০৭:৪৯ পি.এম
ট্রাফিক আইন অমান্য করলে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। তিনি গত বৃহস্পতিবার বিকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।
ডিএমপি কমিশনার উল্লেখ করেন, ট্রাফিক আইন সকলের জন্য সমান। এটি সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি। যেমন আমাদের পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রেও আমরা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি। যদি কোণ পুলিশ সদস্য ট্রাফিক আইন অমান্য করে, তাহলে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমরা নেব।
চলতি বছরের মে মাসে ডিএমপি’র জন নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি অর্জিত সাফল্য, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সদ্য সমাপ্ত ঈদুল আযহা কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন বিষয়ক তথ্য জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, অনেক সময় সরকারি অফিসার এবং সরকারি গাড়িগুলো ট্রাফিক আইন মেনে চলতে চান না। ঢাকা শহরের প্রায় প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ির মধ্যে হুটার লাগানো থাকে। যেখানে হর্ন বাজানোর প্রয়োজন ছিল না, সেখানেও তারা হর্ন বাজাচ্ছে।
তিনি বলেন, অনেক সরকারি দপ্তরের যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নেই। সেগুলো ইঞ্জিন নাম্বারের ভিত্তিতে চলছে। পুলিশের অনেক যানবাহনও ইঞ্জিন নাম্বারে চলছে, এমন পরিস্থিতিতে আইনের লংঘন হলে এআই কিভাবে মামলা দেবে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, সরকারি কিংবা বেসরকারি যানবাহন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মে মাসে প্রচণ্ড তৎপরতা চালিয়ে সড়ক পরিবহন আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ৩৮,২৮৪টি মামলা দায়ের করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এর মধ্যে ৬৭২টি মামলা এআই ভিত্তিক এনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে হয়েছে। মোট ৮ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানায় ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ।
ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা মে মাসে সড়ক পরিবহন আইন সংক্রান্ত ৩৩৭টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। এর মধ্যে একজনকে কারাদণ্ডসহ অন্যান্যদের জন্য মোট ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি মে মাসে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে ৫,২০৯টি ফৌজদারি মামলাও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যা থেকে ৫,৯৫৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং মোট ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন