ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুর সদর থানায় উত্তেজনা: দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ, আটক ৫


মাদারীপুর সদর থানায় উত্তেজনা: দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ, আটক ৫

মাদারীপুর সদর থানায় আনা দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে শহরের পুরাতন বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে শহরের বাদামতলা এলাকার সবুজ এবং নতুন মাদারীপুর এলাকার আরিফ চৌকিদারকে আটক করে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, সবুজ একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আরিফ চৌকিদারকে আটকের কারণ জানতে চাইলে স্থানীয়রা তাঁর নামে থাকা ওয়ারেন্ট দেখতে চান। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

পরে পুলিশ আটক দুই ব্যক্তিকে সদর থানায় নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যানে স্বেচ্ছায় আরও চার থেকে পাঁচজন যুবক উঠে বসেন বলে জানা যায়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, থানায় আনার পথে এবং পরবর্তীতে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন— শান্ত ঢালী (২০), সালমান ঢালী (১৯), আবির ঢালী (১৯), আজিম ঢালী (১৮) এবং সাহেব বেপারী (১৭)। তাঁদের সবার বাড়ি নতুন মাদারীপুর এলাকায়।

এদিকে আটক দুই ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁদের স্বজন ও সমর্থকরা সদর থানার সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুরো থানা এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে প্রতিযোগিতা কমিশন-ভোক্তা অধিকার শক্তিশালী হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৩ এম


একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে প্রতিযোগিতা কমিশন-ভোক্তা অধিকার শক্তিশালী হচ্ছে

বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো বড় করপোরেট গোষ্ঠীর একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা।

আজ সংসদে এম নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান, যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলীয় সদস্য (জামায়াতে ইসলামী)।

মন্ত্রী বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতা বিরোধী কার্যক্রম ও বাজার কেন্দ্রীকরণ মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য 'স্ট্রেনদেনিং দ্য বাংলাদেশ কম্পিটিশন কমিশন' শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প প্রস্তাবটি গত ৬ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও, প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-কে আরও আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব হিসাবে গড়ে তোলার জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রকাশ করেন, বর্তমান বাজার ব্যবস্থার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ সংশোধনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যাতে আইনটি আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যাপারে মন্ত্রী জানান, প্রতিষ্ঠানটির জনবল ও লজিস্টিক সুবিধা সম্প্রসারণের একটি প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, অধিদপ্তরের বিদ্যমান ৩৬৬টি অনুমোদিত পদের সঙ্গে নতুন ১ হাজার ৩৯৬টি পদ যুক্ত করা হবে, ফলে মোট জনবল ১ হাজার ৭৬২ জনে উন্নীত হবে।

এছাড়া, বাজার তদারকি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে অধিদপ্তরকে যানবাহনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাজার মনিটরিং, ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অধিদপ্তরের বাজেট বরাদ্দও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে উঠবে, বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য কমবে এবং ভোক্তাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের স্বার্থ আরও কার্যকরভাবে সুরক্ষিত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের মানতে হবে যেসব কড়া নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৭ এম


এবার বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের মানতে হবে যেসব কড়া নিয়ম

বিশ্বকাপ মানে শুধু মাঠের ৯০ মিনিটের উত্তেজনা নয়; এটি কঠোর শৃঙ্খলা ও নানা বিধিনিষেধের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকে। এবারের বিশ্বকাপ, যা যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, এর জন্য খেলোয়াড়দের মাঠের ভেতর ও বাইরের আচরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রদান করেছে ফিফা, আইএফএবি এবং বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থা (ওয়াদা)।

গোল করার পর আবেগে জার্সি খুলে উদ্‌যাপন ফুটবলে একটি পরিচিত দৃশ্য হলেও এবার এমনটি করলে খেলোয়াড়কে সতর্ক সংকেত হিসেবে হলুদ কার্ড দেখতে হচ্ছে। পাশাপাশি, অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ, দর্শকদের উসকানি দেওয়া কিংবা মাত্রাতিরিক্ত উদ্‌যাপনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে মাঠে আংটি, চেইন, ব্রেসলেটসহ যেকোনো গয়না পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসক ও রেফারির অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যান্ডেজ, ফেস মাস্ক বা অন্যান্য সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহার করার অনুমতি রয়েছে। একইভাবে, জার্সির ভেতরের পোশাক বা গেঞ্জিতে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত বার্তা প্রদর্শনের কোনো অনুমতি নেই।

ম্যাচ চলাকালে রেফারির সঙ্গে স্বাভাবিক কথোপকথন করা যাবে, কিন্তু আক্রমণাত্মক আচরণ, গালিগালাজ বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে হলুদ অথবা লাল কার্ডের মুখোমুখি হতে হবে। ফাউলের ভান করে রেফারিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও শাস্তি থেকে মুক্তি নেই।

টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, দুটি পৃথক ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকতে হবে। অন্যদিকে, লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড়কে সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছাড়তে হবে। রেফারির নির্দেশ মানতে দেরি করলে বা গড়িমসি করলে শাস্তির মেয়াদ বেড়ে যেতে পারে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পড়লে চিকিৎসক ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তই পাবে চূড়ান্ত প্রভাব। যদি ঝুঁকি থাকে তাহলে তাকে আর মাঠে ফেরার অনুমতি দেয়া হবে না।

মাঠের বাইরেও সবচেয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে ডোপ টেস্টের ওপর। বিশ্বকাপ চলাকালে ম্যাচ শেষে, অনুশীলনের সময় অথবা টিম হোটেলে খেলোয়াড়দের ডোপ পরীক্ষার জন্য যেকোনো সময় ডাকা হতে পারে। পরীক্ষায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানো বা নমুনা নিয়ে কারচুপি করার চেষ্টা করলে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা পেতে হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা থাকলেও সেখানে বর্ণবাদী, আপত্তিকর বা রাজনৈতিক উসকানিমূলক পোস্ট করা নিষিদ্ধ। একইসঙ্গে, ফিফার নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন ও মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের জন্য বাধ্যতামূলক। অনুমতি ছাড়া এসব কার্যক্রম এড়িয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে জরিমানা দিতে হতে পারে।

বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও রয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। কোনো খেলোয়াড় অফিশিয়াল অনুষ্ঠান বা সাক্ষাৎকারে অননুমোদিত স্পনসরের পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডের প্রচারণা চালাতে পারবেন না। এছাড়া, দলীয় ক্যাম্প বা হোটেল থেকে বাইরে যেতে হলে কোচিং স্টাফ ও টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি প্রয়োজন। যাতায়াতের ক্ষেত্রে ফিফা নির্ধারিত অফিসিয়াল যানবাহন ব্যবহার করতে হবে।

তবে সব নিয়মের মাঝেও ফুটবলের কিছু ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের সঙ্গে জার্সি বিনিময়ের প্রচলিত রীতিতে কোনো বাধা নেই। পাশাপাশি, বর্ণবাদবিরোধী সচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফিফার পূর্বানুমোদিত বার্তা অথবা প্রতীকী কর্মসূচি যেমন: ম্যাচ শুরুর আগে হাঁটু গেড়ে সংহতি প্রকাশ করার সুযোগ অব্যাহত থাকবে দলগুলোর জন্য।

সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলারদের মাঠের পারফরম্যান্সসহ আচরণ, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে থাকবে কঠোর নজরদারি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষি ও পল্লী খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৩ এম


কৃষি ও পল্লী খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি আবর্তনযোগ্য (রিভলভিং) পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার, বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এটি পাঠানো হয়েছে।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া, দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নে এই তহবিলের মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, পরিবেশগত বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য কৃষি খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি ও পল্লী অঞ্চলগুলোতে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে, এ বিষয়টিও এই তহবিল দ্বারা বাস্তবায়িত হবে।

নীতিমালার অধীনে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এ স্কিম গঠন করা হয়েছে, যা ‘দেশের কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ নামে পরিচিত।

এই স্কিমের আওতায় তহবিলের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আবর্তনযোগ্য ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা এই স্কিমের মেয়াদ পাঁচ বছর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কৃষি ঋণ বিভাগ-২ এই স্কিমটি পরিচালনা করবে। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে বার্ষিক ভিত্তিতে বরাদ্দ প্রদান করা হবে, এবং তারা সেই অর্থ গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানিয়েছে, এই স্কিমের অধীনে বিতরণ করা কৃষি ও পল্লী ঋণ অথবা বিনিয়োগ ব্যাংকগুলো তাদের বার্ষিক কৃষিঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে গণ্য করতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক, শাবিপ্রবির অভ্যন্তরীণ সড়ক দ্রুত সংস্কারের তাগিদ উপাচার্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক, শাবিপ্রবির অভ্যন্তরীণ সড়ক দ্রুত সংস্কারের তাগিদ উপাচার্যের

নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অভ্যন্তরীণ রাস্তা দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন।

এটি ঘটে সোমবার (৮ জুন) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে, যেখানে তিনি এই তাগিদ দেন।

বৈঠকের শুরুতে, শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম এবং সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা একে অপরকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সাক্ষাৎকালে, শাবিপ্রবি উপাচার্য ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন এবং তা দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময়, উপাচার্য ও সিসিক প্রশাসক শাবিপ্রবির শিক্ষা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এটা ছাড়া, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং সিসিকের এই আন্তরিকতার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাৎকালে, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী উল্লেখ করেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটসহ সারা দেশের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%