ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলাপাড়া চৌকি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তাদের যোগদান


কলাপাড়া চৌকি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তাদের যোগদান

পটুয়াখালী, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর জেলার কলাপাড়া চৌকি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বে যোগদান করেছেন।

আজ রোববার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর কাছে তারা যোগদান করেন।

নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা হলেন কলাপাড়া যুগ্ম ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুর রহমান চুন্নু, সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার শাহাব উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মো. আবুল হোসেন।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে আইন কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী ও পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ মো. শহীদুল্লাহর সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও জেলা বিএনপির সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান দুলালসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, দীর্ঘদিন পর কলাপাড়া চৌকি আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তারা দায়িত্বে যোগদান করায় বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন গতি সৃষ্টি হবে। রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তারা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরে নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ এবিএম মোশাররফ হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে কলাপাড়া চৌকি আদালতে বিচারপ্রার্থী মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় খোলা তেল বন্ধে নো ট্রানজেকশন নীতির আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


খুলনায় খোলা তেল বন্ধে নো ট্রানজেকশন নীতির আহ্বান

খুলনা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাজারে খোলা তেল বিক্রি বন্ধ করতে শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, প্রয়োজন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত প্রতিরোধ। 

ব্যবসায়ীরা খোলা তেল বিক্রি করবেন না, ভোক্তারাও তা কিনবেন না-নো ট্রানজেকশন নীতি কার্যকর করতে পারলেই বাজার থেকে খোলা তেল তুলে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। 

তার মতে, অনিরাপদ ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও খোলা তেল বিক্রির কারণে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণার পাশাপাশি বাড়ছে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি।

আজ রোববার সকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে খোলা তেল ও অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধে আয়োজিত অ্যাডভোকেসি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় ক্যাব খুলনা জেলা কমিটি এ সভার আয়োজন করে।

ক্যাব সভাপতি সফিকুজ্জামান আরও বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভোজ্যতেল প্যাকেটজাত অবস্থায় বিক্রি এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধকরণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু খোলা তেল বিক্রির ক্ষেত্রে এসব বিধান মানা হচ্ছে না। এমনকি খোলা পাম তেলকে সয়াবিন তেল হিসেবে বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, ঘরে প্যাকেটজাত তেল ব্যবহার করলেও ভোক্তা পুরোপুরি নিরাপদ নন। হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে কোন ধরনের তেল ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ অনেক ক্ষেত্রেই নেই। ফলে খোলা তেলের ব্যবহার বন্ধে ভোক্তা সচেতনতার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

ক্যাব সভাপতি বলেন, খোলা তেল বন্ধে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। 

তিনি প্রত্যাশা করেন, কয়েক মাসের মধ্যে খুলনা সিটি করপোরেশনকে দেশের প্রথম খোলা তেলমুক্ত সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

সভায় কেসিসি প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জনস্বার্থ ও মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইন বাস্তবায়নে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। ব্যবসায়ীরা জনগণকে জিম্মি করবে বা সরকারকে জিম্মি করবে-এটি আর মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, খোলা তেল ও খোলা খাবার বর্জনে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও খোলা তেল দিয়ে খাবার তৈরি না করার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি কেসিসি, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার, ব্যবসায়ী সমিতি ও চেম্বারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, আইন হয়েছে, এখন স্থানীয়ভাবে সেটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে দ্রুত বৈঠক করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের ডা. আলিভা হক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম, ক্যাব খুলনা জেলা কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, সাধারণ সম্পাদক এম. নাজমুল আজম ডেভিডসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের মুর্শিদাবাদে বিশ্ব দূরপাল্লার সাঁতারে স্বর্ণ জিতলেন বাংলাদেশের ফয়সাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


ভারতের মুর্শিদাবাদে বিশ্ব দূরপাল্লার সাঁতারে স্বর্ণ জিতলেন বাংলাদেশের ফয়সাল

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারতের মুর্শিদাবাদে বিশ্ব দূরপাল্লার সাঁতারে স্বর্ণ পদক জিতেছেন বাংলাদেশের ফয়সাল আহমেদ। 

ফয়সাল ছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি সাঁতারুরা দুটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জসহ মোট চারটি পদক জয় করেছেন।

