মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৫ এম
নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী সাপাহার আম বাজারে এখন বারোমাসি ও সুস্বাদু 'কাটিমন' আমের জয়জয়কার। বর্তমানে এই হাটে প্রতি মণ কাটিমন আম বিক্রি হচ্ছে ৬,৫০০ টাকা দরে। ভালো দাম ও ব্যাপক চাহিদা থাকায় হাসি ফুটেছে স্থানীয় ও দূরদূরান্ত থেকে আসা আম চাষীদের মুখে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেবল নওগাঁর স্থানীয় চাষীরাই নন, পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গোমস্তাপুর, পোরশা, নিয়ামতপুরসহ বিভিন্ন দূরদূরান্তের এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত কৃষক তাঁদের উৎপাদিত কাটিমন আম নিয়ে এই বাজারে হাজির হচ্ছেন।
ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, কাটিমন আম অত্যন্ত মিষ্টি ও আঁশহীন হওয়ায় বাজারে এর কদর ও চাহিদা অনেক বেশি। বছরের অন্য সময় আম প্রায় শেষ হয়ে এলেও কাটিমনের সরবরাহের কারণে বাজারে এখনো কেনাবেচার বেশ জাঁকজমক ভাব রয়েছে। ভালো দাম পাওয়ায় চাষীরাও এই আম চাষে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের ডাউনটাউনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে গুলির ঘটনায় অন্তত দু’জন প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীও মারা গেছে। খবরটি এনডিটিভির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
মিনিয়াপোলিস পুলিশের সার্জেন্ট গ্যারেট পার্টেন বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গুলির ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিন কর্মকর্তার অবস্থান বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের একজন ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। অন্যজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনার পর মোট সাতজনকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানায় হেনেপিন হেলথকেয়ার মেডিকেল সেন্টার। তবে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
গুলির ঘটনার পর মিনিয়াপোলিস পুলিশ জনসাধারণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।
মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করতে অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তিনি হামলায় সাড়া দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের জন্য প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, এফবিআইও ঘটনাটির তদন্তে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।
মিনেসোটা হাউসের স্পিকার লিসা ডেমুথ ঘটনাটিকে ‘জঘন্য অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে নিহত ও আহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে সাড়া দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসাও করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেনোপজ নারীদের জীবনের একটি প্রাকৃতিক পর্যায়, যখন মাসিক বা ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনো নারী টানা ১২ মাস মাসিক না পায়, তাহলে তাকে মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে এই প্রক্রিয়া ঘটে। তবে, প্রতিটি নারীর ক্ষেত্রে মেনোপজের ঘটনা একরকম হয় না। এটি বয়সের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ঘটতে পারে, অথবা অস্ত্রোপচার, চিকিৎসা, বা অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে হতে পারে।
মেনোপজের ধরণ—
প্রাকৃতিক মেনোপজ হলো সবচেয়ে সাধারণ প্রকার, যা নারীর বয়স বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়। সাধারণত এটি ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে ঘটে, যখন ডিম্বাশয় ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
সার্জিক্যাল মেনোপজ ঘটে যখন উভয় ডিম্বাশয় অপসারণের জন্য বাইল্যাটারাল উফোরেক্টমি নামক অস্ত্রোপচার করা হয়, যা প্রায়শই হিস্টেরেক্টমির সময় হয়ে থাকে। হরমোনের মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণে, এর লক্ষণগুলো সাধারণত স্বাভাবিক মেনোপজের লক্ষণের তুলনায় বেশি তীব্র হয়।
অকাল মেনোপজ ঘটে ৪০ বছর বয়সের আগে। এটি জিনগত কারণ, অটোইমিউন রোগ, বা কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থার কারণে হতে পারে।
পেরিমেনোপজ হলো মেনোপজের পূর্ববর্তী একটি অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়, যেখানে মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং হট ফ্ল্যাশ, মেজাজের পরিবর্তন ও ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।
