ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের নিট মুনাফা ৯ শতাংশ বৃদ্ধি


ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের নিট মুনাফা ৯ শতাংশ বৃদ্ধি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত নয় মাসের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৮০৭.৬৮ মিলিয়ন টাকা কর-পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে অর্জিত ৭৪৩.৮১ মিলিয়ন টাকার তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি।

গত বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩.৬৭ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৯৮ টাকায়। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৫২.০৩ টাকা হয়েছে, যা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ছিল ৪৯.৫৫ টাকা।

হোম লোন স্পেশালিস্ট ডিবিএইচের আর্থিক ফলাফল সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল বাতেন মন্তব্য করেছেন, “২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসের আর্থিক ফলাফল আমাদের পরিচালনগত দক্ষতা, দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বিচক্ষণ ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার প্রতি আমাদের অব্যাহত অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বাজারের প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি আরও বেশি মানুষের নিজের বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

আরও পড়ুন: বড় মূলধনি ও অবকাঠামো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে শর্ত শিথিল করেছে বিএসইসি

গত তিন দশক ধরে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি গৃহঋণ প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে বাড়ির মালিকানা অর্জনে মানুষকে সহায়তা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি ইসলামিক ফাইন্যান্স উইং-এর মাধ্যমে আবাসন অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করে। এ ছাড়া, প্রতিষ্ঠানটি মেয়াদি আমানত ও মুদারাবা আমানতসহ বিভিন্ন ধরনের আমানত সেবা প্রদান করে।

দেশজুড়ে অবস্থিত ১৯টি শাখার মাধ্যমে ডিবিএইচ গ্রাহকদের সেবা প্রদান করছে। প্রতিষ্ঠানটি টানা ২১ বছর ধরে সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং ‘এএএ’ অর্জন করেছে এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে খেলাপি ঋণের হার ১ শতাংশের নিচে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের আওতায় রুয়েট ছাত্র হল-২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের আওতায় রুয়েট ছাত্র হল-২

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্র হল-২ এ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা হল ফি পরিশোধের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে। শিক্ষার্থীরা এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে মাসিক ও আনুষঙ্গিক ফি পরিশোধ করতে পারবেন। প্রশাসন দুর্গাপূজার ছুটির পর হলের ডাইনিং ব্যবস্থাপনাকেও অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আলাল হোসেনের নির্দেশনায় পোর্টাল উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হলটির সহকারী প্রভোস্ট প্রভাষক মো. জুনায়েদ হোসেন ও প্রভাষক রেদওয়ানুল হক। বিভিন্ন বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। একজন শিক্ষার্থীর মাসিক হল ফি পরিশোধের মাধ্যমে নতুন ব্যবস্থাটির কার্যকারিতা সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় এবং তা ব্যবহারের জন্য সচল করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা ‘রুয়েট স্টুডেন্ট পোর্টাল’ (https://www.students.ruet.ac.bd) এ প্রবেশ করে হল ফি পরিশোধের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এই সিস্টেমের মাধ্যমে হল ফি প্রদানের প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে অনলাইন ভিত্তিক সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আলাল হোসেন সার্বিক ব্যবস্থার বিষয়ে বলেন, "রুয়েট প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করছে। মেল হল-২ তে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে হল ফি পরিশোধ করতে পারবে।" তিনি আরও জানান, পূজার ছুটির পর ডাইনিং পরিচালনাকে অটোমেশনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের কক্ষ থেকেই হলের বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। পাইলটিং এ কিছু ত্রুটি দেখা দিলেও দ্রুতই তা সমাধান করা হবে।

