সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১৫ পি.এম
দেশের ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংক পিএলসি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) নিট মুনাফায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ঋণদাতা ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি। এই সময়ের মধ্যে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট (একক) মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১৯৩ শতাংশ বেশি। দেশের কোনো ব্যাংকের জন্য ৬ মাসে এত নিট মুনাফা অর্জনের নজির এটিই প্রথম।
সম্প্রতি প্রকাশিত ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে সোনালী ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৪৭ পয়সায়। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪ টাকা ১৪ পয়সা।
ব্যাংক সূত্রের মতে, এই অর্জনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক খাতের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর চেয়েও প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে রয়েছে। প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা নিট মুনাফা করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।
ব্যাংকটির আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তহবিল সংগ্রহের খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রথম ৬ মাসে সোনালী ব্যাংকের নিট সুদ আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ শতাংশ কমে ৪২৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় নেমে এসেছে। তবে নিট সুদ আয় কমলেও ব্যাংকটির শক্তিশালী ট্রেজারি ব্যবস্থাপনা তা সামলে নিয়েছে।
বিনিয়োগ খাত থেকে ব্যাংকটির আয় হয়েছে ৪ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি। যদিও বিনিয়োগে ভালো করলেও প্রশাসনিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা (কর ও প্রভিশন পূর্ববর্তী সমন্বিত মুনাফা) ৬ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা হয়েছে। পরিচালন মুনাফা কমার পরও নিট মুনাফায় বড় প্রবৃদ্ধির মূল কারণ খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়া। চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে সোনালী ব্যাংক প্রভিশন বাবদ ১ হাজার ১১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৯ শতাংশ কম।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনের শেষে সোনালী ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের ১৮ দশমিক ২৭ শতাংশই ছিল খেলাপি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষে যা ছিল ১৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের জুন শেষে সোনালী ব্যাংক পিএলসির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৩২ টাকা ৩ পয়সায়।
ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শওকত আলী খান ইনকিলাবকে বলেন, "আমরা ঋণ আদায় জোরদার করছি এবং ছোট-মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানে উৎসাহ দিচ্ছি। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে ব্যাংকের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছে। একই সঙ্গে একটি শক্তিশালী ব্যাংক হিসেবে যা প্রয়োজন, তা করা হচ্ছে, ফলে ব্যাংক ভালো মুনাফা করছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আফিকুল ইসলাম হারিছের সমর্থনে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে শিমুলকান্দি হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে স্থানীয় এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। হাজী তৈয়বুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, শিমুলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আফিকুল ইসলাম হারিছ।
বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন- শিমুলকান্দি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য জজ মিয়া, সমাজসেবক সোলাইমান মিয়া ও হেলাল মিয়া প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আফিকুল ইসলাম হারিছ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন্ম-মৃত্যু সনদ প্রদান থেকে শুরু করে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে চেয়ারম্যানের অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। তাই ইউনিয়নবাসী ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে একজন সৎ, দক্ষ ও ভালো মানুষকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত। আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা তাকে বিজয়ী করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত এলাকাবাসী আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আফিকুল ইসলাম হারিছকে তাদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান বলে জোরালো সম্মতি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত স্টেট ডুমা (পার্লামেন্ট) নির্বাচনের ফলাফলকে "রুশ জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন" হিসেবে চীন স্বাগত জানিয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, দেশটির ক্ষমতাসীন ‘ইউনাইটেড রাশিয়া’ পার্টি একটি বড় ধরনের জয়ের পথে রয়েছে।
সোমবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, "রাশিয়ায় স্টেট ডুমা নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চীন রাশিয়াকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এই নির্বাচন রাশিয়ার রাজনৈতিক ক্যালেন্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা রাশিয়ার জনগণের স্বাধীন মতামতকে প্রতিফলিত করে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চীন সবসময় রুশ জনগণের স্বাধীন সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে এবং বেইজিং মস্কোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে প্রস্তুত রয়েছে।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভোট গণনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এটি রাশিয়ার প্রথম পার্লামেন্টারি নির্বাচন। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড রাশিয়া দল পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পাশাপাশি সাংবিধানিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে ইউক্রেনের রুশ-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতেও ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ায় কিয়েভ এবং পশ্চিমাদের একাংশ এই নির্বাচনের তীব্র নিন্দা ও অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সূত্র: আনাদুলু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির চাষীরা বাংলার আপেল খ্যাত পেয়ারা চাষে আগ্রহ হারাতে শুরু করেছেন। মৌসূম শেষে আয়-ব্যায় হিসেব করে লাভজনক না হওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই কারণে পেয়ারা চাষের জমি ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে।
ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলার ৫৫৪ হেক্টর জমিতে পেয়ারার চাষ হয়েছে। ৫৬২৩ মেট্রিকটন পেয়ারা উৎপাদন হয়েছে। বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫৬২ হেক্টর জমিতে পেয়ারার আবাদ করা হয়েছিল। ওই সময়ে উৎপাদন হয়েছিল ৬০৪২ মেট্রিকটন। দুই বছরের ব্যবধানে পেয়ারার আবাদ কমেছে ৮ হেক্টর জমিতে।
বরিশাল অঞ্চলের পেয়ারার দেশব্যাপী বিপুল চাহিদা রয়েছে। সুস্বাদু এই ফলের চাহিদার বেশিরভাগই ঝালকাঠি থেকে পূরণ হচ্ছে। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন হাটে পেয়ারা কেনাবেচা হচ্ছে। এর মধ্যে ভিমরুলী গ্রামের ভাসমান হাটটি সবচেয়ে বড়। এই হাট থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে সরবরাহ করা হয় পুষ্টিকর এ ফল। বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় এবং লাভজনক না হওয়ায় জেলায় প্রতি বছরই কমছে আমড়ার আবাদ।
এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় পেয়ারার ফলন কম হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা ভিমরুলীর ভাসমান হাট থেকে পেয়ারা কিনছেন ৮শ থেকে এক হাজার টাকা মণ দরে। পেয়ারা চাষি ও পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পেয়ারা আকার ও কালারভেদে দর নির্ণয় করা হয়। এ জন্য ৮শ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত দামে প্রতি মণ পেয়ারা ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে।
চাষি সুজন হালদার শানু জানান, আমড়া গাছে প্রতিবছর শীত মৌসূমে পরিচর্যা, সার-কীটনাশক প্রয়োগ, পেয়ারা সংগ্রহ, বাজারজাত করণে যে পরিমাণ খরচ হয়, তাতে বিক্রির অর্থ দিয়ে পোষানো যায় না। তিনি বলেন, মৌসূমে প্রতিদিনই পেয়ারা সংগ্রহ করতে হয়। একজন শ্রমিককে দিতে ৮শ টাকা। কিন্তু পেয়ারা বিক্রি করা যায় এক থেকে দেড় হাজার টাকার। অনেক সময় এর চেয়েও কম দামে বিক্রি করতে হয়। এরচেয়ে আমড়া বা অন্যান্য ফসল চাষ করলে তাতে লাভ বেশি হয়।
কীর্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও স্বনামধন্য কৃষক ভবেন্দ্রনাথ হালদার জানান, পেয়ারা চাষে এখন আর লাভ নেই। এ বছর অনাবৃষ্টির কারণে পেয়ারার ফলন ভালো হয়নি। যা হয়েছে, তাতে আবার এনথ্রাক্স (কালো ছিট পড়া) রোগ দেখা দিয়েছে। পেয়ারা পাকতে শুরু করলে প্রতিদিনই গাছ থেকে পেড়ে (সংগ্রহ করে) বাজারে আনতে হয়। একজন শ্রমিককে খরচ সাতশ টাকা দিতে হয়, কিন্তু পেয়ারা বিক্রি হয় চারশ টাকার। এর চেয়ে জমিতে আমড়ার আবাদ করলে লাভ বেশি হয়। প্রতিটি গাছে ৩-৪ মণ আমড়া ধরে। দু’জন শ্রমিক নিয়োগ করলে তারা ১০-১২টি গাছের আমড়া পাড়তে পারে। প্রতিদিন আমড়া পাড়তে হয় না, পরিপক্ব হলে এক দিনেই সব পাড়ানো সম্ভব। তা ছাড়া একটি বাতাবিলেবু (জাম্বুরা) গাছ লাগালেও সেখান থেকে কমপক্ষে দুই হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব।
স্বরূপকাঠির পাইকার নোমান বলেন, এবছর ফলন তেমন ভালো হয়নি। আমরা এখানে চাষিদের থেকে পেয়ারা কিনে ঢাকায় চালান করেছি। প্রতি মণ পেয়ারা আকার ও কালার ভেদে ৮শ’ থেকে এক হাজার টাকায় ক্রয় করি। প্রতিমণ পেয়ারায় দুইশ’ টাকা লাভ থাকে। এর মধ্যে আমাদের শ্রমিক, পরিবহন, খাবার খরচ শেষে একশ টাকা লাভ হয়।
ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহায়তায় বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে এবং রোগবালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবছর তুলনামূলকভাবে পেয়ারার চাষ হ্রাস পাচ্ছে। এবছর পেয়ারার চাষ কম হওয়ায় চাষিরা তাঁদের কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়েছেন। আমরা তাঁদের উদ্বুদ্ধ করতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আজ ১২টি জলাশয়ে মোট ২৮৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ পুকুরে ৪০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসলাম হোসেন শেখ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. মিলন খান, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. সোহেল হোসেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মোরাদ আলী, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সৌরভ রেজা শিহাব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস. এম. মনোয়ার মাহামুদ এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী এজাজুল করীম।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসলাম হোসেন শেখ জানান, কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ পুকুর ছাড়াও পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে কুমার নদে ৫০ কেজি, মধুমতি বাওড়ে ৫০ কেজি, কাশিয়ানী থানা পুকুরে ২১ কেজি, হাইশুর বৃদ্ধাশ্রম পুকুরে ২০ কেজি, গোয়ালগ্রাম কামিল মাদ্রাসা পুকুরে ১৫ কেজি, তারাইল-ফুকরা মাদ্রাসা পুকুরে ১৫ কেজি, কাশিয়ানী রেল স্টেশন মাদ্রাসা পুকুরে ১৫ কেজি, তারাইল আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি, সাফলীডাঙ্গা আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি, সাবেক পদ্মবিলা আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি এবং জঙ্গল মুকুন্দপুর আশ্রয়ণ পুকুরে ১৫ কেজি পোনা ছাড়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জলাশয়গুলোতে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার আকারের সুস্থ ও জীবিত রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