি করবে-এটি আর মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, খোলা তেল ও খোলা খাবার বর্জনে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও খোলা তেল দিয়ে খাবার তৈরি না করার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি কেসিসি, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার, ব্যবসায়ী সমিতি ও চেম্বারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, আইন হয়েছে, এখন স্থানীয়ভাবে সেটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে দ্রুত বৈঠক করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের ডা. আলিভা হক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম, ক্যাব খুলনা জেলা কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, সাধারণ সম্পাদক এম. নাজমুল আজম ডেভিডসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারতের মুর্শিদাবাদে বিশ্ব দূরপাল্লার সাঁতারে স্বর্ণ পদক জিতেছেন বাংলাদেশের ফয়সাল আহমেদ।
ফয়সাল ছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি সাঁতারুরা দুটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জসহ মোট চারটি পদক জয় করেছেন।
মুর্শিদাবাদে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় আজ ১৯ কিলোমিটার পুরুষ ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয় করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁতারু ফয়সাল। একই দূরত্বের মহিলা ইভেন্টে রৌপ্যপদক অর্জন করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাঁতারু সোনিয়া আক্তার।
অন্যদিকে, পুরুষদের ৮১ কিলোমিটারের দীর্ঘ ও কঠিন ইভেন্টে রৌপ্যপদক জয় করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পলাশ চৌধুরী। একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নুরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ থেকে মোট ৯ জন সাঁতারু এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এর মধ্যে ৬ জন ১৯ কিলোমিটার এবং ৩ জন ৮১ কিলোমিটার ইভেন্টে অংশ নেন।
বাংলাদেশি সাঁতারুদের সাফল্যে আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার সাঁতার অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে ৮১ কিলোমিটারের মতো দীর্ঘ ও কঠিন ইভেন্টে দুটি পদক পাওয়া বাংলাদেশের সাঁতারের জন্য বড় অর্জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