০৪:৫১ পি.এম
পটুয়াখালীর বাউফলে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট) সহকারী প্রোগ্রামার হাসান গাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দরগাবাড়ি এলাকায় ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, হাসান গাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে রাবেয়া বেগমের বণ্টন সংক্রান্ত মামলা পটুয়াখালীর আদালতে চলমান থাকাকালীন আদালত উভয় পক্ষের ওপর ঘর নির্মাণের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। এরপর আদালতে আবেদন করে পুরোনো ঘরের সংস্কারকাজের অনুমতি নেয় হাসান গাজীর পরিবার। কিন্তু তারা সংস্কারের অনুমতি নিয়ে পুরোনো ঘর ভেঙে সেখানে নতুন একতলা ভবন নির্মাণ করেন। নির্মাণকাজ চলাকালে পুলিশ বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘আদালত থেকে সংস্কারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেখানে নতুন পাকা বসতঘর নির্মাণের কাজ করছিলেন। ৯৯৯-এর কল পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে তাদের কাজ করতে নিষেধ করা হয়। তবুও তিনি ভবন নির্মাণ করেছেন।
আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ
বিষয়টি সমাধানের জন্য ভুক্তভোগীকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।’
হাসান গাজী মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার বাবা আদালতের অনুমতি নিয়ে সংস্কারের কাজ করেছেন নাকি অন্য কিছু করেছেন, সেটার সঙ্গে আমি সম্পর্কিত নই। আর রাবেয়া বেগম গং বণ্টন মামলা করেছেন। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতি শুনানিতে সময়ের আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করছেন। এখন আমাদের ঘর ভেঙেচুরে গেছে।
বণ্টন মামলা চলতে পারে ৫০ বছর ধরে। এখন দীর্ঘ সময় আমরা কি রাস্তায় থাকব?’
হাসান গাজীর মায়ের দাবি, নতুন ঘর নির্মাণের জন্য হাসান উচ্চ আদালতের আদেশ এনেছেন। এরপর তারা ঘর নির্মাণ করেছেন।
আরও পড়ুন: বেগম খালেদা জিয়ার নামে সিলেটের পুরানো কারাগারে জায়গায় পার্ক নির্মাণ হচ্ছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন