ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এপিবিএনকে আরও জনবান্ধব করতে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন


এপিবিএনকে আরও জনবান্ধব করতে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এভাবে বাহিনীটিকে আরও জনবান্ধব করার উদ্দেশ্যে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ ১৯৭৯-এর অধীনে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশটি যুগোপযোগী করে বাংলায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এই খসড়া আইনটি জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানাচ্ছে, প্রস্তাবিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, বিদ্যমান অধ্যাদেশকে রহিত করে এ অধ্যাদেশের অধীনে কার্যক্রমের হেফাজতের বিধান রাখা হয়েছে এবং বাংলায় আইনটি যুগোপযোগী করা হয়েছে। পুলিশ বাহিনীর অধীনে এ ব্যাটালিয়নকে একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

এ ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা করা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, সরকার ঘোষিত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা প্রদান করা, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন-সাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত এবং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাবও জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন ও বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভা-বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি: অ্যাটর্নি জেনারেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ চট্টগ্রামে রেল যোগাযোগে নতুন গতি আনবে ডুয়েলগেজ রেললাইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


দক্ষিণ চট্টগ্রামে রেল যোগাযোগে নতুন গতি আনবে ডুয়েলগেজ রেললাইন

চট্টগ্রাম, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে দেশের উত্তর, পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের সমন্বয় বাড়ানোর জন্য চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইন ডুয়েলগেজে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

৫৯ দশমিক ৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিটারগেজ রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তরের ফলে একই লাইনে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ-উভয় রকমের ট্রেন চলাচল করতে সক্ষম হবে যা দক্ষিণ চট্টগ্রামে রেল চলাচলে নতুন গতি আনতে পারে।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম ইসমাইল খান বলেন, এতে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দেশের উত্তর, পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের রেল যোগাযোগ উন্নত ও কার্যকর হবে, সেইসঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামে শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি ও পর্যটনে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমবে এবং সড়কপথের ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগের সক্ষমতা বাড়বে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতেও একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দ্রুত পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে সড়কে যানজট কমে যাবে এবং শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

তবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ, জলাবদ্ধতা, শব্দদূষণ এবং স্থানীয় জনগণের চলাচলে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা এসব বিষয় যথাযথভাবে নজরদারি করার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডুয়েলগেজে রূপান্তরের পাশাপাশি বিদ্যমান সেতু, কালভার্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম, লুপ লাইন, লেভেল ক্রসিং, সিগন্যালিং এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা অবকাঠামোও শক্তিশালী করা হবে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মঞ্জুরুল কবিরিয়া বলেন, নির্মাণকালের সময় পরিবেশগত প্রভাব কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পানি ছিটানো, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশেপাশে গ্রহণযোগ্য মাত্রার শব্দ নিশ্চিত করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজনে কোনো গাছ কাটতে হলে অনেক গাছের বিপরীতে নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা বন উজাড়, বায়ু ও শব্দদূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত পরিবেশগত পর্যবেক্ষণের দাবি করেছেন।

ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে প্রকল্প কর্মকর্তারা বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। জমি, স্থাপনা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি গ্রিভ্যান্স রিড্রেসাল ম্যানেজমেন্ট কমিটি (জিআরএমসি) গঠন করা হবে, যাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে, উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় এনজিওর প্রতিনিধিরা থাকবেন।

চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন অপরিহার্য হলেও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় পরিবেশের ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করা হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বাসস’কে বলেন, ডুয়েলগেজ রেললাইন চালু হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও গতিশীল হবে। একইসঙ্গে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, ডুয়েলগেজ রেল যোগাযোগ চালু হলে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন হবে এবং শিল্প ও বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল শিল্প ও কৃষিপণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে এবং লজিস্টিক ব্যয়ও কমে আসবে। পাশাপাশি সড়কে যানজট কমার ফলে পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও প্রকল্পটি সহায়তা করবে।

প্রকল্প পরিচালক মো. আসাদুল হক বলেন, চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইন সম্পূর্ণ ডুয়েলগেজে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের রেল যোগাযোগের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় উভয়ই কমবে। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি দক্ষিণ চট্টগ্রামে শিল্প, কৃষি, পর্যটন ও বাণিজ্য খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। তবে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের মতামত ও উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ) প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত নিয়ে আলোচনায় চীন সফরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


সীমান্ত নিয়ে আলোচনায় চীন সফরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : ভারতের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা অজিত দোভাল সোমবার হিমালয় সীমান্ত আলোচনা করার জন্য বেইজিং পৌঁছেছেন। এ সফরটি আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নয়াদিল্লির আশা রয়েছে, সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপস্থিত থাকবেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন। নয়াদিল্লি থেকে জানা গেছে যে, বার্তা সংস্থা এএফপি এ হয়ে খবরটি প্রচার করেছে।

