মোঃ শাহিন, (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৬ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র 'রামদাস বিল'-এর সৌন্দর্য বর্ধন ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে বিলে আনুষ্ঠানিকভাবে তালগাছের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে রহনপুর ও রাধানগর ইউনিয়নের অন্তর্গত এই রামদাস বিলে তালগাছ রোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী আছহাবুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মাসুম। এছাড়া স্থানীয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে রহনপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন নাহিদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম দোয়েল, সাংবাদিক জুলকারনাইন ও ইমরান আলী নিশান বাবু সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালগাছ রোপণকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, “রামদাস বিল এ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। এই স্থানটিকে আরও আকর্ষণীয় ও মনোরম করে তুলতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পুরো বিল এলাকায় প্রায় দেড় হাজার তালগাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।”
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বজ্রপাত প্রতিরোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই তালগাছ রোপণ উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার হাইকোর্ট ২০১৯ সালের খ্রিস্টীয় ইস্টারের দিনে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সিরিজ বোমা হামলার মামলায় ১৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। এই হামলায় ২৭০ জন প্রাণ হারিয়েছিল এবং ৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিল।
আদালতের বিচারের শেষে প্রধান পরিকল্পনাকারী নাওফার মৌলভীসহ ১৫ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। একই মামলায় অপর ৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০০৯ সালে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সমাপ্তির পর এটি শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনটি গির্জা এবং তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে সংঘটিত এই আত্মঘাতী হামলায় ৪৫ জন বিদেশী নাগরিকও নিহত হন।
মামলায় মোট ২৫ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা, সন্ত্রাসবাদের ষড়যন্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র রাখার মতো ২৩,০০০-এরও বেশি ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল। বিচার চলাকালীন ২,৩০০ জনেরও বেশি সাক্ষী প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দেন এবং হাজার হাজার আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
হামলার পর শ্রীলঙ্কা সরকারের গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। জানা যায়, ভারত থেকে হামলার বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা পাওয়া সত্ত্বেও তা কার্যকর করা হয়নি। গোয়েন্দা ব্যর্থতার জন্য ২০২৩ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এছাড়া, দায়িত্বে অবহেলার কারণে সম্প্রতি দেশটির দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নিহতদের স্বজন এবং সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে এই হামলার বিচার ও ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। আদালতের এই রায়কে বিচার পাওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জনসাধারণকে অপরাধীদের শনাক্ত করে গোপনে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, একটি থানায় যে পরিমাণ পুলিশ সদস্য রয়েছে, তাদের একার পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পুরোপুরি উন্নতি করা সম্ভব নয়। সুতরাং, পুলিশ ও জনতার মধ্যে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।
ময়মনসিংহের নান্দাইলে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করতে একটি চক্র ওত পেতে আছে এবং তারা নানামুখী বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’ তিনি একটি নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক দলের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের চেষ্টার কথা উল্লেখ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সর্বস্তরের জনগণকে তৎপর থাকার নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অপপ্রচার রোধে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। যাতে মিথ্যা অপপ্রচারের কারণে কোনো এলাকায় অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
নান্দাইল থানা পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো মিথ্যা মামলা গ্রহণ করা যাবে না।
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ মাসে যে পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে, আগামী মাসে তার তিনগুণ উদ্ধার দেখাতে হবে এবং সেই জব্দ তালিকা আমাকে দেখাতে হবে।’
তিনি আরো নির্দেশ দেন, তালিকাভুক্ত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে শক্ত মামলা করতে হবে এবং তাদের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাতে হবে, যাতে তারা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। পুলিশকে এলাকাভিত্তিক সঠিক তালিকা তৈরি করে মাদক কারবারিদের আস্তানায় অভিযান চালানোর জন্যও নির্দেশ দেন।
সভায় নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলামসহ উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও অনুযায়ী, বিহারের বেগূসরাইয়ের 'হর হর মহাদেব চত্বরে' ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ফাস্টফুড চেইন 'কেএফসি'-র একটি নতুন আউটলেট উদ্বোধন করেন গিরিরাজ সিং, যিনি হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ফিতা কেটে নতুন এই আউটলেটের সূচনা করেন।
তবে এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে, কারণ এর আগে হালাল মাংসের বিরুদ্ধে গিরিরাজ সিং বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে এক বক্তব্যে তিনি হিন্দুদের হালাল মাংস বর্জন করে কেবল ‘ঝটকা’ মাংস খাওয়ার আহ্বান জানান, যা এক কোপে পশুর শিরচ্ছেদ করার পদ্ধতি।
বেগূসরাইয়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মুসলিমদের হালাল মাংস খাওয়ার বিষয়টি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে প্রশংসনীয়, এবং হিন্দুদেরও তাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য মেনে চলা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, "হিন্দুদের পশুবলির ঐতিহ্যগত পদ্ধতি হলো ঝটকা। হিন্দুরা যখনই 'বলি' বা পশু উৎসর্গ করে, তা এক কোপেই সম্পন্ন করে। সুতরাং, হালাল মাংস খেয়ে ধর্মভ্রষ্ট হওয়া উচিত নয়। হিন্দুদের সবসময় ঝটকা মাংসেই অটল থাকা উচিত।"
এছাড়া, তিনি এমন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দাবি করেন, যেখানে শুধুমাত্র 'ঝটকা' পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত মাংস বিক্রি করা হবে। কেএফসি আউটলেট উদ্বোধনে গিরিরাজ সিংয়ের উপস্থিতি নিয়ে নেটিজেনরা তাঁর পুরোনো হালাল-বিরোধী বক্তব্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
এই প্রসঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক অজিত অঞ্জুম খোঁচা মেরে মন্তব্য করেন, "হে সনাতনীরা, দেখে যাও, তোমাদের গিরিরাজ সিং এখন মুরগির দোকানের উদ্বোধন করছেন!" তবে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ফাস্টফুড চেইন কেএফসির একটি নতুন শাখা খোলার সাধারণ অনুষ্ঠান হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে।
বিহারের মাংস বিক্রি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক বিধিনিষেধ নিয়েও গিরিরাজ সিং সক্রিয় ছিলেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেগূসরাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি খোলা জায়গায় মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। এই পদক্ষেপের জন্য তিনি বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহার প্রশংসা করেন এবং জেলা প্রশাসকদের এটি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের সুরক্ষার স্বার্থেই খোলা জায়গায় প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ মন্তব্য করেছেন যে, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ অর্জনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী, যিনি বোর্ডের চেয়ারম্যান।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ অর্জনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে। কারণ বিজ্ঞানীরা তাদের মেধা, শ্রম, সময় ও নিষ্ঠা ব্যয় করে নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞান সৃষ্টি করেন। এসব কাজের স্বীকৃতি না পেলে ভবিষ্যতে গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী করতে হবে, যাতে এর সুফল সরাসরি খামারি ও উদ্যোক্তারা পান। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আজ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার পেছনে গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী গবেষণাকে উৎসাহিত করতে বিজ্ঞানীদের জন্য প্রণোদনা ও স্বীকৃতির সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
সভায় পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছাদেক আহমেদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, বোর্ডের সদস্য ডা. মো. সফিউল আহাদ সরদার এবং বোর্ডের সদস্যসচিব ও বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক, আর্থিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