ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চাঁদপুরে পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগ সভাপতি নাসির উদ্দিনসহ ৩০ নেতাকর্মী আটক


চাঁদপুরে পুলিশের অভিযানে আওয়ামী লীগ সভাপতি নাসির উদ্দিনসহ ৩০ নেতাকর্মী আটক

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদসহ ৩০ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান কাউসার, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক হাসিবুল হাসান মুন্না, পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন রনি, বাগাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার হোসেন এবং যুবলীগ নেতা আরিফ হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকা ও সদর উপজেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: প্লাস্টিক দূষণ বন্ধের এখনই সময়: বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আলোচনা

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদকে চাঁদপুর শহরের পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীরামদী এলাকার নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে চাঁদপুর সদর মডেল থানা-পুলিশ শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অন্য নেতাকর্মীদের আটক করে।

এর আগে শুক্রবার চাঁদপুরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের স্মরণে নির্মিত ‘৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ অগ্নিসংযোগের একটি ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জেলা যুবদল, ছাত্রদল ও জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস/এনসিপি) পৃথক পৃথক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল বের করে।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, জেলা ছাত্রলীগ নেতা হাসিবুল হাসান মুন্নাকে তার নিজ বাসভবন, পৌর ছাত্রলীগ নেতা আমজাদ হোসেন রনিকে শহরের ট্রাক রোড এলাকা এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কামরুল হাসান কাউসারকে গুণরাজদী এলাকা থেকে আটক করা হয়। এর আগে বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগাদী ইউনিয়নের বাঘড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার হোসেনকে আটক করার চেষ্টা করে। সে সময় স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালান বলে পুলিশ জানায়।

চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে রাতভর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। শনিবার আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনগত যাচাই-বাছাই শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম অস্বীকার করলেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ এম


জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম অস্বীকার করলেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী মন্তব্য করেছেন যে, মওদুদীবাদ সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে অস্বীকার করার মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর দ্বিন আমাদের দ্বিন নয়, জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম, আমাদের ইসলাম নয়।’

এ মন্তব্যগুলো তিনি শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদরাসার ১০৪তম দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বিনি মহাসম্মেলনে করেছেন।

জামায়াতে ইসলামী ও মওদুদীবাদের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পথ কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পথই সাহাবায়ে কেরামের পথ, যা কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে উম্মতের কাছে পৌঁছেছে। এ পথই সিরাতুল মুস্তাকিম। যারা এ পথে থাকবে, তারাই নাজাত পাবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী উম্মতের মধ্যে ৭২টি ভ্রান্ত ফিরকার আবির্ভাব ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বর্তমানে বিভিন্ন ভ্রান্ত মতাদর্শের বিস্তার ঘটেছে।

সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে অস্বীকার করার বক্তব্যের সমালোচনা করে হেফাজত আমির বলেন, ‘আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার বিধানসহ ইসলামের মৌলিক আমলগুলো সাহাবায়ে কেরামের মাধ্যমেই পেয়েছি। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নামাজের পদ্ধতি সাহাবিরাই প্রত্যক্ষ করেছেন এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তাহলে সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে অস্বীকার করলে দ্বিনের ধারাবাহিকতাই প্রশ্নের মুখে পড়ে।’

তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর চিন্তাধারার সমালোচনা করেন এবং বলেন, মওদুদী সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে মানতে চাননি। মওদুদীর বিভিন্ন বক্তব্য ইসলামের প্রচলিত আকিদা ও ধর্মীয় ব্যাখ্যার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ প্রসঙ্গে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ধর্মীয় আদর্শকে নিজেদের অনুসৃত ইসলামী আদর্শ থেকে পৃথক বলে মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি ধর্মীয়-রাজনৈতিক গোষ্ঠীর কঠোর সমালোচনা করেন।

মাদরাসার ১০৪তম দুই দিনব্যাপী এ বার্ষিক দ্বিনি মহাসম্মেলন বৃহস্পতিবার বাদ ফজর শুরু হয়। আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও দেশবরেণ্য আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে দীঘি বললেন, "নিজের মুখে কিছু না বলা পর্যন্ত সবই গুঞ্জন"

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ এম


প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে দীঘি বললেন, "নিজের মুখে কিছু না বলা পর্যন্ত সবই গুঞ্জন"

শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর, সময়ের সাথে সাথে নিজেকে একজন নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনয়ের পাশাপাশি, তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনা হয়ে থাকে। সম্প্রতি, ‘বরবাদ’ সিনেমার নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে এবার নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।

দীঘি প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে খুব একটা বিচলিত নন। এমনকি এসব আলোচনা তাকে বিরক্তও করে না। তার মতে, শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়ানো নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেন।