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, ‘ভারত-চীন সীমান্ত বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি দোভাল আজ দুপুরের পর দুই দিনের সফরে বেইজিং পৌঁছেছেন।’ এছাড়াও দোভাল চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। ২০২০ সালের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর থেকে এই দুই দেশ সীমান্ত নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘এই বৈঠকে দুই দেশের নেতাদের মধ্যে হওয়া ঐকমত্যের ভিত্তিতে উভয় পক্ষ সীমান্ত বিষয় নিয়ে গভীর যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা যৌথভাবে রক্ষা করবে।’

দুই এশীয় পরাশক্তির মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বা ২ হাজার ১৭৫ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। অতীতে উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে ভূখণ্ড দখলের চেষ্টা করার অভিযোগে মামলা করেছে।

ভারতের প্রধান বিরোধী দল চলতি মাসের শুরুতে বলেছিল, ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তারা ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ এ সম্পর্কে যে জুলাইয়ের শেষের দিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশে ভারত ও চীনের সেনা টহলদল মুখোমুখি হয়েছিল। ভারত সরকার সেই প্রতিবেদনে মন্তব্য প্রকাশ করে প্রত্যাখ্যান করেছে।

চীন অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে, অন্যদিকে ভারত বলছে, এই রাজ্যটি তাদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস এখনও বিদ্যমান থাকলেও সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে। এর মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল এবং সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানীতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য, বাণিজ্য এবং পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থার বিস্তৃত গুরুত্ব দেওয়া হবে এমন ধারণা রয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমা শক্তির প্রভাবাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে বড় উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি ফোরাম হিসেবে ২০০৯ সালে ব্রিকস প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরুতে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গঠিত এই জোট পরে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি উপকূলে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাতে ট্যাংকারে আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


সৌদি উপকূলে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাতে ট্যাংকারে আগুন

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : সৌদি আরবের লোহিত সাগরের উপকূলে সোমবার একটি ট্যাংকারে অজ্ঞাত বস্তু দ্বারা আঘাত হানার ফলে আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই বিষয়ে একটি ব্রিটিশ সামুদ্রিক সংস্থা তথ্য প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ‘কোম্পানির নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একটি ট্যাংকারে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানায় জাহাজের মূল ডেকে আগুন ধরে গেছে। সকল ক্রু নিরাপদে আছেন এবং তাদের হিসাব পাওয়া গেছে। পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাবের খবর পাওয়া যায়নি।’

দুবাই থেকে খবর প্রবাহিতকারী এএফপি সংবাদ সংস্থা এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থার জানানো মতে, সৌদি শহর ইয়ানবুর থেকে ৬৩ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে এই ঘটনাটি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেপ্টেম্বরে ফিনল্যান্ডে বসছে ইইউ নেতাদের আর্কটিক সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


সেপ্টেম্বরে ফিনল্যান্ডে বসছে ইইউ নেতাদের আর্কটিক সম্মেলন

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কেন্দ্র হয়ে ওঠা আর্কটিক অঞ্চল নিয়ে সেপ্টেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের একটি সম্মেলন আয়োজন করবে ফিনল্যান্ড। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শহর রোভানিয়েমিতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার দেশটি এ তথ্য দিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করে ফেলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে দাবি আছে, তা এবং আর্কটিক দিয়ে চলাচলকারী একটি পথে চীনের একটি কনটেইনার জাহাজ পাঠানোর ঘটনায় আর্কটিক অঞ্চল নিয়ে ব্যাপক মনোযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

হেলসিঙ্কি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেত্তেরি অরপোর অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বরের সম্মেলনের লক্ষ্য হলো ‘আর্কটিক অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব দ্রুত বাড়ার প্রেক্ষাপটে এ অঞ্চল নিয়ে ইইউর অভিন্ন কৌশলগত অবস্থান আরও জোরদার করা।’

সম্মেলনে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনসহ ইইউ নেতারা অংশগ্রহণ করবেন। ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কায়া কালাস এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তাও উপস্থিত থাকবেন।

অরপো বিবৃতিতে বলেন, ‘ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আর্কটিক অঞ্চল ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।’

তিনি আরও জানান, ‘এর স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থ রয়েছে। ইইউর বিভিন্ন নেতাকে নিয়ে এসব বিষয় নিয়ে একসঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত মূল্যবান।’

সমুদ্রের বরফ গলে যাওয়ার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদে প্রবেশের সুযোগ বাড়ছে এবং নতুন নৌপথ উন্মুক্ত হচ্ছে। ফলে আর্কটিকের কৌশলগত গুরুত্বও বেড়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%