পোস্ট মেনোপজ হলো সেই সময়, যখন কোনো নারী টানা ১২ মাস মাসিক না পায়। যদিও মেনোপজের লক্ষণগুলোর প্রায়শই উন্নতি ঘটে, তবুও অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি থেকে যায় এবং হৃদরোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, যা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে ঘটে।
প্ররোচিত মেনোপজ ঘটে কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি বা ওষুধের মতো চিকিৎসা পদ্ধতির ফলে, যা ডিম্বাশয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হরমোন উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
মেনোপজের পর্যায়
মেনোপজ একটি ধীর প্রক্রিয়া, যা তিনটি পর্যায়ে ঘটে এবং প্রতিটি পর্যায়ের নিজস্ব হরমোনগত পরিবর্তন ও উপসর্গ রয়েছে।
• পেরিমেনোপজ: এটি মেনোপজের আগের পরিবর্তনকালীন পর্যায়, যেখানে মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং হট ফ্ল্যাশ, মেজাজের পরিবর্তন ও ঘুমের সমস্যার মতো উপসর্গগুলো দেখা দিতে শুরু করে। এই পর্যায়টি কয়েক বছর স্থায়ী হতে পারে।
• মেনোপজ: এই পর্যায়ে কোনো নারীর টানা ১২ মাস ধরে মাসিক হয় না। এই সময়ে হরমোন উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতা শেষ হয়ে যায়।
• পোস্ট মেনোপজ: এটি মেনোপজের পরবর্তী পর্যায়। যদিও মেনোপজের অনেক উপসর্গ ধীরে ধীরে উন্নত হয়, ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে নারীদের অস্টিওপোরোসিস, হৃদরোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
মেনোপজের লক্ষণ
মেনোপজ প্রত্যেক নারীকে ভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। কিছু নারী কেবল হালকা উপসর্গ অনুভব করেন, আবার অন্যদের ক্ষেত্রে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে যা তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং জীবনযাত্রার মানকে ব্যাহত করে। মেনোপজের সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে:
• অনিয়মিত মাসিক যা অবশেষে বন্ধ হয়ে যায়।
• গরম ঝলকানি এবং রাতের ঘাম।
• মেজাজের আকস্মিক পরিবর্তন, খিটখিটে ভাব, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতা।
• ঘুমাতে অসুবিধা বা অনিদ্রা।
• যোনিপথের শুষ্কতা এবং যৌন মিলনের সময় অস্বস্তি।
• যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া (লিবিডো হ্রাস)।
• ওজন বৃদ্ধি, বিশেষ করে পেটের চারপাশে।
• চুল পাতলা হওয়া এবং শুষ্ক ত্বক।
• স্মৃতিভ্রংশ, মনোযোগের অভাব বা একাগ্রতার অভাব।
• গাঁটে ব্যথা, মাংসপেশীর যন্ত্রণা এবং ক্লান্তি।
• স্তনে কোমলতা বা স্তনে ব্যথা।
• মূত্রনালীর সংক্রমণের (ইউটিআই) ঝুঁকি বৃদ্ধি।
মেনোপজের চিকিৎসা
১. হাড় ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন, ফল, শাকসবজি এবং শস্যদানা সমৃদ্ধ একটি সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন;
২. মেজাজ ভালো রাখতে ও হাড়ের ক্ষয় কমাতে হাঁটা, যোগব্যায়াম, শক্তি প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপের মাধ্যমে নিয়মিত ব্যায়াম করুন;
৩. মানসিক চাপ ও হট ফ্ল্যাশ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য ধ্যান, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস বা মাইন্ডফুলনেসের মতো শিথিলকরণ কৌশল অনুশীলন করুন;
৪. ঘুমের মান উন্নত করতে ও রাতে ঘাম হওয়া কমাতে ঘুমানোর আগে একটি আরামদায়ক রুটিন মেনে চলুন এবং গরম পানিতে গোসল করুন;
৫. সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত পণ্য, ডাল, বাদাম, শস্যদানা এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খান;
৬. ঝাল খাবার, ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, চিনিযুক্ত পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার, যা হট ফ্ল্যাশ ও ঘুমের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এসব খাবার এড়িয়ে চলুন।
সঠিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং নিয়মিত ফলো-আপের মাধ্যমে বেশিরভাগ নারীই সফলভাবে মেনোপজের লক্ষণগুলো সামলাতে এবং দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সক্ষম হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এক বছরের জন্য। শহর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত শ্রেণিকক্ষে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য নীতিমালা তৈরির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি দেশের সবচেয়ে বড় স্কুলে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কঠোর এআই নীতিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। লস অ্যাঞ্জেলেসসহ অন্যান্য কিছু স্কুল জেলা এআই ব্যবহারের নীতিমালা পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছে এর আগে।
