মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৪ পি.এম
কীর্তনখোলায় স্পিডবোট দুর্ঘটনার পর দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর চালক এবং দুই যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার সকালে নদীর মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি সনাতন চন্দ্র সরকার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী স্থান থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে একজন স্পিডবোট চালক আল আমিন (২৩) রয়েছেন। অন্য দুই যাত্রী ইমরান হোসেন ইমন (২৯) এবং রাসেল আমিন (২৪) হিসেবে স্বজনরা শনাক্ত করেছেন।
চালক আল আমিন ভোলা সদরের ভেদুরিয়ার উত্তর চর এলাকার মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
যাত্রী ইমরান হোসেন ইমন ভোলা সদরের ধনিয়া এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে এবং রাসেল আমিন পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার নেওয়াপাড়া এলাকার আজগর আলী হাওলাদারের ছেলে।
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ওই দুর্ঘটনার পর চারজন নিখোঁজের খবর পাওয়া গিয়েছিল। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর, এখনও বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুর এলাকার দুলাল দাসের ছেলে সজল দাস (৩০) নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার স্বজনরা দাবি করছেন।
এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন চারজনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পূর্বে কীর্তনখোলা নদীর লাহারহাট খালের প্রবেশমুখে জনতার হাট এলাকায় ভোলা থেকে বরিশালগামী যাত্রীবাহী স্পিডবোটের সঙ্গে বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে, যার ফলে যাত্রীসহ স্পিডবোটটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই নদী থেকে উদ্ধার করা জালিস মাহমুদ (৫০) নামের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।
এছাড়াও মানসুর আহমেদ নামে ভোলার দৌলতখান থানার কনস্টেবল আহত হন। অন্য যাত্রীরা সাতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
দুর্ঘটনার পর নৌ-পুলিশের সদস্য বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে বাল্কহেডের চালককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে। শনিবার বেলা এগারোটার দিকে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রায় পাঁচ শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেন। এ সময় মহানগর বিএনপির সিনিয়র সদস্য নুরুল আলম ফরিদ, সদর উপজেলা ছাত্রদল নেতা উজ্জ্বল হোসেন, এবং আব্দুর রহমান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আহবায়ক ডা. আমিনুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানার চন্ডিপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৬) কে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ আজ বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে। ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মারুফ হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, জানিয়ে বলেন, শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে এই গ্রেপ্তারটি করা হয়েছে।
মোঃ শহিদুল ইসলাম মৃত মোসলেম আলী হাওলাদারের পুত্র এবং চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে বগুড়া জেলার 'বেস্ট ইনভেস্টিগেটিং অফিসার' হিসেবে বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার লাভ করেছেন। তাকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয় একটি চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস শিশু হত্যা এবং চুরির মামলার রহস্য অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে ও দক্ষতার সাথে উদঘাটন করায়।
সোমবার রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ আশিক সাঈদ তার কার্যালয়ে জয়নুল আবেদীনের হাতে অর্থ পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে গতকাল রবিবার বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ তাকে বগুড়া জেলার 'বেস্ট ইনভেস্টিগেটিং অফিসার' হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট শেরপুর থানার ররোয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের ৯ বছর বয়সী শিশু রাজু হোসেন নিখোঁজ হয়। বাদীর প্রতিবেশী মোত্তাকিন (২২) বিস্কুট ও চকোলেটের প্রলোভন দেখিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত মিশুক গাড়িতে করে শিশুটিকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে চুরির ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে মোত্তাকিন ও তার সহযোগী আব্দুল করিম (৪২) মিলে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানার গাবরগাড়ী গ্রামের একটি ধান ক্ষেতে শিশু রাজুকে শ্বাসরোধ করে এবং কাদার নিচে মাথা চেপে ধরে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ গুম করে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন মামলাটির দায়িত্বভার গ্রহণের পর কোনো ক্লু না থাকা সত্ত্বেও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা ও কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনা করে আসামিদের শনাক্ত করেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থেকে মূল আসামি মোত্তাকিন এবং শেরপুর থেকে আব্দুল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধান ক্ষেত থেকে শিশু রাজুর মরদেহ উদ্ধার এবং লুণ্ঠিত মিশুক গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোত্তাকিন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনায় জয়নুল আবেদীনের পেশাদারিত্ব পুলিশ বিভাগে প্রশংসিত হয়েছে এবং এরই প্রেক্ষিতে তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি (ইউডিসিসি) এর দ্বি মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় উত্তরণের অ্যাকসেস প্রকল্পের সহযোগিতায় কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম লুৎফর রহমান। প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ার রোকনুজ্জামান সভাটির পরিচালনা করেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কয়রা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম শাহাবুদ্দিন আহমেদ, কপোতাক্ষ কলেজের সাবেক অধ্যাপক আ ব ম আঃ মালেক, ইউপি সদস্য শেখ আবুল কালাম, মাসুম বিল্লাহ, এস এম শফিকুল ইসলাম, আবু হুরাইরা খোকন, হরেন্দ্রনাথ সরকার, মিজানুর রহমান কোহিনূর, সরদার নাজমুছ সাদাত, শেখ সোহরাব হোসেন, শাহানারা জামাল, মুর্শিদা খাতুন, সেলিনা আক্তার লাইলী, শিক্ষক আঃ রাজ্জাক, সমাজ কর্মী মোল্লা মনিরুজ্জামান, সানা মুনছুর রহমান, নিকাহ রেজিস্ট্রার মাওলানা ইউনুস আলী, এ্যাসিস্টেন্ট প্রজেক্ট অফিসার মেহেদী হাসান টিটু প্রমুখ।
সভায় ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