ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শিক্ষার্থীদের জন্য ১ জানুয়ারি থেকে বিনামূল্যে জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ


শিক্ষার্থীদের জন্য ১ জানুয়ারি থেকে বিনামূল্যে জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ

শিক্ষার্থীদের দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ডিএসসিসি এলাকার সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির বা সমমানের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে বিনামূল্যে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরসহ ঢাকার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে। এই কার্যক্রম আগামী ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।

মঙ্গলবার নগর ভবনে এ বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিএসসিসির একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সময় ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, ‘এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হলো। আমরা চাই, ইতিহাস ও সংস্কৃতিচর্চার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমিক, মানবিক ও সংস্কৃতিমনস্ক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠুক।’

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নান্দনিকতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।’

আরও পড়ুন: মিরপুরে কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ, যুবক দগ্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও দুই পরিচালকের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও দুই পরিচালকের পদত্যাগ

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মহসিন মিয়া, যাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল, অবশেষে পদত্যাগ করেছেন। তাদের পদত্যাগপত্র বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

পদত্যাগের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং এসএম আব্দুল হামিদকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে। সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. আতাউর রহমানকে চেয়ারম্যান এবং সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মো. মহসিন মিয়াকে নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান করে পাঁচ সদস্যের পর্ষদ গঠন করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গত বছরের একটি পরিদর্শনে সুদ মওকুফসহ বিভিন্ন অনিয়মে তাদের সম্পৃক্ততা উঠে আসলে পরিদর্শক দল তাদের অপসারণের সুপারিশ করে। পরবর্তীতে আরেকটি পরিদর্শনে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর সম্প্রতি তাদের পদত্যাগ করতে বলা হয়।

এদিকে, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে ড. মো. রফিকুল ইসলাম ও এস এম আব্দুল হামিদ, এফসিএ কে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ও ৪৭(৩) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে: জিল্লুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে: জিল্লুর রহমান

মাদক নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল অর্জন করা সম্ভব নয়। মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করার জন্য অপরাধীদের জন্য একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি (চার্জ) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক এক নীতিসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান উল্লেখ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। এই লক্ষ্যে রাষ্ট্র, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে রেলওয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, মাদক কারবারিরা পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমকে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে ব্যবহার করে। রেলপথও তাদের কাছে মাদক পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হয়ে উঠতে পারে। বিশাল রেল নেটওয়ার্ক, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীর চলাচল এবং বিভিন্ন স্টেশনে মানুষের অবাধ যাতায়াতের কারণে নজরদারি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে এই বিষয়টি মোকাবেলা করে যাচ্ছি।"

তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু বাহককে গ্রেপ্তার করলে হবে না। কারা মাদকের চালান সংগ্রহ করছে, কারা অর্থায়ন করছে এবং কারা এর পেছনে থেকে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। মাদক চোরাকারবারিদের জন্য একটি সেন্ট্রাল ডেটাবেজ তৈরি করতে হবে। যেখানে আইনপ্রয়োগকারী সকল সংস্থা একজন মাদক ব্যবসায়ীকে মুহূর্তেই চিহ্নিত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরির জায়গাও। মাদক প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম, কাউন্সেলিং এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ মাদকে জড়িয়ে পড়লে তাকে শুধু শাস্তির আওতায় আনার চিন্তা না করে কেন সে মাদকের দিকে ঝুঁকছে, তা চিহ্নিত করতে হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ক্যাম্পাস এবং এর আশপাশে মাদক কেনাবেচার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল বলেন, মাদক নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শুধু অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করলে তার সামাজিক পুনর্বাসনের পথ কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, "মাদকাসক্তি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। তাই মাদক কারবারি ও মাদকাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য করে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, মাদকের বিস্তার নিরসনে সবাইকে আলাদা আলাদা এম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতে হবে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন। কিন্তু এই উদ্যোগ এখনো যথার্থ নয়।