ডাইনিং ব্যবস্থাপনা অটোমেশনের আওতায় আসলে খাবারের টোকেন সংগ্রহ ও খাবার গ্রহণের সময় টোকেন প্রদর্শন—দুই প্রক্রিয়াই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। এতে ডাইনিং পরিচালনা ও হিসাব সংরক্ষণ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ৩১ আগস্ট রুয়েটে ‘ইন্টিগ্রেটেড হল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার’ উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক সফটওয়্যারটির উদ্বোধন করেন। এই সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় হলের ফি প্রদান, বকেয়া ব্যবস্থাপনা, ডাইনিং, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কর্মচারীদের বেতন, সিট বরাদ্দ, অভিযোগ ও নোটিশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সফটওয়্যারটির উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে একটি দল কাজ করছে। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সহকারী পরিচালক সহকারী অধ্যাপক আবু ইসমাঈল সিদ্দিকী সাইফের নেতৃত্বে দলটি এ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পূর্বে আরও কয়েকটি হলে এ ব্যবস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এবার ছাত্র হল-২ এ ডিজিটাল পেমেন্ট চালুর মাধ্যমে উদ্যোগটির পরিধি আরও বিস্তৃত হলো।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে বাকি আবাসিক হলগুলোতেও সমন্বিত হল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি হলের অন্যান্য সেবাও দ্রুত অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আবাসিক হলগুলোর প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সেবার মান বাড়বে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ থেকে ৮ বছর বয়সি মেয়েদের জন্য এইচপিভি টিকাদানে ডব্লিউএইচওর সুপারিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


৪ থেকে ৮ বছর বয়সি মেয়েদের জন্য এইচপিভি টিকাদানে ডব্লিউএইচওর সুপারিশ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) টিকা বিশেষজ্ঞরা দেশগুলোকে ৪ থেকে ৮ বছর বয়সি মেয়েদের নিয়মিত মানবদেহে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) প্রতিরোধী টিকাদানের বিষয়টি বিবেচনা করার সুপারিশ করেছেন, যদি টিকার আওতা বাড়াতে সহায়ক হয়।

জেনেভা থেকে এএফপি জানায়, ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা গোষ্ঠীর (সেজ) চেয়ারম্যান অ্যান্থনি স্কট মঙ্গলবার এই সুপারিশটি করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রায় ১৬৫টি দেশ ইতোমধ্যে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসের (এইচপিভি) টিকা কার্যক্রম শুরু করেছে।

স্কট সাংবাদিকদের বলেন, “তবে বিশ্বব্যাপী এইচপিভি টিকাদানের হার ৩৩ শতাংশ, যা আমাদের নির্ধারিত বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা ৯০ শতাংশের চেয়ে অনেক কম।”

ডব্লিউএইচওর মতে, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি সব মেয়ের জন্য এইচপিভি টিকাদানকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ২০২২ সালে সেজ ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের এক বা দুই ডোজ টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছিল। একই বয়সভিত্তিক সূচি ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। ২১ বছরের বেশি বয়সি নারীদের জন্য ছয় মাসের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

হালনাগাদ গবেষণালব্ধ প্রমাণ পর্যালোচনা করে সেজ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বিশ্বব্যাপী টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের এক ডোজ টিকা দেওয়ার পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর।

স্কট বলেন, “যদি টিকা গ্রহণের হার ও আওতা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকে, তাহলে দেশগুলো ৪ থেকে ৮ বছর বয়সি মেয়েদের নিয়মিত টিকাদানের বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে।”

এইচপিভির দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ফলে জরায়ুমুখ ক্যানসার হয়। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী নারীদের মধ্যে পঞ্চম সর্বাধিক শনাক্ত হওয়া ক্যানসার ছিল এটি। ওই বছরে প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হন এবং প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার নারী মারা যান।

ডব্লিউএইচওর টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ৯ কোটি ৫০ লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি টিকা পেয়েছে।

সেজ সুপারিশ করেছে যে, এক ডোজের এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আরও কিছু জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে প্রথমে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের বাদ পড়া টিকা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া, এরপর ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের এ সুযোগ সম্প্রসারণ, ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সি ছেলেদের নিয়মিত টিকাদান এবং সবশেষে ২০ বছর বয়স পর্যন্ত পুরুষদের বাদ পড়া টিকা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া।

