ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের মতই গড়াচ্ছে ভারতের বিক্ষোভ, পরিণতিও কি একই হবে?


বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের মতই গড়াচ্ছে ভারতের বিক্ষোভ, পরিণতিও কি একই হবে?
 
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সীমাহীন দুর্নীতি ও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ভারতের বর্তমান রাজনীতিকে ব্যঙ্গ করে তৈরি হওয়া ও উত্তাল ছাত্র বিক্ষোভের রাজনৈতিক অনলাইন প্লাটফর্ম ভারতীয় ককরোচ পার্টির দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া ছোট্ট আন্দোলন এখন খুব দ্রুতই গোটা ভারতে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।

এতে এখন শুধু ছাত্র-ছাত্রীরাই নয়, বরং পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তথা দক্ষিণ ভারতের তামিল সিনেমা ও ভারতের বলিউডের অভিনেতা অভিনেত্রীগণ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, সোস্যাল এক্টিভিস্ট এবং এলিট ক্লাসের লোকজন থেকে শুরু করে পুলিশের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সাবেক সামরিক বাহিনীর সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণীর মানুষের সাথে লক্ষ লক্ষ সাধারণ নাগরিকও অংশগ্রহণ করছেন এবং আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা ও সরকারের অবস্থান ঠিক যেন বাংলাদেশের ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের মতোই একই পথে গড়াচ্ছে।

ছাত্রদের অনড় দাবির মুখে ভারত সরকার নমনীয় মনোভাব না দেখিয়ে শক্তি প্রয়োগ করে বিক্ষোভ দমন করতে চাচ্ছে। এতে করে ছাত্রদের উপর পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, জল কামান এমনকি গুলি করতেও দেখা গেছে। এতে করে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী আহত হচ্ছে। একারণে এই বিক্ষোভ দুর্বল না হয়ে যেন আগ্নেয়গিরির লাভার মত আজ গোটা ভারতে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রদের আন্দোলনের সুশৃংখল পদ্ধতি, একটার পর একটা নতুন দাবি কিংবা অনেক দাবির পর অল্প দাবি, তারপর অবশেষে কি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের মতো এক দফা সরকার পতনের আন্দোলনের মতোই পরিণত হবে? নরেন্দ্র মোদির পরিণতিও কি শেখ হাসিনার মত সেদিকেই যাচ্ছে?

রাজনীতির ইতিহাসে ছাত্রসমাজ বহুবার এমন এক শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যারা ক্ষমতার অলিন্দে বসে থাকা শাসকদের মনে প্রথম অস্বস্তির সঞ্চার করেছে। তাদের হাতে অস্ত্র থাকে না, কিন্তু থাকে প্রশ্ন; থাকে প্রতিবাদের ভাষা; থাকে ভবিষ্যৎকে নতুন করে কল্পনা করার সাহস।

বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলন দেখিয়েছিল, একটি ছাত্রনির্ভর আন্দোলন কীভাবে ধাপে ধাপে নিজেদের দাবি সংগঠিত করতে পারে। প্রথমে নির্দিষ্ট ইস্যু, তারপর জনসম্পৃক্ততা, এরপর বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রশ্ন—এভাবেই আন্দোলনের পরিধি বিস্তৃত হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভারতের সাম্প্রতিক বিভিন্ন ছাত্রবিক্ষোভ ও তরুণদের সংগঠিত হওয়ার প্রচেষ্টাকে ঘিরেও এখন তুলনামূলক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সংগঠন, দুর্নীতিবিরোধী বক্তব্য, সমন্বিত কর্মসূচি এবং ধাপে ধাপে আন্দোলন বিস্তারের কৌশল—এসব কারণে অনেকে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজছেন। তবে দুই দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সাংবিধানিক কাঠামো, দলীয় শক্তির ভারসাম্য এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট এক নয়; তাই সরল সমীকরণ টানা সহজ নয়।

তবু একটি বিষয় স্পষ্ট—যখন কোনো রাষ্ট্রে তরুণদের বড় একটি অংশ মনে করে যে তাদের কণ্ঠ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না, তখন আন্দোলন কেবল একটি দাবিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। তা ধীরে ধীরে আস্থা, জবাবদিহি এবং শাসনব্যবস্থার বৈধতা নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্নে রূপ নিতে পারে।

ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিও সেই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে দেশটিকে। ছাত্রদের অসন্তোষ কত দূর যাবে, তাদের দাবি কীভাবে রূপান্তরিত হবে, কিংবা তা শেষ পর্যন্ত জাতীয় রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে—এসব প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ইতিহাস অবশ্য একটি শিক্ষা বারবার দেয়: কোনো সরকার শুধু প্রশাসনিক শক্তির ওপর নির্ভর করে দীর্ঘদিন জনমতের সংকট মোকাবিলা করতে পারে না। আবার এটিও সত্য যে প্রতিটি আন্দোলনের গতিপথ ভিন্ন, এবং কোনো দেশের অভিজ্ঞতা হুবহু আরেক দেশে পুনরাবৃত্তি হয় এমন টা বলা যাবে না, তবে ভারতের ছাত্র জনতার আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়েও দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে।

তাই আজকের বড় প্রশ্নটি হয়তো এটি নয় যে, ইতিহাস নিজেকে অবিকল পুনরাবৃত্তি করবে কি না; বরং প্রশ্ন হলো, ভারতের ছাত্রসমাজ যে নতুন রাজনৈতিক ভাষা তৈরি করছে, সেটি কি দেশটির গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? উত্তর ভবিষ্যতের হাতে, কিন্তু সেই ভবিষ্যতের বীজ যে বর্তমানের প্রতিবাদে রোপিত হচ্ছে—তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই,-ভারতের বর্তমান আন্দোলনের উত্তাল ও বিষ্ফোরণ্মুখ পরিস্থিতি দেখে এমন কথা বলা মনে হয় অমূলক হবে না।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


কলকাতায় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে শুক্রবার কলকাতায় বেশ কিছু ছাত্র সংগঠনগুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। বিক্ষোভ চলাকালীন আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। খবরটি নিশ্চিত করেছে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।

এদিকে, আন্দোলনকারীরা ধর্মতলার (এসব্লানেড) ডোরিনা ক্রসিং এলাকা অবরুদ্ধ করে রাখে, এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে জুতো এবং পানির বোতল ছুড়ে মেরে ছিল বলেও জানা গেছে।

আরো জানা গেছে, লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাসের শেল ছোঁড়ার পরেও পুলিশ ওই এলাকা থেকে আন্দোলনকারীদের পুরোপুরি সরাতে সক্ষম হয়নি। আন্দোলনকারীরা পূর্ণ দস্তুরে নিজেদের বিক্ষোভ চালিয়ে গেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ, যারা নিজেদের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থক বলে দাবি করেছিল এবং তারা একটি পৃথক প্রতিবাদ মিছিল করার জন্য পুলিশের অনুমতি না পেয়ে নিজেদের সমাবেশ বাতিল করে দিয়েছিল। পরে, তারা ধর্মতলায় মিছিলের শেষ প্রান্তে বাম কর্মীদের সাথে যোগদান করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালক ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী অঞ্চল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালক ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী অঞ্চল

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ইভেন্টের প্রথম আসরের সমাপনী দিনে ক্রিকেটের রোমাঞ্চকর ফাইনালে রাজশাহী অঞ্চল জয় তুলে নিয়ে বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বৃষ্টির আগমনের পরেও নাটকীয়তার কোনো অভাব ছিল না। কাকতালীয়ভাবে ১৯ রানের ব্যবধানে জয় পেয়ে ট্রফি হাতে তুলে নেয় রাজশাহী।

ফাইনালের মেগা মঞ্চে টস জিতে রাজশাহী অঞ্চল আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাটিংয়ে নেমেই রংপুর অঞ্চলের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান রাজশাহীর ব্যাটার মোহাম্মদ শারাফাত সাদিদ। নির্ধারিত ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয় রাজশাহী।