দীঘির ভাষ্য, “নিজের মুখ থেকে কিছু না বলা পর্যন্ত তাকে ঘিরে ছড়ানো সব কথাই গুঞ্জন।”

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী আরও বলেন, “আমি জানিও না কে ছড়ায়, আমি জানিও না কী গুঞ্জন হয়। আমি এসবের খুব বাইরে। গুঞ্জন হবে, এটা খুব স্বাভাবিক। আমাকে নিয়ে গুঞ্জন হয়ে থাকলেও, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নিজের মুখে কিছু বলছি না, ততক্ষণ সেটা গুঞ্জনই।”

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রতিটি আলোচনা কিংবা গুঞ্জনের ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলেও মনে করেন দীঘি। তার মতে, একজন শিল্পী কিংবা গণমাধ্যমকর্মীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকতেই পারে। তবে সেই আগ্রহের কারণে প্রতিটি বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো জরুরি নয়।

এদিকে, মেহেদী হাসান হৃদয়ের পরিচালনায় ‘বিদায়’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন দীঘি। ছবিটিতে তার সঙ্গে আরো রয়েছেন বাপ্পারাজ, ফারুক আহমেদ, ফজলুর রহমান বাবু ও মুকিত জাকারিয়াসহ অনেকে। ফলে নির্মাতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের পাশাপাশি, তাদের পেশাগত সম্পর্ক নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে জাতীয় গ্রিড পাইপলাইন ছিদ্র করে তেল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ এম


মাধবপুরে জাতীয় গ্রিড পাইপলাইন ছিদ্র করে তেল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে জিটিসিএল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত জাতীয় গ্রিডের দক্ষিণাঞ্চলীয় তেল পাইপলাইন ছিদ্র করে কনডেনসেট চুরির ঘটনায় শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। এ ঘটনায় প্রধান আসামি সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিনসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

৪ নভেম্বর রাতে উপজেলার রতনপুর ডাক্তারবাড়ি এলাকায় পাইপলাইনটি ছিদ্র করে তেল চুরির ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই পাইপলাইন থেকে পূর্বেও একাধিকবার তেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, একটি শক্তিশালী সংঘবদ্ধ চক্র এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

গত কয়েক বছরে রঘুনন্দন, রতনপুর জামতলা, নারায়ণপুর, সাতবর্গ, বোয়ালিয়া, শাহপুর ফরেস্ট অফিসসহ বিভিন্ন নির্জন এলাকায় পাইপলাইন কেটে তেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে পাহাড়, হাওর ও বিলের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত পাইপলাইনটির কারণে চোরচক্রের কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাইপলাইনের নিরাপত্তাব্যবস্থা সন্তোষজনক নয়। মাত্র চারজন নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে দিনরাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে, এবং তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

নিরাপত্তাকর্মী শামসু মিয়া জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজের সময় রতনপুর ডাক্তারবাড়ি এলাকায় ভেকু দিয়ে মাটি কাটার সময় তেলের পাইপ বের হয়ে আসে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তেল চুরি করা হয়েছে বলেও তাদের ধারণা। অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিনের বাড়ি পাইপলাইন থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে অবস্থিত। ঘটনার রাতে তেলের গন্ধ পেয়ে তারা চুরির বিষয়টি শনাক্ত করেন। তিনি জানান, পাইপলাইনের পাশেই গ্যাসের লাইন রয়েছে, ফলে রতনপুরে পাইপলাইন ছিদ্রের ঘটনায় আগুন লাগার ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও তেল ও গ্যাস লাইনের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

মামলার বাদী জাহেদ হোসেন জানান, সিলেটের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদিত কনডেনসেট পাইপলাইনের মাধ্যমে আশুগঞ্জের কনডেনসেট স্থাপনায় নেওয়া হয়। সংঘবদ্ধ চক্র মাটির গভীরে গর্ত করে লোহার পাইপ কেটে নতুন পাইপ সংযোগ দিয়ে তেল চুরি করেছে। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিন ও তাঁর লোকজন জড়িত বলে তিনি মামলা দায়ের করেছেন।

জিটিসিএলের জিএম ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, উত্তর-দক্ষিণ জাতীয় তেল পাইপলাইন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ। স্থানীয় লোকজনকে দিয়ে লাইনটির নিরাপত্তায় কাজ করা হচ্ছে। তবে একটি চক্র সুযোগ পেলেই পাইপলাইন কেটে অপরিশোধিত তেল চুরির চেষ্টা করে। ৪ নভেম্বর রাতে অত্যন্ত কৌশলে তেল চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসু চৌধুরী জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ এম


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক এ দিবসটি। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসেবে গণ্য করা হয়।

এদিন দেশের সিপাহি-জনতা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। এর মাধ্যমে তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সংকট এবং রাষ্ট্রীয় অনিশ্চয়তার মধ্যে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত অভ্যুত্থান দেশের ক্ষমতার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