২০২৫ সাল পর্যন্ত এইচপিভির আটটি টিকা ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে।

ডব্লিউএইচও জানায়, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার। এসব দেশের অধিকাংশই সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা, মেলানেশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে অবস্থিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটা বা রোগা-সমাজের প্রত্যাশায় রাধিকার কটাক্ষ ও সমালোচনার অভিজ্ঞতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


মোটা বা রোগা-সমাজের প্রত্যাশায় রাধিকার কটাক্ষ ও সমালোচনার অভিজ্ঞতা

নারীর শরীর, ওজন ও সৌন্দর্য নিয়ে সমাজের প্রত্যাশার যেন শেষ নেই। কখনো ওজন বেশি হলে কটাক্ষের শিকার হতে হয়, আবার রোগা হয়ে গেলেও নানা মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। সম্প্রতি মা হওয়ার পর শারীরিক পরিবর্তনের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার শিকার হওয়া ক্যাটরিনা কাইফের পাশে দাঁড়িয়ে বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা মদন তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

রাধিকা জানান, অভিনয়ের প্রয়োজনে ‘পটাখা’ সিনেমার জন্য তাঁকে প্রায় ১৫ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছিল। পরে ‘শিদ্দত’ ও ‘আংরেজি মিডিয়াম’ সিনেমায় অভিনয়ের সময় সেই ওজন কমানোর চেষ্টা করেন তিনি। তখন তাঁর শরীরের গঠন নিয়ে কটাক্ষ করে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এত মোটা হলে কীভাবে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করবেন! পরপর সিনেমার শুটিংয়ের পাশাপাশি দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা করতে গিয়ে একপর্যায়ে অতিরিক্ত রোগা হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কাজ থেকে বিরতিও নিতে হয় তাঁকে।

নিজের এই অভিজ্ঞতা থেকে রাধিকা উপলব্ধি করেন, অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে শরীরের গঠন পরিবর্তন করলেও সমালোচনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। আগে ওজন বেশি থাকায় তাঁকে কথা শুনতে হয়েছে, আবার ওজন কমানোর পরও অতিরিক্ত রোগা হয়ে যাওয়ার জন্য সমালোচিত হয়েছেন। তাই এখন তিনি নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক গঠন অর্জনের চেয়ে সুস্থ থাকার বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেন।

অভিনেত্রীর মতে, নারীদের সৌন্দর্য কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে সমাজ ছোটবেলা থেকেই একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করে দেয়। প্রচলিত সৌন্দর্যের মানদণ্ডের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে গিয়ে অনেক কিশোরী আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। ভ্রুর আকৃতি কিংবা মুখের স্বাভাবিক লোমের মতো বিষয় নিয়ে তৈরি হয় হীনম্মন্যতা। অথচ সৌন্দর্যকে কোনো একটি নির্দিষ্ট চেহারা বা শারীরিক গঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না।

নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাধিকা জানান, ছোটবেলায় তাঁরও ঘন ভ্রু ও মুখে লোম ছিল। তবে পরিবারের ইতিবাচক মনোভাব তাঁকে নিজের চেহারাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে সাহায্য করেছে। অন্যের প্রশংসা বা স্বীকৃতির ওপর নির্ভর না করে নিজেকে ভালোবাসার গুরুত্বও সেখান থেকেই শিখেছেন তিনি। রাধিকার মতে, নিজেকে গ্রহণ করার পথ সহজ না হলেও নিজের শরীর ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের প্রতি সম্মান দেখানোই সেই যাত্রার প্রথম ধাপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইথিওপীয় বাহিনী ইরিত্রিয়া সীমান্তের দিকে অগ্রসর, সংঘাতের আশঙ্কা বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