মুর্শিদাবাদে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় আজ ১৯ কিলোমিটার পুরুষ ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয় করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁতারু ফয়সাল। একই দূরত্বের মহিলা ইভেন্টে রৌপ্যপদক অর্জন করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাঁতারু সোনিয়া আক্তার।

অন্যদিকে, পুরুষদের ৮১ কিলোমিটারের দীর্ঘ ও কঠিন ইভেন্টে রৌপ্যপদক জয় করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পলাশ চৌধুরী। একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নুরুল ইসলাম।

বাংলাদেশ থেকে মোট ৯ জন সাঁতারু এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এর মধ্যে ৬ জন ১৯ কিলোমিটার এবং ৩ জন ৮১ কিলোমিটার ইভেন্টে অংশ নেন।

বাংলাদেশি সাঁতারুদের সাফল্যে আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার সাঁতার অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে ৮১ কিলোমিটারের মতো দীর্ঘ ও কঠিন ইভেন্টে দুটি পদক পাওয়া বাংলাদেশের সাঁতারের জন্য বড় অর্জন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের জুনের মধ্যে খুলবে শহীদ জিয়া শিশু পার্ক : ডিএসসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


২০২৭ সালের জুনের মধ্যে খুলবে শহীদ জিয়া শিশু পার্ক : ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর শহীদ জিয়া শিশু পার্ক ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

আজ (রোববার) বিকেলে শাহবাগস্থ শহীদ জিয়া শিশু পার্ক প্রকল্প এলাকায় পূবালী ব্যাংক পিএলসির ‘শিশু পার্ক শাখা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। শহীদ জিয়া শিশু পার্ক আধুনিকীকরণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে পার্ক প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংকের শাখা ভবনটি নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুততম সময়ে পার্কের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৩০ শতাংশ। 

তিনি বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য ১৫টি অত্যাধুনিক রাইড ক্রয়ের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই রাইডগুলোই পুরো প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা শিশুদের একটি আধুনিক পার্ক উপহার দিতে পারব। ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। 

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও বৃক্ষরোপণসহ সকল সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) থেকে সবাইকে অংশ নিতে হবে।

পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহস্থালি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান প্রশাসক। নাগরিক সচেতনতাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী।এছাড়া সিটি কর্পোরেশন ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে ফের সার না পেয়ে হট্টগোল-ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


কুড়িগ্রামে ফের সার না পেয়ে হট্টগোল-ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ

কুড়িগ্রামে আজও সার না পেয়ে গুদামে হট্টগোল, ভাঙচুর, ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা বাজারে সার ডিলার কাশেম ট্রেডার্স পয়েন্টে সকাল ৮টা থেকে মানুষজন সারের জন্য জড়ো হয়। 

এ সময় ডিলার পয়েন্টের লোকজন না আসায় ৯টার দিকে উপস্থিত জনতা সার না পেয়ে হট্টগোল শুরু করে। এ সময় দোকানটির টিনের বেড়া ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে।

স্থানীয় কৃষকরা জানায়, গুদামে সার থাকার পরও ডিলারের লোকজন আসেননি। দেড় থেকে দুইশ লোক উপস্থিত ছিল। তারা হইচই করে ও ধাক্কাধাক্কি করে। কেউ কেউ দোকান ঘরের বেড়ার টিন ভাঙচুর করে। তবে কেউ সার নিয়ে যায়নি।

কচাকাটা থানার ওসি অর্পণ কুমার জানান, দোকান ঘরে ভাঙচুর হয়নি। তবে দেড়-দুইশ মানুষ ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কি করে। এতে বেড়ার টিন ভেঙে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, লোকজন অস্থির হয়ে গেছে। সবাই একসঙ্গে সার চায়। এটা তো সম্ভব নয়। পরে ওসির উপস্থিতিতে সার বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের মিলনিবাজারে সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে লোকজন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ওখানে চারশ বস্তা সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মানুষ উপস্থিত ছিল অনেক। তাতে ডিলার ভয় পেয়ে যায়। পরে আমি ও কচাকাটা থানার ওসিসহ উপস্থিত থেকে সার বিতরণ করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী আরও ২০ টন সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কাল পরশু বিতরণ করা হবে।


তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%