ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমিষের ঘাটতি পূরণে দেশের মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার


আমিষের ঘাটতি পূরণে দেশের মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, দেশের মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে সারাদেশে মৎস্য চাষের ধারাবাহিকতায় সংসদ ভবন লেকে পর্যায়ক্রমে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে।

স্পিকার আজ সংসদ ভবন লেকে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

স্পিকার আরও বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকা মৎস্য উৎপাদন ও আহরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদ ভবন লেকে মাছ চাষের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জনগণ মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠবেন।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মাছ-মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে’ ও ‘মাছে-ভাতে বাঙ্গালি’ বাস্তবায়নে দেশের সকল আনাচে-কানাচে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।

সংসদ ভবন লেকে মোট ১২০০ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হবে। এর ধারাবাহিকতায় আজ ২৫০ কেজি রুই, মৃগেল, কাতলা ও কালিবাউশ জাতীয় পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলে নবজাতককে সোনার আংটি, কারা পাবেন সুবিধা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলে নবজাতককে সোনার আংটি, কারা পাবেন সুবিধা?

ভারতের তামিলনাড়ু সরকার সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলে নবজাতককে এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি দেওয়ার একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই উদ্যোগের নাম ‘থাই মামান থাঙ্গা মোথিরাম থিট্টাম’ বা ‘মাতুলের সোনার আংটি প্রকল্প’। প্রকল্পের আওতায় ২২ ক্যারেটের সোনার আংটি নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী নবজাতকেরা পাবেন।

মাদুরাইয়ের সরকারি রাজাজি হাসপাতালে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে, যার প্রথম ধাপে ১ লাখ ২৮ হাজার সোনার আংটি প্রস্তুত করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এ জন্য বছরে ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি বরাদ্দের কথা জানিয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া নবজাতকেরা সুবিধা পাবেন। তবে এই সুবিধা পেতে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, শিশুর মাকে তামিলনাড়ুর স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। দ্বিতীয়ত, তাঁকে ‘প্রেগন্যান্সি অ্যান্ড ইনফ্যান্ট কোহর্ট মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন’ (PICME) ব্যবস্থায় নিবন্ধিত থাকতে হবে। এছাড়া মায়ের ‘রিপ্রোডাক্টিভ অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ’ (RCH) আইডি থাকা বাধ্যতামূলক।

২০২৬ সালের ২২ জুন বা এর পর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুরা এই সুবিধার আওতায় পড়বে। প্রকল্প উদ্বোধনের আগেই জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুদের জন্য বিশেষ বিতরণব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি সোনার আংটিতে আলাদা সিরিয়াল নম্বর থাকবে এবং আংটিগুলো বিশেষ প্যাকেটে সরবরাহ করা হবে, যাতে প্যাকেট খোলা হয়েছে কি না, তা শনাক্ত করা যায়।

প্রকল্প উদ্বোধনের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের আংটি বিতরণে তামিলনাড়ুর ১০৭টি হাব বা বিতরণকেন্দ্র ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০০ শিশুকে আংটি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, প্রকল্প চালুর পর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময় আংটি দেওয়ার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

তামিলনাড়ু সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নবজাতককে সোনার আংটি উপহার দেওয়া নয়। বরং মাতৃত্বকে সম্মান জানানো, গর্ভবতী নারী ও মায়েদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্মদানে পরিবারগুলোকে উৎসাহিত করা। তামিল সংস্কৃতিতে শিশুর জন্মের পর মায়ের ভাই, অর্থাৎ মামার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। সেই পারিবারিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেই প্রকল্পটির নাম ‘থাই মামান থাঙ্গা মোথিরাম’ রাখা হয়েছে।

রাজ্যের মন্ত্রী অরুণ রাজ বলেন, সন্তান জন্মের পর একজন মামা তাঁর বোন ও নবজাতকের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার সেই সম্পর্কের প্রতি সম্মান জানাচ্ছে।

তবে বিরোধী শিবির প্রকল্পটি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। ডিএমকের নেতা টিকে এস এলাঙ্গোভান বলেছেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় যখন বাড়ছে, তখন বিনা মূল্যে সোনার আংটি দেওয়া তাঁদের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করবে না। তিনি কৃষকদের দুর্ভোগ ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাছাড়া সোনার আংটি কেনার কাজে তামিলনাড়ু মেডিকেল সার্ভিসেস করপোরেশনকে ব্যবহার করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংস্থাটি সাধারণত ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী কেনার দায়িত্ব পালন করে। ফলে নবজাতকদের জন্য সোনার আংটি কেনার ক্ষেত্রে এই সংস্থাকে ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্পটিকে মাতৃত্বের সম্মান ও জনস্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হলেও এর ব্যয়, বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেরিন ড্রাইভ সড়কে চান্দের গাড়ি দুর্ঘটনায় ঢাকার ব্যবসায়ী নিহত, স্ত্রী-সন্তানসহ আহত ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