এই পাহাড়সম রান গড়ার পেছনে মূল নায়ক ছিলেন ম্যাচসেরা সাদিদ। তিনি মাত্র ২৬ বলে ৫টি চতুঃরাগ এবং ৮টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার সাহায্যে অসম্পূর্ণ ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন।

১৩৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে রংপুর অঞ্চল শুরু থেকেই রাজশাহীর আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে চাপের মধ্যে পড়ে। ম্যাচের মাঝপথে হঠাৎ করেই বৃষ্টি আসে এবং ডিএলএস (DLS) পদ্ধতির কারণে খেলার দৈর্ঘ্য কমিয়ে ৩ ওভারে আনা হয়। ফলে রংপুরের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭ রান।

এই সংক্ষিপ্ত মাত্রার ওভারে রংপুর ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। এর ফলে ডিএলএস পদ্ধতিতে ১৯ রানের জয় নিয়ে রাজশাহীর ক্রিকেটাররা আনন্দে মেতে ওঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালিকা ক্রিকেটে শিরোপা জিতল ঢাকা অঞ্চল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরে বালিকা ক্রিকেটে শিরোপা জিতল ঢাকা অঞ্চল

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ইভেন্টের প্রথম আসরে, টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে, ক্রিকেটে রোমাঞ্চকর ফাইনালে জয় তুলে নিয়ে, বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ঢাকা অঞ্চল।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালেই, বৃষ্টি হানা দিলেও নাটকিয়তার কোনো কমতি ছিল না। কাকতালীয়ভাবে, ১৯ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে রাজধানীর দলটি।

বৃষ্টির কারণে, বালিকা বিভাগের ফাইনালটি নামিয়ে আনা হয় ৫ ওভারে। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে, ঢাকা অঞ্চল শুরুতেই ধাক্কা খায়। ইনিংসের প্রথম ওভারেই, নুসরাত জাহান জুথির বোলিং তোপে, দুই উইকেট (রওনক জাহান নওশিন ও আফরোজা জাহান মিম) হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে ঢাকা।

তবে বিপদের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক আফনান জামান আথাই। ১১ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে, অপরাজিত ২৩ রান উপহার দিয়ে, দলকে ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রানের লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি।

৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, ঢাকা অঞ্চলের বোলার রিয়া মনির ধারালো বোলিং এবং দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের সামনে, ধসে পড়ে ময়মনসিংহের ব্যাটিং লাইনআপ।

নিজের প্রথম ওভারেই, ময়মনসিংহের অধিনায়ক নাদিয়া আক্তারকে বোল্ড করেন রিয়া। পরবর্তীতে, সাদিয়া আফরিনকেও সাজঘরে ফিরিয়ে দেন তিনি। এর মাঝে, পরপর তিনটি রানআউটে ময়মনসিংহের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে।

মাত্র ২০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা ময়মনসিংহ আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৫ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯ রানেই থেমে যায় তাদের ইনিংস। ফলে, ১৯ রানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়ে, চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা অঞ্চল।

২ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রিয়া মনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


যমুনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যমুনা নদী বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য নদী। এই নদীর চারপাশের এলাকা ভাঙনরোধে কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ হাজারেরও বেশি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। তবে ভাঙন রোধের উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের সাখারিয়া এলাকায় টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাঙন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নদীর নাব্যতা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং সেটি যাতে ঠিক রাখা যায় সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে খাল খনন এবং নদী খনন কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল ও নদী খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। নদীর গতিপথ যদি সঠিক অবস্থায় থাকে, তাহলে ভাঙন হবে না।

তিনি আরও বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকারের লুটপাট এবং দুর্নীতির কারণে দেশের জনগণের আন্দোলনের ফলস্বরূপ তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে। তাই তাদের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করা হবে। সামনে একটি মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগিয়ে চলছে।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুস ছালাম পিন্টু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দীন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার বিকাল থেকে গোপালপুর উপজেলার সাখারিয়া যমুনা নদীর ২৫ মিটার অংশে ভাঙন শুরু হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৮০ মিটার ভেঙে গেছে। এর ফলে ওই সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভাঙন রোধের জন্য জিও ব্যাগ ফেলে কাজ করছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%