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের জানান, শহরের স্কুলগুলোতে বর্তমানে ব্যবহৃত প্রায় ৪০টি শিক্ষামূলক এআই টুলের ব্যবহার বন্ধ রাখা হবে।
মামদানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “শিশুদের শেখা ও বেড়ে ওঠার জন্য শিক্ষক এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রয়োজন। সহপাঠীদের সঙ্গে কাজ করা, শিক্ষকদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং কঠিন সমস্যার সমাধান নিজেরা করার মতো দক্ষতা তাদের গড়ে তুলতে হবে।”
গুগল, অ্যানথ্রপিক ও মাইক্রোসফটের মতো বড় এআই প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
নতুন এই নীতির আওতায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ সরকারি স্কুল শিক্ষার্থী থাকবে। তবে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিছু ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
শিক্ষকদের অবশ্য এআই ব্যবহারে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়নি। পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, সময়সূচি নির্ধারণসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে তারা এআই ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ২০২২ সালে চ্যটজিপিটি চালুর পর নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলগুলোতে সাময়িকভাবে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং শিক্ষকদের সহায়তার জন্য নিজস্ব এআইভিত্তিক টুল চালু করা হয়।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিয়মিত এবং সঠিকভাবে এলাচ খেলে শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় এবং এটি দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে। এলাচের মধ্যে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ডিটক্সাইফাইং উপাদান রয়েছে, যা শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করে চর্বি গলানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
তবে মনে রাখতে হবে, শুধুমাত্র এলাচ খেলে রাতারাতি ওজন কমবে না। এটি মূলত সুষম খাদ্যতালিকা এবং ব্যায়ামের পরিপূরক বা অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। ওজন কমাতে এলাচ খাওয়ার জন্য মূলত চারটি উপায় রয়েছে। প্রথমত, এলাচ ভেজানো পানি।
প্রতিদিন অতিরিক্ত এলাচ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। দিনে ১-২টি এলাচ বা খুব সামান্য পরিমাণ গুঁড়ো খাওয়াই যথেষ্ট, অন্যথায় হজমে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এলাচ খাওয়ার পাশাপাশি মিষ্টি এবং চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। সেই সঙ্গে দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক কসরত বা হাঁটার অভ্যাস রাখা প্রয়োজন।
প্রণালি
এক গ্লাস পানিতে ৩-৪টি এলাচ সামান্য থেঁতো করে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে সেই পানিটি হালকা গরম করে বা সরাসরি পান করা উচিত।
১. এলাচ ফোটানো চা প্রণালি
দুই গ্লাস পানিতে ৭-৮টি এলাচ দানা দিয়ে ৫ মিনিটের মতো ফুটিয়ে নিতে হবে। যতক্ষণ না পানি অর্ধেক হয়ে আসে। এরপর মেদ ঝরানোর জন্য এই মিশ্রণটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুসুম কুসুম গরম অবস্থায় পান করতে হবে।
২. এলাচ গুঁড়ো ও কুসুম গরম পানি প্রণালি
এলাচ হালকা ভেজে গুঁড়ো করে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিদিন এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে এবং পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে, যা পরোক্ষভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৩. মসলার মিশ্রণ ও খাবারে ব্যবহার প্রণালি
ওজন কমানোর জন্য স্যুপ, ওটস বা কম ক্যালোরির খাবারের স্বাদ বাড়াতে এলাচ গুঁড়ো ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, দারুচিনি, হলুদ বা আদার সঙ্গে এলাচ মিশিয়ে ভেষজ মসলা তৈরি করে তরকারিতে যোগ করলে তা শরীরের শক্তি ব্যয় বা ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