সিপাহি-জনতার বিপ্লবে এদিন বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান ও স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। জাতির এই সংকটময় সময়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল ত্রাতার। পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক যাত্রা, জাতীয় ঐক্য সুসংহত এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য ক্ষমতাসীন বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে ঐতিহাসিক এই দিনটি ছিল অবহেলিত।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের উত্থান ঘটে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন, গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টিতে উদ্যোগী হন।

এছাড়া দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তার শাসনামলে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি, স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় ঐক্যের ধারণা রাষ্ট্রীয় নীতি ও রাজনৈতিক দর্শনে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি করে দলটি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও উন্নয়নের রাজনীতিকে সামনে নিয়ে আসে।

বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস ও আদর্শিক অবস্থানে ৭ নভেম্বর তাই শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের স্মারক নয়; বরং এটি জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুসংহত করা এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রেরণার দিন হিসেবে বিবেচিত।

সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৭৫ সাল ছিল চরম অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার বছর। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনীতি, রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে একের পর এক সংকট সৃষ্টি হয়। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, অর্থনৈতিক বিপর্যয়, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে।

১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা চালু হয়। পরে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে একদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে ওঠে।

এরপর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরেও শুরু হয় নানা টানাপোড়েন।

এর ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটে। ওই সময় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়। রাষ্ট্রক্ষমতা ও সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব নিয়ে একের পর এক ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়।

এ পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর ভোরে সেনানিবাসে সৈনিকদের মধ্যে বিদ্রোহ শুরু হয়। সৈনিকদের একটি অংশ বন্দিদশা থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। পরে সাধারণ মানুষও রাজপথে নেমে আসে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সৈনিক ও জনতার মধ্যে সংহতির দৃশ্য দেখা যায়। ‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এবং ‘মেজর জিয়া জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিভিন্ন এলাকা।

ওই দিন বেতারে আবারও শোনা যায় জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ—‘আমি জিয়া বলছি’। সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্থানের পথ তৈরি হয়। তবে ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহে জাসদ নেতা কর্নেল আবু তাহেরের ভূমিকা এবং সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান নিয়ে ইতিহাসে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। ওই ঘটনায় খালেদ মোশাররফ ও তার কয়েকজন সহযোগী নিহত হন।

এদিকে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ছিল দেশকে অরাজকতা, ষড়যন্ত্র ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্ত করে জাতীয় ঐক্যের পথে এগিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনা। জিয়াউর রহমানের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থন ওই দিন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ কারণেই দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

জিয়ার নেতৃত্বে রাষ্ট্র পুনর্গঠন

৭ নভেম্বরের পর জিয়াউর রহমান দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ সময় বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করাই ছিল তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো থেকে বেরিয়ে বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থনীতির দুয়ার উন্মুক্ত করা হয়। কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

জিয়াউর রহমানের শাসনামলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। খাল খনন কর্মসূচি, সেচব্যবস্থার সম্প্রসারণ, খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অর্থনীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন জিয়াউর রহমান। বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজস্ব পরিচয়ে রাজনীতি করার সুযোগ ফিরে পায়। জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলও রাজনীতিতে ফিরে আসে। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও দলীয় কার্যক্রমের পরিসর সম্প্রসারিত হয়।

বিএনপির মতে, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম অর্জন ছিল জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, বহুদলীয় রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করা এবং অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানো।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার বিপ্লবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ এবং বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার ঐতিহাসিক মাইলফলক। মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ ও ২০২৪-এর গণআন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ছিল গণতান্ত্রিক, স্বনির্ভর ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন। জাতীয় সংসদকেন্দ্রিক আলোচনা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে চতুর্থবার বিএনপি সরকার গঠনের পর এবারই প্রথম ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ বিরতি শেষে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি এবার পালিত হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ সাধারণ ছুটি। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিদেশের বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পালিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম এবং পাঁচ টাকা মূল্যমানের ডেটা কার্ড অবমুক্ত করেছেন। দিবসটি উপলক্ষে ৫ থেকে ১১ নভেম্বর সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি।

এর অংশ হিসেবে আজ বেলা ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হবে। এতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান। কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপির আলোচনা সভাসহ আলোকচিত্র প্রদর্শনী, এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলো।

কেন্দ্রীয়ভাবে আজ রাজধানী ছাড়াও সারা দেশে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বর দেশ দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন হয় এবং জিয়াউর রহমান দেশে গণতন্ত্রচর্চার ব্যবস্থা করেন।

বিএনপি ছাড়াও সংসদের প্রধান বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আলাদা আলাদা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া লেবার পার্টিও তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%