ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেপাল-চীনে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৯১৯


নেপাল-চীনে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৯১৯

নেপালের স্থানীয় কর্মকর্তারা অবহিত করেছেন যে, মৃতের সংখ্যা নেপালে বেড়ে অন্তত ৯০৩ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া, দেশটির ৪ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

 

অন্যদিকে, চীনের সরকারি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এই ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে, দুই দেশের মৃতের সংখ্যা মিলিয়ে ৯১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের প্রাণহানি

আটকে থাকা জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। গত বুধবারের আকস্মিক বন্যার পর নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন টানেলে আটকে পড়া শত শত মানুষকে উদ্ধারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।

 

এদের মধ্যে ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞসহ উদ্ধারকারী দল টানেলের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে। তবে, এখনও পর্যন্ত ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শত শত মানুষের মধ্যে অনেকেই নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের কিউবা পরিকল্পনা, ইরান থেকে ফেরার পথে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ইঙ্গিত

 

বুধবার হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসে পড়ার পর বরফ, পাথর, কাদা এবং ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীর ওপর দিয়ে নেমে আসে। এর ফলে নেপাল ও চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রেড ক্রসের হিসাব অনুযায়ী, এই দুর্যোগে ৯০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চীন জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে এই দুর্যোগের সম্পর্ক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে ধরা পড়ল বড় অনিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে ধরা পড়ল বড় অনিয়ম

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন নারায়ণগঞ্জের ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে সময়মতো উপস্থিত না থাকার বিষয়টি এবং আগেই হাজিরা দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি জেলা সদরের ভূমি কমিশনারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

এই সময় তিনি দুটি সার্কেল অফিসে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করেন। তবে হাজিরা খাতায় অনেকের স্বাক্ষর পূর্বে দেওয়া ছিল বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত না থাকলেও অনেকের হাজিরা দেওয়া হয়ে গেছে।

 

এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ দেশের প্রকৃত মালিক এবং তাদের সেবা দেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, কোনো দয়া নয়। তাই সময়মতো অফিসে উপস্থিতি, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে জনগণকে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

পরিদর্শনের সময় তিনি প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছেন জানিয়ে বলেন, ‘অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তবে শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, সরকারি সেবায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কদমতলীতে রিকশাচালক ইমন হত্যা মামলায় আল-আমিনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


কদমতলীতে রিকশাচালক ইমন হত্যা মামলায় আল-আমিনের যাবজ্জীবন

২০২৩ সালের মে মাসে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় অটোরিকশাচালক ইমন কাজী হত্যা ও মরদেহ গুমের মামলায় আসামি মো. আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

 

সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি জহিরুল ইসলাম কাইউম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রায়ে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় তাকে পৃথকভাবে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। উভয় দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হবে এবং আসামির হাজতবাসের মেয়াদ মূল কারাদণ্ড থেকে বাদ যাবে।

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ভিকটিম ইমন কাজী পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন। ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় তিনি অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন এবং রাত ৯টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গভীর রাতে গেণ্ডারিয়া থানার ফরাশগঞ্জ মাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে ভিকটিমের ব্যাটারি ও চালকবিহীন অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ৩১ মে ভিকটিমের পিতা মো. লিটন একটি জিডি করেন।

 

নিখোঁজের চার দিন পর, ৩ জুন রাতে পশ্চিম মোহাম্মদবাগ সোনামাবিয়া জামে মসজিদসংলগ্ন হাজী সোনা মিয়ার পতিত জমির রোপণের ড্রেবা থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দি অবস্থায় ইমনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলাটির প্রাথমিক তদন্ত করেন কদমতলী থানার এসআই আহমেদ নওয়াজিশ। পরবর্তীতে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তরিত হলে ডিবি ওয়ারী বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. রোকনুজ্জামান খাঁন তদন্তভার গ্রহণ করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ৫ জুন রাতে বরিশালের হিজলা থানার গোবিন্দপুর ধমা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামি আল-আমিন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক পরকীয়ার সন্দেহ ও ধার দেওয়া ৫ হাজার টাকা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরে আসামি পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় ইমনকে নিজ ভাড়াবাসায় ডেকে এনে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ পান করায়। পরবর্তীতে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন ৩১ মে দুপুরে বাজার থেকে বস্তা ও রশি কিনে মরদেহ বস্তাবন্দি করে রিকশাযোগে নির্জন ডোবায় ফেলে দেয়। আসামির দেখানো মতে তার ভাড়া বাসা থেকে রক্তমাখা বিছানার চাদর এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত স্মার্টফোন উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।

আসামি বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ১৬৪ ধারা মোতাবেক অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে এজাহারকারী, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. আসমাউল হুসনা, স্বীকারোক্তি গ্রহণকারী বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। চিকিৎসক ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় প্রমাণিত হয়, গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করার কারণে ইমনের মৃত্যু হয়েছিল, যা হত্যাকাণ্ড।

আদালত আসামির ১৬৪ ধারার দোষী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী আসামির হেফাজত থেকে ভিকটিমের মোবাইল ও রক্তমাখা বিছানার চাদর উদ্ধার এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি মো. আল-আমিন শেখের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে উল্লেখিত দণ্ডে দণ্ডিত করেন। অভিযোগ গঠনের পর মোট ১২ কার্যদিবসে এই রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ের পর আসামিকে সাজা পরওয়ানামূলে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ, নির্দেশ ইউএনওর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ, নির্দেশ ইউএনওর

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন নির্দেশনা দিয়েছেন যে, কোনো শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

এই নির্দেশনা গতকাল রবিবার (৩০ আগস্ট) শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা ও আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় প্রদান করা হয়।

 

সভায় ইউএনও মনিরা খাতুন, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ সময় ইউএনও মনিরা খাতুন বলেন, "কোনো শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।"

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারে।

 

এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সভায় শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান, শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাকসুদ আলম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু ইসহাক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মো. সাজ্জাদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু নাছের শাকিল এবং শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. মইনুল ইসলাম কাজল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর, আব্দুর রাজ্জাক, মোশারফ হোসেন ও রুহুল আমিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু

মাগুরার আলোচিত আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টে আপিলের রায় পড়া শুরু হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ আগস্ট রায়ের দিন পিছিয়ে নতুন করে দিন ধার্য করা হয়েছিল।

এ মামলায় আসামিপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হাসান তারেক। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা এবং মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

এর আগে গত ১১ আগস্ট মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) আবেদন ও আসামির আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, রমজানের ছুটিতে শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। মামলায় অভিযোগ করা হয় যে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আট বছর বয়সী আছিয়ার মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় মামলার বিচারিক কার্যক্রম। গত বছরের ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর ১৩ মে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন উভয় পক্ষের আইনজীবীরা। পরে ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন—শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তা কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এ জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠাতে হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ মে এ মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়।

পরে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য মামলাটি বিশেষায়িত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%