ইথিওপীয় বাহিনী ইরিত্রিয়া সীমান্তের দিকে অগ্রসর, সংঘাতের আশঙ্কা বৃদ্ধি

ইথিওপিয়ার ফেডারেল বাহিনী এবং তাদের সহযোগীরা ইরিত্রিয়ার সীমান্তবর্তী একটি শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে নতুন সংঘাতের উদ্ভব ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বুধবার, সরকারপন্থী এক মিলিশিয়া কমান্ডার এবং স্থানীয় এক বাসিন্দার উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইথিওপিয়া অভিযোগ করেছে যে, প্রতিবেশী ইরিত্রিয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠী তিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টকে (টিপিএলএফ) সমর্থন করছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর, টিপিএলএফ সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি বড় আক্রমণ চালায়। তবে, পরবর্তীতে তারা পিছু হটে এবং তাদের কিছু শক্ত ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ হারাতে বাধ্য হয়।

একটি বিদেশি নিরাপত্তা সূত্রের মতে, বিদ্রোহীদের সহায়তা করার জন্য ইথিওপিয়ার ভূখণ্ডে ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার ইরিত্রিয়ান সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে, তাদেরও পিছু হটতে হয়েছে বলে জানা গেছে। সরকারপন্থী মিলিশিয়ার একজন সদস্য এএফপিকে জানান, ইরিত্রিয়ার সীমান্তবর্তী জালামবেসা শহর থেকে দেশটির সেনারা সরে গেছে।

জালামবেসা শহরটি ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার সীমান্তের নিকটবর্তী অবস্থিত। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের সময় শহরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্র ছিল। সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনাদের অগ্রসর হওয়া এবং সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধির কারণে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হবে কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ইথিওপিয়ার ফেডারেল বাহিনী এবং তাদের সহযোগীরা ইরিত্রিয়ার সীমান্তবর্তী জালামবেসা শহরের নিকটবর্তী পৌঁছেছে। অন্যদিকে, শহরটির উত্তর উপকণ্ঠে ইরিত্রিয়ার সেনারা অবস্থান করছে। এই অবস্থায় দুই দেশের মধ্যে নতুন যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, সরকারপন্থী এক মিলিশিয়া সদস্য এএফপিকে জানান, জালামবেসার নিকটবর্তী গ্রামগুলো সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে, তিনি দাবি করেন যে, কোনো ইথিওপীয় সেনা ইরিত্রিয়ার ভূখণ্ডে প্রবেশ করেনি। জালামবেসার এক বাসিন্দা জানান, ইথিওপিয়ার সেনারা শহরটির প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে, ইরিত্রিয়ার সেনারা শহরটির উত্তর উপকণ্ঠে অবস্থান করছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, শহরটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে।

তবে, ইরিত্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েরমানে গেব্রেমেস্কেল এএফপিকে বলেন, ইথিওপীয় সেনাদের সীমান্ত অতিক্রম করার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে, তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী মেকেলে থেকে কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই সরে যায় টিপিএলএফ। উত্তর তিগ্রায় বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন ইরিত্রিয়ার সেনাদেরও ড্রোন হামলার মুখে পিছু হটতে হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে, ইথিওপিয়ার সরকারপন্থী বাহিনী ইরিত্রিয়ার সীমান্তের নিকটবর্তী শায়ার ও আকসুমের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে প্রবেশ করেছে। এদিকে, টিপিএলএফের সহসভাপতি আমানুয়েল আসেফা এএফপিকে বলেছেন, ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীকে নিয়ে গঠিত সামরিক জোট সফল হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান লড়াই আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসও সতর্ক করেছে যে, এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

ইরিত্রিয়া ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সীমান্তযুদ্ধ হয়। পরবর্তীতে, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি ঘটে। তবে, তিগ্রাই সংঘাতের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্ক আবারও অবনতি হয়েছে।

ইরিত্রিয়ার অভিযোগ, স্থলবেষ্টিত ইথিওপিয়া চলমান সংঘাতকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশটির ভূখণ্ডে হামলা চালাতে এবং লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ আসাব বন্দর দখল করতে পারে। তবে, এ বিষয়ে ইথিওপিয়ার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%