মেরিন ড্রাইভ সড়কে চান্দের গাড়ি দুর্ঘটনায় ঢাকার ব্যবসায়ী নিহত, স্ত্রী-সন্তানসহ আহত ১৩

মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি এলাকায় একটি চান্দের গাড়ির দুর্ঘটনায় ঢাকার ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান হাবিব নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায়, ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমানের স্ত্রী ও সন্তানসহ আরও ১৩ জন পর্যটক গুরুতর আহত হয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা ১৪ জনের একটি পর্যটক দল বিকেল ৪টার দিকে চান্দের গাড়িতে করে কক্সবাজার থেকে ইনানীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যখন তারা হিমছড়ি এলাকায় পৌঁছায়, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা দেয়, ফলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই হাবিবুর রহমানের মৃত্যু ঘটে।

নিহত হাবিব ঢাকার মহাখালী রসুলবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ঠিকাদারি ব্যবসায়ী ছিলেন। দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী শারমিন এবং ছেলে সাফওয়ান মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তাদের সাথে থাকা অন্য ১৩ জন পর্যটকও আহত হয়েছেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে দুর্ঘটনাকবলিত চান্দের গাড়িটি একটি কাভার্ড ভ্যানে করে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহত হাবিবের মরদেহ এবং আহত পর্যটকদের নিয়ে ১টি লাশবাহী গাড়ি ও ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। নিহতকে উদ্ধার করে পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কক্সবাজার সদর থানার পুলিশের সাথে সমন্বয় করা হয় এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌরিতানিয়ার উপকূলে ২৫০ জনের বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


মৌরিতানিয়ার উপকূলে ২৫০ জনের বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী উদ্ধার

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মৌরিতানিয়ার কোস্টগার্ড রোববার দেশটির আটলান্টিক উপকূল থেকে দুটি নৌযানে থাকা ২৬০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৭ জন শিশু রয়েছে।

কোস্টগার্ডের তথ্য অনুযায়ী, অভিবাসন প্রত্যাশীরা গাম্বিয়ার বানজুল থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন দুটি নৌযানে। খাবার শেষ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি ও নৌযান চালনায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

নুয়াকশট থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর নিশ্চিত করেছে।

কোস্টগার্ড জানায়, প্রায় সাত দিন সাগরে থাকার পর তাদের নুয়াকশটের উপকূলে উদ্ধার করা হয়।

একটি বিবৃতিতে কোস্টগার্ড উল্লেখ করে, উদ্ধার হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে ১৩২ জন সেনেগালের নাগরিক, ১২০ জন গাম্বিয়ার নাগরিক, চারজন গিনির নাগরিক এবং পশ্চিম আফ্রিকার অন্যান্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নৌযান দুটিতে ১৭ শিশুর পাশাপাশি ৬১ জন নারীও ছিলেন।

প্রতি বছর ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য হাজার হাজার তরুণ অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও প্রায় জরাজীর্ণ নৌযানে করে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের বিপজ্জনক পথে যাত্রা করেন।

অনেকেই দারিদ্র্য থেকে পালাতে এই পথে পা বাড়ান। ইউরোপের দেশগুলো ভিসা দেওয়া কঠোরভাবে সীমিত করায় এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করায় তারা গোপনে এই বিপজ্জনক যাত্রার পথ বেছে নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানের মসজিদের শৌচাগার থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


বান্দরবানের মসজিদের শৌচাগার থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বাইশারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের শৌচাগার থেকে আবুল কালাম আবু (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মসজিদের শৌচাগারের টিনের চালের আড়ের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবুল কালাম আবু রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়বিল এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে। তিনি বাইশারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে একটি মুদির দোকান পরিচালনা করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়রা সকালে মসজিদের শৌচাগারের টিনের চালের আড়ের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় আবুল কালামের মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

বাইশারী বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আবদুল করিম বান্টু বলেন, "আবু অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা ব্যবসায়ীরাও আতঙ্কিত। এটি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা এখনই বলা কঠিন।"

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মনজুরুল আহসান বলেন, "খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ব্যবসায়িক আর্থিক সমস্যা কিংবা পারিবারিক কোনো সমস্যার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।"

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, "প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।"

এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাইশারীর ছাদুঅং পাড়ার একটি বৌদ্ধ বিহারের মাঠ থেকে কাঠ ব্যবসায়ী জাফর আলম বাবুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় দুই ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে আবুল কালামের মৃত্যু ও জাফর আলম বাবুলের মৃত্যুর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%