তিনি বলেন, "একটি মানুষ হতাশা থেকে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়েন। সত্যিকারের মূল্যবোধের অভাবেই মানুষ মাদকের দিকে পা বাড়ায়।" মানুষের হতাশা কাটাতে হলে মূল্যেবোধে ফিরতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন ছাড়া মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। পরকালীন জীবনের মহাসত্যের দিকে আমাদের যেতে হবে; মানুষকে আগে মানুষ হতে হবে; তবেই মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের প্রজন্মকে রক্ষা করা যাবে।

নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক কর্নেল (অব.) কাজী শরীফ উদ্দিন বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। মাদক কারবারের সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলে সেগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। তিনি বলেন, "শুধু দৃশ্যমান অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে মাদকের বিস্তার বন্ধ করা যাবে না।" মাদক সরবরাহের অর্থনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন আইনের বাইরে থাকতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাবের মো. সোয়াইব বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলেও শুধু অভিযান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। অভিযানের পাশাপাশি মাদকের উৎস, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, "মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ অনেক সময় তথ্য দিতে ভয় পান। কারণ, অভিযোগ করার পর তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকে।" এ ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তথ্যদাতাদের আস্থায় নেওয়া জরুরি। এ বিষয় ঢাকা জেলা প্রশাসন হ্যালো ডিসি নামে একটি নাগরিক সেবার প্লাটফর্ম তৈরি করেছে।

রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হসপিটালের মনোরোগ বিভাগের চিফ কনসালট্যান্ট ডা. এস এম কবির জুয়েল বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে শুধু ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মনোসামাজিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মাদকাসক্তির চিকিৎসায় রোগীর পাশাপাশি পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও পুনরায় মাদকে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ জন্য নিয়মিত ফলোআপ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকা জরুরি।

দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও কাউন্সেলরের সংখ্যা বাড়াতে হবে। চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং সেবার মান নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় না করে চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাহসিফ হত্যা মামলায় বন্ধু দীপের ৩ দিনের রিমান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৪ এম


তাহসিফ হত্যা মামলায় বন্ধু দীপের ৩ দিনের রিমান্ড

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কেএম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামী আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশ্যে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত মঙ্গলবার এই আদেশ প্রদান করেন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে উপস্থিত করা হয় তাকে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন তাকে আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে, আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের জন্য শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর আগে, শনিবার এ মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আসামী দীপের জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং আসামী যাতে জামিনে বের হয়ে তদন্তে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হয়ে তাহসিফ নিখোঁজ হন। পরদিন বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামী করে রাজধানীর উত্তরখান থানায় ৩০ অক্টোবর রাতে মামলা দায়ের করেন তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। পরবর্তীতে এ মামলায় দীপকে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ পর্যবেক্ষণ করছে: জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৪ এম


দিল্লি বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ পর্যবেক্ষণ করছে: জয়সওয়াল

বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের পরিস্থিতি ভারত খুবই ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি গতকাল মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন।

ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

জয়সওয়াল বলেন, “আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনুসরণ করে চলেছি। সেখানকার পরিস্থিতির ওপর আমাদের নজর রয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, দূরদর্শী এবং গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।”

ঢাকার একটি সমাবেশে এনসিপি নেতাদের ভারতবিরোধী মন্তব্য এবং বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে প্রভাব ফেলবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ভারত সেখানের সব ঘটনাবলি ও পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

১২ ডিসেম্বর ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এ বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের কোনো বৈঠক বা নতুন কোনো আপডেট আছে কিনা জানতে চাইলে মুখপাত্র জানান, এই মুহূর্তে এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য বা আপডেট শেয়ার করার মতো নেই।

এছাড়া, জয়সওয়াল নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে আসন্ন উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের অবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি একটি স্থায়ী আমন্ত্রণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং এ বিষয়ে কোনো নতুন তথ্য পেলে আপনাদের জানাব।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%