রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ পি.এম
রাজধানীর লালবাগে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে অটোরিকশার গ্যারেজে অভিযান পরিচালনা করে ডিপিডিসি ও লালবাগ ট্রাফিক বিভাগ ৮ থেকে ১০টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত লালবাগ থানাধীন শহীদ নগর আধা গলি রোডসংলগ্ন ১ ও ২ নম্বর গলিসহ আশপাশের এলাকায় এ অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল রহমান, লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এহসানুল কামরান তানভীর এবং লালবাগ ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাহতাব হোসেনসহ লালবাগ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের খবর পাওয়ার পর অটোরিকশার গ্যারেজ মালিকরা অভিযান শুরু হওয়ার আগেই গ্যারেজ বন্ধ করে পালিয়ে যান। পরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবৈধভাবে নেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ শনাক্ত করে সেগুলো বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযান চলাকালে ডিপিডিসি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা ও লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
ডিপিডিসির আজিমপুরের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার নুর উদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর জানান, ঢাকা শহরে অবৈধ অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযানের অংশ হিসেবে আজ লালবাগের শহীদ নগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ৮ থেকে ১০টি অবৈধ অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ অভিযান চলমান থাকবে।
লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এহসানুল কামরান তানভীর বলেন, পূর্বের ন্যায় চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আজ লালবাগ থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ডিপিডিসি এবং লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের পুলিশের সহযোগিতায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ পিরোজপুর জেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাইফ মিজান সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় অংশগ্রহণ করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলাল এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন।
জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে সভায় পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি সভায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক, জননিরাপত্তা, কিশোর গ্যাং ইত্যাদি বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জেলার চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিকভাবে পরিচালনার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বরগুনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়, যেখানে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, মৎস্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ২২ দফা দাবি ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়।
সভায় বরগুনা-বেতাগী-বাকেরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণ, উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বিষখালী ও পায়রা নদীতে সেতু নির্মাণ, বরগুনায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, জেলা হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তর, আইসিইউ-সিসিইউ চালু, পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ এবং বিভিন্ন দপ্তরে শূন্যপদে জনবল নিয়োগের দাবি উত্থাপন করা হয়।
এছাড়া, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলদস্যু দমন, অবৈধভাবে ইলিশ শিকার বন্ধ করা, গভীর সাগরে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার, কোস্টগার্ডকে আধুনিক নৌযান প্রদান, পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, শিল্পকারখানা স্থাপন, কৃষি ও মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন, আবহাওয়া অফিস প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবি তুলে ধরা হয়।
সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস, পুলিশ সুপার কুদরত ই খুদা, সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আঃ হান্নান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউদ্দিন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মোঃ সালেহ।
কর্মকর্তারা প্রেসক্লাবের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বরগুনার উন্নয়নে প্রস্তাবিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছে, যা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, রাজনৈতিক হয়রানি, দেশের অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং লাগামহীন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে রাজনৈতিক কর্মীদের হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উত্থাপন করা হয়। দলের নেতারা হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে জেলা এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাঁদের দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এর আগে সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, কিশোরগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মীদের হয়রানি, মামলা ও নানা ধরনের চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। তাঁরা অভিযোগ করেন যে, কোথাও কোথাও হামলা ও হত্যার হুমকির ঘটনাও ঘটছে। বক্তাদের দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও নাগরিকের নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার সুযোগ নেই। রাজনৈতিক কর্মীদের হয়রানি বন্ধ করে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
নেতারা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। মানুষের জানমাল ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
বক্তারা বলেন, বাজারে অভিযান পরিচালনা কিংবা সাময়িক পদক্ষেপ নিলেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো সম্ভব নয়। বাজার ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত, সিন্ডিকেট ও কারসাজি বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম রাখতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি বন্ধ, হয়রানি ও নির্যাতনের অবসান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আগামী দিনে রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন এনসিপির নেতারা।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে জেলা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁদের দাবিসংবলিত একটি লিখিত স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসের শেষের দিকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)’র অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরবেন।
আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও রূপরেখা তুলে ধরবেন—নতুন বাংলাদেশ কেমন হবে, সে বিষয়টি তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করবেন।’
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন। এই সময়ের মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠকসহ তার ব্যস্ত কর্মসূচি রয়েছে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং কীভাবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত হয়েছে, তা তুলে ধরবেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার চিন্তা ও ভাবনা বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন এবং বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই সমাধান ও বিভিন্ন সংকটের সমাধানে বাংলাদেশ কীভাবে একটি প্রভাবশালী ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চায়, তার রূপরেখাও তুলে ধরবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনীতিতে নতুন আশার সঞ্চার এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেতৃত্ব—বিশেষ করে জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়ে বাংলাদেশের ভূমিকা গুরুত্ব পাবে।
হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, সফরকালে রোহিঙ্গা সংকটও বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও একটি সাইড ইভেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি সাইড ইভেন্ট আয়োজন করব।’ দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে বাংলাদেশ তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকসহ সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক প্রায়ই শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত হয়।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়া।’
হুমায়ুন কবির জানান, এ সমাবেশে বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনা করবে। চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হওয়া বৈঠকগুলোর বিস্তারিত যথাসময়ে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